আমার বউ এর আগে প্রেম ছিল অন্য ছেলের সাথে!

বিয়ের পর সেটা জানতে পারি "

এখন কি করলে ভালভাবে স্বামী-স্ত্রী সুখে থাকতে পারবো??

আমি পরিবারের পছন্দে বিয়ে করি গত ০৪/০৭/২০১৯ইং তারিখে।  বিয়েটা দুই পরিবারের পূর্ণ সম্মতিতেই হয়। আমি ছোট একটা সরকারী চাকুরী করি।

আর সম্বন্ধটা আসে আমার মামা এবং মেয়ের মামা তাদের মাধ্যমে। তারা দুইজন একসাথে চাকুরী করে সেই সুবাধে তাদের আগে থেকেই বন্ধুত্ব এবং আসা যাওয়া দুই পরিবার এর মধ্যে। মেয়ের মামা আমাকে চিনত ছোটবেলা দেখেছে,,, আর আমার মামাও মেয়েকে চিনত ছোটবেলা হয়ত দেখেছে।  

যাইহোক পরিচয়টা ওইভাবেই।

আমাকে যখন অই মেয়ের ছবি দেখায় তখন তার বয়স ১৬+।  তখনও এসএসসি পরীক্ষার রেজাল্ট দেয়নি তার।  আমি ছবি দেখে তারপর মামাকে বলি ভালভাবে খোঁজ নিতে কোন ছেলের সাথে সম্পর্ক আছে কিনা?

আমার মামা তাদের ফ্যামিলিতে বারবার জিজ্ঞেস করে,,৷ তারা বলে কোন সম্পর্ক নাই কারো সাথে।  তারপর আমি চাকুরির সুবাধে তাদের পাশ্ববর্তী থানায় আমার সরকারী ডিউটিতে যাই।

সেখানে মেয়ের মামা (আমার মামার বন্ধু) সাথে আরও দুইজন লোক নিয়ে আমি যেখানে ডিউটি করতেছি সেখানে যায়।

তারপর আমার সাথে কথা বলে একটি রেষ্টুরেন্ট এ।

আমার সম্বন্ধে যা যা যানতে চেয়েছে সবকিছুই সঠিকভাবে বলি।

আমি জানিনা তখনও এই সম্পর্ক  কতদূর গড়াবে। তারপর আমার মামা আমাকে বলে ছুটি নিয়ে যাওয়ার জন্য সবাই সরাসরি মেয়ে দেখতে যাবে।  

ও হ্যা।  বলে রাখি এর মধ্যে আমার আম্মা,, খালা,, এবং নানী তাদের বাড়িতে যায় এবং মেয়ে দেখে আসে এবং তাদের খুব পছন্দ হয়।

তাই এখন মামা,,,  নানা,,, এবং আমার আব্বা সবাইকে নিয়ে দেখতে যাবে,,,  তাই আমাকে ছুটি নিতে বলল মামা। আমি ১০ দিনের ছুটি নেই।

ছুটি নেওয়ার ১ দিন পর ০৩/০৭/২০১৯ ইং তারিখ  আমার খালার বাড়িতে যাই তখন রাত ১০ঃ০০ বেজে যায়। (আমার খালার বাড়ি ও মেয়ের মামার বাড়ি একই থানায়)।  আমার ছুটি থাকে আর ০৯ দিন। পরের দিন ০৪/০৭/২০১৯ ইং তারিখ সকালে ০৯:০০ টার দিকে আমি সহ আমার খালা,, দুই খালাত ভাই এবং মামাসহ ০৫ জন আমারা মেয়ের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা করি। যেহেতু আমার মামা সবকিছু করতেছে আমি জানিনা কে কে যাবে তাদের বাড়িতে।  আমি গাড়ি থেকে নেমে (মেয়ের বাড়ির সামনে) দেখি আমার নানা,,,  আরও দুই মামা,,, এক মামানী,,, আরও অনেকে আসছে তাদের বাড়িতে। আমি সহ সবাই যাই,,, আমাদের বাড়ি থেকে আম্মা এবং আব্বা আমার ছোট ভাইকে নিয়ে পরে আসে।

আমরা দুপুরের খাবার খাই।  এর আগ পর্যন্ত সবার আলাপচারিতা হয়। গল্পগুজব করতে থাকে সবাই। খাওয়া দাওয়া পর্ব শেষ করে আমি বসে আছি।  হঠাত একজন এসে বলল মেয়েকে দেখতে যেতে। গেলাম আলাদা রুমে আমাদের বসতে দিল। (মেয়ে আগে থেকেই রুমে বসা ছিল)।  

তারপর আমিই প্রথম কথা শুরু করলাম। অনেক কথাই বলা হইছে।

আমার সম্বন্ধে আমি সবকিছু বললাম,। আমি কি করি,,  শিক্ষাগত যোগ্যতা,,,  আমার ফ্যামিলি ব্যাকগ্রাউন্ড।  সবকিছুই বললাম।  তার কাছ থেকে জানতে চাইলাম তার কোন সম্পর্ক আছে কিনা কারো সাথে,,,  সে বলল নেই।

আমি তাকে বুঝালাম একটি ভুলের কারনে তিনটি জীবন নষ্ট হয়ে যেতে পারে।  সে বলল সম্পর্ক নেই,,  বারবার বলাতে বিরক্ত হয়ে যাচ্ছিল। তাই আমি ধরে নিলাম তার কথাই সত্য।

আমি তাকে জিজ্ঞেস করি আমাকে তার পছন্দ হইছে কিনা।  সে বলল মোটামুটি।  আমি তাকে বললাম মোটামুটি হলে হবে না ভালভাবে বলেন।  তারপর তাকে এই বিয়েতে আগ্রহ আছে কিনা সেটা জিগ্যেস করলাম সে বলল তার ফ্যামিলি থেকে যেটা বলে তাই।

আমি আবারো তাকে বললাম যে তুমি আমার সাথে সংসার করবে তাই তোমার মতামতটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।  আমি দূর থেকেই হ্যা বলে দিতে পারতাম (যেহেতু আমার মা পছন্দ করছে) কিন্তু আমি শুধু তোমার জন্য ছুটি নিয়ে আসছি যাতে তোমার মতামতটা পাই। যদিও আমি তাকে আপনি বলে সম্বোধন করেছিলাম তখন।

তারপর আমি তাকে এটাও পরিষ্কার বলি তার ফ্যামিলির চাপে অথবা দুই ফ্যামিলি আগ্রহের কারণে যেন সে বিয়েতে রাজি না হয়।

আমার দিক থেকে আমি তাকে বলেছি আমার কারো সাথে সম্পর্ক নাই।

কথা চলতেছিল অনেকক্ষন হয়ে গেছে তাই বাইরে থেকে ডাকাডাকি শুরু হয়ে গেছে।  আমি লাস্ট তাকে বলি আমাদের দুই ফ্যামিলি যেভাবে এগোচ্ছে হয়ত আজকেই কাজী ডেকে বিয়ে হয়ে যেতে পারে।  

সে শুধু এটুকুই বলল আজকেই!

আমি বললাম হ্যা আজকেই!

রুম থেকে বের হওয়ার পর মামা আমাকে জিগ্যেস করল কেমন দেখল্যা।

আমি বললাম আলহামদুলিল্লাহ।

মামা জিজ্ঞেস করল মেয়ে পছন্দ হইছে।

আমি বললাম হ্যা।

আর কিছুই বলল বিকেলের মধ্যেই বিয়ের কাজ সম্পন্ন হয়ে গেল।

 

এখানে কোন জোর জবরদস্তি কিছুই ছিল না।  তারপর অই দিন সবাই চলে যায় থাকি শুধু আমি আর আমার এক খালাতো ভাই।

বিয়েটা পরে দেওয়ার জন্য আমি আগে থেকেই মামাকে বলছিলাম।

মজা করে বলতাম যে মেয়ে দেখার পর দুইতিন মাস পর বিয়ের তারিখ দিতে। যাতে কারো সাথে পালানোর ইচ্ছে থাকলে যেতে পারে,,,  বিয়ের পর আর সেই সুযোগ নাই।

যাইহোক অইদিন সবার মতামত ছিল।  তাই আমি আর বিয়ের দিন তারিখ পিছাতে বলিনি।  আমার ছুটির দিক বিবেচনা করে আর সব আত্নীয় স্বজন যে যার কর্মস্থলে চলে যাবে তাই অই দিনই বিয়ের কাজ সেরে ফেলতে চাইছে সবাই।

পরে অনুষ্ঠান করা হবে।  যাইহোক আরো অনেক কথা বলতে গেলে।  এই ছিল আমাদের বিয়ের কার্যক্রম।

প্রায় তিনমাস পর আমি ছুটিতে যাই ওর নানা বাড়িতে।  (ওরা ছোট থেকেই নানাবাড়িতে স্থায়ী)।

তখন তার এক ফুফাতো ভাই,, চাচাত ভাই ০২ জন আসে বেড়াতে। তার ফুফাত ভাই আমার সাথে তেমন কথা বলে না। এইটা আমার সন্দেহ হয়।  কারণ এর আগে আমার স্ত্রী আমাকে ওর ছবি ফেসবুক থেকে দেখে বলতেছিল কেমন।  আমি বলি ওর দুই হাটুতে পেন্ট ছিড়া বাজে দেখাচ্ছে। কিন্তু তখনও আমার অনেকটা সন্দেহ হইছিল।

যাইহোক ওরা বেড়াইতেছে আমিও আছি আমার মত।

তারপর শহরে বাণিজ্য মেলা হইতেছিল ওর মামার বাসায় দাওয়াত দিল আমাকে।

আমারও ভাল লাগতেছিল না।  আমি ওকে সহ ওর মামার বাসায়  যাই সন্ধা হয়ে যায় যেতে যেতে।

আমরা সম্ভবত রাতে বের হই মেলায় ঘুরাঘুরি করি অনেক কিছু কেনাকাটা করি। ওকে নিয়ে দোলনায় চড়ি।  কিন্তু ওর কোন ফিলিংস কাজ করতেছিল না।

আমি ওকে নিয়ে ফুসকা খাই তখন সেলফি নিতে গেলে ও অনাগ্রহ দেখায় তাই আমি একাই ছবি তুলি।  তারপর বাসায় চলে যাই।

ও আমার প্রতি প্রায় সময়ই অনাগ্রহ দেখাত। সেটা আমি বুঝতে পারতাম সেক্স করার সময়ও অনাগ্রহ দেখাত।

আমি ভাবতাম অইদিন হঠাত করে বিয়ে হওয়াতে ও সেটা মানসিকভাবে মানতে পারেনি।

পরে অবশ্য সে সবকিছু স্বীকার করেছে আমার বিয়ের প্রথম দিকে সে আমার সাথে শারিরীক মেলামেশার পর বাথরুমে গিয়ে কান্না করত।

আমার সাথে বেশি কথা বলত না।

আমাকে প্রায়ই বলত অইদিন ই বিয়ে করার কি দরকার ছিল আরো পরে করলে কি হত?

আমি যখন ওকে বুঝিয়ে দেই যে ও ত তখন বলছে ফ্যামিলি যা সিদ্ধান্ত নেয় তাই হবে।  তারপর আমার দোষ আর দেয়না।

 

মেলাথেকে ঘুরে আবার অর মামার বাসায় যাই।

রাতে আমরা শারীরিক মেলামেশা করি।  একপর্যায়ে ও আমাকে জিগ্যেস করে বিয়ের আগে তোমাকে জিজ্ঞেস করছিল নি তোমার কোন পছন্দ আছে কিনা?  আমি বললাম হ্যা অবশ্যই।  তারপর ও আমাকে বলতেছে মেয়েদের কেন জিজ্ঞেস করা হয় না?  

আমি বললাম কেন তোমাকে কেউ জিগ্যেস করে নাই?

ও বলল না,,,,  আমি তখন অন্ধকারেই ওর চোখের কোণায় হাত দেই দেখি ওর চোখ বেয়ে পানি পড়ছে....

তখন আমার বুঝতে আর বাকি রইল না।

আমি ওকে ঠান্ডা মাথায় বলি ছেলেটা কে? (যদিও কষ্টে বুকটা ফেটে যাচ্ছিল)

সে তখন ফুপিয়ে ফুপিয়ে কান্না করতে থাকে।

তাকে আর আপন মনে হইতেছিল না তখন।

সে ততক্ষনে স্বাভাবিক হওয়ার চেষ্টা করতেছিল।

তারপর অনেক বুঝিয়ে শুনিয়ে ও নাম বলে প্রথম অক্ষর।  আমি ধরে ফেলি,,,  তার ফুফাতো ভাইকেই টার্গেট করি।  তারপর সে বলে বিস্তারিত,,, তার ছোটবোন তাকে একটি ভিডিও দেখায় যেটাতে অই ছেলে হাত কাটতেছে ব্লেইড দিয়ে।

এই কথাগুলি শুনার পর আমি ওর কাছ থেকে একপাশে সরে যাই আর তাকে বলি তুমি অভিনয় করতেছ আমার সাথে!

আরো অনেক কিছু বলি।

আমি অনেক কষ্ট পাই,,  পরদিন আমি তাকে তাদের বাড়িতে(নানার বাড়িতে) রেখে বাড়িতে চলে যাই।

বাড়িতে গিয়ে আমি তাকে বলি তুমি এখন কি চাচ্ছ???

তুমি যদি এখনও ওকে ভালবাসো অর সাথে যেতে চাও যেতে পারো!

কি দরকার ছিল আমার জীবনটা নষ্ট করার!

আমি চাইনা আমার ফ্যামিলি এই বিষয়টা জানুক।

জানলে তারা অনেক কষ্ট পাবে।

আমি কাউকে কিছু বলব না আমি ব্যবস্থা করে দিব।

সে বলে এখন কিভাবে সম্ভব।

(তখনও কষ্টে বুকটা ফেটে যাচ্ছিল)

তারপর সে বলে যে আমার সাথেই থাকবে ।  তারপর আমি বলি আমার সাথে থাকলে ত হবেনা।  তুমি কি আমাকে ভালবাসতে পারবা,,  ওকে ভুলে যেতে পারবা,,,  সে বলল পারব।

আমি বললাম তাহলে তাকে মন থেকে মুছে ফেলতে হবে ,,  ফেইসবুক,, মেসেঞ্জার,,, ইমু সবকিছু থেকে তার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দিতে হবে।  সে বলল পারবো। আর আমাকে বলল এই বিষয়টা নিয়ে যাতে তাকে খোচা না দেই। আমি বললাম ঠিক আছে।  তুমি তোমার কমিটমেন্ট ঠিক রাখো তাহলে হবে।  

তারপর বাড়িতে ০২-০৩ দিন থেকে অদের ওখানে আসি তারপর ছুটি শেষ  হলে চাকুরীতে এসে যোগদান করি।

তারপর ভালই চলতেছে....

সে পড়াশুনা করতেছে (ইন্টার ২য়   বর্ষ)

আমি চাকুরী করতেছি।

একসাথে থাকা হয়না।

০৩-০৪ মাস পরপর ছুটিতে যাওয়া হয়।

এখন জানিনা ও কি যোগাযোগ রাখতেছে কিনা?

তবে কিছুদিন আগে আমি বাড়িতে গিয়ে মোবাইল চেক করে ওই ছেলে ৫-৬ টা ছবি দেখতে পাই।

এখন ফেসবুকেও দেখি মিচুয়াল ফ্রেন্ড ।

(আমি নিজেই অর মোবাইল থেকে অই ছেলেকে আনফ্রেন্ড করে মেসেঞ্জারে ব্লক করে দিয়েছিলাম,, এবং অর গ্যালারিতে অই ছেলের সব ছবিও ডিলিট করে দিসিলাম।)

পরে যখন আবার অই ছেলের ছবি ওর মোবাইলে দেখি রাগে আমি ওর মোবাইল থেকে আমার সব ছবি ডিলিট করে দেই কিন্তু ওকে কিছু বলিনি।

ও ওর আম্মুর  (আমার শাশুড়ীর)  মোবাইল ব্যবহার করে,,,

ওর ছোটবোন (আমার শ্যালিকাও) ওই মোবাইল ধরে।

আমার শ্যালিকা এবার এসএসসি পরীক্ষা দিসে। ও এই প্রেমের বিষয়টা জানে,,  কিন্তু আমার কাছে ধরা দেয়না,,, ।

এখন আমি ওকে অনেক ভালবাসি,,,  ও আমাকে অনেক ভালবাসে (জানিনা অভিনয় কিনা)

এখন আমি করব বুঝতে পারছি না????

2851 views

2 Answers

আপনি ওনাকে খুব ভালোবাসেন ভালো কথা কিন্তু এ নিয়ে ওনার সাথে কোন রাগরাগি করবেন না বা মাইরধর করবেন না। হয়তো এনিসব ভুলে যেতে চাচ্ছেন কিন্তু ভাই প্রথম রিলেশন সহজেই ভোলা যায় না যা অনেকেই বলে আরকি।

যাইহোক আপনি যা জব করেন না কেন চেস্টা করুন আপনার সাথে সব সময় রাখতে।আপনার সারাজীবন সংগি করে রাখুন। এক সাথে মজা করুন, ফান করুন তার অতীত মনে করে নিজে ও তাকে কষ্ট দিবেন না।

চেস্টা করুন ওনাকে সব সময় হ্যাপি রাখতে,চেস্টা করুন ওনার সব ইচ্ছা পুরন করতে।মানুসিক ও শারীরিক ভাবে সুখ ও শান্তিতে রাখুন। অনেক অনেক বেশিই ভালোবাসা দিন থাকে।দেখবেন সব কিছু ভুলে গেছে সে।

মনে রাখবেন সাবারি অতীত থাকে যা খারাপ বা ভালো কিন্তু ওনার অতীত আপনার কাছে খারাপ এবং তা এখন  সামনে আপনার ও ওনার শান্তি ও সংসার ভেঙ্গে যাবে ফলে খুব ঝামেলা হবে।তাই চেস্টা করুন ওনাকে আপনার সাথে রাখতে। পার্সোনাল বাসা ভারা নিয়ে যেখানে ডিউটি হয় সেখানে থাকুন এক সাথে আর হ্যা যত চেস্টা করুন বেবি নিতে।কারন বেবি আসলে আরো বেশি খুসি হবে সাবাই আনন্দে ভরে উঠবে ফলে আপনি নিজেই সব অতীত ভুলে যাবেন।

ভাই   সংসার করতে একটা মেয়ে চাই যে 

  • সংসার গুছিয়ে নিতে জানে,
  • যে ভালোবাসতে যানে,
  • যে ফেমিলির সবাইকে আপন করতে যানে,যেনিজের সুখ ও দু:খের পাসে থাকবে।

এটাই তো তাইনা তাহলে তার অতীত দেখে আপনি কি করবেন সুনি।যদি আপনি মুসলিম হোন তাহলে হয়তো জানা আছে আপনার। যে আল্লাহ প্রিয় রাসুল হযরত মুহাম্মদ  (সাঃ) ৪০ বছরের এক বিধুবা মহিলাকে বিয়ে করেছেন।

কাজেই তার উম্মত হয়ে আমরা আমাদের নিজেদের স্ত্রীদের অতীত নিয়ে ঘাটাঘাটি করবো কেন। যদি আপনার স্ত্রী অতীতে জীনা করে তাহলে তার শাস্তি তাকে মহান আল্লাহ্‌ দিবেন।এখন আপনার স্বামীর দ্বায়ীত্ব ও কর্তব্য পালন করুন।

আশা করি বুঝতে পারছেন।

ধন্যবাদ। 

2851 views

উপরে যিনি মন্তব্য করেছেন তা যথার্থ । ভাই আপনি বাচ্চা নেওয়ার প্রস্তাব দিন তাকে, তবে আগেই জোর জবরদস্তি করে বাচ্চা নিবেন না । আপনার স্ত্রীর মতামত নিয়ে নিবেন । কারণ ইতিহাস বলে, বাচ্চা জন্মদানের পরে নিজের বাচ্চাকে রেখে মা অন্য ব্যাক্তির সাথে পালিয়ে গেছে সেক্ষেত্রে সমস্যা আপনার বাচ্চার উপর পড়বে । সে তো কোন দোষ করেনি । যদি সে সন্দেহ যুক্ত কোন উত্তর দেয় তবে আপনি আপনার শ্যালিকা কে নিয়ে কোন কিছু খাওয়ার উদ্দেশ্য বেড়াতে বের হন, জামাই রা যেভাবে বের হয় অবশ্যই অনৈতিক কাজে বের হবেন না অনুরোধ রইলো । তাকে ব্রিজর উপর দার করিয়ে বলবেন, তোমার বোন কি কি খেতে পছন্দ করে, কি কি খেতে অপছন্দ করে । কোন কাজ পছন্দ করে কোন কাজ অপছন্দ করে । সব বিস্তারিত জানবেন , এরপর এগুলো কাজে খাটাতে পারেন । এরপর যখন আপনার শ্যালিকা কথার জালে পরে যাবে তখন তাকে বলবেন , তোমাকে কয়েকটা প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে, তখন বলবেন তুমি কি চাও তোমার বোন অসুখে থাকুক, তুমি কি চাও আমি অসুখে থাকি ? তুমি কি চাও আমি এই ব্রিজ থেকে লাফিয়ে আত্মহত্যা করি । যদি না চাও তাহলে তোমার বোনের ইতি বৃত্তান্ত খুলে বল এতে আমার তোমার বোনকে হাসিখুশি রাখতে সুবিধা হবে । কোন কিছু গোপন করোনা । সব জেনে নিবেন, আর জেনে নিবেন তাকে জোরপূর্বক বিবাহ দেওয়া হয়েছে কিনা এবং সেই ছেলের মত চাল চলন আপনি নিজের মধ্যে আনবেন । কারণ এসব ক্ষেত্রে স্ত্রীর বোনেরা সব জানে । না হলে সে আপনাকে কোনদিন ভালবাসবে না । শারীরিক মিলনে শান্তি ও প্রশান্তি কোনটাই আপনি জীবনেও পাবেন না । আর হ্যা আপনার স্ত্রীকে যদি তার প্রেমিক কিছু করে থাকে কিভাবে বুঝবেনঃ- (১) লিপ কিস ও কিসঃ- যদি আপনার স্ত্রীকে তার প্রেমিক লিপকস বা ঠোঠ চুম্বন করে তাহলে আপনাকে সে কোনদিনই তা করতে দিবেনা । বড়ং করতে গেলে উলটো হাত দিয়ে বাধা দিয়ে ঝগড়া লাগিয়ে ছাড়বে । (২) স্তন মর্দনঃ- স্তন মর্দন করলে আপনাকে তাও করতে দিতে দ্বিধা বোধ করবে এবং রোবট এর মত শুয়ে থাকবে সহবাসে আপনাকে সে আগ্রহ দেখাবেনা । এবং সহবাসে সে আত্মতৃপ্তি কখনো পাবেনা এবং আপনাকেও পেতে দিবেনা । (৩) সহবাস করলেঃ- সে খুব দ্রুতই আপনাকে ছেড়ে চলে যাবে । আর হ্যা আপনার স্ত্রীকে শশুর বাড়ি না রেখে, আপনার বাড়ি এনে রাখুন কারণ আপনার শশুর বাড়ি তার জন্য সুরক্ষিত জায়গা নয় । কারণ শ্যালিকা ভাল ব্যাক্তি নয়(সব শ্যালিকা নয়) সে পুরোনো স্মৃতি মনে করিয়ে দিবে । আর আপনার স্ত্রীর প্রেমিক বার বার এসে বিরক্ত করবে । আর প্রথম দিকে আপনার স্ত্রী আপনাকে সহবাস করতে দিলেও পরবর্তি সময় দিতে চাইবেনা খুব কম চাইবে । মিলিয়ে নিয়েন । আপনি কোনদিনই যৌনসুখ অনুভব করতে পারবেন না । কারণ আপনার স্ত্রী আপনার সাথে কোঅপারেট করবে না বড়ং রোবট এর মত শুয়ে থাকবে । আর মাঝে মধ্যে আপনাকে সেক্স করা থেকে সরিয়ে দিবে । এর কোন সমাধান নেই ভাই শুধু ধৈর্য ধরা ছাড়া । কখনো যদি এগুলো মিলিয়ে ক্লান্ত হয়ে যান । এখানে কমেন্ট করবেন । --ধন্যবাদ ।

2851 views

Related Questions