Ovictg99 (@Ovictg99)

অনলাইনের প্রোডাক্ট গুলো কেনার জন্য আসল নকল ছবি/ ওয়েবসাইট দেখে বুঝার উপায় থাকে না। যেহেতু এসব ভেষজপণ্য সেক্ষেত্রে এসমস্ত পণ্য আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহার্য না বলে চিনতে ভুল হতে পারে৷ আপনি স্বল্প মূল্যের বাজারে অহরহ পাওয়া যায় যেমন মেথি, মধু, কালোজিরা তেল এধরণের পণ্য অর্ডার করে এনে বাজারের পণ্যের সাথে মিলিয়ে দেখতে পারেন আসল কিনা। একবার নিলে যদি পণ্য নকল হয় তাহলে হয়তো কিছু টাকা আপনার লস হবে, কিন্তু নিজেই বুঝতে পারবেন। এছাড়া ভেষজ পণ্যের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া তেমন থাকে না। আর কার্যকারিতাও খুব দ্রুত বুঝা যায় না। সুতরাং বিশ্বাসের উপর আপনি কিছুদিন ব্যবহার করে দেখতে পারেন। আর এই ভদ্রলোক অনেক সুপরিচিত আশা করি লোজ ঠকানো ব্যবসা করবে না। ধন্যবাদ

ইকামাত ও ইকামাতের সঠিক সময়?

Ovictg99
May 16, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন

ইকামাত_কি_এবং_এর_সময়ঃ
:
দু'আ কবুলের অন্যতম সময় হলো আযান
এবং ইকামাতের মধ্যবর্তী সময়টুকু।
.
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, "আযান ও ইকামাতের মধ্যবর্তী সময়ের দু'আ ফিরিয়ে দেয়া হয়না।”
(আবু দাউদ ৫২১, তিরমিজি ২১২)
.
অনেক বোনের জিজ্ঞাসা "ইকামাত কী?
আমরা কীভাবে বুঝব কখন ইকামাত হচ্ছে?"
.
মাসজিদে আযান হওয়ার ১৫/৩০ মিনিট পর জামাতে নামায শুরু হয়।
জামাতে নামায শুরুর পূর্ব মুহূর্তে আযানের বাক্যগুলো দিয়ে মাসজিদে আবার আযান দেয়া হয়, যাতে সবাই জামাতে এসে শামিল হয়।
এটাকেই ইকামাত বলে।
এটি আযানের মত এত দীর্ঘ ও উচ্চ আওয়াজে (মাইকে) বলা হয় না, বরং একটু দ্রুত বলা হয়।
ইকামাত শেষ হওয়া মাত্রই জামাতের সাথে নামায শুরু হয়ে যায়।
.
আযানের কতক্ষণ পর ইকামাত শুরু হয়?
.
১। সাধারণত ফজরের আযানের ৩০ মিনিট পর ইকামাতের মাধ্যমে জামাত শুরু হয়ে যায়।
যেমনঃ বর্তমানে ভোর ৪:৩০-এ ফজরের আযান হয় ও ৫:০০-টায় ইকামাতের মাধ্যমে জামাত শুরু হয়ে যায়।


২। দেশের অধিকাংশ মাসজিদে ১টায় আযান হয় এবং দেড়টায় ইকামাতের মাধ্যমে জামাত শুরু হয়।
অনেক স্থানে আবার সোয়া একটায়ও জামাত শুরু হয়।
.
৩। আসরের আযানের ১৫ মিনিট পর ইকামাতের মাধ্যমে জামাত শুরু হয়।
.
৪। মাগরিবের আযানের পরপরই জামাত শুরু হয়।
সাধারণত ২ থেকে ৫ মিনিট পরই জামাত শুরু হয়।
.
৫। ইশার আযানের ১৫ মিনিট পর জামাত শুরু হয়।
.
সাধারণভাবে আযান থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে দু'আ করতে পারেন নিঃসংকোচে। কারণ ১৫ মিনিট আগে কোথাও ইকামাত শুরু হয় না (মাগরিব বাদে)।
এ সময় বেশি বেশি দু'আ করুন।

.
দুআর শুরুতে আল্লাহর প্রশংসা করবেন। সেটা হতে পারে সূরা ফাতিহার প্রথম আয়াত বা আয়াতুল কুরসির প্রথম লাইনটি (কিংবা পুরোটা)।

.
এরপর দুরুদে ইবরাহীম (যেটা নামাযের শেষ বৈঠকে পড়ি) পড়বেন।
এরপর নিজের মত করে দু'আ করবেন।
.

দু'আর মাঝে একটু পর-পর "ইয়া হাইয়ু ইয়া ক্বাইয়ূমু" পড়তে থাকবেন।
দু'আ ইউনুসও পড়বেন (লা ইলাহা ইল্লা আনতা... যোয়ালিমিন)।
.
দু'আ শেষ করবেন আগের মতই-- আল্লাহর প্রশংসা, অতপর দুরূদ এরপর "আমীন" বা "ইয়া যাল জালালি ওয়াল ইকরাম" বলে দু'আ শেষ করবেন।
অথবা আল্লাহর কোন গুণবাচক নাম দিয়ে ।

বিঃদ্রঃ উযু করে দু'আ করবেন। অন্তরে দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে দু'আ করবেন। এটাই উত্তম পদ্ধতি।

মহান রব সকলের নেক দু'আ সমূহ কবুল করুন। আমিন
জাযাকাল্লাহ খাইরান।

ইকামাত ও ইকামাতের সঠিক সময়?

Ovictg99
May 16, 2020-এ প্রশ্ন করেছেন

পাঁচ ওয়াক্ত আযান ও ইকামাতের মধ্যবর্তী দোয়া কবুল হওয়ার যে সময়ের কথা বলা হয়েছে সে সঠিক সময়গুলো কখন? ( দোয়া কবুলের কুরআন/হাদীসের রেফারেন্স সহ) 

আমেরিকার করোনা ভাইরাস ফোন করেছিল বাংলাদেশের করোনা ভাইরাসকে। বাকীটা ইতিহাস ! 

বাংলাদেশের করোনাঃ ভাই সালাম কেমন আছেন? 

আমেরিকার করোনাঃ তুই আর কথা কইস না, মান ইজ্জত তুই রাখলি কিছু? তোর পারফরম্যান্স দেইখা তোরে নিজের ভাই পরিচয় দিতেও লজ্জা হয়, যেখানে আমি আমেরিকান গুলারে হোয়ায় দিতেছি আর তুই? তোর দেশের লকডাউন পর্যন্ত তুইলা দিতেছে, ছি ছি, কি করলি তুই ভাই!!! 

বাংলাদেশী করোনাঃ ভাই আমার কি দোষ? এই দেশের মানুষ নিজেরাই বড় ভাইরাস ভাই, আপনি নিজে না দেখলে বিশ্বাস করবেন না ভাই। প্রথম সমস্যা হইলো ভাই এগো ভিতরে ঢুইকাতো মাংসই খুইজা পাই না, গলা থিকা পেট পর্যন্ত ধুলার স্তর ভাই, এরা নিঃশ্বাসে অক্সিজেন নেয় না ভাই, ধুলা নেয়, ভিতরের সব কাদা দিয়া মাখামাখি ভাই। 

আমেরিকার করোনাঃ তুই মাংস পাস না অন্য ভাইরাস কেমনে পায়? 

বাংলাদেশী করোনাঃ ঘোড়ার আন্ডা পায় ভাই, ভিতরে ঢুইকা দেখি বড় ভাইরা সব আমারে নিয়া হাসাহাসি করতেছে? 

আমেরিকান করোনাঃ বড় ভাই কেডায় আবার? 

বাংলাদেশী করোনাঃ আরে এইডস ভাই, ক্যান্সার ভাই, হাপানি ভাইরা। বাঙালির বডির মইধ্যে ঢুইকা দেহি বড় ভাইরা সব কানে ধইরা খাড়ায় রইছে, আমারে দেইখা তারা হাসতে হাসতে কয় পুরান পাগল ভাত পায় না নতুন পাগলের আমদানি। 

আমেরিকান করোনাঃ কস কি? বাঙালির এ্যান্টিবডির এত পাওয়ার কেমনে? হালারাতো না খাইয়া থাকা জাতি! 

বাংলাদেশী করোনাঃ ভাই বাঙালি জাতির মতো খাইওন্না জাতি নাই ভাই, ঘুম থিকা উইঠা এগো খাওয়া শুরু, খাইতে খাইতে ঘুমায় ভাই। কিছু না থাকলে মুড়ি নামে একটা মাল খায় ভাই যেইটার কোন স্বাদ নাই, ঘ্রান নাই, ভিটামিন নাই তাও ওগো সামনে খালি রাখবেন দেখবেন গরুর মতো চাবাইতেই থাকবো। 

আমেরিকান করোনাঃ ফালতু বুঝ দিবিনা তুই আমারে। এতো খাইলে ওগো দেশে এতো রোগ বালাই কেন? এতো হাসপাতাল কেন? 

বাংলাদেশী করোনাঃ ভাই খায়তো সব ভেজাইল্লা খাওন। পোড়া তেলে ভাজা, ধুলায় ভাজা, মাছিতে হাগা, পচা জিনিস খায় ভাই। আর ফরমালিন ছাড়াতো কোন খাওয়নই নাই। ওগো এ্যান্টিবডি জন্মের পর থিকা খালি মারামারি কিলাকিলির মইধ্যে বড় হইছে ভাই। আমি ঢুইকা কিছু কইও নাই এ্যান্টিবডি আইসাই আমারে থাপড়ান শুরু করছে ভাই। ওগো এ্যান্টবডি খুব ডিস্টার্বড ভাই। 

আমেরিকান করোনাঃ কস কি? এতো ডেনজারাস জাতি... 

বাংলাদেশী করোনাঃ ডেনজারাস কি কমু ভাই, এই খানে একটা ডিস্টিক আছে, নাম নিলে মামলা করবো, নাম না নেই, ওই ডিস্টিকে ভাই ছাগল রাহা নিয়া মার্ডার হইয়া যায় ভাই, লুডু খেলা নিয়া কোপাকুপি করে ভাই। 

আমেরিকান করোনাঃ খাইছেরে। এতো দেখি পুরা কোপাকুপি জাতি। আচ্ছা বুঝতে পারছি ভাই, কিন্তু তবু একটু দেখ মানে... 

বাংলাদেশী করোনাঃ ভাই চেষ্টাতো কম করতাছি না, কিছু কিছু ঘটনা ঘটে এগুলো দুনিয়ার অন্য কোন করোনা ভাইর ফেইস করতে হয় নাই ভাই। ওইদিন ভাই এক করোনা ভাইরাস অনেক কষ্টে একজনের মাস্কে বসছে মাত্র, ভাইরে ভাই এমন গন্ধ মাস্কে, গন্ধেই সেই ভাইরাস ভাই মইরা গেছে। 

আমেরিকান করোনাঃ কস কি? এত গন্ধ? কেন এতো গন্ধ কেন? হালারা দাত মাজে না? 

বাংলাদেশী করোনাঃ ভাই দাত রেগুলার মাজে কিনা জানি না, তয় বাসায় সবাই ভাই এক মাস্ক ব্যাবহার করে ভাই। বাপে মাস্ক পইরা বাজারে যায়, বিড়ি খাইতে খাইতে বাসায় আহে, আহার পর পোলায় হেই মাস্ক পইরা আবার গার্লফ্রেন্ডের লগে দেখা করতে যায়, আইলে মায় আবার হেই মাস্ক পইরা বইনের বাড়ী যাই, বিতিকিচ্ছিরি অবস্থা ভাই, এইডা যে ছাতা বদনা না হেগো কে বুঝাইবো। 

আমেরিকান করোনাঃ ভাইরে ভাই, শুইনাই তো আমার বমি আসতেছেরে। 

বাংলাদেশী করোনাঃ ভাই এগুলা কিছু না, ওইদিন এক করোনা ভাইরাস একজনের মুখে মাত্র ঢুইকা আমারে কল দিছে, ২ ঘন্টার মধ্যে সেই ভাই মারা গেল। 

আমেরিকান করোনাঃ কেন? গন্ধওয়ালা মাস্ক পরছিল? 

বাংলাদেশী করোনাঃ না ভাই, এইখানে একটা নদী আছে নাম বুড়িগঙ্গা। ওই নদীর পানি দিয়া কুলকুলি করছিল ভাই। 

আমেরিকান করোনাঃ কস কি? নদীর পানি দিয়া কুলকুলি করলে আমরা মরবো কেন, আমরা কি এতোই দূর্বল ব্যাটা? 

বাংলাদেশী করোনাঃ ভাই দুনিয়ার এমন কোন ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস নাই যেগুলা এই নদীর পানিতে নাই। পানি না বইলা আপনি কইতে পারেন এইটা ভাইরাস আর ব্যাকটেরিয়ার জুস। সেই পানি দিয়া এই জাতি গোসল করে কুলকুলি করে ভাই। আর আপনি আমারে কন আমরা কি করতেছি? জীবনের ঝুকিতে পড়ছি ভাই এই দেশে আইসা। 

আমেরিকান করোনাঃ ভাইরে ভাই, এ কোন জাতি!!! ভাই তোর উপর আর কোন রাগ অভিমান নাই, তুই বাইচা আছোস ওই দেশে এই জন্যই আমি খুশি।  

সংগৃহীত 

Evally তে পণ্য কেনা?

Ovictg99
May 10, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন
ধরুন Evally সাইক্লোন ১ এ ৫০ কোটি টাকার অর্ডার পেল। ক্যাশব্যাক হিসাব করলাম ধরেন ১০ কোটি। তারমানে কিন্তু মোটামুটি ৫০ কোটি ক্যাশ ওদের হাতে আর কাস্টোমারদের কাছে ১০ কোটি তাও আবার নাম্বার ফরম্যাট এ। মানে এটা রিডিম করার আগে এর কোন ভ্যালু নাই। এবার ইভ্যালি হচ্ছে বাল্ক ওরডার গুলা পারচেস করবে লাইক ইয়ামাহা অথবা স্যামসাং এর কাছ থেকে ১০ কোটির মাল কিনবে ৬/৭ কোটিতে কারন বাল্ক আকারে কিনলে কোম্পানিগুলো বড় ধরনের ছাড় দিতে পারে এবং শোরুম খরচ গোডাউন খরচ এসব কিছুই নাই। এসব হিসাব করলে ১.৫ লাখের বাইক চলে আসে ১ লাখ ১০ এর কাছাকাছি। এই সাইক্লোন ১ এর মাল ডেলিভারি দিতে দিতে চলে আসবে সাইক্লোন ২। এই ১ মাস ৫০ কোটি ইভ্যালি ব্যাংকে ফিক্সড ডিপোজিট রেখে আরো কিছু ক্যাশ ইনকাম করে ফেলবে। সাইক্লোন ২ তে আবার নতুন অর্ডার পড়বে। আবার ইভ্যালির কাছে ক্যাশ চলে আসবে। ইতিমধ্যে কিছু কাস্টোমার সাইক্লোন ১ এর প্রোডাক্ট পাবেনা ওদের টাকা আবার দিয়ে দিবে ইভ্যালী। এবার হিসাব করেন ওদের হাতে ক্যাশের ফ্লো বজায় থাকছেই। ব্যাপারটা আমাদের দেশের গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি গুলার মত। ব্যাংকের থেকে লোন নিয়ে বিজনেস করে ইনকাম করবে। প্রফিট থেকে ব্যাংকের টাকা দিয়ে আবার নতুন করে লোন নিয়ে নেক্সট লটের জন্য কাজ শুরু করবে। ক্যাশ ফ্লো থাকছেই। ইভ্যালিও অনেকটা এই ভাবেই কাজ করে।।। আর যদি কখনো আলিবাবা অথবা এমাজান বাংলাদেশে আসে, ইভ্যালি খুব সহজে মার্জ হয়ে যাবে তাদের সাথে। মোট কথা লস নাই ইভ্যালির। পরিশেষে একটা মেটাফোর দেওয়া যায়, ইভ্যালি একটা বড়সড় পিজার মত। একপাশ থেকে খেয়ে খেয়ে কমিয়ে ফেললেও আরেক পাশে ক্রমাগত নতুন নতুন স্লাইস এড হচ্ছে। এবং পিজার আকার ক্রমাগত বড় হচ্ছে ।।

Evally তে পণ্য কেনা?

Ovictg99
May 10, 2020-এ প্রশ্ন করেছেন

Evally আসলে কেমন ?? একটা পন্য কিনলেই ১০০% ফেরত মানে ২০০০টাকার পন্য ২০০০টাকাই ফেরত। এক কথায় ফ্রি আবার ২,৯৯,০০০ টাকার বাইক ৫০% ফেরত মানে ১,৪৯,৫০০ টাকা ফেরত। তাহলে এখানে Evally কেমনে লাভ করতেসে। নাকি Evally এর মানুষরাই মানুষকে বোকা বানাচ্ছে। বেশির ভাগ মানুষই বলে প্রোডাক্ট হাতে পেলাম না, কিংবা ৬০/৭০ দিন লাগে!! প্লিজ কেও কনফিউশন টা দূর করে দেন। আসলে Evally তে কিছু ক্রয় করা কি সহজ,লাভ,নাকি প্রতারণা কিংবা হয়রানির শিকার হতে হবে না তো।

বর্তমান সময়ে মোটামুটি সবাই ডাক্তারের কাছে যেতে পারছে না। ডাক্তার রাও চেম্বার করছেন না। সেক্ষেত্রে বেশকিছু অনলাইন সাইট আছে যেখানে ডাক্তার কন্সালটেশন দিচ্ছে ভিডিও, ফোন কল ও ম্যাসেজের মাধ্যমে। Ask Doctor নামের একটি এপ আছে যেখান থেকে আপনি ডাক্তার দের নাম এবং ফোন নাম্বার পাবেন। যেহেতু আপনার হাতের সমস্যা যেটা দেখে চিকিৎসা দেয়া জরুরি তাই আপনি ভিডিও কলে সাহায্যে ডাক্তারের সাথে কথা বলুন। সেক্ষেত্রে "গ্রামীণ ডিজিটাল হসপিটাল" এখানে দশ টাকার বিনিময়ে ভিডিও কলে পরামর্শ নেয়ার সুযোগ রয়েছে।

প্রেম সক্রান্ত?

Ovictg99
Apr 27, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন

আপনার প্রতি আমার পরামর্শ থাকবে আপনি ওই মেয়ের থেকে আড়াল হয়ে যান। যে মেয়ে তার স্বামী কে এভাবে ধোকা দিতে পারে সে ভবিষ্যতে আপনাকে ধোকা দেবে না এমন নিশ্চয়তা নেই। তাছাড়া সেই সংসার টাও টিকিয়ে রাখা আপনার দায়িত্ব। যেহেতু ভুল করেছেন তা সুধরে নিন।

প্রোটিন: প্রোটিন শরীরের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতা বাড়ায়, রোগের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার শক্তি জোগায়। এই মৌসুমে শরীর সুস্থ রাখতে উন্নত মানের প্রোটিনযুক্ত খাবার খেতে হবে। ডিম, মাছ, মুরগির মাংস, ডাল থেকে পেতে পারেন প্রোটিন। তবে লাল মাংস এড়িয়ে যাবেন। ভালো প্রোটিনের যে উপকার, লাল মাংসে তা পাওয়া যায় না। প্রোটিনের এই ডোজ হচ্ছে শরীরের ওজনের প্রতি কেজির জন্য এক গ্রাম করে। অর্থাৎ, কারও ওজন যদি ৬৮ কেজি হয়, তবে দৈনিক তাঁর ৬৮ থেকে ৭০ গ্রাম পর্যন্ত প্রোটিন দরকার। 

ভিটামিন সি: শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভিটামিন সি দারুণ কার্যকর। ভিটামিন সি মানবদেহের জন্য অতি প্রয়োজনীয় একটি মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট। ভিটামিন সি-ত্বক, দাঁত ও চুল ভালো রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে, যা মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়িয়ে হৃদ্‌রোগ, ক্যানসারসহ বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি হ্রাস করে। এই ভিটামিন পরিচিত ফল এবং বিভিন্ন শাকসবজি যেমন: আমলকী, লেবু, কমলালেবু, পেয়ারা, জাম্বুরা, আমড়া, পেয়ারা, পেঁপে, কাঁচা মরিচ ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে থাকে। তবে যেহেতু আমাদের শরীর ভিটামিন সি জমা করে রাখতে পারে না, তাই প্রতিদিন গ্রহণ করা প্রয়োজন। পূর্ণবয়স্ক পুরুষের দৈনিক ৯০ মিলিগ্রাম এবং নারীর ৮০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি দরকার। এসব খাবারের পাশাপাশি ভিটামিন সি নামক চুষে খাওয়ার ট্যাবলেট টিও খেতে পারেন।

ভিটামিন বি১২: শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ও রোগ থেকে দ্রুত সেরে উঠতে ভিটামিন বি১২ দারুণ কার্যকর। বিভিন্ন দুগ্ধজাত খাবার ও ডিমে ভিটামিন বি১২ পাওয়া যায়। তবে যাঁরা নিরামিষাশী, তাঁরা শরীরে ভিটামিন বি১২-এর অভাব পূরণে চিকিৎসকের পরামর্শমতো সম্পূরক হিসেবে B126/ NeuroB/vitabion বা একই গ্রুপের অন্য ভিটামিন নিতে পারেন।

জিঙ্ক: শরীরে জিঙ্কের ঘাটতি হলে রক্তে শ্বেতকণিকার ক্ষমতা কমে যেতে পারে। ফলে দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। বাদাম, শিম, দুগ্ধজাত পণ্যে জিঙ্কের পরিমাণ বেশি থাকে। মনে রাখবেন, শিশুদের ক্ষেত্রে জিঙ্কের পরিমাণ কমে গেলে তারা বেশি ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যায়। জিঙ্ক এর সম্পূরক হিসেবে xinc 20 টিও খাওয়া যেতে পারে চিকিৎসক এর পরামর্শ অনুযায়ী

সুস্থ থাকুন নিরাপদ  থাকুন

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটি খুব পরিচিত নাম। চিকিৎসকেরা যদিও দুটোর মধ্যে পার্থক্য করেন, কিন্তু সাধারণ মানুষের কাছে বুক জ্বলা বা পেট ফাঁপা মানেই গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটি। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে পেপটিক আলসারও বলা হয়ে থাকে। গ্যাসের জন্যে পাকস্থলীতে হালকা থেকে অনেক গভীর সমস্যাও হতে পারে। বুকে ব্যথার তীব্রতা বেড়ে গেলে অসম্ভব কষ্ট হয়। তখন গ্যাস্ট্রিকের ব্যথানাশক ঔষধ খাওয়া ছাড়া উপায় থাকে না। বিভিন্ন কারণে আমাদের গ্যাসের সমস্যা হতে পারে। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে এই সমস্যাগুলো কিছু নিয়মকানুন ও ঘরোয়া কিছু খাবারের মাধ্যমেই নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে। আর সেরকম কিছু ঘরোয়া সমাধান নিয়েই আজ আলোচনা করা হলো।

রসুন

গ্যাসের সমস্যার হাত থেকে মুক্তি পেতে রসুন একটি অনন্য কার্যকরী উপাদান। রসুন, গোল মরিচ গুঁড়ো, ধনে ও জিরে গুঁড়ো একসাথে মিশিয়ে পানিতে ফুটিয়ে নিতে হবে। পানি সিদ্ধ হয়ে এলে তা ছেঁকে আলাদা করে নিতে হবে। পানি ঠাণ্ডা করার পর সাধারণ তাপমাত্রায় এনে এক চামচ মধু দিয়ে দিনে দু’বার পান করলে ভালো ফল পাওয়া যাবে। এছাড়াও গ্যাসের সমস্যা দূর করার জন্যে রসুনের স্যুপও বেশ কার্যকরী।

আদা

আদা খুব অল্প সময়ের মধ্যেই শরীরের বুক জ্বালা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে পারে। আদা হজমেও বেশ সহায়তা করে। প্রতিদিন খাওয়ার আগে বা পরে এক টুকরা আদা চিবিয়ে খেলে বেশ ভালো ফল পাওয়া যায়। সকালবেলা গরম পানিতে আদা সিদ্ধ করে খাওয়া শরীরের জন্যে বেশ উপকারী।

গোল মরিচের গুঁড়ো

গোল মরিচের গুঁড়ো আয়ুর্বেদিক চিকিৎসার ক্ষেত্রে খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে ধরা হয়। এই গুঁড়ো শরীরে এসিডিটি এবং বদহজম কমাতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে। গোল মরিচের গুঁড়ো শরীরে হাইড্রোলিক এসিড ছড়াতে সাহায্য করে, যা পাকস্থলীর এসিডিটি কমাতে সাহায্য করে। তালের বা আখের গুড়ের সাথে গোল মরিচের গুঁড়ো মিশিয়ে খেলে বেশ ভালো ফল পাওয়া যায়। গোল মরিচের গুঁড়ো, আদা গুঁড়ো, ধনিয়া গুঁড়ো এবং সমান পরিমাণ শুকনো পুদিনা পাতা একসাথে মিশিয়ে দিনে দু’বার দুধের সাথে মিশিয়ে খেতে হবে।

কালো জিরা

এসিডিটির ব্যথা কমানোর জন্যে কালো জিরা বেশ উপকারী। কালো জিরার অনেক ঔষধি গুণ রয়েছে। চায়ে কালো জিরা মিশিয়ে খেলে বেশ উপকার হয়। কালো জিরার চা বানানোর জন্যে, প্রথমে এক কাপ গরম পানিতে এক চা চামচ কালো জিরা বেশ ভালোভাবে ফুটিয়ে নিতে হবে। এক চামচ মধু মিশিয়ে দুপুরে অথবা রাতের খাবারের পূর্বে এক কাপ কালো জিরার চা হজমে বেশ সাহায্য করে।

ঘোল বা মাঠা

টক দই দিয়ে তৈরি এই পানীয়কে আঞ্চলিকভাবে অনেকেই ঘোল বা মাঠা বলে থাকে। এসিডিটি কমাতে ঘোল বা মাঠা বেশ ভালভাবেই সাহায্য করে। এর কারণ হলো টকদই বেশ হজম উপকারী। টক দইয়ে লেবুর রস, পুদিনা পাতার রস, আদার রস, সামান্য লবণ এবং প্রয়োজনমত চিনি বা মধু মিশিয়ে ঘোল বানাতে হয়। খাওয়ার পর এক গ্লাস মাঠা শরীরের সকল ক্লান্তি দূর করে হজমে বেশ সাহায্য করে।

লবঙ্গ

পেটের হজমে লবঙ্গ বেশ কার্যকরী। কয়েকটি লবঙ্গ মুখে দিয়ে চিবুতে থাকলে বেশ ভালো ফল পাওয়া যায়। এটির স্বাদ কিছুটা বিস্বাদ হলেও ধীরে ধীরে অভ্যাস হয়ে যায়। লবঙ্গ বমির ভাব কমাতেও বেশ সাহায্য করে। লবঙ্গের রস খুব সহজেই এসিডিটি কমিয়ে আনতে পারে।

মৌরি

আমাদের রান্নাঘরে মৌরির কৌটা থাকা বেশ স্বাভাবিক ব্যাপার। হজমের জন্যে ভরা পেটে মৌরি চিবানো বেশ উপকারী। মৌরি গরম চায়ের সাথে খেলেও বেশ ভালো ফল পাওয়া যায়। গরম পানির সাথে চায়ের পাতা গরম করে, তার সাথে মৌরি ভালোভাবে ফুটিয়ে নিয়ে কিছুটা দুধ দিয়ে খেলে শরীরে চনমনে ভাব ফিরে আসে।

দারুচিনি

যারা নিয়মিত রান্না করেন তাদের জন্যে দারুচিনি খুব পরিচিত একটি নাম। সেই প্রাচীনকাল থেকে হজমের জন্যে কবিরাজদের মূল চিকিৎসা ছিল দারুচিনি সেবন। প্রাকৃতিকভাবেই এটি অম্লনাশক হিসেবে কাজ করে এবং পাকস্থলীর গ্যাস কমিয়ে আনতে বেশ সাহায্য করে। দারুচিনি আসলে বিভিন্নভাবে ব্যবহার করা যায়। রান্নায় তো প্রতিনিয়ত এর ব্যবহার হয়েই থাকে, এছাড়াও স্যুপ বা সালাদেও দারুচিনির গুঁড়ো ব্যবহার করা যেতে পারে। আরও ভালো ফলাফল পাওয়া যায়, যদি গরম পানি অথবা দুধের সাথে দারুচিনির গুঁড়ো সিদ্ধ করে খাওয়া যায়।

আমলকি

আমলকি শরীরের জন্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ফল। এটি শুধুমাত্র যে হজমেই সাহায্য করে এমন নয়, এটি চুল, পাকস্থলী এবং চামড়ার জন্যেও বেশ উপকারী। প্রতিদিন খালি পেটে আমলকির জুস খেলে সারাদিনের জন্যে শরীরে ব্যাপক শক্তি সঞ্চিত হয়। আমলকিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে, যা এসিডিটি এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে বেশ সহায়ক।

যোয়ান

যোয়ান বা আজোয়ান আজকাল বেশ পরিচিত একটি নাম। ধনে গাছের মতো দেখতে গাছগুলোতে সাদা রঙের এক ধরনের ফুল হয়। বাংলাদেশের ময়মনসিংহ এলাকায় এর ব্যাপক চাষ হয়ে থাকে। এর বীজ সরাসরি খাওয়া যায়, আবার যোয়ানের তেলও পাওয়া যায়। পেটফাঁপা, ক্ষুধামন্দা এবং মুখের গন্ধ কমাতে যোয়ান বেশ উপকারী। এছাড়াও গরম পানির সাথে মিশিয়েও যোয়ানের পানি পান করা যায়।

হলুদের পাতা

সুস্বাস্থ্যের জন্যে হলুদের পাতার বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। হলুদের পাতা গুঁড়ো করে গরম দুধের সাথে সিদ্ধ করে খেলে ভালো ফল পাওয়া যায়। হলুদের পাতা গ্যাসের সমস্যার পাশাপাশি ত্বকের যত্নেও বেশ সাহায্য করে।

আলুর রস/জুস

পাকস্থলীতে গ্যাসের প্রভাব কমাতে আলুর রস বা জুস খুব উপকারী। কয়েকটি ছোট আকারের আলু পিষে অথবা ব্লেন্ড করে পানিতে খানিকটা মধু এবং লবণ দিয়ে দুপুরে খাওয়ার আগে খেলে বেশ ভালো উপকার পাওয়া যায়। যাদের গ্যাসের সমস্যা তীব্র, তারা দিনে দুই থেকে তিনবার এই জুস পান করতে পারেন। কিন্তু স্বাদের দিক বিবেচনা করলে এই জুস খাওয়াটা অনেকের জন্যেই কষ্টসাধ্য।

পুদিনা পাতা

পুদিনা পাতার রস পাকস্থলীর গ্যাস ও বমিভাব কমাতে বেশ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। গ্যাসের ব্যথা শুরু হওয়ার সাথে সাথে কিছু পুদিনা পাতা মুখে নিয়ে হালকা চিবিয়ে নিলে ভালো ফল হবে। এছাড়াও গরম পানিতে পুদিনা পাতার চা তৈরি করে তার সাথে মধু মিশিয়ে খেলেও তা শরীরের জন্যে বেশ উপকারী।

আয়ুর্বেদিক চা

বর্তমানে আয়ুর্বেদিক চা খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের আয়ুর্বেদিক চায়ের পাতা আজকাল খুব সহজেই পাওয়া যায়। তবে নিজে ঘরে বানিয়ে খেতে চাইলে তুলসীর পাতা, পুদিনা পাতা, আঙ্গুরের রস, কালো জিরা ইত্যাদি মিশিয়ে চা পান করা যেতে পারে।

এতক্ষণ যেসব উপায় নিয়ে আলোচনা করা হলো, তার বেশিরভাগই বিভিন্ন আয়ুর্বেদিক এবং প্রাকৃতিক উপকরণ, যা কম-বেশি আমাদের প্রত্যেকের ঘরে রয়েছে এবং এগুলো বেশ সহজপ্রাপ্যও। কিন্তু শুধু এসব উপকরণ খাওয়ার উপর নির্ভর করলে বা নিয়মিত খেলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা কমে যাবে, এমন ভাবাটা যুক্তিযুক্ত হবে না। গ্যাস বা এসিডিটির প্রভাব কমানোর জন্যে আমাদের নিয়মিত কিছু অভ্যাস তৈরি করতে হবে। এবার সেসব অভ্যাস নিয়ে আলোচনা করা হলো।

খাওয়ার অভ্যাস

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে খাওয়ার অভ্যাস খুব গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। প্রতিদিন দুপুরের এবং রাতের খাবার একটি নির্দিষ্ট সময়ে খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। রাতের খাবার যত তাড়াতাড়ি সম্ভব খেয়ে ফেলা উচিত। সকালের নাস্তা বেশ ভালোভাবে করার চেষ্টা করতে হবে। অন্যদিকে দুপুরের আহার একটু হালকা করা বাঞ্ছনীয়। একেবারে খুব বেশি না খেয়ে, নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর অল্প খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

অতিরিক্ত তেল জাতীয় খাবার পরিহার

যারা নিয়মিত গ্যাসের সমস্যায় ভুগছেন, তারা শুধুমাত্র ঔষধের উপর নির্ভর না করে খাবারের ব্যাপারে বেশি নজর দেয়া উচিত। অতিরিক্ত তেল জাতীয় খাদ্য, ফাস্টফুড, মশলাদার খাবার ইত্যাদি ত্যাগ করা উচিত। দৈনন্দিন খাবারের তালিকায় সুষম খাদ্যের ভারসাম্য মেনে চলা উচিত। নিত্যদিনের খাবারে তেলের ব্যবহার অনেকটাই কমিয়ে আনতে হবে এবং প্রচুর পরিমাণ ফল খেতে হবে।

পর্যাপ্ত পানি পান করা

গ্যাসের সমস্যা কমাতে প্রচুর পানি পান করা উচিত। তাই পর্যাপ্ত পানি পান করা নিশ্চিত করতে হবে।

ধূমপান ত্যাগ করা

অতিরিক্ত ধূমপানের ফলেও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বেড়ে যেতে পারে। ধূমপান থেকে মুক্তি পাওয়া বেশ কষ্টসাধ্য এবং এর জন্য প্রয়োজন প্রবল ইচ্ছাশক্তির। তবে গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে হলে ধূমপানের অভ্যাস অবশ্যই ত্যাগ করতে হবে।

পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করা

ঘুমের অপর্যাপ্ততা গ্যাসের সমস্যায় একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ উপসর্গ। ঘুমের সাথে আমাদের পুরো শরীরের চলাচল সরাসরিভাবে সংযুক্ত। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে, অতিরিক্ত চিন্তা করলে অথবা খুব বেশি উত্তেজিত হয়ে থাকলে হজমের ক্ষেত্রে বেশ অসুবিধা হয়। তাই খেয়াল রাখতে হবে যেন পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম নিশ্চিত করা যায়।

ব্যায়াম

ব্যায়ামের নাম শুনলে অনেকেই ভয়ে দু’পা পিছিয়ে যান। সত্যি কথা বলতে কী, বাংলাদেশের বেশিরভাগ স্বাস্থ্যজনিত সমস্যাগুলোর কারণ হচ্ছে নিয়মিত ব্যায়ামের অভাব। বিশেষ করে চাকুরিজীবীদের ব্যায়াম করাটা আজকের দিনে প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তবে আকাঙ্ক্ষা এবং একাগ্রতা থাকলে প্রতিদিন ২০-৩০ মিনিট ব্যায়াম করা খুব একটা কষ্টসাধ্য ব্যাপার নয়। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার সকলের খেয়াল রাখতে হবে, আমরা যেন দুপুর বা রাতে খাওয়ার সাথে সাথেই শুয়ে না পড়ি। অন্তত খাওয়ার এবং ঘুমানোর মধ্যে এক থেকে দু’ঘণ্টার ব্যবধান থাকা একান্ত আবশ্যকীয়।

অনেকের প্রাত্যহিক জীবনে গ্যাসের সমস্যা ক্রমান্বয়ে প্রকট হয়ে পড়েছে। আজকাল গ্যাসের সমস্যা ছাড়া কাউকে খুঁজেই পাওয়াই মুশকিল। গ্যাসের ওষুধ এখন অলিতে-গলিতে, পাড়ার ছোট্ট দোকানটাতেও পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু অতিরিক্ত ওষুধ সেবন কোনোভাবেই ভালো নয়, সেটা নিশ্চয়ই কারও অজানা নয়। তাই গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর করতে প্রাকৃতিক প্রতিকারগুলো প্রয়োগ করাটা খুব একটা কষ্টসাধ্য ব্যাপার মনে না করাই উত্তম।

এছাড়া কিছু প্রাথমিক ঔষধ আপাতত গ্রহণ করতে পারেন। Omidon tablet দিন ২বার খাওয়ার পর Nexum Mups 20 খাবার খাওয়ার আগে দিনে ২/৩ বার antacid plus syrup দিনে ৩বার খাওয়ার পর। এভাবে কিছুদিন খাওয়ার পর কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলে বন্ধ করে দিন।

আল্লাহ তাআলা বলেন,

ﺃُﺣِﻞَّ ﻟَﻜُﻢْ ﻟَﻴْﻠَﺔَ ﺍﻟﺼِّﻴَﺎﻡِ ﺍﻟﺮَّﻓَﺚُ ﺇِﻟَﻰ ﻧِﺴَﺎﺋِﻜُﻢْ ﻫُﻦَّ ﻟِﺒَﺎﺱٌ ﻟَﻜُﻢْ ﻭَﺃَﻧْﺘُﻢْ ﻟِﺒَﺎﺱٌ ﻟَﻬُﻦَّ ﻋَﻠِﻢَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺃَﻧَّﻜُﻢْ ﻛُﻨْﺘُﻢْ ﺗَﺨْﺘَﺎﻧُﻮﻥَ ﺃَﻧْﻔُﺴَﻜُﻢْ ﻓَﺘَﺎﺏَ ﻋَﻠَﻴْﻜُﻢْ ﻭَﻋَﻔَﺎ ﻋَﻨْﻜُﻢْ ﻓَﺎﻟْﺂَﻥَ ﺑَﺎﺷِﺮُﻭﻫُﻦَّ ﻭَﺍﺑْﺘَﻐُﻮﺍ ﻣَﺎ ﻛَﺘَﺐَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻟَﻜُﻢْ
সিয়ামের রাতে তোমাদের জন্য তোমাদের স্ত্রীদের নিকট গমন হালাল করা হয়েছে। তারা তোমাদের জন্য পরিচ্ছদ এবং তোমরা তাদের জন্য পরিচ্ছদ। আল্লাহ জেনেছেন যে, তোমরা নিজদের সাথে খিয়ানত করছিলে। অতঃপর তিনি তোমাদের তাওবা কবূল করেছেন এবং তোমাদেরকে ক্ষমা করেছেন। অতএব, এখন তোমরা তাদের সাথে মিলিত হও এবং আল্লাহ তোমাদের জন্য যা লিখে দিয়েছেন, তা অনুসন্ধান কর। 

রমজান মাসে রোজা পালনের উদ্দেশ্যে সাহরি খাওয়া সুন্নত। যদি কেউ এমন অবস্থায় পতিত হন যে, ফরজ গোসল করে সাহরি খাওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময় নেই; তখন অজু করে বা হাতমুখ ধুয়ে আগে সাহরি খেয়ে নেবেন। পরে গোসল করে ফজরের নামাজ আদায় করবেন। 
কারণ, সাহরি খাওয়ার জন্য পবিত্রতা ফরজ নয় বরং সুন্নত; আর নামাজ আদায় করার জন্য পবিত্রতা ফরজ। গোসল ফরজ হলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তা করে নিতে হবে, বিনা ওজরে বেশি সময় অপবিত্র অবস্থায় থাকা সমীচীন নয়। আর রমজানে রোজা অবস্থায় অধিকক্ষণ অপবিত্র অবস্থায় থাকা মোটেও বাঞ্ছনীয় নয়। এতে রহমতের ফেরেশতাদের কষ্ট হয়। 
তাই দ্রুত পবিত্রতা অর্জন করা জরুরি।

ফিকহবিদদের মতে, গোসল ফরজ হওয়া সত্ত্বেও গোসল না করেই সেহরি খেয়ে রোজা রাখলে রোজা সহি হবে। তবে ফজরের ওয়াক্ত থাকতেই গোসল করে সময় মতো নামাজ আদায় করে নিতে হবে। সব সময়ই মনে রাখতে হবে, গোসল ফরজ হওয়া সত্ত্বেও বিনা ওজরে গোসল না করে অপবিত্র অবস্থায় এক ওয়াক্ত নামাজের সময় অতিবাহিত হয়ে যাওয়া মারাত্মক গোনাহ। (মুসলিম হাদিস নং ২৫৯২, বাদায়ে, ১/১৫১)

বিষয়টির প্রমাণ রাসুলের সহধর্মিণী উম্মুল মোমিনীন আয়েশা রা. বর্ণিত হাদিস— ﻛﺎﻥ ﺍﻟﻨﺒﻲ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭ ﺳﻠﻢ ﻳﺪﺭﻛﻪ ﺍﻟﻔﺠﺮ ﻓﻲ ﺭﻣﻀﺎﻥ ﻭﻫﻮ ﺟﻨﺐ ﻣﻦ ﻏﻴﺮ ﺣﻠﻢ، ﻓﻴﻐﺘﺴﻞ ﻭﻳﺼﻮﻡ .
রমজান মাসে স্বপ্নদোষ ব্যতীতই অপবিত্র অবস্থায় রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সুবহে অতিক্রম করতেন। অত:পর তিনি গোসল করে রোজা রাখতেন। [বোখারি : ১৮২৯, মুসলিম : ১১০৯।]
রাসুলের অপর স্ত্রী উম্মুল মোমিনীন উম্মে সালামা রা. বর্ণনা করেন:— ﻛﺎﻥ ﻳﺪﺭﻛﻪ ﺍﻟﻔﺠﺮ ﻭﻫﻮ ﺟﻨﺐ ﻣﻦ ﺃﻫﻠﻪ ﺛﻢ ﻳﻐﺘﺴﻞ ﻭﻳﺼﻮﻡ.

সহবাসের ফলে না-পাকি অবস্থায় রাসুল সুবহে সাদিক অতিক্রম করতেন, অত:পর গোসল করে রোজা রাখতেন। [বোখারি : ১৯২৬]

আশা করি আপনার উত্তর টি পেয়েছেন

 

১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকিস্তানি সৈন্য হতাহত ও যুদ্ধবন্দী হওয়ার পরিসংখ্যানঃ পাকিস্তানি মোট ৯০০০ সৈনিক নিহত হয়, আহত হয় ২৫,০০০ জন। মোট হতাহতের সংখ্যা দাঁড়ায় ৩৪,০০০ জন। এবং মোট যুদ্ধবন্দী হয় ৯৭,৩৬৮ জন। এর মধ্যে ৫৬,৬৯৪ সামরিক বাহিনীর সদস্য, ১২,১৯২ প্যারামিলিটারি এবং বাকিরা সাধারণ নাগরিক।

সারা বিশ্বের প্রায় ১০ কোটি লোক শ্বাসনালীর সচরাচর সমস্যা-হাঁপানি বা এ্যাজমায় আক্রান্ত। এদের ৯০% এরও বেশি অত্যাধুনিক চিকিৎসা পায় না এবং প্রতি বছর অনেক রোগী মারা যায় । যদিও এ মৃত্যুর ৮০% প্রতিরোধ করা সম্ভব, যদি আধুনিক চিকিৎসা ও ডাক্তারের তদারকির মাধ্যমে এ্যাজমা নিয়ন্ত্রণের শিক্ষা দেয়া যায় । 

এ্যাজমা ব্যাপারটা কি : এ্যাজমা বা হাঁপানি আসলে শ্বাসনালীর অসুখ। যদি কোন কারনে শ্বাসনালীগুলো অতিমাত্রায় সংবেদনশীন (হাইপারসেনসিটিভ) হয়ে পড়ে এবং বিভিন্ন ধরনের উত্তেজনায় উদ্দীপ্ত হয় তখন বাতাস চলাচলের পথে বাধার সৃষ্টি হয়, ফলে শ্বাস নিতে বা ফেলতে কষ্ট হয় । 
এ্যাজমা রোগের প্রধান উপসর্গ বা লক্ষনগুলো হলোঃ বুকের ভেতর বাশির মতো সাঁই সাঁই আওয়াজ, শ্বাস নিতে ও ছাড়তে কষ্ট, দম খাটো অর্থাৎ ফুসফুস ভরে দম নিতে না পারা, ঘন ঘন কাশি, বুকে আঁটসাট বা দম বন্ধ ভাব, রাতে ঘুম থেকে উঠে বসে থাকা, বছরের বেশির ভাগ সময় ঠান্ডা সর্দি লেগে থাকা, নাকে চুলকানি এবং অসহনীয় হাঁচি।
কেন হয়? : জেনেটিক ও পরিবেশগত এলার্জির কারনে কারও কারও বেশি হয়ে থাকে। ঘর-বাড়ির ধুলো ময়লায় মাইট, জিবানু, ফুলের বা ঘাসের পরাগ রেণু, পাখির পালক, জীব-জন্তুর পশম, ছত্রাক, কিছু কিছু খাবার, কিছু কিছু ওষুধ, নানা রকম রাসায়নিক পদার্থ ইত্যাদি থেকে এলার্জি জনিত এ্যাজমা হয়ে থাকে। 
কাদের হতে পারে এ্যাজমা বা হাঁপানি : যে কোন বয়সের নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোর যে কারো হতে পারে। যাদের রক্তের সম্পর্কের আত্মীয়দের হাঁপানি আছে তাদের এ রোগ হবার আশঙ্কা প্রবল। আবার দাদা-দাদীর থাকলে (বাবা-মা’র না থাকলেও) নাতি-নাতনী বা তাদের ছেলেমেয়েরা এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে। পিতৃকুলের চেয়ে মাতৃকুল থেকে হাঁপানিতে আক্রান্ত হবার আশঙ্কা বেশি থাকে। তবে এ্যাজমা বা হাঁপানীর মূল কারণ কিন্তু এলার্জি ।
প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা: রক্তের বিশেষ বিশেষ পরীক্ষাঃ বিশেষত রক্তে ইয়োসিনোফিল ও সিরাম আইজিই। 
স্কিন প্রিক টেস্টঃ এই পরীক্ষায় রোগীর চামড়ার উপর বিভিন্ন এলার্জেন দিয়ে পরীক্ষা করা হয় এবং এই পরীক্ষাতে কোন কোন জিনিসে রোগীর এলার্জি আছে (এ্যাজমার জন্য দায়ী) ধরা পড়ে। 
বুকের এক্স-রেঃ হাঁপানি রোগের ক্ষেত্রে চিকিৎসা শুরু করার আগে অবশ্যই বুকের এক্স-রে করে নেয়া দরকার যে অন্য কোন কারনে শ্বাসকষ্ট হচ্ছে কিনা । 
স্পাইরোমেট্রি বা ফুসফুসের ক্ষমতা দেখাঃ এই পরীক্ষা করে রোগীর ফুসফুসের অবস্থা সম্পর্কে সঠিক ধারণা করা যায় । 
সমন্বিতভাবে এ্যাজমা বা হাঁপানীর চিকিৎসা হলোঃ
এলার্জেন পরিহারঃ এ্যাজমা বা হাঁপানির হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার সবচেয়ে সহজ পন্থা হলো, যে এলার্জি থেকে শ্বাসকষ্ট হয় তা যতদুর সম্ভব এড়িয়ে চলা। তাই এ্যাজমা রোগীদের প্রথমেই এলার্জি টেস্ট করে জানা দরকার কোন ধরনের এলার্জি দিয়ে শ্বাসকষ্ট হয় । 
ওষুধ প্রয়োগঃ নানা ধরনের এ্যাজমার ওষুধ আছে বাজারে। ডাক্তার দেখিয়ে প্রয়োজন মতো ওষুধ ব্যবহার করে রোগী সুস্থ থাকতে পারেন ।
এলার্জি ভ্যাকসিন বা ইমুনোথেরাপিঃ এলার্জি দ্রব্যাদি এড়িয়ে চলা ও ওষুধের পাশাপাশি ভ্যাকসিনও এ্যাজমা রোগীদের সুস্থ থাকার অন্যতম চিকিৎসা পদ্ধতি । এলার্জি ভ্যাকসিনের মূল উদ্দেশ্য হলো যে এলার্জেন দিয়ে এ্যাজমা বা হাঁপানীর সমস্যা হচ্ছে সেই এলার্জেন স্বল্পমাত্রায় প্রয়োগ করা হয়, যা পরবর্তিতে ঐ এলার্জেন দিয়ে রোগী শ্বাসকষ্টে বা এ্যাজমাতে যেন আক্রান্ত না হয়। বিশ্বের অধিকাংশ দেশে, বিশেষ করে উন্নত দেশগুলোতে এ পদ্ধতিতে চিকিৎসা দেওয়া হয়ে থাকে। আমেরিকান একাডেমী অব এলার্জি এ্যাজমা এন্ড ইমুনোলোজী, ইউরোপিয়ান একাডেমী অব এলারগোলজী এন্ড ক্লিনিক্যাল ইমুনোলোজী, ইউরোপিয়ান সোসাইটি অব পেডিয়াট্রিক্স এলার্জি এন্ড ক্লিনিক্যাল ইমুনোলোজী, ইন্টারন্যাশনাল এসোসিয়েশন অব এলারগোলোজী এন্ড ক্লিনিক্যাল ইমুনোলোজী, জাপানিজ সোসাইটি অব এলারগোলজী, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব এলার্জি এন্ড ইনফেকসিয়াস ডিজিস একত্রিত হয়ে এলার্জি সৃষ্টিকারী দ্রব্যাদি বা এলার্জেনের বিরুদ্ধে প্রতিষেধকমূলক এলার্জেন ইমুনোথেরাপি বা ভ্যাকসিনের ব্যবহারের দিকনির্দেশনা তৈরি করেন।
এলার্জিজনিত এ্যাজমা বা হাঁপানির ক্ষেত্রে এই ভ্যাকসিন অত্যন্ত কার্যকারী বলে অভিমত প্রকাশ করেন বর্তমানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও। এই ভ্যাকসিন পদ্ধতির চিকিৎসাকে এলার্জিজনিত এ্যাজমা রোগের অন্যতম চিকিৎসা বলে অভিহিত করেন। এটাই এ্যাজমা রোগীদের দীর্ঘমেয়াদি সুস্থ থাকার একমাত্র চিকিৎসা পদ্ধতি। 
আগে ধারণা ছিল এ্যাজমা একবার হলে আর সারে না। কিন্তু বর্তমানে চিকিৎসা ব্যবস্থার যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। প্রথম দিকে ধরা পড়লে এলার্জিজনিত এ্যাজমা রোগ একেবারে সারিয়ে তোলা সম্ভব। অবহেলা করলে এবং রোগ অনেক দিন ধরে চলতে থাকলে নিরাময় করা কঠিন হয়ে পড়ে। 
বর্তমানে এলার্জি জনিত এ্যাজমা রোগের ভ্যাকসিনসহ উন্নত চিকিৎসা আমাদের দেশেই হচ্ছে।

 

রসুনের রস চুল পড়া কমায়, মাথার ত্বকের ইনফেকশন ও খুশকি দূর করে। এমনকি এটি নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, তেলের মতো করে চুলে ও মাথার তালুতে রসুনের রস লাগালে অনেক দ্রুত আপনার মাথায় নতুন চুল গজাবে। কারণ রসুনের রসে প্রচুর পরিমাণে এলিসিন থাকে। এটি রক্তের হিমোগ্লোবিন সঞ্চালন বাড়িয়ে দেয় যা নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। এ ছাড়া রসুনে প্রচুর পরিমাণে কপার রয়েছে, যা চুলকে ঘন ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল করে তোলে।

 

কীভাবে চুলে রসুনের রস ব্যবহার করবেন সে সম্বন্ধে তিনটি ধাপের কথা বলা হয়েছে লাইফস্টাইল বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ে। 

 

প্রথম ধাপ
প্রথমে রসুন পেস্ট করে এর রস বের করে নিন। একটি এয়ার টাইট বোতলে এই রস সংরক্ষণ করতে পারেন। যাতে যখন প্রয়োজন তখন তেলের মতো করে এই রস চুলে ব্যবহার করতে পারেন।

দ্বিতীয় ধাপ
যাদের চুল শুষ্ক তারা গোলাপজলের পানিতে চুল আধাঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। গোলাপজল চুলের ময়েশ্চারাইজার ধরে রাখে। এবার ভালো করে চুলে ও মাথার তালুতে রসুনের রস লাগান। 

তৃতীয় ধাপ
রসুনের রস লাগানোর পর আধাঘণ্টা রেখে দিন। এবার চুল চিরুনি দিয়ে আঁচড়ে নিন। হালকা গরম পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এরপর চুলে ভালো করে মাইল্ড শ্যাম্পু লাগান। পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ১৫ মিনিট পর কন্ডিশনার লাগিয়ে ঠান্ডা পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।  

পরামর্শ
•    যাঁদের চুল বেশি পড়ে, তাঁরা রসুনের রস সপ্তাহে অন্তত দুদিন ব্যবহার করুন। দেখবেন এক মাসের মধ্যে আপনার মাথায় নতুন চুল গজাবে।

•    আপনার মাথার তালুতে যদি ক্ষত থাকে, তাহলে রসুনের রস ব্যবহার না করাই ভালো। কারণ এটি ব্যবহারে ক্ষত আরো বেড়ে যেতে পারে। 

•    রসুনের রস লাগানোর আগে যাঁদের চুল তৈলাক্ত, তাঁদের চুলে তেল দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

 

এবার আসি Minoxidil ব্যবহার প্রসঙ্গে।

 এটি ব্যবহার করার পূর্বে মাথার স্ক্যাল্প অবশ্যই Prosalic lotion আঙ্গুল দিয়ে ঘষে ঘষে দিনে ২বার পরিষ্কার করবেন। Proselic ২ সপ্তাহ ব্যবহার শেষে আপনি Minoxidil 5% ব্যবহার করতে পারেন। 

তবে আমার পরামর্শ থাকবে আগে প্রাকৃতিকভাবে চেষ্টা করুন। কাজ না হলো অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এর পরামর্শ অনুযায়ী Minoxidil ব্যবহার করবেন। 

কারণ মাথা টাক হওয়ার পেছনে যে কারণ তা সনাক্ত না করে এসব ব্যবহার করলে ভালো ফলাফল আশা করা যাবে না। 

ধন্যবাদ

আল্লাহ্ তা’লার এক নাম সাত্তার, অভিধানে লেখা আছে- সাত্তার অর্থ সেই সত্তা যিনি পর্দার আড়ালে আছেন বা যিনি লুকিয়ে আছেন, এছাড়াও আল্লাহ্ তা’লা সম্পর্কে বলা হয় ‘ওয়াআল্লাহু সাত্তারুল উইয়ুব’, অর্থাৎ ‘আল্লাহ্ তা’লাই সেই সত্তা যিনি ভুল-ভ্রান্তি ও দুর্বলতাকে গোপন রাখেন’। আল্লাহ্ তা’লা শুধু মানুষের ভুল-ভ্রান্তি ও দুর্বলতা গোপনই করেন না বরং হাদীসে এসেছে, আল্লাহ্ তা’লা ঢেকে রাখা (দুর্বলতা) ও গোপনীয়তা পছন্দ করেন। মুসনাদ আহমদ বিন হাম্বল এর একটি হাদীসে এসেছে, নবী করীম (সা.) বলেছেন:

إِنَّ اللَّهَ عزّ وجلَّ يُحِبُّ الْحَيَاءَ وَالسَّتْرَ

অর্থাৎ, ‘হযরত ইয়ালা বিন উমাইয়া বর্ণনা করেছেন, মহানবী (সা.) বলেছেন, অবশ্যই আল্লাহ্ তা’লা লজ্জাবোধ ও গোপনীয়তা পছন্দ করেন।’

(মুসনাদ আহমদ বিন হাম্বল, ৬ষ্ঠ খন্ড, পৃ: ১৬৩)

এছাড়া আল্লাহ্ তা’লা কীভাবে নিজ বান্দার দুর্বলতা ঢেকে রাখেন সে সম্পর্কেও একটি বর্ণিত হয়েছে। সাফওয়া বিন মোহরেয বর্ণনা করেন,

‘এক ব্যক্তি হযরত ইবনে ওমর (রা.)-কে প্রশ্ন করলেন, আপনি রসূলুল্লাহ্ (সা.)-এর কাছে গোপনীয়তার বিষয়ে কি শুনেছেন? তিনি বললেন: মহানবী (সা.) বলেছেন, তোমাদের কেউ নিজ প্রভু-প্রতিপালকের এতটা নিকটবর্তী হবে যে তিনি তার উপর রহমতের ছায়া ফেলবেন এবং বলবেন তুমি অমুক অমুক কাজ করেছ? সে বলবে, হ্যা আমার প্রভু; আবার বলবেন তুমি অমুক অমুক কাজ করেছ? সে বলবে হ্যা। আল্লাহ্ তা’লা তার স্বীকারোক্তি নিয়ে বলবেন, আমি সেই জগতে তোমার দোষ গোপন করেছিলাম, আজও (কিয়ামত দিবসে) দোষ-ত্রুটি গোপন করছি আর তুমি যে সব মন্দ কাজ করেছিলে সেগুলো ক্ষমা করছি।’

(বুখারী-কিতাবুল আদাব-সাতরুল মু’মিনে আলা নাফসিহী, হাদীস নাম্বার: ৬০৭০)

ইনিই হচ্ছেন সেই প্রিয় খোদা যিনি নিজ বান্দার দুর্বলতা ঢেকে রাখেন ও ক্ষমার আচরণ করে থাকেন। হযরত মসীহ্ মওউদ (আ.) এক স্থানে বলেছেন,

‘অপরাপর ধর্ম আল্লাহ্ তা’লা যে অন্যের দুর্বলতা ঢেকে রাখেন তার ধারণাই উপস্থাপন করতে পারে না, তাদের মাঝে (আল্লাহ্ তা’লা সম্পর্কে) যদি এমন বিশ্বাস থাকত, উদাহরণস্বরূপ যদি খ্রিষ্টানদের মাঝে অন্যের দোষ গোপন রাখার ধারণা থাকত তবে তাদের মাঝে প্রায়শ্চিত্যবাদের ধারণাই সৃষ্টি হত না আর এভাবে আর্যদের মাঝেও পুর্নজন্ম ও জন্মান্তরবাদের বিশ্বাস থাকত না’।

অর্থাৎ, তারা বলে আল্লাহ্ তালা পাপ-পুণ্যের প্রতিদান স্বরূপ বিভিন্ন রূপে মানুষকে পৃথিবীতে প্রেরণ করেন।

‘অতএব একমাত্র ইসলামই আল্লাহ্ তা’লার সাত্তারিয়াতের এ ধারণা উপস্থাপন করে যার প্রকাশ এ পৃথিবীতেও হয় আর পরকালেও।’

কিন্তু, এর এ অর্থ করা ঠিক হবে না যে, আল্লাহ্ তা’লা যেহেতু দোষত্রুটি ঢেকে রাখা পছন্দ করেন এবং বান্দাদের এ বলে ক্ষমা করে দিয়েছেন যে, আমি পৃথিবীতেও তোমাদের দোষ-ত্রুটি গোপন রেখেছিলাম, এবং এখানেও গোপনীয়তা বজায় রেখে ক্ষমা করে দিচ্ছি। এর ফলে যদি আমরা ভ্রুক্ষেপহীন হয়ে যাই, আর ভাল-মন্দের মাঝে কোন ভেদাভেদ না করি, আর ভাবি যে ক্ষমা তো পাবই, পাপ ও মন্দ কাজ করলেই বা কি আসে যায়, যা খুশি কর! একটি হাদীসে এসেছে মু’মিনদের উপর আল্লাহ্ তা’লার এত পর্দা রয়েছে যে, তা গণনা করে শেষ করা যাবে না। আল্লাহ্ তা’লা মু’মিনদের দুর্বলতা গোপন রাখার জন্য তাদেরকে স্বীয় পর্দায় আবৃত করেছেন; একজন মু’মিন যখন কোন পাপকর্ম করে তখন সে গোপনীয়তা এক এক করে প্রকাশ পেতে থাকে, এমনকি সে যদি পাপ অব্যাহত রাখে, লেখা রয়েছে তার উপর আর কোন পর্দা অবশিষ্ট থাকে না। তখন আল্লাহ্ তা’লা ফিরিশ্তাদের বলেন, আমার বান্দাকে ঢেকে দাও তখন তারা তাকে নিজেদের ডানায় পরিবেষ্টন করে। দেখুন! আল্লাহ্ তা’লা কীভাবে অন্যের দোষ গোপন করে থাকেন; কিন্তু মানুষ যদি আল্লাহ্ তা’লার এ ব্যবহার দেখেও স্বীয় অবস্থা পরিবর্তনের চেষ্টা না করে তবে আল্লাহ্ তা’লা কি ব্যবহার করেন? এক দীর্ঘ হাদীসে সে অবস্থা বর্ণিত হয়েছে।

‘ফিরিশ্তা বান্দার দোষ গোপন করার পর সে যদি তওবা করে তবে আল্লাহ্ তা’লা তার তওবা গ্রহণ করেন এবং তার অপসারিত পর্দা ফিরিয়ে দেন, বরং প্রত্যেক পর্দার স্থলে তাকে আরো নয়টি পর্দা দান করেন, যাতে তার ক্ষমার উপকরণ তৈরি হতে থাকে এবং তার দুর্বলতা ঢাকা থাকে। কিন্তু বান্দা যদি তওবা না করে এবং পাপে লিপ্ত থাকে তখন ফিরিশ্তা বলবে, আমরা তাকে কীভাবে ঢাকবো? এ ব্যক্তি এতো বাড় বেড়েছে যে আমাদেরকেও কলুষিত করছে। তখন আল্লাহ্ তা’লা বলবেন, একে নি:সঙ্গ ছেড়ে দাও।’

এরপর তার সাথে কী ব্যবহার করা হয়? হাদীসে লেখা রয়েছে,

‘আল্লাহ্ তখন তার সব ভুল-ত্রুটি ও অপরাধ; তা সে অতি সংগোপনে করে থাকলেও তা প্রকাশ করে দেবেন’।

অর্থাৎ, তখন আল্লাহ্ তা’লার দোষ গোপন রাখার পর্দা আর থাকে না। সুতরাং প্রত্যেক মু’মিনকে, আমাদেরকে সর্বদা চেষ্টা করা উচিত, আল্লাহ্ তা’লা যেন আমাদেরকে তওবাকারী বান্দা হওয়ার তৌফিক দান করেন এবং সব সময় যেন আমরা তাঁর সাত্তারিয়াত হতে অংশ পেতে থাকি।

ইবোলা ভাইরাস.??

Ovictg99
Apr 20, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন

আপনি "ইবোলা ভাইরাস "  বিষয়ে কি জানতে চাচ্ছেন নির্দিষ্ট করে তা প্রশ্নে উল্লেখ করেন নি। তবু এই ভাইরাস নিয়ে সামান্য বিস্তারিত আপনার জন্য তুলে ধরছি।

 ১৯৭৬ সালে প্রথম শনাক্ত হয় ইবোলা ভাইরাস। মধ্য আফ্রিকার ইবোলা নদীর তীরে প্রথম সংক্রমণ ঘটে বলে নদীটির নামেই ভাইরাসটির নামকরণ হয়। ইংরেজিতে রোগটির নাম দেওয়া হয়েছে ইবোলা ভাইরাস ডিজিজ বা ইভিডি। বলা হচ্ছে, বাদুড়ের খাওয়া ফল থেকে এ ভাইরাস মানুষের দেহে প্রথম প্রবেশ করে। পরে তা মানুষ থেকে মানুষে ছড়াতে শুরু করে। দেহ থেকে নিঃসৃত বিভিন্ন তরল থেকে এ রোগ ছড়ায়। ২০১৪ সালে বিশ্বে এক মূর্তিমান আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়ায় ইবোলা ভাইরাস। মারাত্মক সংক্রামক এ ভাইরাসজনিত রোগটি পশ্চিম আফ্রিকার গিনি, লাইবেরিয়া ও সিয়েরা লিয়নসহ কয়েকটি দেশে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ে। মূলত পশ্চিম আফ্রিকায় সীমাবদ্ধ থাকলেও বিশ্বায়িত এ সময়ে চিকিৎসাসেবা ও ভ্রমণসহ বিভিন্ন সূত্রে ইবোলা রোগী বা সন্দেহভাজন আক্রান্ত চিহ্নিত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র বা অস্ট্রেলিয়ার মতো দূরবর্তী ভূখণ্ডেও। এ রোগের এক শ ভাগ কার্যকর ওষুধ বা প্রতিষেধক নেই। কয়েক দফা এ রোগের বিস্তার ঘটলেও এবারের মতো প্রাণসংহারী রূপ আগে দেখা যায়নি। সাড়ে সাত হাজারের বেশি নিশ্চিত মৃত্যুর মধ্যে কয়েক শ চিকিৎসক ও নার্স পর্যন্ত আছেন। সবচেয়ে বিপদের কথা, আক্রান্ত বলে চিহ্নিতদের ৭০ শতাংশই মারা যায়। ১৯৭৬ সালে প্রথম শনাক্ত হয় ইবোলা ভাইরাস। মধ্য আফ্রিকার ইবোলা নদীর তীরে প্রথম সংক্রমণ ঘটে বলে নদীটির নামেই ভাইরাসটির নামকরণ হয়। ইংরেজিতে রোগটির নাম দেওয়া হয়েছে ইবোলা ভাইরাস ডিজিজ বা ইভিডি। বলা হচ্ছে, বাদুড়ের খাওয়া ফল থেকে এ ভাইরাস মানুষের দেহে প্রথম প্রবেশ করে। পরে তা মানুষ থেকে মানুষে ছড়াতে শুরু করে। দেহ থেকে নিঃসৃত বিভিন্ন তরল থেকে এ রোগ ছড়ায়।

আশা করি বুঝতে পেরেছেন 

ধন্যবাদ 

নোভার্টিজ মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি আর তারা ১. ড্রাগ পেটেন্ট কিনে ওষুধ বানায় ২. তাদের কোয়ালিটি ভালো, তাই তাদের দাম বেশি৷ অন্যদিকে আমাদের দেশীয় কোম্পানিগুলোর ড্রাগ পেটেন্ট নিতে হয় না, তাই তারা একটু কম দামে ওষুধ বাজারে ছাড়তে পারে।  জিসকা আর ইনসেপ্টার প্রোডাক্টের দাম কম বেশি হতে পারে কনসেনট্রেশান এর ভিত্তিতে৷ ২% এর দাম একরকম আর ৫% এর দাম আরেক রকম। ইনসেপ্টার INN প্রোডাক্টগুলার দাম কোম্পানি নিজের মতো সিলেক্ট করতে পারে, তাই দামের তারতম্য হতে পারে। আর novartis এর sirdalud 2 originator brand. যার মানে এই প্রিপারেশন তারাই আবিষ্কার করে। এবং অন্যরা Novartis এর পারমিশন নিয়ে ফরমুলা অনুসরণ করে।

 

অন্য ধর্ম ত্যাগ করে জান্নাতী ধর্মে দীক্ষিত হয়েছেন শুনে খুবই ভাল লাগছে। আল্লাহ তাআলা আপনাকে কবুল করুন।

খতনা করাটা ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে ওয়াজিব। এছাড়াও এটি শুধু উত্তম নয়। বরং এর দ্বারা শারিরীকও অনেক উপকার নিহিত রয়েছে। এর দ্বারা অনেক রোগ বালাই থেকেও মুক্ত থাকা যায়। উল্লেখ্য ইসলামের সকল বিধি নিষেধে মানব কল্যান নিহিত। 

আপনি সময় নিন, এখনই আপনার খতনা করা জরুরী নয়। আগে ইসলাম কে ভালো করে জানুন। নামায, রোজা, হজ্জ্ব, যাকাত সহ সকল ইবাদত এর সঠিক আমল করুন। পরবর্তীতে আপনার যদি মনে হয় আপনি খতনা করতে প্রস্তুত আছেন তাহলে আলহামদুলিল্লাহ। তাহলে ডাক্তারদের সাথে আলাপ করে দেখে নিন। তারা এ বিষয়ে বলতে পারবেন। খতনা করার পর কিছু ওষুধ আছে তা ব্যবহার করলে খুব দ্রুত তা শুকিয়ে যায়। ইবরাহীম আঃ আশি বছর বয়সেও খতনা করেছিলেন। {বুখারী, হাদীস নং-৩৩৫৬, মুসলিম, হাদীস নং-২৩৭০}

সেই হিসেবে খতনা করিয়ে নেয়াটাই উচিত। 

তারপরও যদি করতে সক্ষম না হন, সহ্যের বাইরে বেশি কষ্ট হবে বলে মনে হয়, তাহলে খতনা করা লাগবে না।

আপনি মুসলমান হয়েছেন। এবার আপনার দায়িত্ব হল আপনার পূর্বের জ্ঞাতি ভাইদেরও দ্বীনের দাওয়াত দেয়া। তাদের ইসলামের সুশিতল ছায়ায় নিয়ে আসার মেহনত করা।

একই গ্রুপের ঔষধ কোম্পানি ভেদে দামের মধ্যে এত কম বেশী হয় কেন? যেমন নোভার্টিস বাংলাদেশ লিমিটেড এর Sirdalud 2mg যার MRP (Tk.) 11.53 (প্রতি পিস) একই গ্রুপের ঔষধ ‘বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস এর Relentus 2mg ও অপসনিন ফার্মা এর Tizalud 2mg যার MRP (Tk.) 5.00 (প্রতি পিস) এছাড়া আরেকটি উদাহরণ হলো জিসকা ফার্মাসিউটিক্যালসের Scalp Lotion Truegain 5% যার MRP (TK) 450 একই গ্রুপের ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালসের Scalp Lotion Xenogrow 5% যার MRP (TK) 600. এখন প্রশ্ন হলো একই গ্রুপের ঔষধের দামের মধ্যে এতো কম বেশী হওয়ার কারণ আসলে কি?

১ মাসের বাচ্চা নষ্ট করতে চাই

Ovictg99
Apr 4, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন

MM Kit এর পরিবর্তে অন্য কোম্পানির একই ঔষধ আছে। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে এই ধরণের ঔষধ নিজেদের ইচ্ছেমতো কোন ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ব্যবহার করা কোনভাবেই উচিৎ নয়। কারণ এই ঔষধ ব্যবহারের কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম আছে আর ডাক্তারের তত্বাবধানে থেকে তা সেবন করা উচিৎ। অনেক সময় MM kit ব্যবহারের পরও সম্পূর্ণ ক্লিয়ার হয় না। যা একজন ডাক্তার আল্ট্রাসনোগ্রাফির মাধ্যমে বুঝতে পারেন। সুতরাং যদি আপনার এটা করতেই হয় ডাক্তার এর পরামর্শ অনুযায়ী করুন। তবে এমন কাজ না করাই খুব ভালো। ধন্যবাদ

কাঁচা ডিম খাওয়ার অপকার ও উপকার কি?

Ovictg99
Apr 4, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন

আমাদের মধ্যে একটি ধারণা প্রচলিত আছে যে, কাঁচা ডিমে সেদ্ধ বা রান্না করা ডিমের তুলনায় বিশেষ কিছু পুষ্টি উপাদান বেশি থাকে। কিন্তু পাশাপাশি আমরা এ হুঁশিয়ারিও শুনে আসছি, রান্না না করে ডিম খাওয়াটা একটি মৃত্যুফাঁদের মতো। এখন প্রশ্ন হলো কোনটা ঠিক?

 একথা সত্যি যে, রান্না করার সময় ডিমে থাকা ভিটামিন এবং খনিজ পুষ্টি উপাদানগুলো কিছুটা নষ্ট হয়। কাঁচা ডিমে ভিটামিন বি (বি৬ এবং ফোলেট), ভিটামিন ই, খনিজ পুষ্টি উপাদান চোলিন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ‍লুটেইন এবং জেএক্সানথিন একটু বেশিই থাকে। কিন্তু এই পার্থক্য খুবই নগন্য।

 উদারহণত একটি কাঁচা ডিম থেকে আপনি ভিটামিন বি ৬ পাবেন .০৮৫ মাইক্রোগ্রাম, চোলিন পাবেন ১৪৬.৯ মিলিগ্রাম। অন্যদিকে একটি রান্না করা ডিমে ভিটামিন বি থাকে ০.৭২ মাইক্রোগ্রাম, চোলিন থাকে ১১৭ মিলিগ্রাম। 

কিন্তু প্রোটিনের বেলায় রান্না করা ডিমই বেশি উপকারি। কাঁচা ডিম থেকে আমাদের দেহ মাত্র ৫০% প্রোটিন শুষে নিতে পারে। অন্যদিকে, রান্না করা ডিম থেকে আমাদের দেহ ৯১% প্রোটিন শুষে নিতে পারে। জার্নাল অফ নিউট্রিশনে প্রকাশিত এক গবেষণায় এই বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে। 

গবেষণায় দেখা গেছে, রান্না করার সময় তাপ দেওয়ার ফলে ডিমের প্রোটিন অণুগুলোর কাঠামো এমনভাবে পরিবর্তিত হয় যে তা আরো বেশি হজমযোগ্য হয়ে ওঠে। 

একটি কাঁচা ডিম থেকে আমাদের দেহ মাত্র ৩ গ্রাম হজমযোগ্য প্রোটিন পায়; অন্যদিকে একটি রান্না করা ডিম থেকে পায় ৬ গ্রাম। 

আর তা ছাড়া কাঁচা ডিমে স্যালমোনেলা নামের এমন একটি ব্যাকটেরিয়া বা জীবাণু রয়েছে যা ফুড পয়জনিং বা খাদ্যে বিষক্রিয়া ঘটায়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি বছর অন্তত ১০ লাখ মানুষ খাদ্যের বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হন কাঁচা ডিম খেয়ে। 

তবে খাদ্যে বিষক্রিয়ার জন্য দায়ী জীবাণু স্যালমোনেলা শুধু কাঁচা ডিমই নয় বরং পোল্ট্রি, মাংস, কাঁচা দুধ, পনির এবং এমনকি পঁচা ফল-মুল এবং সবজিতেও থাকে। ডিম সেদ্ধ বা রান্না করলে এই ব্যাকটেরিয়া নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে এবং ফুড পয়জনিং বা খাদ্যে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি দূর হয়।

আশা করি আপনার উত্তর পেয়েছেন

ধন্যবাদ 

আপনি যদি ভোটার বর্তমান ঠিকানা অনুযায়ী হন কিন্তু সেখানকার আপনি স্থায়ী বাসিন্দা নন আপনার স্থায়ী ঠিকানা আলাদা। তাহলে বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানার দুই জায়গাতেই ভেরিফিকেশন হবে।

ধন্যবাদ 

ফেইসবুকে অটোলাইকের একটা ব্যাপার প্রচলিত আছে। আসলে এই বিষয় গুলো খুব জটিল। এমন অনেক এপস বা ওয়েবসাইট আছে যাএ মাধ্যমে অটো লাইক পাওয়া যাবে এমটা বলা হয়। দুই একটা ওয়েবসাইটে হয়তো অটোলাইক পেয়েও যেতে পারেন। তবে আমার ব্যক্তিগত মতামত হলো ওইসব কাজে না যাওয়া। কারণ এতে হ্যাকাররা আপনার ফেইসবুক একাউন্ট এক্সেস নিয়ে আপনার আইডির কার্যক্রম দখলে নিয়ে ফেলতে পারে। যা অনেক ভয়াবহ। আর অটোলাইকের সেই লাইক কিছুদিন পর থেকে ধীরে ধীরে আবার আগের অবস্থানে ফিরে আসবে। কারণ এসব তারা ফেইক লাইক দেখায়। সুতরাং এসব থেকে দূরে থাকাই মঙ্গল।

পবিত্র কুরআন বা হাদীসের আলোকে তারা জীবিত আছেন এই বিষয়ে কোন স্পষ্ট দলীল নেই। সব ঘটনার বিস্তারিত দেখলে এটুকু বলা যায় তারা মারা গেছেন।

এই ঘটনা তাফসিরে রয়েছে অনেক অনেক বক্তব্য। হযরত ইবনে আব্বাস (রা) নিশ্চিত করে বলেন যে, গুহাবাসীর সংখ্যা সাতজনই ছিল। কোনো কোনো মত অনুযায়ী, তাদের নাম ছিল মুকসালমিনা, তামলিখা, মারতুনিস, সানুনিস, সারিনুনিস, যুনিওয়াস, কাস্তিতিউনিস। আড়াইশ সালের দিকে রোমান সম্রাট ডিসিয়াস এর শাসনকালে (২৪৯-২৫১) সাতজন তরুণ ধর্মপ্রাণ খ্রিস্টান যুবককে ধর্মত্যাগী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। পৌত্তলিক রোমান সাম্রাজ্যে তাদের জোর করা হয় পুরনো দেবদেবীদের বিশ্বাসে ফিরে যেতে। তাদের সময় দেওয়া হয় পুরনো বিশ্বাসে ফেরত আসতে, কিন্তু তাঁরা তা প্রত্যাখ্যান করেন এবং তাদের সকল সম্পদ গরিবদের মাঝে বিলিয়ে দেন। এরপর তাঁরা পালিয়ে যান অক্লন পাহাড়ের এক গুহায়। সেখানে প্রার্থনা শেষে তাঁরা ঘুমিয়ে পড়েন। বলা আছে, গুহার খবর পাবার পর সম্রাট তাদের সেই গুহা সিলগালা করে দেন, যেন তাঁরা ক্ষুধায় মারা যান। ডিসিয়াস মারা যান ২৫১ সালে। পৌত্তলিক রোমান সাম্রাজ্যের অত্যাচারিত খ্রিস্টানদের ধর্ম এক সময় রাজ্যের প্রধান ধর্ম হিসেবে স্বীকৃতি পায়, তবে সে অনেক অনেক বছর পরের কাহিনী। কাহিনীর একটি বর্ণনা মোতাবেক, সম্রাট দ্বিতীয় থিওডোসিয়াস (৪০৮-৪৫০) এর আমলে, গুহার সিলগালা ধ্বংস করা হয়। যিনি খুলেছিলেন, তিনি ভাবছিলেন ওটাকে গোয়ালঘর বানাবেন, তিনি ঘুণাক্ষরেও ভাবেননি ভেতরে সাত জন যুবক ঘুমিয়ে। যুবকেরা ঘুম ভেঙে উঠলেন, তাঁরা ভাবলেন এক দিন পুরো ঘুমিয়ে উঠেছেন। তাদের একজনকে বাজারে পাঠানো হলো, সাবধানে বাজার করতে বলা হলো যেন কেউ চিনে না ফেলে তাদের, চিনে ফেললে অত্যাচারী রাজার পৌত্তলিক অনুসারীরা তাদের গ্রেফতার করবেন। কিন্ত শহরে গিয়ে তো যুবক ম্যাল্কাস তো অবাক! আশপাশে ক্রুশ লাগানো দালানকোঠা, লোকে প্রকাশ্যেই যীশুর নাম করছে! আবার দোকানি তাঁর মুদ্রাও নিচ্ছে না, এটা নাকি অনেক পুরনো ডিসিয়াসের আমলের মুদ্রা। বিশপ তাদের কাছ থেকে ঘটনা শুনলেন। ধর্মপ্রাণ সম্রাট নিজে এসে তাদের সাথে কথা বললেন। সম্রাট তাদের জন্য অনেক কিছু করতে চাইলেন, কিন্তু তাঁরা না করে দিয়ে সেই গুহায় গিয়েই ঘুমালেন এবং এক সময় মারা গেলেন। 

 অর্থোডক্স খ্রিস্টান চার্চ এই সাত মহাপ্রাণকে বছরে দুদিন স্মরণ করে ভোজ করবার রীতি করে- আগস্ট ৪ এবং অক্টোবর ২২ তারিখে। কুরআনে বলা হয়েছে তাদের ঘুমন্ত থাকবার সময় ৩০০ বছর, সাধারণ সৌর হিসেবে। তবে চান্দ্র হিসেবে অতিরিক্ত ৯ বছর ধরলে, সেটি ৩০৯। তৎকালীন চান্দ্র ক্যালেন্ডার ব্যবহারকারীগণ প্রতি একশ সৌর বছরের তিন বছর যোগ করে নিত। কিন্তু সিরিয়ার কাহিনীতে নিশ্চিত করে সময় বলা নেই। কোনো কোনো মতে সেটি ১৮৪ বছর, কোনো কোনো মতে দু’শো বছরের বেশি, কেউ কেউ বলেন ২০৮ বছর। তবে তাঁরা যে যুবক ছিলেন, সে ব্যাপারে কোনো দ্বিমত নেই কোথাও। তাঁরা মনে করেছিলেন, তাঁরা মাত্র একদিনের মতো ঘুমিয়েছেন- এটাও সিরীয় কাহিনীতে বলা আছে। যে যুবক খাবার কিনতে গিয়েছিলেন, তাঁর নাম ম্যাল্কাস এবং তিনি একটি রুপার মুদ্রা নিয়ে গিয়েছিলেন।

লিঙ্গ মোটা করার?

Ovictg99
Apr 3, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন

লিঙ্গ মোটা করার বিজ্ঞানভিত্তিক কোন সমাধান পাওয়া যায়নি। তবু সবাই বিভিন্ন হারবাল /আয়ুর্বেদিক ক্রিম ব্যবহার করে থাকেন। ইন্ডিয়ার Himalaya এর Himcolin Gel নামের একটি ক্রিম আছে। সেটা ব্যবহার করে দেখতে পারেন। আল্লাহ যদি সহায় হোন তাহলে ফল পেতেও পারেন। 

ধন্যবাদ   

চুলকানির কারনে ঘা হলে করনিয়?

Ovictg99
Apr 2, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন

আপনার স্তনে ইনফেকশন হতে পারে। যেহেতু এসব শরীরের  সংবেদনশীল অঙ্গ সেহেতু হেলাফেলা না করে একজন গাইনী বিশেষজ্ঞের সাথে সাক্ষাতে পরামর্শ নিন। আশা করি সুস্থ হয়ে উঠবেন

 ধন্যবাদ

নাম সংশোধন বিষয়টি শিক্ষার্থীদের কাছে একটি অতি ঝামেলার এবং অস্পষ্ট বিষয়। সেই বিষয়টি নিজের অভিজ্ঞতা থেকে যতোটুকু সম্ভব সহজভাবে করা যায় তা তুলে ধরলাম। আমি আমার HSC এর সনদ এবং নম্বরপত্র তে মা এর নাম সংশোধন করার জন্য অনলাইনে আবেদন করি ১৯-১০-২০১৯ তারিখে। মোটামুটি আমরা সবাই জানি চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে নাম সংশোধন আবেদন করতে হয় অনলাইনে। অনলাইনে আবেদনের আগে সর্বপ্রথম আপনাকে তিনশত টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে আপনার অভিভাবক কর্তৃক (বাবা /বাবার অবর্তমানে মা) প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এফিডেভিট করতে হবে। একজন আইনজীবীর মাধ্যমে কাজটি সম্পন্ন করতে আপনার খরচ হতে পারে ১০০০-১৫০০টাকা। এরপর সেই এফিডেভিট অনুসারে যেকোন দৈনিক পত্রিকায় সংশোধন বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে। এতে খরচ পড়বে পত্রিকাভেদে ৩০০-৬০০ টাকা। (আমি সাঙ্গু পত্রিকায় ৩৫০টাকায় করেছিলাম) সেই বিজ্ঞপ্তির নমুনা টি এখানে দিয়ে দিলাম। এসব ছাড়াও নাম সংশোধনের পক্ষে যতোটুকু সম্ভব প্রমাণাদি যোগাড় করা যায় তা করে নেবেন। যেমনঃ ** সঠিক নাম উল্লেখ্য করে ওয়ারিশান সার্টিফিকেট ** চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রত্যয়নপত্র ** আপনার কোন শিক্ষা সনদ যদি সংশোধিত থাকে ** বাবা, মা এর জাতীয় পরিচয়পত্র, শিক্ষাগত যোগ্যতা সনদ (যদি থাকে), পাসপোর্ট (বাবা মা এর নাম সংশোধন এর ক্ষেত্রে এর সবকয়টি দেয়ার চেষ্টা করবেন) ** ভাইবোনের শিক্ষাগত যোগ্যতা সনদ, পাসপোর্ট (বাবা মা এর নাম সংশোধন এর ক্ষেত্রে) এরপর বোর্ডের ওয়েবসাইটে গিয়ে Name correction অপশনের গিয়ে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করুন। সব ডকুমেন্টগুলোর মূলকপি স্ক্যান করে নিন। 

=> এফিডেভিট যেহেতু ৩পৃষ্ঠার আর আপলোড করার অপশন একটা সেহেতু এটা pdf আকারে সেইভ করবেন।

 => সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার রেজিঃকার্ড/প্রবেশপত্র/ট্রান্সক্রিপ্টের মূলকপির অপশনের জন্যও একই ভাবে pdf আকারে সেইভ করবেন। 

=> নাম সংশোধন এর সপক্ষে যৌক্তিক ডকুমেন্ট অপশনের জন্য একইভাবে উপরে উল্লেখিত সব কাগজপত্র পর্যায়ক্রমে pdf আকারে সেইভ করবেন। 

=> আপনার নিজের জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্ম নিবন্ধন, পাসপোর্ট যেগুলোতে নাম ঠিক আছে সেগুলোর মূলকপি স্ক্যান করে pdf আকারে সেইভ করবেন। (আমি জন্ম নিবন্ধন ও পাসপোর্ট দিয়েছিলাম) সবশেষে আপনার পাসপোর্ট সাইজের ছবিও স্ক্যান করে নেবেন আপলোড করার জন্য। এবং পর্যায়ক্রমে সব সঠিকভাবে আপলোড করবেন। এরপর মোবাইল ব্যাংকিং বা বিকাশের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আবেদন ফি পরিশোধ করবেন। আবেদন ফর্মে প্রদত্ত আপনার ফোন নাম্বারে ম্যাসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইটে আপনার ড্যাশবোর্ডে লগইন করার জন্য Applicant ID ও পাসওয়ার্ড পাবেন। যেখানে লগইন করে আপনার সংশোধন আবেদনের তথ্য দেখতে পাবেন। 

Documents অপশনে গেলে আপনার আপলোড করা সব ফাইল গুলো আপনি দেখতে পারবেন। আবেদন করার পর কাজ শেষ ভেবে অনেকেই ভুল করেন। কিন্তু এখানে একটা কাজ বাকী রয়ে যায়। আর তা হলো অনলাইনে আবেদনের পর আপনাকে অবশ্যই আপনার নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে Institute Approval করিয়ে নিতে হবে। যতোদিন Institute Approval হবে না ততোদিন এই বক্সে Pending লিখা থাকবে। Approved হলেই তারপর Approved লিখা টা আসবে। এটা করার জন্য এফিডেভিট এর মূলকপি এবং একসেট ফটোকপি, আপনার রেজিষ্ট্রেশন কার্ড, সনদ এর ফটোকপি নিয়ে আপনার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষের কাছে যাবেন। তিনি সম্মতি দিলে আপনি উক্ত প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার অপারেটরের কাছে গিয়ে বললে সে Institute Approved করে দেবে। এরপর শুরু অপেক্ষার পালা। 

আমাকে ৪মাস অপেক্ষা করতে হয়েছিলো বোর্ড মিটিং এর জন্য। আপনার কাছে বোর্ড থেকে কল করে মিটিং এর সময় ও তারিখ জানিয়ে দেয়া হবে। বোর্ড চেয়ারম্যান স্যার সহ আরো অন্যান্য স্যারদের সমন্বয়ে মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত মিটিং এ আপনি সহ আপনার বাবা কে উপস্থিত থাকতে হবে। যদি সংশোধন বাবা/মা এর নামের হয় তাহলে যার সংশোধন তাকে আপনার সাথে অবশ্যই উপস্থিত থাকতে হবে অন্যথায় আপনার আবেদন পরবর্তী মিটিং এর জন্য পিছিয়ে দেয়া হবে। ওইদিন অনেককেই ফিরে যেতে হয়েছিলো বাবা/মা উপস্থিত না থাকায়। আর অবশ্যই আবেদনের সময় আপলোড করা এফিডেভিট, মূল পত্রিকা সহ সকল কাগজপত্রের মূলকপি সাথে নিয়ে যাবেন মিটিং এ দেখানোর জন্য আর সাথে সবগুলোর ফটোকপিও রাখবেন। আপনার পূর্ববর্তী বা পরবর্তী কোন শিক্ষা সনদ যদি সংশোধিত থাকে তাহলে তা আপনার জন্য হবে প্লাস পয়েন্ট। এক্ষেত্রে আপনার আবেদন অতি সহজেই গৃহীত হবে। মিটিং এর পর আবেদন গৃহীত হলে Board Approval অপশনটি তে Approved লিখাটি আসবে। তার আগ পর্যন্ত Pending লিখা থাকবে। মিটিং এ আপনার আবেদন গৃহীত হলে এফিডেভিট এর মূলকপি, মূল পত্রিকা, ও বাকী কাগজপত্রের ফটোকপি বোর্ডে জমা দিয়ে চলে আসবেন। এরপর বোর্ডের ওয়েবসাইটের নোটিশে নজর রাখবেন কখন আপনার নাম সংশোধন এর আদেশকপি প্রকাশিত হয়। (আমার আদেশ কপি প্রকাশিত হয় মিটিং এর ১৭দিন পর)। এরপর নিয়মানুযায়ী এই আদেশ কপি প্রিন্ট করে প্রয়োজনীয় ফি দিয়ে বোর্ডে গিয়ে আবেদন করলেই আপনার সংশোধিত সনদ ও নম্বরপত্র পেয়ে যাবেন।

Abortion?

Ovictg99
Apr 2, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন

এমএম কিট গাইনী ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করান। কারণ এই ঔষধ ব্যবহারে শারিরীক সক্ষমতা প্রয়োজন। আর অতিরিক্ত রক্তপাত হয়ে ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে বিধায় ঝুঁকি এড়াতে একজন গাইনী ডাক্তার এর পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করা উচিৎ।

ধন্যবাদ 

প্রথমে আপনার স্থানীয় নির্বাচন কমিশন অফিসে যাবেন। ওখানে গিয়ে নাম সংশোধন এর একটি ফর্ম আছে ওইটা সংগ্রহ করবেন। এছাড়া নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট থেকেও সংশোধন ফর্মটি ডাউনলোড করে নিতে পারেন। ফর্ম টি যথাযথভাবে পূরণ করে নির্ধারিত ব্যাংকে সংশোধনের ফি বাবদ ২৫৩ টাকা জমা করবেন। জমা রশিদ টি সুরক্ষিত রাখবেন কারণ আবেদন ফর্ম এর সাথে এটিও জমা দিতে হবে। পিতার নাম সংশোধনের জন্য নিচে উল্লেখিত ডকুমেন্টস আপনাকে জমা দিতে হবে ১/ আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট এর ফটোকপি (সাথে আরেকটি ফটোকপি সত্যায়িত করে রাখবেন যদি চায় তাহলে দেবেন) ২/ আপনার জন্মনিবন্ধন এর ফটোকপি ৩/ আপনার বাবা-মা,ভাই-বোনের জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি ৪/ স্থানীয় চেয়ারম্যান /কমিশনার কর্তৃক প্রত্যয়নপত্র বা ওয়ারিশন সার্টিফিকেট (যদি সম্ভব হয়) এসকল ডকুমেন্টস সাথে জমাকৃত টাকার রশিদ, আবেদন ফর্ম ও আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি জমা দিতে হবে। অফিস থেকে আপনাকে ফর্ম এর একটি অংশ দেবে যা আপনি সংরক্ষণ করে রাখবেন। সংশোধন হয়ে গেলে আপনার মুঠোফোনে ম্যাসেজের মাধ্যমে তা জানিয়ে দেয়া হবে।

Loading...