হিন্দু থেকে মুসলিম হলে তার কি খতনা করতে হবে?
3 Answers
অন্য ধর্ম ত্যাগ করে জান্নাতী ধর্মে দীক্ষিত হয়েছেন শুনে খুবই ভাল লাগছে। আল্লাহ তাআলা আপনাকে কবুল করুন।
খতনা করাটা ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে ওয়াজিব। এছাড়াও এটি শুধু উত্তম নয়। বরং এর দ্বারা শারিরীকও অনেক উপকার নিহিত রয়েছে। এর দ্বারা অনেক রোগ বালাই থেকেও মুক্ত থাকা যায়। উল্লেখ্য ইসলামের সকল বিধি নিষেধে মানব কল্যান নিহিত।
আপনি সময় নিন, এখনই আপনার খতনা করা জরুরী নয়। আগে ইসলাম কে ভালো করে জানুন। নামায, রোজা, হজ্জ্ব, যাকাত সহ সকল ইবাদত এর সঠিক আমল করুন। পরবর্তীতে আপনার যদি মনে হয় আপনি খতনা করতে প্রস্তুত আছেন তাহলে আলহামদুলিল্লাহ। তাহলে ডাক্তারদের সাথে আলাপ করে দেখে নিন। তারা এ বিষয়ে বলতে পারবেন। খতনা করার পর কিছু ওষুধ আছে তা ব্যবহার করলে খুব দ্রুত তা শুকিয়ে যায়। ইবরাহীম আঃ আশি বছর বয়সেও খতনা করেছিলেন। {বুখারী, হাদীস নং-৩৩৫৬, মুসলিম, হাদীস নং-২৩৭০}
সেই হিসেবে খতনা করিয়ে নেয়াটাই উচিত।
তারপরও যদি করতে সক্ষম না হন, সহ্যের বাইরে বেশি কষ্ট হবে বলে মনে হয়, তাহলে খতনা করা লাগবে না।
আপনি মুসলমান হয়েছেন। এবার আপনার দায়িত্ব হল আপনার পূর্বের জ্ঞাতি ভাইদেরও দ্বীনের দাওয়াত দেয়া। তাদের ইসলামের সুশিতল ছায়ায় নিয়ে আসার মেহনত করা।
হ্যা অবশ্যই খাৎনা করতে হবে।কেনো না যদি আপনি খাৎনা না করেন তাহলে প্রস্রাবের পর পবিত্র হতে পারবেন না। কেনো না পেনিসের বারতি চামরার ভিতরে প্রস্রাব থেকে যায় এতে পরবর্তীতে প্রস্রাব বেরিয়ে এসে নামায ও ওযু নষ্ট হয়ে যাবে।
তবে ইসলামে খাৎনা সুন্নত এটা করলে পেনিস এর অনেক রোগ বালাই থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।কাজেই একজন খাৎনা কারীর সন্ধান করুন।
এছাড়া কালিমা পড়ে মুসলিম হতে চাইলে আপনি একজন ইমাম এর কাছে শরণাপন্ন হোন। ওনি আপনাকে সব বুঝিয়ে বলবেন।
ধন্যবাদ।
হিন্দু থেকে মুসলিম হলে তার খতনা করতে হবে। এটা মানুষের ফিতরাতের অন্তর্গত। এতে লজ্জার কিছু নেই। ইবরাহীম (আঃ) আশি বছরোর্দ্ধ বয়সে খতনা করেন।
মাখলাদ ইবনু খালিদ, উছায়েম থেকে তার পিতার সূত্রে, তিনি তার দাদার সূত্রে বর্ণনা করেন। তিনি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের খিদমতে উপস্থিত হয়ে বলেন, আমি ইসলাম গ্রহণ করেছি। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেনঃ তুমি তোমার দেহ হতে কুফরী যুগের চিহ্ন ফেলে দাও। রাবী বলেন, অপর একজন বর্ণনাকারী আমাকে জ্ঞাত করেছেন। যে, ইসলাম গ্রহণের সময় অপর সাথীকে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নির্দেশ দেনঃ তুমি তোমার শরীর হতে কুফরী যুগের নিদর্শন ফেলে দাও এবং খাতনা কর।
(সূনান আবু দাউদ (ইফাঃ), অধ্যায়ঃ ১/ পবিত্রতা, হাদিস নম্বরঃ ৩৫৬ হাদিসের মানঃ হাসান)।