1 Answers

উদ্দীপকে সালাতের আধ্যাত্মিক গুরুত্বের একটি দিক অর্থাৎ সালাতের মাধ্যমে খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকার দিকটির প্রতিফলন ঘটেছে। সালাত আনুষ্ঠানিক ও দৈহিক ইবাদত হলেও এর মূল আবেদন দৈহিক বা আনুষ্ঠানিক নয়। বরং সালাতের আধ্যাত্মিক গুরুত্বই বেশি তাৎপর্যপূর্ণ। সালাত আত্মিক প্রশান্তি লাভ, আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ, আত্মশুদ্ধি, নৈতিক দৃঢ়তা অর্জন, সব সৃষ্টির সাথে আত্মিক সম্পর্ক সৃষ্টি প্রভৃতি আধ্যাত্মিক গুরুত্ব বহন করে, যা উদ্দীপকে অনুপস্থিত।

সালাত মানুষকে অশালীন ও অন্যায় কাজ থেকে বিরত রাখে। উদ্দীপকে সালাতের আধ্যাত্মিক গুরুত্বের এ দিকটিই কেবল লক্ষণীয়। এটি ছাড়াও আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে আত্মিক প্রশান্তি লাভের সুযোগ সৃষ্টি হয় সালাত আদায়ের মধ্য দিয়েই। সালাতের মাধ্যমে মানবাত্মা আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ করে। ফলে তার মধ্যে সব অস্থিরতা দূরীভূত হয় এবং শান্তি সৃষ্টি হয়। আবার সালাত মানুষকে সুন্দরতম নৈতিক চরিত্রের অধিকারী করে তোলে। ফলে নৈতিক স্খলন ঘটার সম্ভাবনা কম থাকে। তাছাড়া মানুষ নিয়মিত সালাত আদায়ের মাধ্যমে পৃথিবীর সব সৃষ্টির সাথে একটা অদৃশ্য, আত্মিক ও আধ্যাত্মিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারে। উদ্দীপকে এ বিষয়গুলো আলোচিত হয়নি।

ওপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, উদ্দীপকটিতে সালাতের আধ্যাত্মিক গুরুত্বের খণ্ডচিত্র উপস্থাপিত হয়েছে।

4 views

Related Questions