1 Answers
উদ্দীপকে 'ক' দেশটিতে শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ইসলামি শরিয়তের তৃতীয় উৎস তথা ইজমার প্রভাব রয়েছে। কোনো দেশে অথবা সমাজে যদি নবোদ্ভাবিত বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিতে গিয়ে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়ে তাহলে কুরআন ও হাদিসের আলোকে ইজমার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত দিতে হয়। বর্তমান সময় যেহেতু রাসুল বা সাহাবিদের যুগ নয়। তাই এ সময় ইজমাভিত্তিক সিদ্ধান্ত দিতে হলে শরিয়ত সম্পর্কে অভিজ্ঞ আলিমদের পরামর্শ নিতে হবে। উদ্দীপকেও এর বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।
'ক' দেশের ধর্মীয় নেতা রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে বিভ্রান্তি দেখা দিলে ইজমার ভিত্তিতে তার সমাধান দেন। সেক্ষেত্রে অভিজ্ঞ আলিমগণকে ইজমা প্রদানের জন্য প্রাধান্য দেওয়া হয়। এটি ইজমাভিত্তিক রাষ্ট্র পরিচালনার দৃষ্টান্ত। এভাবে রাষ্ট্র পরিচালনার ফলে দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কুরআন ও হাদিসের ভিত্তিতে পরিচালিত দেশে শান্তি বিরাজ করে। 'ক' দেশে ইজমাভিত্তিক সিদ্ধান্ত গৃহীত হওয়ায় মূলত কুরআন ও হাদিসের দৃষ্টান্তই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সুতরাং উদ্দীপকে 'ক' দেশটি ঐকমত্যের ভিত্তিতে পরিচালিত হওয়ায় সে দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যা ইজমা বাস্তবায়নেরই দৃষ্টান্ত।