1 Answers
ইমাম সাহেবের বক্তব্য সম্পূর্ণ সঠিক। ইসলামি রাষ্ট্রের মজলিশে শুরা হলো রাষ্ট্র গঠনের অনিবার্য উপাদান। রাষ্ট্রপ্রধান দেশশাসন ও আইন প্রণয়নের সব কাজে মজলিশে শুরার পরামর্শ গ্রহণ করেন। এ কারণে মজলিশে শুরার সদস্যদের তাকওয়ার অধিকারী হওয়া আবশ্যক ও এটাই সকল গুণের উৎস। কেননা ইসলামে তাকওয়া এমন একটি মহৎ ও সুবিশাল গুণাগুণ যার ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়ে যে কোনো ব্যক্তি সর্বোচ্চ ন্যায়নীতিবান হতে পারে। যেহেতু আদনান সাহেব এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন আছেন যে পদের দায়িত্ব ও কর্তব্য অত্যন্ত কঠিন ও বিশাল। মজলিশে শুরার সদস্য যদি তাকওয়ার অধিকারী না হয় তাহলে তার পক্ষে যে কোনো ধরনের অন্যায় করা সহজ হবে।
এ কারণে ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থায় মজলিশে শুরার সদস্যদের তাকওয়ার অধিকারী হবার প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। যদি একজন মজলিশে শুরার সদস্য তাকওয়ার অধিকারী হন তাহলে তিনি কোনো অন্যায় করতে পারবেন না। তিনি কোনো অবিচার, দুর্নীতি, অনাচার, শোষণ করতে পারেন না। তাকওয়া তথা আল্লাহভীতি এমন একটি গুণ যে ব্যক্তি অন্যায় করার সুযোগ পাওয়া সত্ত্বেও করে না। কারণ সে মনে করে আমার দুর্নীতি পৃথিবীর কোনো মানুষ না দেখলেও আল্লাহ তাকে দেখছেন। এভাবে তিনি অন্যায় কাজ করার সাহস পান না। উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে প্রতীয়মান হয় যে, তাকওয়াই অন্যান্য সকল গুণের উৎস।