1 Answers
উদ্দীপকে সাওমের সামাজিক গুরুত্বের প্রতিফলন ঘটেছে। সাওমের সামাজিক গুরুত্ব অপরিসীম। বিশেষ করে সাওম পালনের মধ্য দিয়ে বিত্তবান মানুষদের মনে বিত্তহীনদের জন্য প্রবল ভালোবাসা ও অনুভূতি সৃষ্টি হয়। ফলে সমাজের বিত্তহীন দরিদ্র- অসহায় মানুষগুলোর কষ্ট অনুধাবন করে তারা তাদের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। এভাবে সমাজের দরিদ্র শ্রেণি সাওমের মাধ্যমে উপকৃত হয়।
উদ্দীপকের সাওমের সামাজিক গুরুত্বের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে। বিত্তশালী আরিফুল ইসলাম পূর্বে সাওম পালন করতেন না। এবার সাওম পালন করতে গিয়ে তিনি গরিব মানুষদের খাওয়ার কষ্ট অনুধাবন করতে পেরেছেন। এর ফলে তিনি গরিবদের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়ে দান-খয়রাতের পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছেন। এ ঘটনায় সাওমের মাহাত্ম্য আমরা সহজেই উপলব্ধি করতে পারি। রাসুলুল্লাহ (স) এজন্যই বলেছেন, 'আর (রমজান মাস হলো) সহানুভূতি ও সহমর্মিতার মাস (মিশকাত)।' সাওমের মাধ্যমেই আরিফুল ইসলামের মতো ধনী মানুষগুলো দরিদ্র শ্রেণির মানুষের ক্ষুধার কষ্টের তীব্রতা সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা লাভ করেন। ফলে তাদের মনে সমাজের দরিদ্র মানুষের জন্য গভীর সহানুভূতি জাগ্রত হয়। সাওমের সামাজিক গুরুত্বের এ দিকটিই উদ্দীপকের আরিফুল ইসলামের মাধ্যমে বাস্তব রূপ লাভ করেছে।