1 Answers
হ্যাঁ, ইমাম সাহেবের উক্তিটি যথার্থ এবং বাস্তবসম্মত। সৎকাজের আদেশ দ্বারা শুধু সৎকাজ করার প্রতি আদেশকেই বোঝায় না, বরং পর্যায় অনুযায়ী আদেশ, নির্দেশ, অনুরোধ, অনুপ্রাণিতকরণ, আহ্বান করা, উদ্বুদ্ধকরণ, উপদেশ দান নসিহত করা ইত্যাতিকে বোঝায়। পিতা-মাতা তাদের সন্তানদের সৎকাজের আদেশ করবেন। সমবয়সী, বন্ধু-বান্ধব ও ছোটরা অনুরোধ করবে। কর্তৃপক্ষ অধীনস্তদের নির্দেশ দেবে। উলামায়ে কিরাম নসিহত করবেন, উদ্বুদ্ধ করবেন, অনুপ্রাণিত করবেন। এসবই সৎকাজের আদেশ। পক্ষান্তরে অসৎকাজ হতে নিষেধ বলতে বোঝায় পর্যায় অনুযায়ী অসৎকাজে বাধাদান। না করতে বাধ্য করা, অনুরোধ করা, না করার নির্দেশ প্রদান বোঝানোর মাধ্যমে অসৎকাজ থেকে ফিরিয়ে রাখা ইত্যাদি। সামাজিক নিরাপত্তার জন্য সৎকাজের আদেশ এবং অসৎকাজের নিষেধ অত্যন্ত জরুরি। সকলেরই এ দুটোর সাথে প্রত্যক্ষ অথবা পরোক্ষভাবে কমবেশি জড়িত থাকা প্রয়োজন। এ মর্মে আল্লাহ বলেন, তোমাদের মধ্যে এমন একদল হোক যারা কল্যাণের দিকে আহ্বান করবে, সৎকাজের আদেশ দেবে এবং অসৎকাজে নিষেধ করবে। তারাই সফলকাম (সুরা ইমরান: ১০৪)।
এই দুটো কাজ সকল নবি-রাসুলের বৈশিষ্ট্য। তাই সামাজিক অনাচার দূর করার জন্য ইবাদত-বন্দেগির সাথে ন্যায়, সৎকাজের আদেশ এবং অসৎ কাজের নিষেধও অপরিহার্য।