1 Answers

উদ্দীপকের জনাব মহসিন তার ক্লাসে কৃষি ঋণ বিষয়ে আলোচনা করেন।

কৃষিকাজের যাবতীয় ব্যয় নির্বাহের জন্য বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক উৎস হতে যে ঋণ গ্রহণ করা হয় তাকে কৃষিঋণ বলে। কৃষকরা কৃষি উৎপাদন কাজ পরিচালনার জন্য লাঙল, বলদ, সার, বীজ, কীটনাশক প্রভৃতি উপকরণাদি ক্রয়ের জন্য ঋণ গ্রহণ করে থাকেন। এছাড়া শস্য সংগ্রহ, মাড়াই, ঝাড়াই, শুকানো, সংরক্ষণ প্রভৃতি কাজের জন্য কৃষকদের কৃষিঋণের প্রয়োজন হয়। উৎপাদিত পণ্যের সুষ্ঠুভাবে বাজারজাতকরণের জন্য কৃষকরা অনেক সময় কৃষিঋণ গ্রহণ করে থাকেন। ন্যায্যমূল্য পাওয়ার জন্য উৎপাদিত ফসল গুদামজাত করার প্রয়োজনে গুদাম ঘর নির্মাণ, পণ্যের পরিবহন প্রভৃতি কারণে কৃষকরা কৃষিঋণ গ্রহণ করেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় অনেক কৃষকদের আর্থিক অবস্থা একেবারেই ভেঙে পড়ে। তখন তাদের এ নাজুক অবস্থা কাটিয়ে ওঠার জন্য ঋণ গ্রহণ অপরিহার্য হয়ে পড়ে। মাঠ শস্যের ন্যায় গৃহপালিত পশু-পাখি ও মাছ বর্তমানে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সম্পদ। পশুপাখি পালন ও মৎস্য চাষে সংশ্লিষ্ট পেশাকে আরও জোরদার করার জন্য কৃষকরা কৃষিঋণ গ্রহণ করে থাকেন। কৃষকদের জমি ক্রয়, গভীর ও অগভীর নলকূপ ক্রয়, ট্রাক্টর ও পাওয়ার টিলার ক্রয়ের জন্য ঋণ গ্রহণের প্রয়োজন হয়।

সুতরাং, উদ্দীপকের জনাব মহসিনের আলোচ্য বিষয় অর্থাৎ কৃষিঋণ কৃষকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ । 

4 views

Related Questions