1 Answers

জনাব মুহাইমিনুলের এরূপ আচরণের পরিণতি হবে ভয়াবহ। যেহেতু জনাব মুহাইমিনুল হজের ন্যায় ফরজ ইবাদত অস্বীকার করায় কাফির হয়ে গেল। কাজেই কাফিরের স্থান চিরস্থায়ী জাহান্নাম। মহানবি (স) ইরশাদ করেন, যার ওপর হজ ফরজ হয়েছে সে যদি হজ না করে তাহলে আমি বলতে পারি না সে ইসলামের আদর্শের ওপর মৃত্যু বরণ করল কি না? (বুখারি)।

রাসুল (স) আরও বলেন, আমার ইচ্ছে হয় এই সব শহরগুলোতে লোক পাঠিয়ে খবর নেই। তার পর সেসব লোকদের ওপর জিযিয়া কর ধার্য করি যারা সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও হজ পালন করছে না। তারা মুসলিম নয়, তারা মুসলিম নয় (বুখারি)।

ওপরের হাদিসে রাসুলুল্লাহ (স) সুযোগ থাকা সত্ত্বেও যারা হজ করে না তাদের একাধিকবার অমুসলিম বলেছেন। কিন্তু যারা হজকে অস্বীকার করে তাদের অবস্থা কীরূপ হবে তা সহজেই অনুমেয়।

এ প্রসেঙ্গ মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন-

وَلِلَّهِ عَلَى النَّاسِ حِجُّ الْبَيْتِ مَنْ اسْتَطَاعَ إِلَيْهِ سَبِيلًا . وَمَنْ كَفَرَ فَإِنَّ اللَّهَ غَنِيٌّ عَنِ الْعَالَمِينَ 

অর্থ: আল্লাহর জন্য বায়তুল্লাহর হজ করা এমন মানুষের ওপর ফরজ করা হয়েছে যার ঐ পর্যন্ত পথ অতিক্রমের ক্ষমতা রয়েছে। আর কেউ অস্বীকার করলে তার জেনে রাখা উচিত, আল্লাহ বিশ্বজগতের মুখাপেক্ষী নন (আলে ইমরান: ৯৭)।

ওপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি, হজ অস্বীকার করে জনাব মুহাইমিনুল কাফির হয়ে গেছেন। আর কুরআনের ভাষায় বলা যায় যারা কাফির পরকালে তাদেরকে ভয়াবহ পরিণতির  সম্মুখীন হতে হবে।

5 views

Related Questions