1 Answers

সালাতের ধর্মীয় গুরুত্বের আলোকে বলা যায়, পরকালে হাফিজুর রহমানের পরিণতি অত্যন্ত ইতিবাচক হবে। আল্লাহর ইবাদতসমূহের মধ্যে সালাত সর্বোত্তম ইবাদত। এই ইবাদতের জন্য আখিরাতে সাফল্য অনিবার্য। প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করার মধ্য দিয়ে আল্লাহর প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করা হয়। ফলে আল্লাহ তায়ালা বান্দার প্রতি খুশি হন এবং এর জন্য বান্দা আখিরাতে অবশ্যই উত্তম প্রতিদান লাভ করবে।

হাফিজুর রহমান তার এলাকার মসজিদে নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করেন। এর ফলে তিনি আখিরাতে চিরসুখের দেখা পাবেন এবং সফল হবেন। সালাত আদায়ের ফলে আখিরাতে সফলতার এই বিষয় কুরআন-হাদিস দ্বারাই প্রমাণিত। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন- “মুমিনেরা সাফল্য লাভ করেছে, যারা তাদের সালাতে বিনয়ী ও নম্র (সুরা আল-মুমিনুন: ১-২)।" আবার, রাসুলুল্লাহ (স) বলেছেন, 'যে ব্যক্তি সালাত হিফাযত করে, কিয়ামতের দিন তার জন্য সালাত হবে জ্যোতি, তার হিদায়াতের দলিল এবং মুক্তির উপায়।'

কুরআন-হাদিসের এসব বাণীর আলোকে সালাত আদায়কারীর আখিরাতে পুরস্কার লাভ করার বিষয়টি সুনিশ্চিত রূপে প্রতীয়মান হয়।

উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, সালাত আদায়ের জন্য হাফিজুর রহমান পরকালে সর্বোচ্চ সফলতা ও পুরস্কার অর্জন করবেন।

5 views

Related Questions