F.Rahman

F.Rahman

Farhana_Rahman

About F.Rahman

Hello I am F.Rahman. Now I am an B.Pharm student. I am good at MS Office. I am fluent in Bengali and English. I am a hard working, responsible & punctual person. Moreover, I am a lover of knowledge.
Experience and Highlight
Female
Single
Islam
Work Experiences
Part Time Teacher at Biddya Niketon Tuition Home 2017–present
Part Time Teacher at Biddya Niketon Tuition Home 2016–2017
Language
Bengali/Bangla English
Trainings
Education
Jessore University of science & Techonology
  • B.Pharm
  • Pharmacy
  • 2018-present
Jessore University of science & Techonology
  • B.Pharm
  • Pharmacy
  • 2018-present
Jessore University of science & Techonology
  • B.Pharm
  • Pharmacy
  • 2018-present
Social Profile
Add social profile
প্রশ্ন-উত্তর সমূহ 1.59M বার দেখা হয়েছে এই মাসে 159.55k বার
1.55k টি প্রশ্ন দেখা হয়েছে 759.41k বার
1.63k টি উত্তর দেখা হয়েছে 829.24k বার
2 টি ব্লগ
2 টি মন্তব্য
টাইমলাইন

প্রথম যেদিন কোকের বোতলের গায়ে দেখেছিলাম ১ লিটার বি লেখাসেদিন ভেবেছিলাম হয়তো এই বি মানে হলো বোতল। কিন্তু না , পরে বুঝলাম এই বি দিয়ে অন্য কিছু বুঝায়। 

কোন পণ্য বাজারজাত করতে হলে বিক্রেতাকে অবশ্যই ৬ টি তথ্য সঠিকভাবে উল্লেখ করে দিতে হয়। এই ৬ ধরনের তথ্য সঠিকভাবে লিপিবদ্ধ করলে তারপরই সেই পণ্যর মোড়কের গায়ে বিএসটিএই এর নিয়ম অনুযায়ী বি লেখার অনুমোদন পায়। অন্যথায় নয়। আর এই বি হল পন্যের মোড়কীকরণ লাইসেন্সের চিহ্ন। 

বাজার থেকে আমরা যে সব পণ্য কিনি সে সব পণ্যের বোতল বা প্যাকেটের গায়ে লক্ষ্য করে দেখবেন এই ৬ টি তথ্য থাকে। 
1. উৎপাদনের তারিখ

2. মেয়াদ শেষের তারিখ 

3. ব্যবহৃত উপাদানের নাম ও পরিমাণ

4. প্রতিষ্ঠানের নাম ও ঠিকানা

5. সর্বাধিক খুচরা মূল্য 

6. নীট পরিমাণ 

এই তথ্যগুলো সঠিকভাবে মোড়কের গায়ে লেখা থাকলে তারপর পন্যটি বি সংকেতটি ব্যবহার করতে পারবে। অন্যথায় নয়। আর এটি ই হল বাংলাদেশের পন্যের মান নিয়ন্ত্রণকারো সংস্থা বিএসটিআই কর্তৃক নির্ধারিত নিয়ম।
 

love কি?

F.Rahman
Farhana_Rahman
Aug 21, 06:28 PM

ওই সব লাভ টাভ এর উত্তর দেয়ার আগে চলুন আপনাকে কিছু প্রশ্ন করি। গরু তো জীবনে অনেকবার দেখেছেন নিশ্চয়ই? আচ্ছা বলুন তো গরুর চোখ দেখতে কেমন হয়? কি? মনে পড়ছে না তো? কোন ব্যাপার না। আমি বলে দিচ্ছি। গরুর চোখ খুব সুন্দর হয় দেখতে। গোল গোল, বড় বড়, ভাসা ভাসা, কেমন যেন মায়া মায়া। কিছু কিছু গরুর চোখের নিচের অংশটা(মেয়েরা যেখানে কাজল পড়ে) প্রাকৃতিকভাবে কালো হয়।ওই গরুগুলোকে দেখলে মনে হয় যেন চোখে কাজল দেয়া। কি? হাসছেন নিশ্চয়ই? গরুর এত কিছু কে খেয়াল করে ! আমি শুধু উদাহরণ দিয়ে দেখালাম যে মন দিয়ে দেখলে সামান্য একটা জিনিসকে ও কত অসাধারণ লাগে।

আপনি যাকে ভালোবাসেন তাকে ও আপনার কাছে ঠিক এমনই লাগবে।হতে পারে সে দুনিয়ার কাছে খুব সাধারণ ।কিন্তু আপনার কাছে সবচেয়ে মুল্যবান হল সে। ভালোবাসার সঠিক সংজ্ঞা দেয়া হয়তো কারোর পক্ষে সম্ভব নয়। কিন্তু আমার মতে ভালোবাসা হল সেই অনুভূতি যা আপনার কাছে একজন খুব সাধারণ মানুষকে ও অসাধারণ করে তুলতে পারে।

ভালোবাসা হৃদয়ের একটি অনুভূতি। যাতে থাকে দায়বদ্ধতা। একজন আরেকজনকে সম্মান দেখান। সুখে-দুঃখে পাশে থাকা। খারাপটাকে পেছনে ফেলে ভালোকে গ্রহণ করা। মানুষ ভুল করেই সে ভুলগুলোকে বড় করে না দেখে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখাও ভালোবাসার আরেক নাম। আর ভালোবাসা মানে একদিনের জন্য অনেক কিছু করা নয় বরং প্রতিদিন কোনো একজনকে মনে করাও ভালোবাসা। আর ভালোবাসা বিভিন্ন রকম হয়। বাবা মায়ের প্রতি এক রকম, বন্ধুদের জন্য আরেক রকম। আমার নিজের একান্ত প্রিয় মানুষটির জন্য আরেক রকম। তবে এতে অবশ্যই সম্মান থাকতেই হবে। 

 এবার আসি বিজ্ঞানের ভাষায়। ভালবাসার প্রাথমিক পর্যায়ে হোক কিংবা সেটা যখন দীর্ঘস্থায়ী বন্ধনের দিকে গড়ায়ে; যেকোনো ক্ষেত্রেই মানুষের শরীর - মন জুড়ে নানারকমের রস বা রাসায়নিকের খেলা চলতে থাকে । বিজ্ঞানীরা আধুনিক বিজ্ঞানের সাহায্যে দিনে দিনে আরো নতুন নতুন তথ্য, রহস্যময় কার্যকলাপের আরো নতুন নতুন দিক উন্মোচন করছেন ।
তবে নিঃসন্দেহে estrogen আর testosterone শুরুর দিকে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয় ।মানুষের আগ্রাসী কাম-তাড়নার উদ্রেক করে এই রাসায়নিক দুটো হয়ত শুধুই বিপরীত লিঙ্গের মানুষের দিকে আকর্ষণ বৃদ্ধি করে কিন্তু এটাও ঠিক তার ফলেই মানুষ একটা দীর্ঘস্থায়ী, সত্যিকারের সম্পর্কের দিকে সূচিত হয় ।
প্রেমের প্রথমদিকে যে মাথা ঝিম ঝিম ভাব, হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া, গাল - কান লাল হয়ে যাওয়া, হাতের তালু ঘেমে যাওয়ার উপসর্গ গুলো দেখা যায়; বিজ্ঞানীদের মতে সেসবের পেছনে দায়ী হলো Dopamine( ডোপামিন ), Norepinephrine( নরেপিনেফ্রিন ) আর Phenylethylamine( ফিনাইল-ইথাইল-এমিন ) ।
এদের মধ্যে Dopamine কে বলা হয় সুখের অনুভূতি জাগানোর রাসায়নিক বা "সুখ-রস" | যখন আমাদের সাথে কোনধরনের সুখময় বা আনন্দের ঘটনা ঘটে তখন এই Dopamine ই মস্তিস্কে ক্রিয়াশীল হয় ফলে আমরা সুখের অনুভূতি পাই ।প্রসঙ্গক্রমে বলি, কোনো কৃত্রিম উপায়ে যদি এমন করা যায় যে কোনো খারাপ ঘটনা ঘটলেও আমাদের Dopamine নির্গত হবে; তাহলে দেখা যাবে আমরা দুঃখেও হাসছি বা খুশি হচ্ছি ।সবই রসের খেলা !


কিছু কিছু কম তড়িৎধনাত্মক ধাতু যেমনঃ পারদ, লেড, কপার ইত্যাদি মৌল কোন বিজারক পদার্থের অনুপস্থিতিতে ও নিজেরাই নিজে বিজারিত হতে পারে। এই প্রক্রিয়াকে স্ব বিজারণ বলে। ধাতুর সাথে যুক্ত উঁচু তাপমাত্রা এবং আয়ন বা অ্যানায়নগুলো এই পরিবর্তন আনতে পারে।

স্ব বিজারণ প্রক্রিয়াকে স্ব হ্রাস প্রক্রিয়া ও বলা হয়।


উদাহরণস্বরূপ, পারদ নিষ্কাশনে সালফাইড আকরিক (সিনাবার) বাতাসের স্রোতে উত্তপ্ত হয় যখন নিম্নলিখিত প্রতিক্রিয়াগুলি ঘটে।


2HgS + 3O2 → 2HgO + 2SO2

2HgO + HgS → 3Hg + SO2 (স্ব বিজারণ প্রতিক্রিয়া)


তেমনি তামা উত্তোলনে সালফাইড এবং অক্সাইড ধাতুটি দেওয়ার জন্য একটি উচ্চ তাপমাত্রায় বিক্রিয়া করে।

Cu2S + 2Cu2O → SO2 + 6CU (স্ব হ্রাস প্রতিক্রিয়া)

সীসা নিষ্কাশন জন্য স্ব-হ্রাস প্রক্রিয়াতে অনুরূপ প্রতিক্রিয়া ঘটে।

2PbS + 3O2 → 2PbO + 2SO2



করোনাভাইরাস মহামারির মোকাবেলায় হাসপাতালগুলোতে যথেষ্ট সংখ্যক ভেন্টিলেটর সরবরাহ করার জন্য বিশ্বের বহু দেশের সরকার এখন প্রচণ্ড চাপের মুখে রয়েছে।

যেসব রোগীর সংক্রমণ খুবই মারাত্মক তাদের জীবনরক্ষায় ভেন্টিলেটর খুবই কার্যকর এক যন্ত্র।

কিন্তু ভেন্টিলেটর আসলে কী? আর এর কাজই বা কী?

ভেন্টিলেটর চিকিৎসা ক্ষেত্রে ব্যবহৃত এক ধরনের মেশিন যার সাহায্যে কৃত্রিম উপায়ে রোগীর শ্বাস- প্রশ্বাস চালু রাখা হয়। তাই একে কৃত্রিম শ্বাস যন্ত্রও বলা হয়। অনেক সময় রোগ জটিলতা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছলে দেখা যায় রোগী নিজে থেকে শ্বাস নিতে পারছেন না। তাঁর শ্বাসযন্ত্র ঠিকঠাক কাজ করছে না।এই অবস্থাকে বলা হয় "রেসপিরেটরি ফেলিওর" এবং এই পরিস্থিতিতে ভেন্টিলেটর ব্যবহার করা হয়। 
 মেডিকেল, সার্জিক্যাল, গাইনি—যে কোনও রোগের জটিলতা ডেডলাইনে পৌঁছে গেলেই ভেন্টিলেশনের কথা ভাবা হয়। এর মধ্যে বেশ কিছু রোগের প্রকোপ বেশ মারাত্মক। চোট, আঘাত, পথ দুর্ঘটনা থেকে ব্রেন স্ট্রোক, ট্রমার মতো জটিল উপসর্গ দেখা গেলে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়।
 সহজভাবে বললে, রোগীর ফুসফুস যদি কাজ না করে তাহলে রোগীর নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসের কাজটা ভেন্টিলেটর করে দেয়।

সম্প্রতি বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের ভয়াবহ সংক্রমণের সময় আক্রান্ত দেশগুলোর স্বাস্থ্য পরিচালন ব্যবস্থাপনায় এই মেশিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগীর গুরুতর অবস্থায় ফুসফুসে জল জমে শ্বাস নেওয়া কষ্টকর করে তোলে। ফলে এসময় রোগীর শরীর প্রয়োজনীয় অক্সিজেন টেনে নিতে পারে না। স্বাভাবিক ভাবেই অক্সিজেনের এই অভাব পূরণে ভেন্টিলেটর ব্যবহার করে কৃত্রিমভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস চালু রাখা হয়।এই করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ভেন্টিলেটরের ভূমিকা অনেকটা মিসাইলের মতো। যে রাষ্ট্রের কাছে যত বেশি ভেন্টিলেটর থাকবে, সেই রাষ্ট্রের যুদ্ধ জয়ের সম্ভাবনা তত বেশি। ইনটেনসিভ কেয়ারের (আই সি ইউ) ব্যবস্থা আছে এমন শয্যায় ভেন্টিলেটর থাকতেই হয়। চিন ও যুক্তরাষ্ট্রে এক লক্ষ মানুষ পিছু যেখানে যথাক্রমে ৩.৬ টি এবং ৩৫ টি আই সি ইউ শয্যার ব্যবস্থা আছে সেখানে আমাদের দেশে এই সংখ্যাটা হল ২.৩! এই কারণে যুক্তরাষ্ট্রে আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি হলেও মৃত্যুর হার তুলনামূলকভাবে কম।

ভেন্টিলেটর রোগীর ফুসফুসে অক্সিজেন মিশ্রিত বাতাস পৌঁছে দিয়ে, শরীর থেকে কার্বন-ডাই-অক্সাইড সরিয়ে দিতে সাহায্য করে। সেই হিসেবে ভেন্টিলেটর হল ‘লাইফ সেভিং ডিভাইস’ এবং এর ব্যবহারকে বলা হয় সাপোর্টিভ চিকিৎসা।
 এই মেশিনগুলি মূলত হাসপাতালে ব্যবহৃত হয়।

 যেমন শল্য চিকিৎসার সময় যখন সাধারণ অ্যানেশেসিয়া করা হয় বা কোনও গুরুতর ফুসফুসের রোগের চিকিৎসা চলাকালীন বা শ্বাস-প্রশ্বাসকে প্রভাবিত করে এমন অন্যান্য অবস্থার জন্য ভেন্টিলেটর ব্যবহার করা হয়। এই সব ক্ষেত্রে স্বল্প কিছু সময় বা কিছু দিনের জন্য ভেন্টিলেটর ব্যবহার করা হলেও কিছু রোগী এমন অসুখে ভুগতে পারেন যেখানে তাঁদের দীর্ঘকাল বা এমনকি সারাজীবন ভেন্টিলেটর ব্যবহার করতে হতে পারে। সাধারণত টার্মিনাস স্টেজেই ভেন্টিলেটরে রাখা হয়। তাই মানুষ ভাবেন, ভেন্টিলেশন শুরু হলে রোগীর আর ফেরার সম্ভাবনা নেই। তবে একথা ঠিক যে ভেন্টিলেশনে থাকলেই সব রোগীর ভালো হবে ওঠার নিশ্চিন্ত আশ্বাস নেই। সবসময় শেষরক্ষা করা যায় না। কিন্তু, সঠিক রোগের ক্ষেত্রে সঠিকভাবে ভেন্টিলেশন চালু হলে রোগী সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন।

সহজভাবে বললে, রোগীর ফুসফুস যদি কাজ না করে তাহলে রোগীর নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসের কাজটা ভেন্টিলেটর করে দেয়।

এর মাধ্যমে সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়তে এবং পুরোপুরিভাবে সেরে উঠতে রোগী হাতে কিছুটা সময় পান।

নানা ধরনের ভেন্টিলেশন যন্ত্র দিয়ে এই কাজটা করা হয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, প্রায় ৮০% করোনাভাইরাস রোগী হাসপাতালের চিকিৎসা ছাড়াই সুস্থ হয়ে ওঠেন।

কিন্তু প্রতি ছয়জন রোগীর মধ্যে একজন গুরুতরভাবে অসুস্থ হতে পারেন, এবং তাদের নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসে জটিলতা দেখা দিতে পারে।

এই ধরনের মারাত্মক কেসে, ভাইরাস রোগীর ফুসফুস বিকল করে দেয়।

একটি ভেন্টিলেটর মেসিন (ফটো দেখুন) ফুসফুসে বাতাস ঢোকানোর জন্য চাপ ব্যবহার করে। রোগী সাধারণত নিজেরাই প্রশ্বাস ছাড়েন, তবে রোগী তাতে অক্ষম হলে ভেন্টিলেটরের সাহায্য প্রশ্বাসের কাজও এর সাহায্যে করা যায়। রোগীর যে পরিমাণ অক্সিজেন দরকার তা ভেন্টিলেটরের সাথে সংযুক্ত মনিটরের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। সবমিলিয়ে মেশিনটি ফুসফুসে অক্সিজেন সরবরাহ এবং ফুসফুস থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড অপসারণের কাজ করে। রোগীর শ্বাস-প্রশ্বাসের শ্রম জনিত অতিরিক্ত শক্তি খরচের পরিমাণ হ্রাস করে। একটি বায়ুচলাচলকারী পাইপ মুখ দিয়ে শ্বাসনালীতে সংযুক্ত হয় এবং নিয়ন্ত্রিত চাপে ফুসফুসে বায়ু প্রবেশ করাতে পারে। পাইপের এক প্রান্তটি রোগীর উইন্ডপাইপে এবং অন্য প্রান্তটি ভেন্টিলেটরের সাথে সংযুক্ত থাকে। অনেক সময় এই প্রক্রিয়াটি সহজ করতে ট্রাকিওস্টমি করা হয়ে থাকে অনেক সময়। কণ্ঠনালীর নিচে অস্ত্রপচার করে সেখান দিয়ে নলটি সরাসরি প্রবেশ করানো হয়। এই পাইপটি ভেন্টিলেটর থেকে বায়ু এবং অক্সিজেনকে ফুসফুসে প্রবাহিত করার মাধ্যমে শ্বাসনালী হিসাবে কাজ করে। রোগীর অবস্থার উপর নির্ভর করে শ্বাস পাইপের পরিবর্তে মাস্ক ব্যবহার করা হতে পারে। ভেন্টিলেটর ব্যবহার করে মূলত দু’ধরনের ভেন্টিলেশন করা হয়। ১. ইনভেসিভ এবং ২. নন-ইনভেসিভ। ইনভেসিভ ভেন্টিলেশনে পাইপের মাধ্যমে ফুসফুসের ভিতরে পাম্প দিয়ে রোগীক শ্বাস নিতে সাহায্য করে। নন ইনভেসিভ ভেন্টিলেশনে এই ধরনের কোনও টিউব থাকেনা। মাস্কের সাহায্যে রোগী কৃত্রিম উপায়ে শ্বাস নিয়ে থাকেন।

দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা যখন ব্যাপারটা টের পায় তখন রক্তের শিরা-উপশিরাগুলোকে বেশি করে খুলে দেয় - যাতে রোগ প্রতিরোধকারী কণিকাগুলো আরও বেশি হারে ফুসফুসে ঢুকতে পারে।

কিন্তু এর ফলে ফুসফুসের ভেতরে পানি জমে যায়। তখন রোগীর নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা শুরু হয়। এবং দেহে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যায়।

এই সমস্যা দূর করার জন্য যান্ত্রিক ভেন্টিলেটর ব্যবহার করো হয়।

এটি চাপ দিয়ে ফুসফুসে বাতাস ঢোকায় এবং দেহে অক্সিজেনের সরবরাহ বাড়িয়ে দেয়।

ভেন্টিলেটরে একটি হিউমিডিফায়ারও থাকে। এর কাজ হলো রোগী দেহের তাপমাত্রার সাথে মিল রেখে বাতাস এবং জলীয় বাষ্প ঢোকানো।

ভেন্টিলেটর ব্যবহারের সময় রোগীকে এমন ওষুধ দেয়া হয় যাতে তার শ্বাসযন্ত্রের মাংসপেশিতে কোন উত্তেজনা না থাকে।
রোগীর শ্বাসযন্ত্র শিথিল থাকলে ভেন্টিলেটরের কাজ করতে সুবিধে হয়।

যেসব রোগী দেহে সংক্রমণ কম, তাদের ভেন্টিলেটরে শুধু ফেস মাস্ক কিংবা নাকের মাস্ক দেয়া হয়।

এর মধ্য দিয়ে বাতাস এবং অক্সিজেনের মিশ্রণ চাপ দিয়ে রোগীর ফুসফুসে ঢোকানো হয়।

করনোভাইরাস রোগীদের সেবায় এক ধরনের হুডের ব্যবহারও এখন জনপ্রিয় হচ্ছে - যেখানে ভালভের মাধ্যমে অক্সিজেন দেয়া হয়।এগুলোকে বলা হয় ‘নন-ইনভেসিভ’ ভেন্টিলেশন। এতে রোগীর দেহে কোন টিউব ঢোকাতে হয় না।

তবে হাসপাতালের ইন্টেনসিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিউ)-তে যেসব রোগীকে নেয়া হয় তাদের জন্য যান্ত্রিক ভেন্টিলেটর ব্যবহার করা হয় - যা দিয়ে দ্রুত দেহের অক্সিজেনের সরবরাহ বাড়িয়ে দেয়া যায়।

ব্রিটেনের ইন্টেনসিভ কেয়ার সোসাইটির ড. সন্দীপন লাহা বিবিসিকে বলেন, বেশিরভাগ কোভিড-১৯ রোগীর আসলে হাসপাতালে চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। তাদের ভেন্টিলেটরও লাগে না।

এই ধরনের রোগীকে বাড়িতে রেখেই চিকিৎসা করানো যায় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ভেন্টিলেটর ঠিক কতক্ষণ ব্যবহার করতে হবে তার কোন নির্ধারিত সময় নেই। যতক্ষণ না পর্যন্ত রোগী স্বাভাবিক ভাবে নিঃশ্বাস নিতে পারবে না ততক্ষণ ভেন্টিলেটর চালু রাখতে হবে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে রেসপিরেটরি ফেইলিউর ই মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এছাড়া একই সঙ্গে অনেক গুলো অঙ্গ নষ্ট হয়ে যাওয়া বা multiple organ failure তো আছে ই। 

যদি ভেন্টিলেটর ব্যবহার করে কোন ফল না হয় তাহলে সেক্ষেত্রে রোগীর অবস্থা বিবেচনা করে tracheostomy  করতে হয়। সেই ক্ষেত্রে মৃত্যুর আগে ই ভেন্টিলেটর খুলে ফেলা হয় কারণ ভেন্টিলেটর ব্যবহার করার পর ও রোগী স্বাভাবিক ভাবে শ্বাস নিতে পারছে না। যদি ভেন্টিলেশন এ কোন side effect দেখা না যায় তবে রোগী এমন কি বছরের পর বছর ও home ventilation এ থাকতে পারে। 

ভেন্টিলেটরের ব্যবহার সাধারণত যন্ত্রণাদায়ক না হলেও রোগীর কিছুটা অস্বস্তির কারণ হতে পারে। ভেন্টিলেটারে থাকার সম্পর্কে সবচেয়ে সমস্যার বিষয় হ'ল রোগী কথা বলতে ও খেতে পারেন না। স্বল্প সময়ের জন্য ভেন্টিলেটর ব্যবহৃত হলে খাওয়ার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ নয় কিন্তু যদি কোনও রোগী দীর্ঘ সময়ের জন্য ভেন্টিলেটারে থাকে তবে নাসোগ্যাসট্রিক পাইপ বা খাওয়ানোর নলের মাধ্যমে খাদ্য সরবরাহ করা হয়। এই নাসোগ্যাসট্রিক পাইপ নাকের মাধ্যমে পাকস্থলীতে খাদ্য পৌঁছে দিতে পারে।এক্সট্রা কর্পোরিয়াল মেমব্রেনের (ইকোমা) ব্যবহার ভেন্টিলেটরের চাইতেও উন্নত পদ্ধতি।

কোন রোগীর বাঁচার সম্ভাবনা কম এটি বিবেচনা করে ডাক্তার কখনো ভেন্টিলেটর বন্ধ করে দিতে পারেন না। ডাক্তার তখন ই ভেন্টিলেটর বন্ধ করে দিতে পারেন যখন ভেন্টিলেটর এ কোন কাজ হচ্ছে না। 

mechanical ventilation কোন রোগ ভালো করতে না সাহায্য করলে ও এটি রোগীকে দীর্ঘ সময় বাঁচতে সাহায্য করে। কিন্তু যদি কখন ও এমন হয় যে রোগীর রোগের চেয়ে ভেন্টিলেটর ই বেশি রোগ বা সমস্যার সৃষ্টি করছে তাহলে? সেক্ষেত্রে ডাক্তার ভেন্টিলেটর বন্ধ করার নির্দেশ দিতে পারেন। 

যদি রোগীর বাঁচার কোন সম্ভাবনা ই না থাকে, এমনকি মস্তিষ্কের বেশির ভাগ অংশ যদি নষ্ট ও হয়ে যায় তাও রোগীর মারা যাওয়ার আগে কোন অবস্থাতে ই ভেন্টিলেটর বন্ধ করা যাবে না।

তথ্যসূত্রঃ 
bbc news
kaler kontho
&
researchgate 

ধন্যবাদ।
 

সাইট্রিক এসিড,

সাইট্রিক এসিড fruit acid নামেও পরিচিত। লেবুতে প্রচুর পরিমানে সাইট্রিক এসিড থাকে। নামটিও তাই এসেছে লেবু থেকে। লেবুর ল্যাটিন শব্দ সাইট্রাস। 
১৭৮৪ সালে সুইডিশ রসায়নবিদ Carl-wilhem Sehccle প্রথম লেমন জুসের কেলাস(Crystal) তৈরির মাধ্যমে সাইট্রিক এসিড পৃথক(Isolation) করেন। সাইট্রিক এসিড সাধারনত বর্ণহীন কেলাস জাতীয় এবং অ্যালকোহল, পানি ও ইথারে দ্রবীভূত হয়। 
সাইট্রিক এসিড (লেবুর রস) ব্যবহৃত হয় খাবার সংরক্ষক হিসেবে(preservative)। দুধে, লেবুর রস দিলে কী হয়, কে না জানে সেটা! লবনে আয়োডিন আছে কি-না সে পরীক্ষা কিন্তু লেবুর রস দিয়ে করা যায়।