1 Answers
বাংলাদেশের উন্নয়নের ক্ষেত্রে উদ্দীপকে উল্লিখিত 'দীপ্ত' ও 'উজ্জীবন' নামক প্রতিষ্ঠান দুটির সমন্বিতভাবে কাজ করা উচিত।
'দীপ্ত' নামক প্রতিষ্ঠানটি সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং 'উজ্জীবন' নামক প্রতিষ্ঠানটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। আর এ কারণেই বাংলাদেশের উন্নয়নে এ দুটি সংস্থার সমন্বিতভাবে কাজ করা উচিত। বেসরকারি সংস্থাসমূহকে সরকারের কাছ থেকে প্রকল্প অনুমোদন ও কর্ম এলাকা নির্ধারণ করে নিতে হয়। সরকার অনুমোদিত এনজিওসমূহের আবেদনের প্রেক্ষিতে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ অনুদান প্রদান করে। এতে করে সংস্থাসমূহের কর্মসূচি বাস্তবায়ন, নতুন কর্মসূচি গ্রহণ ও অধিক সেবা প্রদান সম্ভব হয়। আবার বেসরকারি সংস্থাগুলোর পরীক্ষামূলক প্রকল্পগুলোর সাফল্য, ব্যর্থতা, গুরুত্ব ইত্যাদি উপলব্ধি করে সরকারি পর্যায়ে সেগুলো গ্রহণ বা বর্জন করা হয়। সামাজিক উন্নয়নের বিভিন্ন কর্মসূচি যেমন: দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষা বিস্তার, স্বাস্থ্যসেবা, পরিবার পরিকল্পনা প্রভৃতি কার্যক্রমে বেসরকারি সংস্থাগুলো সরকারের কাজে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে।
সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা হিসেবে 'দীপ্ত' ও 'উজ্জীবন' নামক প্রতিষ্ঠান দুটির সমন্বিতভাবে কাজ করার সুফল উদ্দীপকেও ফুটে উঠেছে। উদ্দীপকের বর্ণনানুযায়ী ঢাকা জেলায় প্রতিষ্ঠান দুটি আলাদাভাবে কাজ করে এবং কুমিল্লা জেলায় সমন্বিতভাবে কাজ করে। পাঁচ বছর পর বিশেষজ্ঞদের মূল্যায়নে দেখা যায়, ঢাকা জেলার চেয়ে কুমিল্লা জেলার বেশি অগ্রগতি সাধিত হয়েছে।
পরিশেষে বলা যায় যে, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার সমন্বিতভাবে কাজ করার সুফল অনেক। আর এ কারণেই 'দীপ্ত' ও 'উজ্জীবন' নামক প্রতিষ্ঠান দুটির সমন্বিতভাবে কাজ করা উচিত।