1 Answers
সাইদুল যুব উন্নয়ন কেন্দ্র থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে পোল্ট্রি খামার স্থাপন করে।
যেকোনো খামারকে লাভজনক করতে হলে প্রয়োজন সুষ্ঠু পরিকল্পনা এবং আধুনিক প্রযুক্তি ও কলা-কৌশলের ব্যবহার। পোল্ট্রি খামার স্থাপনে বিবেচ্য বিষয়গুলো আলোচনা করা হলো-
i. মূলধন: খামারের ধরন, আয়তন প্রভৃতি বিষয়ের উপর নির্ভর করে মূলধনের পরিমাণ।
ii. জমি: খামারের জন্য নিজস্ব জমি হলে ভালো হয়। তবে জমি লিজ নেওয়ার মাধ্যমেও খামার স্থাপন করা যায়।
iii. খামারের অবস্থান: খোলামেলা, আলো-বাতাসপূর্ণ, বন্যামুক্ত উঁচু এলাকা যেখানে সামাজিক নিরাপত্তা ভালো ও উৎপাদিত পণ্যের চাহিদা আছে এমন জায়গায় খামার স্থাপন করা ভালো।
iv. যোগাযোগ ব্যবস্থা: শহরে বা বড় বাজারের সাথে ভালো যোগাযোগ ব্যবস্থা ও যানবাহন আছে এমন স্থানে খামার স্থাপন করতে হবে।
V. শ্রমিকের প্রাপ্যতা: খামারের অবস্থান এমন হবে যেখানে শ্রমিক সহজলভ্য ও শ্রমমূল্য কম।
vi. বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থা: খামারে পর্যাপ্ত পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা থাকতে হবে।
vii. বাসস্থান নির্মাণ: খামারের স্থায়িত্বের উপর নির্ভর করে বাসস্থান তৈরি করতে হয়। স্থায়ী হলে ইটের তৈরি এবং অস্থায়ী/স্বল্পস্থায়ী হলে বাঁশ/কাঠের বেড়া দিয়ে বাসস্থান তৈরি করা হয়।
viii. জাত নির্বাচন ও বাচ্চা সংগ্রহ: সরকারি বা বেসরকারি হ্যাচারি থেকে উন্নত জাতের বাচ্চা সংগ্রহ করা উচিত।
ix. রোগব্যাধির প্রতিকার ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা: পোল্ট্রির রোগবালাই দমনের প্রতিরোধ ও প্রতিকার ব্যবস্থা ও জৈব নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে।
X. উৎপাদিত পণ্যের বাজারজাতকরণ: খামারে উৎপাদিত পণ্যের বাজারজাতকরণের সুবন্দোবস্ত করতে হবে।
xi. আয়-ব্যয়ের হিসাব সংরক্ষণ: খামার সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য খামারের আয়-ব্যয়ের হিসাব সংরক্ষণ অত্যন্ত জরুরি।
পরিশেষে বলা যায়, খামার লাভজনক করতে হলে পোল্ট্রির আদর্শ প্রতিপালন ব্যবস্থা অনুসরণ করতে হবে।