1 Answers
উদ্দীপকের হাফিজুর রহমান আল কুরআনের বিধান অনুসরণ করেন না। এজন্য তাকে ইহলৌকিক ও পারলৌকিক উভয় জীবনে করুণ পরিণতির শিকার হতে হবে। মহাগ্রন্থ আল কুরআনের অনুসরণের মধ্যেই আমাদের প্রকৃত কল্যাণ নিহিত রয়েছে। পক্ষান্তরে আল কুরআনের নির্দেশিত পথ থেকে বিচ্যুত হলে জীবনে নেমে আসে চরম অশান্তি। আবার পরকালীন জীবনেও এর জন্য কঠোর শাস্তি পেতে হবে। উদ্দীপকের হাফিজুর রহমানকেও তাই তার অন্যায় কৃতকর্মের জন্য শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে।
আল্লাহ তায়ালা আল কুরআনের সুরা বনি ইসরাইলের ১৫ নং আয়াতে বলেছেন, 'যে হেদায়েতের পথে চলবে, তা হবে তার নিজের জন্য কল্যাণকর, আর যে ভ্রান্ত পথে চলবে, তার গোমরাহির জন্য সে নিজেই দায়ী।' হাফিজুর রহমানও ভ্রান্ত পথে আছেন এবং এর জন্য তিনি নিজেই দায়ী। তিনি সালাত আদায়ে অস্বীকৃতি জানান, যা কুফরের সামিল। আর কুফরের জন্য তিনি আখিরাতে চিরস্থায়ী ধ্বংসের সম্মুখীন হবেন। কুরআনে বলা হয়েছে- 'আর যারা কুফরি করবে এবং আমার নিদর্শনসমূহকে অস্বীকার করবে তারাই জাহান্নামের অধিবাসী। সেখানে তারা চিরদিন থাকবে।' (সুরা আল বাকারা-৩৯) তাছাড়া অন্যায় পথে চলার জন্য তিনি পার্থিব জীবনেও সুখ পাবেন না। তার সংসারে বিদ্যমান অশান্তিই এর বাস্তব প্রমাণ। সুতরাং দেখা যাচ্ছে, কুরআন নির্দেশিত পথে না চললে ইহলৌকিক ও পারলৌকিক কোনো জীবনেই হাফিজুর রহমান শান্তি পাবেন না।
পরিশেষে বলা যায়, হাফিজুর রহমানের উচিত আল কুরআনের আলোয় নিজেকে আলোকিত করা। তাহলেই তিনি দুনিয়ায় শান্তি পাবেন এবং আখিরাতের মহাশাস্তি থেকে রক্ষা পাবেন।