1 Answers
উদ্দীপকে যে দুটি পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে সে পদ্ধতি দুটি হলো গন্ধক ও জৈবসার ব্যবহার করে ক্ষারত্ব প্রশমন। আলোচিত পদ্ধতি দুটির মধ্যে জৈবসার ব্যবহার করে ক্ষারত্ব প্রশমন পদ্ধতিটি অধিকতর উপযোগী।
মাটিতে জৈব সার প্রয়োগ করা হলে মাটির ভৌত ও রাসায়নিক গুণাগুণ উন্নত হয়। সাথে সাথে মাটির ক্ষারত্ব প্রশমন করে। ফলে বিভিন্ন ধরনের ফসল ভালোভাবে জন্মাতে পারে। গোবর সার, আবর্জনা পচা সার, সবুজ সার, ট্রাইকোডার্মা, কুইক কম্পোস্ট ইত্যাদি জৈব সার প্রয়োগ করা হলে একদিকে যেমন মাটির ক্ষারত্ব প্রশমিত হয়ে জমি চাষাবাদের উপযোগী হয়, অন্যদিকে জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পায়। এসব সার মাটির তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে ও পানি ধারণ ক্ষমতা বাড়ায়। জৈব সার মাটিতে পুষ্টি উপাদান সরবরাহ করে মাটিতে বায়ু ও পানি চলাচল স্বাভাবিক রাখে, মাটির উপকারী জীবাণু বৃদ্ধি করে এবং আয়ন বিনিময় ক্ষমতা বাড়ায়। গন্ধক ব্যবহার করা হলে তা জমিতে জিপসাম ও সালফার যুক্ত করে ফলে জমির ক্ষারকত্ব কমে। কিন্তু গন্ধক জৈব সারের মতো জমির উর্বরতা বৃদ্ধি করে না।
তাই আলোচনা থেকে বলা যায়, উদ্দীপকে আলোচিত পদ্ধতি দুটির মধ্যে দ্বিতীয় পদ্ধতিটি অধিক উপযোগী।