1 Answers

জনাব আরমানের জাকাত দিতে অস্বীকার করা পবিত্র কুরআনের আলোকে এরূপ আচরণ মুশরিক ও কাফিরদের আচরণের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

ইসলামের যেকোনো ফরজ বিধান অস্বীকার করা কুফর। সাওম পালন করা ইসলামের একটি ফরজ বিধান। এই বিধান পালন না করা কবিরা গুনাহ। আরমানের আচরণে এই ফরজ বিধানটি অস্বীকার করার দৃষ্টান্ত দৃষ্টিগোচর হয়।

জাকাত ফরজ হওয়ার পরও জনাব আরমান জাকাত দিতে অস্বীকার করেন। কারণ জাকাতকে তিনি সরকার আরোপিত আয়কর হিসেবে মনে করেন। মূলত তার এরূপ ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। জাকাত আর আয়কর সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি জিনিস। জাকাত ইসলামের পাঁচটি মৌলিক স্তম্ভের অন্যতম একটি স্তম্ভ। সালাতের পরই এর স্থান। পবিত্র কুরআনের যত স্থানে সালাতের কথা বলা হয়েছে তত স্থানে জাকাতের কথাও বলা হয়েছে। জাকাত দরিদ্রদের হক এবং এটি শর্ত সাপেক্ষে ধনীদের ওপর ফরজ হয়। অন্যদিকে, আয়কর এবং অন্যান্য কর রাষ্ট্রের বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে ব্যয় হয়। ধনী-গরিব প্রতিটি মানুষই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে রাষ্ট্রকে কর দিয়ে থাকে। জাকাত মহান আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত একটি ফরজ ইবাদত। পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন- অর্থ: 'মুশরিকদের জন্য ধ্বংস, যারা জাকাত আদায় করে না এবং তারাই আখিরাত অস্বীকারকারী, অর্থাৎ কাফির। 'আয়াতে জাকাত আদায়ে অস্বীকারকারীদের মুশরিক এবং কাফির বা পরকালে অবিশ্বাসীরূপে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

সুতরাং দেখা যায়, জনাব আরমানের কাজ আল্লাহ ঘোষিত মুশরিক ও কাফিরদের কাজেরই পর্যায়ভুক্ত।

5 views

Related Questions