1 Answers

উদ্দীপকে উল্লিখিত সমস্যাটি তথা ইভ টিজিং প্রতিরোধে অনেকগুলো করণীয় বিষয় রয়েছে। ইভ টিজিং প্রতিরোধে এর সত্যিকারের উৎস খুঁজে বের করে পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয়ভাবে উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। প্রয়োজনীয় আইন কাঠামোর সীমাবদ্ধতা দূর করে সব পর্যায়ের সমন্বিত সুসংহত উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। যে সকল পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে ইভ টিজিং প্রতিরোধ করা যেতে পারে তা হলো:

১. সন্তানের বেড়ে ওঠা এবং সামাজিকীকরণে পরিবারের যথাযথ ভূমিকা পালন করা, ২. ধর্মীয় মূল্যবোধ, সুনীতি ও আদর্শ প্রতিষ্ঠা, ৩. সামাজিক আন্দোলন ও প্রতিরোধ জোরদার করা, ৪. ইভ টিজারদের সামাজিকভাবে বয়কট করা ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া, ৫. মোবাইল ফোন, ইন্টারনেট ও মুক্ত আকাশ সংস্কৃতির ওপর কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপ ও নিয়ন্ত্রিত ব্যবহার নিশ্চিত করা, ৬. সামাজিক মূল্যবোধ ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় সামাজিক প্রতিষ্ঠানসমূহের কার্যকর ভূমিকা পালন নিশ্চিত করা, ৭. নারীর প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলা, ৮. সুস্থ বিনোদন ও সুস্থ সংস্কৃতির চর্চা বৃদ্ধি করা, ৯. নারীদের শালীন পোশাক পরিধানের মানসিকতা তৈরি করা এবং শালীনভাবে চলাচল করা, ১০. সর্বত্র অশ্লীলতা, যৌন বিকার, কুরুচিপূর্ণ সাহিত্য, চলচ্চিত্র ও অপসংস্কৃতির আগ্রাসন রোধ করা, ১১. স্থানীয় প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার তৎপর ভূমিকা পালন করা, ১২. বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে আলস্য, আড্ডাবাজি ও খারাপ সঙ্গ থেকে দূরে রাখা, ১৩. ইভ টিজিং তথা যৌন হয়রানি রোধে পৃথক আইন পাসসহ তা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন এবং জনসমক্ষে সরাসরি প্রচারের ব্যবস্থা করা।

অতএব নারীর মর্যাদা ক্ষুন্নকারী গর্হিত কাজ ইভ টিজিং প্রতিরোধে উপর্যুক্ত বিষয়সমূহ যথাযথভাবে সমাজে ও রাষ্ট্রে প্রয়োগ করার মাধ্যমে এটা প্রতিরোধ করা সম্ভব।

5 views

Related Questions