1 Answers
শক্তির সং রক্ষণশীলতা নীতি থেকে আমরা জানি যে এর কোন সৃষ্টি বা ধ্বংস নেই, শুধু মাত্র এক রূপ থেকে অন্য রূপে পরিবর্তিত হয়।
প্রকৃতিতে বিভিন্ন রকমের শক্তি রয়েছে, মোটামুটিভাবে শক্তির নয়টি রূপ দিয়ে প্রাকৃতিক সব ঘটনার ব্যাখ্যা দেয়া হয়। শক্তির রূপগুলি হলঃ
- যান্ত্রিক শক্তি
- আলোক শক্তি
- শব্দ শক্তি
- তাপ শক্তি
- চৌম্বক শক্তি
- তড়িৎ শক্তি
- নিউক্লিয় শক্তি
- রাসায়নিক শক্তি
- সৌর শক্তি
- পারমাণবিক শক্তি
তড়িৎ বা বিদ্যুৎ ও এক ধরণের শক্তি, যার সৃষ্টি বা ধ্বংস হয় না, এক রূপ থেকে অন্য রূপে পরিবর্তিত হয় মাত্র।
যখন কোন পরিবাহীর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, তখন সেখানে একদম অনায়াসে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যেতে পারে না। প্রত্যেক পদার্থের নিজস্ব বাঁধাদানের ধর্ম রয়েছে, একে বলা হয় রোধ (Resistance), আর প্রত্যেক পদার্থে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় আর নির্দিষ্ট ক্ষেত্রফলে এর রোধকত্বের (resistivity) একটি নির্দিষ্ট মান রয়েছে।
উপরের আলোচনা থেকে আমরা জানতে পারলাম যে পদার্থের রোধকত্ব নামে একটি নির্দিষ্ট ধর্ম রয়েছে।
আর এই রোধকত্বের জন্য পদার্থের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ পরিবাহিত হবার সময় বাঁধা পায়, সেখানে কিছু বিদ্যুৎ শক্তির অপচয় হয়।
অপচয় = I2R
অর্থাৎ যত বেশি কারেন্ট প্রবাহিত হবে, অপচয়ও তত বেশি হবে, এই যে কারেন্টের লস বা অপচয় হল, কিন্তু আমরা তো জানি যে শক্তির সৃষ্টি বা ধ্বংস নেই, আর কারেন্ট বা বৈদ্যুতিক প্রবাহও তো শক্তির একটি রূপ, তাই এই যে বিদ্যুৎটা রেজিস্টরের বাঁধার মুখে নষ্ট হচ্ছে, এটা তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে যায়।