1 Answers
উদ্দীপকের রাহাত বাবা-মার সাথে সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জে বেড়াতে গিয়ে খাসিয়া ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্যদের দেখতে পেয়েছে। পাঠ্যবইয়ে প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী আমরা জানি, খাসিয়া ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্যরা সিলেট বিভাগের বিভিন্ন জেলার (হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সিলেট) পাহাড়ি এলাকাতে বসবাস করেন। তারা তাদের গ্রামকে 'পুঞ্জি' এবং গ্রামপ্রধানকে 'মন্ত্রী' বলেন। সিলেট জেলায় খাসি পুঞ্জির সংখ্যা আটটি, সুনামগঞ্জে একটি, হবিগঞ্জে দুইটি এবং মৌলভীবাজারে ষাটটি। এছাড়া খাসিয়া ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীকে ছয়টি গোত্রে ভাগ করা হয়। যথা- (১) দিয়েংগা, (২) যাপাং, (৩) খার, (৪) খাইরিয়েম, (৫) উয়াহালাং এবং (৬) রাংবাহ। প্রতিটি গোত্র আবার বেশ কিছু উপ-গোত্রে বিভক্ত। উপ-গোত্রগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- লুখী, মাওফ্লাং, খংলা, লামিন, সুয়েট, খংস্টিয়া, থির্সং, পাপাং, তালাং ইত্যাদি।
উদ্দীপকের রাহাত বাবা-মার সাথে সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জ জেলায় বেড়াতে গিয়ে যে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্যদের দেখতে পেয়েছে, তারাও ছয়টি গোত্রে বিভক্ত এবং তাদের প্রত্যেক গ্রামেই একজন গ্রামপ্রধান রয়েছেন, যাকে তারা 'মন্ত্রী' নামে সম্বোধন করেন। তারা হবিগঞ্জের পাশাপাশি সিলেট বিভাগের অন্য জেলাগুলোতেও বাস করেন। আর এ বিষয়গুলো পূর্বে বর্ণিত খাসিয়া নৃগোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্যের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
সুতরাং আমরা বলতে পারি যে, উদ্দীপকের রাহাত হবিগঞ্জে খাসিয়া ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্যদের দেখতে পেয়েছে।