1 Answers
উদ্দীপকে মৎস্য কর্মকর্তা জামালকে প্রাকৃতিক খাদ্যের উপস্থিতি পরীক্ষা করে দেখতে বলেন এবং জামাল সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিলেন। মৎস্য কর্মকর্তার পরামর্শ অনুযায়ী, প্রাকৃতিক খাদ্যের উপস্থিতি নির্ণয়ের জন্য জামাল স্বচ্ছ কাচের গ্লাসে পুকুরের পানি নিয়ে সূর্যের দিকে ধরে দেখেন সেখানে পর্যাপ্ত প্লাংকটনের উপস্থিতি নেই। আবার তিনি পানিতে সেকিডিস্ক ডুবিয়ে দেখেন যে যথেষ্ট গভীরতায়ও ডিস্ক দেখা যায়। অর্থাৎ পুকুরে প্রাকৃতিক খাদ্যের অভাব রয়েছে।
জামাল তার পুকুরে প্রতিদিন নির্দিষ্ট স্থানে নির্দিষ্ট সময়ে সম্পূরক খাদ্য প্রদান করা শুরু করেন। খাদ্যগুলো পুকুরের পানির নিচে নির্দিষ্ট গভীরতায় প্রয়োগ করেন। সম্পূরক খাদ্য দিলে খাদ্যের অপচয় কম হয়। পুকুরে মাছের জন্য উদ্ভিদ ও প্রাণী প্লাংকটন জাতীয় প্রাকৃতিক খাদ্য জন্মানোর জন্য তিনি জৈব ও অজৈব সার প্রয়োগ করেন। সার প্রয়োগের ফলে বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান (যেমন- ফসফরাস, পটাশিয়াম ইত্যাদি) পানিতে মিশে। এসকল পুষ্টি উপাদান ব্যবহার করে পানিতে ফাইটোপ্লাংকটন তৈরি হয়।
উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, মৎস্য কর্মকর্তার পরামর্শে প্রাকৃতিক খাদ্যের অনুপস্থিতি নির্ণয় করে জামাল পুকুরে সম্পূরক খাদ্য, - জৈব ও রাসায়নিক সার প্রয়োগ করলেন যা সম্পূর্ণ যৌক্তিক ছিল।