1 Answers

গনি মিয়া গরুকে বিভিন্ন খাদ্য উপাদান পৃথকভাবে খাওয়াতে গিয়ে বেশ সমস্যার সম্মুখীন হলে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার শরণাপন্ন হয়। তিনি গনি মিয়াকে সরবরাহকৃত খাদ্যের সকল উপাদানের সমন্বয়ে সুষম খাদ্য তৈরির পরামর্শ প্রদান করেন।

গনি মিয়া কর্মকর্তার পরামর্শমতো সুষম খাদ্য তৈরি করে গরুকে খাবার দিতে শুরু করে। এতে গনি মিয়ার সময় বাঁচল ও শারীরিক পরিশ্রম কমল। এছাড়াও পশুদের খাদ্য প্রদানের সময় নিয়মিত হলো। নিয়মিত সুষম খাদ্য প্রদানের ফলে গরুর দৈহিক বৃদ্ধি ত্বরান্বিত হলো। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আশানুরূপ উৎপাদন পেল। তাছাড়া সে নিয়মিত খাবার সরবরাহের কারণে পশু শারীরিকভাবে সুস্থ হলো। রোগ প্রতিরোধে সক্রিয় হলো। শারীরিক গঠন ঠিক থাকার ফলে বিক্রয়ের সময় প্রত্যাশা অনুযায়ী ভালো দাম পেয়ে লাভবান হলো। গাভিগুলো থেকে অধিক পরিমাণ দুধ উৎপন্ন হলো।

উপরোক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা গনি মিয়াকে যে সুষম খাদ্য তৈরির পরামর্শ দিয়েছিল তা বাস্তবসম্মত। যা প্রয়োগের মাধ্যমে গনি মিয়া গবাদিপশু পালনে অধিক লাভবান হয়।

সুতরাং, উপজেলা কর্মকর্তার পরামর্শ গনি মিয়ার জন্য যথার্থ ছিল।

7 views

Related Questions