1 Answers

উদ্দীপকে দেখা যাচ্ছে, মাওলানা তাফাজ্জল হুসাইন শাকুরি কামিল শ্রেণির বিদায়ী ছাত্রদের উদ্দেশ্যে বললেন, হালাল উপার্জন ইবাদত কবুলের জন্য শর্ত। হালাল পন্থায় উপার্জনকারী আল্লাহর বন্ধু। হালাল উপার্জন সম্পর্কিত মাওলানা তাফাজ্জল হুসাইন শাকুরির বক্তব্যের সাথে আমি সম্পূর্ণ একমত। কারণ- হালাল উপার্জন ইবাদত কবুলের শর্ত। তার এ উক্তিটি হাদিসের দলিল দ্বারা প্রমাণিত। রাসুলুল্লাহ (স) বলেছেন, কিছু লোক দীর্ঘ সফর থেকে প্রত্যাবর্তন করে আল্লাহর দরবারে দুহাত তুলে বলে, হে আমাদের প্রতিপালক! কিন্তু কীভাবে তাদের প্রার্থনা কবুল হবে যখন তাদের খাদ্য, পানীয় ও পরিধেয় বস্ত্র হারাম পন্থায় উপার্জিত? (সহিহ মুসলিম)।

এ হাদিসে বলা হয়েছে, হারাম উপার্জনের কারণে দোয়া কবুল হয় না। দোয়া এক ধরনের ইবাদত। দোয়ার মতো অন্যান্য ইবাদতও হালাল উপার্জন ব্যতীত কবুল হয় না। ৪০৪ সালের টাই অধ্যক্ষ সাহেব বলেছেন, হালাল পন্থায় উপার্জনকারী আল্লাহর বন্ধু। তার এ উক্তিটি সরাসরি হাদিসের আলোকে সত্য এবং যথার্থ। 

উদ্দীপকের মাওলানা সাহেব বলেছেন, হালাল পন্থায় উপার্জনকারী শহিদদের সাথে জান্নাতে থাকবে। তার এ উক্তিটি হাদিসের মানদণ্ডে সত্য। মহানবি (স) বলেছেন, বিশ্বস্ত, সত্যবাদী মুসলিম ব্যবসায়ী কিয়ামতের দিন শহিদদের সাথে থাকবে (ইবনে মাজাহ)। এ হাদিসে ব্যবসায়ীর কথা বলা হলেও এ দ্বারা শুধু ব্যবসায়ীকে বুঝানো হয়নি বরং সকল হালাল উপার্জনকারীই শহিদদের সাথে থাকবে। পরিশেষে বলা যায়, অধ্যক্ষ সাহেব উপার্জন সম্পর্কে যা বলেছেন, তা কুরআন ও হাদিসের মানদণ্ডে বাস্তব। সে কারণে আমি তার বক্তব্যের সাথে একমত পোষণ করি।

5 views

Related Questions