1 Answers

উদ্দীপকে উল্লেখিত আল কুরআনের আয়াতটি ইসলামি শরিয়তের চতুর্থ উৎস কিয়াসের প্রতি ইঙ্গিত করে। মূল আইন যে যুক্তি বা ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত সে যুক্তির আলোকে জীবন ও সমাজে উদ্ভূত নতুন নতুন সমস্যা সমাধানে আল্লাহর নির্দেশিত পদ্ধতিই কিয়াস। কুরআন-মাজিদে কিয়াসের স্বীকৃতি রয়েছে। ইসলামি আইনের উৎস হিসেবে কিয়াস নতুন কিছু নয়। রাসুল (স)-এর যুগেই কিয়াসের উৎপত্তি ও বিকাশ ঘটে। তিনি নিজে কিয়াস করার জন্য সাহাবিদের বিশেষ উৎসাহ দিয়েছেন। তাঁর ইন্তেকালের পর সাহাবিরা কিয়াসের স্বাধীন প্রয়োগের মাধ্যমে একে ইসলামি আইনের চতুর্থ উৎস হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। আল্লাহ তায়ালা বলেন- হে চক্ষুষ্মানগণ, তোমরা শিক্ষাগ্রহণ কর (সুরা আল-হাশর: ২)। উদ্দীপকের আলেমের তিলাওয়াতকৃত আয়াতটিতেও এ কথাই বলা হয়েছে।

উদ্দীপকের উল্লেখিত বিজ্ঞ আলেমের কাছে মুনাফ নামের ব্যক্তি জমি লিজ সংক্রান্ত বিধানের ব্যাপারে জানতে গেলে তিনি উল্লিখিত আয়াতটি তিলাওয়াত করে শোনান। নতুন কোনো সমস্যা সমাধানের বিধান বৈধ নাকি অবৈধ তা নির্ধারণ করা হয় কিয়াসের মাধ্যমে। উদ্ভূত সমস্যাকে 'আছল' এর সাথে তুলনা করে উপযুক্ত ইল্লতের মাধ্যমে সেই নতুন বিষয়ে হুকুম দেওয়া হয়। এভাবে কিয়াসের মাধ্যমে উদ্ভূত নতুন নতুন সমস্যার বৈধতা সম্পর্কে জানা যায়।

10 views

Related Questions