1 Answers
উদ্দীপকে দীপু তার বন্ধু মহনের কাছ থেকে মাছ কিনে ঢাকায় বাজারজাত করে।
বাজারজাতকরণের উদ্দেশ্যে উৎপাদনকৃত মাছ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নেওয়াকে পরিবহন বলে। মাছ পচনশীল দ্রব্য হওয়ায় পরিবহনের সময় কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা আবশ্যক। মাছ পরিবহনকালীন বিবেচ্য বিষয়গুলো নিম্নে উল্লেখ করা হলো-
১. মাছ পরিবহনকালে রোদ, বৃষ্টি এবং বিভিন্ন সংক্রমণ হতে মাছকে রক্ষা করার সুবিধাদি থাকতে হবে।
২. পরিবহন যানের ফিস হোল্ডারের সকল দেয়াল পানি নিরোধক ও তাপ অপরিবাহী হতে হবে।
৩. পরিবহনকালে এমনভাবে মাছ সংরক্ষণ করতে হবে যেন থেঁতলে না যায়।
৪. পরিবহনকালে তাজা মাছ বরফ করে ৫° সে. তাপমাত্রার নিচে শীতল অবস্থায় রাখতে হবে।
৫. রেফ্রিজারেটেড ক্যারিয়ারে তাজা মাছ পরিবহনকালে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এরূপ হতে হবে যাতে মাছের তাপমাত্রা ১৮০ সে. হতে ২০ সে. এর মধ্যে উঠানামা করে।
৬. মাছ পরিবহনকালে রক্ষিত বাক্স, ব্যারেল বা ডেক-হোল্ড, পেন বোর্ড, শেলফ-বোর্ড পরিষ্কার ও সংক্রমণমুক্ত রাখতে হবে।
উল্লিখিত বিষয়গুলোর সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে গুণগতমান অক্ষুণ্ণ এক রেখে মাছ পরিবহন করা সম্ভব।