1 Answers
উদ্দীপকে ইনকিউবেটর যন্ত্র দিয়ে ডিম ফুটানোর বা বাচ্চা উৎপাদনের পদ্ধতির কথা বলা হয়েছে।
এই পদ্ধতিতে বাচ্চা উৎপাদনের বিবেচ্য বিষয়গুলো নিম্নরূপ-
i. তাপমাত্রা: ডিম বসানোর প্রথম দুই সপ্তাহে কেরোসিন ইনকিউবেটরে ৩৮.৩০-৩৯.৫° সে. এবং তৃতীয় সপ্তাহে ৩৮.৬০ সে. তাপমাত্রা এবং বৈদ্যুতিক ইনকিউবেটরে প্রথম ১৮ দিন ৩৭.৫° সে. এবং পরবর্তী তিন দিন ৩৭০ সে. তাপমাত্রা রাখতে হবে।
ii. আর্দ্রতা: প্রথম ১৮ দিন আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৫০%-৬০% এবং শেষের তিন দিন ৬৫%-৭০% রাখতে হবে।
iii. ডিম ঘুরানো: দিনে ৮ বার অর্থাৎ তিন ঘণ্টা পর পর ডিম ঘুরাতে হবে।
iv. ডিম বসানো: ডিম ফুটানোর ট্রে-তে ডিমের সরু অংশ নিচে ও মোটা অংশ উপরে দিয়ে ৪৫° কোণে বসাতে হবে।
V. ডিম পরীক্ষা করা: সপ্তম দিনে টর্চ লাইট বা বৈদ্যুতিক বাল্ব দ্বারা ডিম পর্যবেক্ষণ করতে হবে। যদি ডিমের মাঝখানে ও প্রান্তে বেশি রক্ত নালিকা দেখা যায়, তবে বুঝতে হবে ভ্রূণের বৃদ্ধি হচ্ছে। ১৪তম দিনে পুনরায় পরীক্ষা করতে হবে। ডিমের মধ্যে ভ্রূণের বৃদ্ধির জন্য অক্সিজেন গ্রহণ ও কার্বন ডাই অক্সাইডের নির্গমন প্রয়োজন। সেজন্য ইনকিউবেটরে বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা রাখতে হবে।
vi. সেটিং ট্রে থেকে হ্যাচিং ট্রে-তে ডিম স্থানান্তর: ডিম সেটিং ট্রে (Setting tray)-তে বসানোর পর ১৯তম দিনে হ্যাচিং ট্রে (Hatching tray)-তে স্থানান্তর করতে হবে।
vii. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা: প্রতিবার বাচ্চা ফোটানোর আগে ও পরে ইনকিউবেটর জীবাণুনাশক ওষুধ (প্রতি ১০০ ঘনফুট আয়তনের জন্য ৮০ সিসি ফরমালিনের সাথে ৪০ গ্রাম পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট) মিশ্রিত পানি দিয়ে ফিউমিগেশন (Fumigation) করতে হবে।
অর্থাৎ, ইনকিউবেটরের মাধ্যমে ডিম থেকে বাচ্চা ফুটানোর জন্য উল্লিখিত বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখতে হবে।