1 Answers
জনাব মুহাইমিনুলের এরূপ আচরণ কাফিরের আচরণের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
সালাত ও সাওমের ন্যায় হজও একটি মৌলিক ফরজ ইবাদত। মানুষকে শ্রম ও অর্থ উভয় দিয়েই আল্লাহর ইবাদত করতে হয়। এটি আল্লাহর নির্দেশ আর এ নির্দেশ না মানলে সে কাফির বলে গণ্য হবে। মুহাইমিনুলের আচরণে এ বৈশিষ্ট্য লক্ষণীয়।
উদ্দীপকে আমরা দেখতে পাই, জনাব মুহাইমিনুল একজন কৃপণ স্বভাবের মানুষ। শারীরিক ইবাদত করলেও অর্থনৈতিক ইবাদত করতে তিনি রাজি নন। যে সব ইবাদতে টাকা পয়সা খরচ করতে হয় তাতে তিনি নেই। এজন্য দান-খয়রাত, জাকাত, হজ ইত্যাদি অর্থনৈতিক ইবাদতে তার চরম অনীহা এবং অস্বীকৃতি। তার এ আচরণ কুফরের অন্তর্ভুক্ত। শরীর ও সম্পদ উভয়ই মহান আল্লাহর প্রদত্ত নিয়ামত। মানুষের কাছে এগুলো আল্লাহর আমানত। কাজেই মহান আল্লাহ যখন আমানত ফেরত চাইবেন তখন অবশ্যই আমানত গ্রহীতাকে তা ফেরত দিতে হবে। অন্যথায় তিনি খিয়ানতকারীরূপে গণ্য হবেন। আর একমাত্র কাফিরই এই আমানতের বিষয়টি অস্বীকার করে। কোনো মুসলিমের পক্ষে এটি অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। সুস্থ, প্রাপ্ত বয়স্ক এবং প্রয়োজনীয় অর্থ সংগতি আছে এমন মুসলিমদের ওপর আল্লাহ হজ ফরজ করেছেন। কিন্তু মুহাইমিনুল ইসলামের এ বিধানগুলো অস্বীকার করায় সে কাফির বলে গণ্য হবে।