1 Answers

উদ্দীপকে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা দুধ উৎপাদনের পরিমাণ ও গুণগতমান বৃদ্ধির জন্য আজিমকে গাভির যত্নের কথা বলেন। দুগ্ধবতী গাভির যত্নের মধ্যে রয়েছে সঠিক খাদ্য, বাসস্থান ও রোগ ব্যবস্থাপনা কেননা এই বিষয়গুলোই গাভির শারীরিক সুস্থতা ও দুধ উৎপাদনকে প্রভাবিত করে। তাই গাভির বাসস্থান আরামদায়ক হতে হবে। গাভিকে পরিমাণমতো পানি ও খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। খামারের পারিপার্শ্বিক পরিবেশ স্বাস্থ্যসম্মত হতে হবে। বাসি খাবার কিংবা দুর্গন্ধযুক্ত খাবার পরিহার করতে হবে। গাভিকে কাঁচা ঘাসের পাশাপাশি পরিমাণমতো পুষ্টিকর দানাদার খাদ্য খাওয়াতে হবে। সঠিক সময় ও পদ্ধতিতে দুধ দোহন করতে হবে। গাভিকে অযথা বিরক্ত করা যাবে না। গাভি অসুস্থ হলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। প্রয়োজনে পশু চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক ব্যবস্থা নিতে হবে। ঠিকমতো গাভিকে গোসল করাতে হবে এবং গোয়ালঘর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। তাছাড়া গরুর জাত, খাদ্যের গুণগত মান, বয়স, দোহনকাল, দোহনের হার ও সময় প্রভৃতি বিষয়ও দুধ কম/বেশি হওয়ার জন্য দায়ী।

অতএব, বলা যায় দুধ উৎপাদনের পরিমাণ ও গুণগতমান বৃদ্ধিতে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার বক্তব্যটি যথার্থ।

4 views

Related Questions