1 Answers

হাফিজুর রহমানের চরিত্রের নেতিবাচক দিকগুলো দূরীকরণে আল কুরআনের বিধান অনুসরণের কোনো বিকল্প নেই। আল কুরআন সর্বাধিক মর্যাদাসম্পন্ন পবিত্র গ্রন্থ। এটি মানবজাতির সঠিক পথের দিশাস্বরূপ। এর পঠন ও অনুসরণ মানুষকে সিরাতুল মুসতাকিমের (সঠিক ও সুন্দর) পথে পরিচালিত করে। ফলে মানুষ চিরসত্য, শাশ্বত ও সুন্দর পথের দেখা পায়। সুতরাং আল কুরআনের আলোয় আলোকিত হলে উদ্দীপকের হাফিজুর রহমানও সঠিক পথের দিশা পাবেন।

ইসলাম অনুমোদন দেয় না এমন কিছু অন্যায়ের সাথে হাফিজুর রহমান জড়িত। তিনি অবৈধ পথে উপার্জন করেন, সালাত আদায়ে অস্বীকৃতি জানান এবং পরিবারের প্রতি তার কর্তব্যও পালন করেন না। এ থেকে বোঝা যায়, তিনি সঠিক পথে নেই। আল কুরআন মানুষের ব্যক্তিগত জীবনের এরূপ সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করেছে। কুরআনে প্রথমেই ব্যক্তিকে কুফর, শিরক, পৌত্তলিকতা (মূর্তিপূজা) প্রভৃতি অসার বস্তুতে বিশ্বাস বর্জন করে তাওহিদ, (আল্লাহর একত্ববাদ) রিসালাত ও আখিরাতে (মৃত্যুর পরবর্তী জীবন) দৃঢ় বিশ্বাস স্থাপনের আহ্বান জানানো হয়েছে। এ বিশ্বাস মানুষকে সব প্রকার অন্যায় কাজ থেকে দূরে রাখে।তাছাড়া পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সর্বাত্মক সহযোগিতার মনোভার প্রতিষ্ঠার জন্য কুরআন যথাযথ নির্দেশ প্রদান করেছে। সুরা বনি ইসরাইলের ২৮নং আয়াতে বলা হয়েছে- 'আর নিকট- আত্মীয়দের তার হক দিয়ে দাও।' আবার বলা হয়েছে- 'হে মুমিনগণ! তোমরা নিজেদের এবং তোমাদের পরিজনদের আগুন থেকে রক্ষা কর।' (সুরা আত-তাহরীম আয়াত-৬) সুতরাং দেখা যাচ্ছে, হাফিজুর রহমান কুরআনের নির্দেশিত পথ অনুসরণ করলে সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ জীবনযাপন করতে পারবেন এবং তার সব সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।

5 views

Related Questions