1 Answers

উদ্দীপকে কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শের আলোকে চাঁদ মিয়ার কর্মকাণ্ডটি ছিলো মাটির বুনট পরিবর্তন। বুনট মাটির একটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য। একেক শ্রেণির মাটির বুনটের ব্যবস্থাপনা একেক রকম এবং বিভিন্ন ধরনের ফসল উপযোগী।

উদ্দীপকের চাঁদ মিয়া কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শনুযায়ী বেলে মাটিতে জৈব পদার্থ যোগ করাসহ বিভিন্ন উপায়ে মাটির বুনট পরিবর্তন করেন। কারণ বেলে মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা কম (৫%)। তাছাড়া বেলে মাটিতে শতকরা ৭০ ভাগ বা তারও বেশি বালিকণা থাকে। এ মাটিতে পলি ও কর্দম কণার পরিমাণও কম থাকে। বেলে মাটির সংযুতি দুর্বল ও সেচ বেশি লাগে। এতে জৈব পদার্থের পরিমাণও কম যা ফসল চাষের জন্য উপযোগী নয়। এ সকল কারণে চাঁদ মিয়া বেলে মাটির বুনট পরিবর্তন করে দোআঁশ মাটিতে রূপান্তর করেন। কেননা দোআঁশ মাটি ফসল চাষের জন্য উপযোগী। এর পানি ধারণ ক্ষমতা (৩৫%) ও বায়ু চলাচল ক্ষমতা মধ্যম। এতে বালি, পলি ও কর্দমকণা সমান অনুপাতে থাকে। ফলে দোআঁশ মাটিতে ফসল উৎপাদনের অনুকূল ভৌত, রাসায়নিক ও জৈবিক ধর্ম বিদ্যমান।

উপরের আলোচনা হতে বলা যায় যে, উদ্দীপকের কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শনুযায়ী চাঁদ মিয়ার কর্মকাণ্ডটি যথার্থ ছিলো।

5 views

Related Questions