সত্যিকার অর্থে জ্ঞান বৃদ্ধি বা সবার জানার উপযোগী প্রশ্নের সংখ্যা খুব কম বিস্ময় আন্সারে। এর কারণ কি?  quora বা অন্য সব ওয়েবসাইট এ যেমন বিজ্ঞানভিত্তিক বা সবার জানার উপযোগী প্রশ্ন পাওয়া যায় বিস্ময়ে তেমন প্রশ্ন পাই না কেন? এ সমস্যার সমাধান করতে নিজে প্রশ্ন করে নিজে ই কি উত্তর দিতে পারবো? আর তাতে কি গিফট পাওয়া যাবে?  একটু বিস্তারিত জানাবেন দয়া করে।                    

love কি?

Farhana_Rahman
Aug 21, 06:28 PM

ওই সব লাভ টাভ এর উত্তর দেয়ার আগে চলুন আপনাকে কিছু প্রশ্ন করি। গরু তো জীবনে অনেকবার দেখেছেন নিশ্চয়ই? আচ্ছা বলুন তো গরুর চোখ দেখতে কেমন হয়? কি? মনে পড়ছে না তো? কোন ব্যাপার না। আমি বলে দিচ্ছি। গরুর চোখ খুব সুন্দর হয় দেখতে। গোল গোল, বড় বড়, ভাসা ভাসা, কেমন যেন মায়া মায়া। কিছু কিছু গরুর চোখের নিচের অংশটা(মেয়েরা যেখানে কাজল পড়ে) প্রাকৃতিকভাবে কালো হয়।ওই গরুগুলোকে দেখলে মনে হয় যেন চোখে কাজল দেয়া। কি? হাসছেন নিশ্চয়ই? গরুর এত কিছু কে খেয়াল করে ! আমি শুধু উদাহরণ দিয়ে দেখালাম যে মন দিয়ে দেখলে সামান্য একটা জিনিসকে ও কত অসাধারণ লাগে।

আপনি যাকে ভালোবাসেন তাকে ও আপনার কাছে ঠিক এমনই লাগবে।হতে পারে সে দুনিয়ার কাছে খুব সাধারণ ।কিন্তু আপনার কাছে সবচেয়ে মুল্যবান হল সে। ভালোবাসার সঠিক সংজ্ঞা দেয়া হয়তো কারোর পক্ষে সম্ভব নয়। কিন্তু আমার মতে ভালোবাসা হল সেই অনুভূতি যা আপনার কাছে একজন খুব সাধারণ মানুষকে ও অসাধারণ করে তুলতে পারে।

ভালোবাসা হৃদয়ের একটি অনুভূতি। যাতে থাকে দায়বদ্ধতা। একজন আরেকজনকে সম্মান দেখান। সুখে-দুঃখে পাশে থাকা। খারাপটাকে পেছনে ফেলে ভালোকে গ্রহণ করা। মানুষ ভুল করেই সে ভুলগুলোকে বড় করে না দেখে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখাও ভালোবাসার আরেক নাম। আর ভালোবাসা মানে একদিনের জন্য অনেক কিছু করা নয় বরং প্রতিদিন কোনো একজনকে মনে করাও ভালোবাসা। আর ভালোবাসা বিভিন্ন রকম হয়। বাবা মায়ের প্রতি এক রকম, বন্ধুদের জন্য আরেক রকম। আমার নিজের একান্ত প্রিয় মানুষটির জন্য আরেক রকম। তবে এতে অবশ্যই সম্মান থাকতেই হবে। 

 এবার আসি বিজ্ঞানের ভাষায়। ভালবাসার প্রাথমিক পর্যায়ে হোক কিংবা সেটা যখন দীর্ঘস্থায়ী বন্ধনের দিকে গড়ায়ে; যেকোনো ক্ষেত্রেই মানুষের শরীর - মন জুড়ে নানারকমের রস বা রাসায়নিকের খেলা চলতে থাকে । বিজ্ঞানীরা আধুনিক বিজ্ঞানের সাহায্যে দিনে দিনে আরো নতুন নতুন তথ্য, রহস্যময় কার্যকলাপের আরো নতুন নতুন দিক উন্মোচন করছেন ।
তবে নিঃসন্দেহে estrogen আর testosterone শুরুর দিকে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয় ।মানুষের আগ্রাসী কাম-তাড়নার উদ্রেক করে এই রাসায়নিক দুটো হয়ত শুধুই বিপরীত লিঙ্গের মানুষের দিকে আকর্ষণ বৃদ্ধি করে কিন্তু এটাও ঠিক তার ফলেই মানুষ একটা দীর্ঘস্থায়ী, সত্যিকারের সম্পর্কের দিকে সূচিত হয় ।
প্রেমের প্রথমদিকে যে মাথা ঝিম ঝিম ভাব, হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া, গাল - কান লাল হয়ে যাওয়া, হাতের তালু ঘেমে যাওয়ার উপসর্গ গুলো দেখা যায়; বিজ্ঞানীদের মতে সেসবের পেছনে দায়ী হলো Dopamine( ডোপামিন ), Norepinephrine( নরেপিনেফ্রিন ) আর Phenylethylamine( ফিনাইল-ইথাইল-এমিন ) ।
এদের মধ্যে Dopamine কে বলা হয় সুখের অনুভূতি জাগানোর রাসায়নিক বা "সুখ-রস" | যখন আমাদের সাথে কোনধরনের সুখময় বা আনন্দের ঘটনা ঘটে তখন এই Dopamine ই মস্তিস্কে ক্রিয়াশীল হয় ফলে আমরা সুখের অনুভূতি পাই ।প্রসঙ্গক্রমে বলি, কোনো কৃত্রিম উপায়ে যদি এমন করা যায় যে কোনো খারাপ ঘটনা ঘটলেও আমাদের Dopamine নির্গত হবে; তাহলে দেখা যাবে আমরা দুঃখেও হাসছি বা খুশি হচ্ছি ।সবই রসের খেলা !


বহু বহু বছর ধরে গল্প, কার্টুন বা বইয়ের পাতায় হাসির রাজা মানে রম্য গল্পকার হিসেবে গোপাল ভাঁড় বিশেষ ভাবে পরিচিত।ছোটদের কাছে তো বটেই, বড়দের কাছে ও গোপাল ভাঁড় সমান জনপ্রিয়। গোপাল ভাঁড়ের অসাধারণ বুদ্ধি আর সাহসীকতার জন্য রাজা কৃষ্ণচন্দ্র তার সভার এই ভাঁড়কে বিশেষ সমাদর করতেন। কিন্তু এই সবই কি শুধু কাল্পনিক চরিত্র? নাকি গোপাল ভাঁড় নামে সত্যিই কেউ ছিল?


গোপাল ভাঁড় ছিলেন মধ্যযুগে নদিয়া অঞ্চলের একজন প্রখ্যাত রম্য গল্পকার, ভাঁড় ও মনোরঞ্জনকারী। তাঁর আসল নাম গোপাল চন্দ্র প্রামাণিক তিনি অষ্টাদশ শতাব্দীতে নদিয়া জেলার প্রখ্যাত রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের রাজসভায় নিযুক্ত ছিলেন। রাজা তাঁকে তাঁর সভাসদদের মধ্যকার নবরত্নদের একজন হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন। সেই আমলে রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের প্রাসাদের সামনে নির্মিত তাঁর একটি ভাস্কর্য এখনো সেখানে অবিকৃত অবস্থায় রয়েছে। পরবর্তীতে কৃষ্ণনগর পৌরসভার সীমানায় ঘূর্ণীতে গোপাল ভাঁড়ের নতুন মূর্তি স্থাপিত হয়েছে।


প্রায় দুইশত বছরেরও অধিক আবহমানকাল ধরে প্রচলিত তার জীবন-রস সমৃদ্ধ গল্পগুলো পশ্চিমবঙ্গ  বাংলাদেশের বাংলা ভাষাভাষী মানুষের মাঝে, লোককথায় এখনো স্বমহিমায় টিকে আছে। কতগুলি গল্প প্রায় প্রবাদের ন্যায় ব্যবহৃত হয়। তাকে মোল্লা নাসিরুদ্দিন  বীরবলের সমতুল্য হিসাবে পরিগণনা করা হয়। 


গোপাল ভাঁড় চরিত্রটি ঐতিহাসিক, গবেষক ও ভাষাবিদদের কাছে বিতর্কের বিষয় বহুকাল থেকে। গোপালের গল্পগুলি সমাজে চুড়ান্ত জনপ্রিয় ও বহুল প্রচলিত হলেও গোপাল ভাঁড় বাস্তবে ছিলেন কিনা সে নিয়ে মতভেদ আছে। অনেকেই মনে করেন গোপাল ভাঁড় নামে কেউ নির্দিষ্ট করে ছিলেননা। তবে কোনো না কোনো বিদূষক রাজার প্রিয়পাত্র হন। সেরকম গোপাল নাম্নী নাপিত বংশীয় কোনো ব্যক্তি ছিলেন। গোপালের জন্ম কত বঙ্গাব্দে তা কোথাও লেখা নেই। তার জন্মস্থানের পক্ষেও কোনো নথি নেই, কৃষ্ণনগরের বাসিন্দা হিসেবে তার সম্পত্তির কিংবা জায়গা-জমির কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় না। গোপালের বাবার নাম জানা গেলেও তার মা ও স্ত্রী সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি। নগেন্দ্রনাথ দাসের মতে গোপালের পদবী ছিল 'নাই'। মহারাজ তাকে হাস্যার্ণব উপাধী দান করেন। প্রখ্যাত ঐতিহাসিক ও ভাষাবিদ সুকুমার সেন বলেছেন ‘গোপাল ভাঁড় সম্পর্কে আধুনিক বাঙালির কৌতুহল থাকার ফলে বাস্তব অথবা কল্পিত ব্যক্তিটির সম্পর্কে যে জনশ্রুতি জাতীয় ঐতিহ্য গজিয়ে উঠেছে ও উঠছে তার বীজ হচ্ছে ভাঁড় নামের অংশটি, গোপাল ভাঁড়ের ভাঁড়টুকু সংস্কৃত শব্দ ভাণ্ডারের ‘ভাণ্ড’-জাত মনে করে অনেক গোপালের জাতি নির্ণয় করেছেন। পক্ষের ও বিপক্ষের যুক্তি যাই হোক, গোপাল ভাঁড় বাঙালি রসিক ও লৌকিক সংস্কৃতিতে অমলিন হয়ে আছেন। 


বিতর্কের জায়গায় বিতর্ক রেখে বলি, যদি সত্যিই গোপাল ভাঁড় থেকে থাকে তো নিঃসন্দেহে তাকে একজন রম্যপন্ডিত বলা ই যায়।  এ যুগে জন্ম না হলেও গোপাল ভাঁড় নিশ্চিতভাবে মধ্যযুগীয় একজন রম্যরত্ন। 









কিছু কিছু কম তড়িৎধনাত্মক ধাতু যেমনঃ পারদ, লেড, কপার ইত্যাদি মৌল কোন বিজারক পদার্থের অনুপস্থিতিতে ও নিজেরাই নিজে বিজারিত হতে পারে। এই প্রক্রিয়াকে স্ব বিজারণ বলে। ধাতুর সাথে যুক্ত উঁচু তাপমাত্রা এবং আয়ন বা অ্যানায়নগুলো এই পরিবর্তন আনতে পারে।

স্ব বিজারণ প্রক্রিয়াকে স্ব হ্রাস প্রক্রিয়া ও বলা হয়।


উদাহরণস্বরূপ, পারদ নিষ্কাশনে সালফাইড আকরিক (সিনাবার) বাতাসের স্রোতে উত্তপ্ত হয় যখন নিম্নলিখিত প্রতিক্রিয়াগুলি ঘটে।


2HgS + 3O2 → 2HgO + 2SO2

2HgO + HgS → 3Hg + SO2 (স্ব বিজারণ প্রতিক্রিয়া)


তেমনি তামা উত্তোলনে সালফাইড এবং অক্সাইড ধাতুটি দেওয়ার জন্য একটি উচ্চ তাপমাত্রায় বিক্রিয়া করে।

Cu2S + 2Cu2O → SO2 + 6CU (স্ব হ্রাস প্রতিক্রিয়া)

সীসা নিষ্কাশন জন্য স্ব-হ্রাস প্রক্রিয়াতে অনুরূপ প্রতিক্রিয়া ঘটে।

2PbS + 3O2 → 2PbO + 2SO2



করোনাভাইরাস মহামারির মোকাবেলায় হাসপাতালগুলোতে যথেষ্ট সংখ্যক ভেন্টিলেটর সরবরাহ করার জন্য বিশ্বের বহু দেশের সরকার এখন প্রচণ্ড চাপের মুখে রয়েছে।

যেসব রোগীর সংক্রমণ খুবই মারাত্মক তাদের জীবনরক্ষায় ভেন্টিলেটর খুবই কার্যকর এক যন্ত্র।

কিন্তু ভেন্টিলেটর আসলে কী? আর এর কাজই বা কী?

ভেন্টিলেটর চিকিৎসা ক্ষেত্রে ব্যবহৃত এক ধরনের মেশিন যার সাহায্যে কৃত্রিম উপায়ে রোগীর শ্বাস- প্রশ্বাস চালু রাখা হয়। তাই একে কৃত্রিম শ্বাস যন্ত্রও বলা হয়। অনেক সময় রোগ জটিলতা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছলে দেখা যায় রোগী নিজে থেকে শ্বাস নিতে পারছেন না। তাঁর শ্বাসযন্ত্র ঠিকঠাক কাজ করছে না।এই অবস্থাকে বলা হয় "রেসপিরেটরি ফেলিওর" এবং এই পরিস্থিতিতে ভেন্টিলেটর ব্যবহার করা হয়। 
 মেডিকেল, সার্জিক্যাল, গাইনি—যে কোনও রোগের জটিলতা ডেডলাইনে পৌঁছে গেলেই ভেন্টিলেশনের কথা ভাবা হয়। এর মধ্যে বেশ কিছু রোগের প্রকোপ বেশ মারাত্মক। চোট, আঘাত, পথ দুর্ঘটনা থেকে ব্রেন স্ট্রোক, ট্রমার মতো জটিল উপসর্গ দেখা গেলে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়।
 সহজভাবে বললে, রোগীর ফুসফুস যদি কাজ না করে তাহলে রোগীর নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসের কাজটা ভেন্টিলেটর করে দেয়।

সম্প্রতি বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের ভয়াবহ সংক্রমণের সময় আক্রান্ত দেশগুলোর স্বাস্থ্য পরিচালন ব্যবস্থাপনায় এই মেশিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগীর গুরুতর অবস্থায় ফুসফুসে জল জমে শ্বাস নেওয়া কষ্টকর করে তোলে। ফলে এসময় রোগীর শরীর প্রয়োজনীয় অক্সিজেন টেনে নিতে পারে না। স্বাভাবিক ভাবেই অক্সিজেনের এই অভাব পূরণে ভেন্টিলেটর ব্যবহার করে কৃত্রিমভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস চালু রাখা হয়।এই করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ভেন্টিলেটরের ভূমিকা অনেকটা মিসাইলের মতো। যে রাষ্ট্রের কাছে যত বেশি ভেন্টিলেটর থাকবে, সেই রাষ্ট্রের যুদ্ধ জয়ের সম্ভাবনা তত বেশি। ইনটেনসিভ কেয়ারের (আই সি ইউ) ব্যবস্থা আছে এমন শয্যায় ভেন্টিলেটর থাকতেই হয়। চিন ও যুক্তরাষ্ট্রে এক লক্ষ মানুষ পিছু যেখানে যথাক্রমে ৩.৬ টি এবং ৩৫ টি আই সি ইউ শয্যার ব্যবস্থা আছে সেখানে আমাদের দেশে এই সংখ্যাটা হল ২.৩! এই কারণে যুক্তরাষ্ট্রে আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি হলেও মৃত্যুর হার তুলনামূলকভাবে কম।

ভেন্টিলেটর রোগীর ফুসফুসে অক্সিজেন মিশ্রিত বাতাস পৌঁছে দিয়ে, শরীর থেকে কার্বন-ডাই-অক্সাইড সরিয়ে দিতে সাহায্য করে। সেই হিসেবে ভেন্টিলেটর হল ‘লাইফ সেভিং ডিভাইস’ এবং এর ব্যবহারকে বলা হয় সাপোর্টিভ চিকিৎসা।
 এই মেশিনগুলি মূলত হাসপাতালে ব্যবহৃত হয়।

 যেমন শল্য চিকিৎসার সময় যখন সাধারণ অ্যানেশেসিয়া করা হয় বা কোনও গুরুতর ফুসফুসের রোগের চিকিৎসা চলাকালীন বা শ্বাস-প্রশ্বাসকে প্রভাবিত করে এমন অন্যান্য অবস্থার জন্য ভেন্টিলেটর ব্যবহার করা হয়। এই সব ক্ষেত্রে স্বল্প কিছু সময় বা কিছু দিনের জন্য ভেন্টিলেটর ব্যবহার করা হলেও কিছু রোগী এমন অসুখে ভুগতে পারেন যেখানে তাঁদের দীর্ঘকাল বা এমনকি সারাজীবন ভেন্টিলেটর ব্যবহার করতে হতে পারে। সাধারণত টার্মিনাস স্টেজেই ভেন্টিলেটরে রাখা হয়। তাই মানুষ ভাবেন, ভেন্টিলেশন শুরু হলে রোগীর আর ফেরার সম্ভাবনা নেই। তবে একথা ঠিক যে ভেন্টিলেশনে থাকলেই সব রোগীর ভালো হবে ওঠার নিশ্চিন্ত আশ্বাস নেই। সবসময় শেষরক্ষা করা যায় না। কিন্তু, সঠিক রোগের ক্ষেত্রে সঠিকভাবে ভেন্টিলেশন চালু হলে রোগী সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন।

সহজভাবে বললে, রোগীর ফুসফুস যদি কাজ না করে তাহলে রোগীর নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসের কাজটা ভেন্টিলেটর করে দেয়।

এর মাধ্যমে সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়তে এবং পুরোপুরিভাবে সেরে উঠতে রোগী হাতে কিছুটা সময় পান।

নানা ধরনের ভেন্টিলেশন যন্ত্র দিয়ে এই কাজটা করা হয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, প্রায় ৮০% করোনাভাইরাস রোগী হাসপাতালের চিকিৎসা ছাড়াই সুস্থ হয়ে ওঠেন।

কিন্তু প্রতি ছয়জন রোগীর মধ্যে একজন গুরুতরভাবে অসুস্থ হতে পারেন, এবং তাদের নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসে জটিলতা দেখা দিতে পারে।

এই ধরনের মারাত্মক কেসে, ভাইরাস রোগীর ফুসফুস বিকল করে দেয়।

একটি ভেন্টিলেটর মেসিন (ফটো দেখুন) ফুসফুসে বাতাস ঢোকানোর জন্য চাপ ব্যবহার করে। রোগী সাধারণত নিজেরাই প্রশ্বাস ছাড়েন, তবে রোগী তাতে অক্ষম হলে ভেন্টিলেটরের সাহায্য প্রশ্বাসের কাজও এর সাহায্যে করা যায়। রোগীর যে পরিমাণ অক্সিজেন দরকার তা ভেন্টিলেটরের সাথে সংযুক্ত মনিটরের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। সবমিলিয়ে মেশিনটি ফুসফুসে অক্সিজেন সরবরাহ এবং ফুসফুস থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড অপসারণের কাজ করে। রোগীর শ্বাস-প্রশ্বাসের শ্রম জনিত অতিরিক্ত শক্তি খরচের পরিমাণ হ্রাস করে। একটি বায়ুচলাচলকারী পাইপ মুখ দিয়ে শ্বাসনালীতে সংযুক্ত হয় এবং নিয়ন্ত্রিত চাপে ফুসফুসে বায়ু প্রবেশ করাতে পারে। পাইপের এক প্রান্তটি রোগীর উইন্ডপাইপে এবং অন্য প্রান্তটি ভেন্টিলেটরের সাথে সংযুক্ত থাকে। অনেক সময় এই প্রক্রিয়াটি সহজ করতে ট্রাকিওস্টমি করা হয়ে থাকে অনেক সময়। কণ্ঠনালীর নিচে অস্ত্রপচার করে সেখান দিয়ে নলটি সরাসরি প্রবেশ করানো হয়। এই পাইপটি ভেন্টিলেটর থেকে বায়ু এবং অক্সিজেনকে ফুসফুসে প্রবাহিত করার মাধ্যমে শ্বাসনালী হিসাবে কাজ করে। রোগীর অবস্থার উপর নির্ভর করে শ্বাস পাইপের পরিবর্তে মাস্ক ব্যবহার করা হতে পারে। ভেন্টিলেটর ব্যবহার করে মূলত দু’ধরনের ভেন্টিলেশন করা হয়। ১. ইনভেসিভ এবং ২. নন-ইনভেসিভ। ইনভেসিভ ভেন্টিলেশনে পাইপের মাধ্যমে ফুসফুসের ভিতরে পাম্প দিয়ে রোগীক শ্বাস নিতে সাহায্য করে। নন ইনভেসিভ ভেন্টিলেশনে এই ধরনের কোনও টিউব থাকেনা। মাস্কের সাহায্যে রোগী কৃত্রিম উপায়ে শ্বাস নিয়ে থাকেন।

দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা যখন ব্যাপারটা টের পায় তখন রক্তের শিরা-উপশিরাগুলোকে বেশি করে খুলে দেয় - যাতে রোগ প্রতিরোধকারী কণিকাগুলো আরও বেশি হারে ফুসফুসে ঢুকতে পারে।

কিন্তু এর ফলে ফুসফুসের ভেতরে পানি জমে যায়। তখন রোগীর নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা শুরু হয়। এবং দেহে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যায়।

এই সমস্যা দূর করার জন্য যান্ত্রিক ভেন্টিলেটর ব্যবহার করো হয়।

এটি চাপ দিয়ে ফুসফুসে বাতাস ঢোকায় এবং দেহে অক্সিজেনের সরবরাহ বাড়িয়ে দেয়।

ভেন্টিলেটরে একটি হিউমিডিফায়ারও থাকে। এর কাজ হলো রোগী দেহের তাপমাত্রার সাথে মিল রেখে বাতাস এবং জলীয় বাষ্প ঢোকানো।

ভেন্টিলেটর ব্যবহারের সময় রোগীকে এমন ওষুধ দেয়া হয় যাতে তার শ্বাসযন্ত্রের মাংসপেশিতে কোন উত্তেজনা না থাকে।
রোগীর শ্বাসযন্ত্র শিথিল থাকলে ভেন্টিলেটরের কাজ করতে সুবিধে হয়।

যেসব রোগী দেহে সংক্রমণ কম, তাদের ভেন্টিলেটরে শুধু ফেস মাস্ক কিংবা নাকের মাস্ক দেয়া হয়।

এর মধ্য দিয়ে বাতাস এবং অক্সিজেনের মিশ্রণ চাপ দিয়ে রোগীর ফুসফুসে ঢোকানো হয়।

করনোভাইরাস রোগীদের সেবায় এক ধরনের হুডের ব্যবহারও এখন জনপ্রিয় হচ্ছে - যেখানে ভালভের মাধ্যমে অক্সিজেন দেয়া হয়।এগুলোকে বলা হয় ‘নন-ইনভেসিভ’ ভেন্টিলেশন। এতে রোগীর দেহে কোন টিউব ঢোকাতে হয় না।

তবে হাসপাতালের ইন্টেনসিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিউ)-তে যেসব রোগীকে নেয়া হয় তাদের জন্য যান্ত্রিক ভেন্টিলেটর ব্যবহার করা হয় - যা দিয়ে দ্রুত দেহের অক্সিজেনের সরবরাহ বাড়িয়ে দেয়া যায়।

ব্রিটেনের ইন্টেনসিভ কেয়ার সোসাইটির ড. সন্দীপন লাহা বিবিসিকে বলেন, বেশিরভাগ কোভিড-১৯ রোগীর আসলে হাসপাতালে চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। তাদের ভেন্টিলেটরও লাগে না।

এই ধরনের রোগীকে বাড়িতে রেখেই চিকিৎসা করানো যায় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ভেন্টিলেটর ঠিক কতক্ষণ ব্যবহার করতে হবে তার কোন নির্ধারিত সময় নেই। যতক্ষণ না পর্যন্ত রোগী স্বাভাবিক ভাবে নিঃশ্বাস নিতে পারবে না ততক্ষণ ভেন্টিলেটর চালু রাখতে হবে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে রেসপিরেটরি ফেইলিউর ই মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এছাড়া একই সঙ্গে অনেক গুলো অঙ্গ নষ্ট হয়ে যাওয়া বা multiple organ failure তো আছে ই। 

যদি ভেন্টিলেটর ব্যবহার করে কোন ফল না হয় তাহলে সেক্ষেত্রে রোগীর অবস্থা বিবেচনা করে tracheostomy  করতে হয়। সেই ক্ষেত্রে মৃত্যুর আগে ই ভেন্টিলেটর খুলে ফেলা হয় কারণ ভেন্টিলেটর ব্যবহার করার পর ও রোগী স্বাভাবিক ভাবে শ্বাস নিতে পারছে না। যদি ভেন্টিলেশন এ কোন side effect দেখা না যায় তবে রোগী এমন কি বছরের পর বছর ও home ventilation এ থাকতে পারে। 

ভেন্টিলেটরের ব্যবহার সাধারণত যন্ত্রণাদায়ক না হলেও রোগীর কিছুটা অস্বস্তির কারণ হতে পারে। ভেন্টিলেটারে থাকার সম্পর্কে সবচেয়ে সমস্যার বিষয় হ'ল রোগী কথা বলতে ও খেতে পারেন না। স্বল্প সময়ের জন্য ভেন্টিলেটর ব্যবহৃত হলে খাওয়ার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ নয় কিন্তু যদি কোনও রোগী দীর্ঘ সময়ের জন্য ভেন্টিলেটারে থাকে তবে নাসোগ্যাসট্রিক পাইপ বা খাওয়ানোর নলের মাধ্যমে খাদ্য সরবরাহ করা হয়। এই নাসোগ্যাসট্রিক পাইপ নাকের মাধ্যমে পাকস্থলীতে খাদ্য পৌঁছে দিতে পারে।এক্সট্রা কর্পোরিয়াল মেমব্রেনের (ইকোমা) ব্যবহার ভেন্টিলেটরের চাইতেও উন্নত পদ্ধতি।

কোন রোগীর বাঁচার সম্ভাবনা কম এটি বিবেচনা করে ডাক্তার কখনো ভেন্টিলেটর বন্ধ করে দিতে পারেন না। ডাক্তার তখন ই ভেন্টিলেটর বন্ধ করে দিতে পারেন যখন ভেন্টিলেটর এ কোন কাজ হচ্ছে না। 

mechanical ventilation কোন রোগ ভালো করতে না সাহায্য করলে ও এটি রোগীকে দীর্ঘ সময় বাঁচতে সাহায্য করে। কিন্তু যদি কখন ও এমন হয় যে রোগীর রোগের চেয়ে ভেন্টিলেটর ই বেশি রোগ বা সমস্যার সৃষ্টি করছে তাহলে? সেক্ষেত্রে ডাক্তার ভেন্টিলেটর বন্ধ করার নির্দেশ দিতে পারেন। 

যদি রোগীর বাঁচার কোন সম্ভাবনা ই না থাকে, এমনকি মস্তিষ্কের বেশির ভাগ অংশ যদি নষ্ট ও হয়ে যায় তাও রোগীর মারা যাওয়ার আগে কোন অবস্থাতে ই ভেন্টিলেটর বন্ধ করা যাবে না।

তথ্যসূত্রঃ 
bbc news
kaler kontho
&
researchgate 

ধন্যবাদ।
 

সাইট্রিক এসিড,

সাইট্রিক এসিড fruit acid নামেও পরিচিত। লেবুতে প্রচুর পরিমানে সাইট্রিক এসিড থাকে। নামটিও তাই এসেছে লেবু থেকে। লেবুর ল্যাটিন শব্দ সাইট্রাস। 
১৭৮৪ সালে সুইডিশ রসায়নবিদ Carl-wilhem Sehccle প্রথম লেমন জুসের কেলাস(Crystal) তৈরির মাধ্যমে সাইট্রিক এসিড পৃথক(Isolation) করেন। সাইট্রিক এসিড সাধারনত বর্ণহীন কেলাস জাতীয় এবং অ্যালকোহল, পানি ও ইথারে দ্রবীভূত হয়। 
সাইট্রিক এসিড (লেবুর রস) ব্যবহৃত হয় খাবার সংরক্ষক হিসেবে(preservative)। দুধে, লেবুর রস দিলে কী হয়, কে না জানে সেটা! লবনে আয়োডিন আছে কি-না সে পরীক্ষা কিন্তু লেবুর রস দিয়ে করা যায়।

আলো এক ধরনের শক্তি বা বাহ্যিক কারণ, যা চোখে প্রবেশ করে দর্শনের অনুভূতি জন্মায়। আলো বস্তুকে দৃশ্যমান করে, কিন্তু এটি নিজে অদৃশ্য। আমরা আলোকে দেখতে পাই না, কিন্তু আলোকিত বস্তুকে দেখি। আলো এক ধরনের বিকীর্ণ শক্তি।

লাল বা লোহিত একটি রঙ বা বর্ণ। দৃশ্যমান আলোর সবচেয়ে দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্যের (প্রায় ৬২৫-৭৪০ ন্যানোমিটার) আলো চোখে আপতিত হলে যে রঙ দর্শনের অনুভূতি জন্মায়, তা-ই হলো লাল। তরঙ্গদৈর্ঘ্য এর চেয়ে বেশি হলে তাকে অবলোহিত রশ্মি বলে, মানুষের চোখ এতে সংবেদনশীল নয়। আরজিবি বর্ণ ব্যবস্থায় লাল একটি মৌলিক রঙ। এর পরিপূরক বর্ণ হলো সাইয়ান। সাধারণ বর্ণ চাকতিতে লালের পরিপূরক বর্ণ সবুজ। আরওয়াইবি বর্ণ ব্যবস্থায় লাল একটি বিয়োগান্তক মৌলিক রঙ, কিন্তু সিএমওয়াইকে বর্ণ ব্যবস্থায় নয়। 

আলোর একটি ধর্ম হচ্ছে scattering বা বিক্ষেপণ। আলো তার যাত্রাপথে বায়ুর অনু বা ধূলোবালি দ্বারা বিক্ষেপিত হয় অর্থাৎ ছড়িয়ে পরে। আলো কিরকম বিক্ষেপিত হবে তা নির্ভর করে তার তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের উপর।

scattering = ∞1λ4

 

অর্থাৎ যে আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশী তার বিক্ষেপণ কম।

সূর্যের সাদা আলো যে সাতটি রংয়ের সমণ্বয়ে তৈরী (বে নী আ স হ ক লা) তার মধ্যে বেগুনী, নীল - এগুলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম এবং কমলা, লাল - এদের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশী। ফলে নীল আলোর scattering হবার প্রবণতা সবচেয়ে বেশী (তাই আকাশ নীল দেখায়) এবং লাল আলোর সবচেয়ে কম। তাই এটি বায়ুতে অনেক দূর পর্যন্ত যেতে পারে অর্থাৎ অনেক দূর পর্যন্ত একে দেখা যায়। লাল রং অনেক দূর থেকে সহজেই চোখে পড়ে। যার কারণে ট্রাফিক লাইটে বা বিপদজনক কিছু সংকেতে লাল আলো ব্যবহার করা হয়।

সঙ্গত কারণেই উঁচু কিছুতে (যেমন- মোবাইল টাওয়ার, কুলিং টাওয়ার) লাল রংয়ের সতর্কীকরণ বাতি জ্বালানো হয় যাতে করে বিমান, হেলিকপ্টার এগুলো যেন তা এড়িয়ে চলতে পারে।

নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্টে যে কুলিং টাওয়ার ব্যবহার করা হয় সেগুলোর উচ্চতা ১৫০ মিটারের অধিক হয়ে থাকে। তাই সতর্কতার জন্য সেগুলোতে ও লাল রং করা হয় অথবা লাল রংয়ের বাতি জ্বালানো থাকে।

এছাড়া একটা টাওয়ার ভূমি থেকে ১০০-২০০ মিটার হয় । যা অনেক উচু। আকাশ দিয়ে যখন কোন প্লেন বা হেলিকাপ্টার উড়ে যায় তখন কোন কারনবশত অপেক্ষাকৃত নিচ দিয়ে যেতে হয়। নিচ দিয়ে যাওয়ার সময় যদি টাওয়ারের সাথে সংঘর্ষ হয়, তাহলে বড় ধরনের বিপদের সম্ভবনা থাকে। কিন্তু যদি ঐসকল টাওয়ারের রং লাল-সাদা হয় তাহলে উপর বা নিচ, যেকোন দিক থেকে টাওয়ার স্পষ্ট দেখা যায় । কেননা, আকাশের রং নীল। নীল রংয়ের বিপরীতে লাল এবং সাদা রং স্পষ্টভাবে ফুটে উঠে।
এজন্যই সকল মোবাইল অপারেটরদের টাওয়ারের রং ও লাল এবং সাদা থাকে।

এজন্য টাওয়ারের উপরে লাল বাতি দেয়া হয়।
 

 

মাথা ন্যাড়া করার উপাকারীতা জানলে আজই আপনি মাথা ন্যাড়া করার জন্য আগ্রহ দেখাতে বাধ্য হবেন।
মাথা ন্যাড়া করার প্রথম এক দুইমাস বন্ধুসমাজে বা আত্বীয়স্বজনদের সামনে চলতে কিছুটা বিব্রতকর পরিস্থিতি স্বীকার হতে হয়।  কিন্তু আপনি যদি এর উপকারীতা জানতে পারেন তবে আজই মাথা ন্যাড়া করায় আগ্রহ দেখাবেন।

আজ জেনে নিন,মাথা ন্যাড়া করার অজানা দশটি উপকারীতাঃ-

১) যারা চুল পড়ার সমস্যায় ভুগছেন। তাদেরকে বলছি, আপনার মাথায় কি খুশিকীর উপদ্রব আছে?
আপনার মাথার ত্বক কি তেলতেলে ভাব থাকে?
তাহলে আজই আপনার মাথা ন্যাড়া করুন।
তারপর প্রয়োজনে ডাক্তার দেখান।
যারা চুল পড়া সমস্যায় ভুগেন, তাদের মাথা টাক হওয়ার পেছনে প্রধান এবং একমাত্র কারন খুশিকী!!! এই খুশিকীর কারনেই আপনার মাথায় চুল টিকতে পারেনা। এই খুশিকী যতদিন আপনার মাথায় আছে,ততদিন কোন দূর্বল চুল আপনার মাথায় টিকতে পারবেনা।
আর এই খুশিকী আপনি হাজারো চেস্টা করেও পুরোপুরিভাবে পরিস্কার করতে পারবেন না।
তাই এক্ষেত্রে মাথা ন্যাড়া করার বিকল্প নেই।

২) অনেক ডাক্তার বলে থাকে যে, চুল পড়া সমস্যায় মাথা ন্যাড়া করে তেমন কোন উপকারীতা নেই।
প্রকৃতপক্ষে এই কথা যারা বলে, তারা পুরোপুরিভাবে নিজের স্বার্থের কথা চিন্তা করে বলে।
মাথা ন্যাড়া করার ফলে প্রথমত খুশিকী পুরোপুরিভাবে দূর হবে, দ্বিতীয়ত চুলের সকল ইনফেকশন ঘা দূর হবে। তৃতীয়ত, খুশিকীর কারনে অনেক চুল গজাতে পারেনা। মাথা ন্যাড়া করার ফলে সেইসকল চুল পুনরায় উজ্জীবিত হবে।
যাদের বংশে টাক সমস্যা আছে, তারা যদি অন্তত ২ বছর অন্তর অন্তর মাথা ন্যাড়া হয়,তবে এই সমস্যা থেকে অনেকাংশে রক্ষা পেতে পারে।

৩) অনেকের মতে বার বার মাথা ন্যাড়া করলে চুলের ফলিকে সমস্যা হয়। হ্যাঁ ঠিক। কিন্তু এটা শুধুমাত্র বাচ্চাদের হয়। যারা চুলের নতুন স্টাইল দিতে চাচ্ছেন বা চুল পড়া সমস্যায় ভুগছেন, তাদের জন্য মাথা ন্যাড়া করা খুবই উপকারী। 
যাদের সবেমাত্র চুপ পড়া শুরু হয়েছে, তারা ডাক্তার দেখানোর পর, চিকিৎসা করার শুরুতেই মাথা ন্যাড়া করে চিকিৎসা করুন। তাহলে অনেক ভালো উপকার পাবেন।

৪) যারা চুল পড়া বা টাক সমস্যায় ভুগছেন, তাদের অনেকে আবার মাথা ন্যাড়া করার ১০-১৫ দিন পর পুনরায় মাথা ন্যাড়া করে থাকে। এই পদ্ধতি অনেক ক্ষেত্রে বৃথা।
কারন আপনি যখন প্রথম বার মাথা ন্যাড়া করবেন,তখন একাধিকবার চাছবেন। তাহলেই চলবে।

৫) মাথা ন্যাড়া করলে মস্তিস্কের জন্য অনেক উপকারী দিক আছে। আপনার চুল পড়া বা অন্যন্যা সমস্যা না থাকলেও আপনি মাথা ন্যাড়া করতে পারেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে প্রথমত মাথা ন্যাড়া করলে আপনার যৌণ শক্তি বাড়বে, দ্বিতীয়ত আপনার চিন্তাশক্তি আগের তুলনায় তীক্ষ্ণ হবে।

৬) যাদের ঘুম অনেক বেশি হয় বা যাদের মধ্যে অলসতা অনেক বেশি, তারা যদি মাথা ন্যাড়া করে তবে তাদের এই দুটি সমস্যা থেকে মুক্তি পাবে।

৭) যাদের বংশে টাক আছে, তারা মাথা ন্যাড়া করার পর প্রতিদিন মাথায় সরাসরি ক্যাস্টর অয়েল দিবেন।
মনে রাখবেন চুল গজানোর ক্ষেত্রে ক্যাস্টর অয়েলের উপর কিছুই নেই। এই ক্যাস্টর অয়েল যেকোন বড় ডিপার্টমেন্ট সপ বা কসমেটিকস দোকানে পাবেন। দাম পড়বে ১২০ থেকে ১৮০ টাকা।

৮) মাথা ন্যাড়া করার পর সম্ভব হলে একবার মাথায় মেহেদি পাতা বেটে দিবেন। কারন মেহেদি পাতা মাথার চুলের গোড়ার সকল ইনফেকশন দূর করবে।
যাদের চুল পড়া বা টাক সমস্যা আছে তাদের জন্য এই কৌশল।

৯) চুল পড়ার যত ধরনের ঔষধ আছে, প্রতিটি ঔষধের মারাত্বক সাইড ইফেক্ট আছে। যেমনঃ চুল পড়ার জন্য বাজারে ফার্মেসিতে যে স্প্রে পাওয়া যায় সেটি ব্যাবহারে আপনার যৌন শক্তি লোপ পাবে।
তারপর চুপ পড়া চিকিৎসায় পিআরপি করা হলে, আপনার শরীরে এলার্জির সকস্যার পাশাপাশি আপনি সন্তান ধারনে অক্ষম হয়ে যেতে পারেন।
তাই চিকিৎসা না করে চুল পড়া বা টাক সমস্যাকে মেনে নিন। বিশ্বে তথা ব্যাংলাদেশে বেশিরভাগ সফল ও বিখ্যাত ব্যাক্তিদের মাথায় চুল নেই।
চুল পড়া রোগের সঠিক চিকিৎসা আবিস্কার করতে কেউ পারেনা এমন কিন্তু নয়। চুল পড়ার চিকিৎসা করতে গেলে শরীরে অন্য কোন ক্ষেত্রে আপনার মারাত্বক ক্ষতি হতে পারে। তাই চুলপড়ার চিকিৎসা না করাই শ্রেয়।

১০) ডাক্তারি চিকিৎসা বাদে চুল পড়ার সর্বোত্তর চিকিৎসা থেকে থাকলে সেটি হলো মাথা ন্যাড়া করা। আপনার চুলের গ্রোথ যতই কম হোক ন কেন, সম্পূর্ন চুল গজাতে ২ মাসের বেশি লাগবেনা।


গবেষণায় দেখা গেছে, চুল কামিয়ে ন্যাড়া মাথা হওয়া মানুষরা চুলওয়ালা মানুষের তুলনায় বেশি পৌরুষ শক্তিসম্পন্ন হয়ে থাকেন। সোশ্যাল সাইকোলজি অ্যান্ড পারসোনালিটি সায়েন্স জার্নালে আমেরিকার পেনসিলভিনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের হোয়ারটন স্কুলের অধ্যাপক আলবার্ট ম্যানিস তাঁর গবেষণালব্ধ ফলাফল তুলে ধরে জানিয়েছেন, চুল কামিয়ে চকচকে ন্যাড়া মাথার মানুষরা সচারচর ক্ষুরধার ও কঠিন স্বভাবের। চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যে তাদের প্রভাবশালী ও বেশি পৌরুষ বিরাজ করে। ঠিক যেমনটা দেখা যায় শক্তিমান নেতাদের মধ্যে। ম্যানিস তাঁর গবেষণাকালে তিন ধরনের পরীক্ষায় দেখেছেন, ন্যাড়া মাথার মানুষরা অনুভূতিগুলো প্রকাশে হন জেদি। চুল কামিয়ে ফেলা এবং মাথাভর্তি চুলওয়ালা লোকদের ছবি ও বর্ণনা দিয়ে তিনটি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, কাকে তাঁরা বেশি পুরুষালী, ক্ষমতাধর ও প্রভাবশালী বলে মনে করে। সব ক্ষেত্রেই দেখা গেছে, অংশগ্রহণকারীরা ন্যাড়া মাথাদেরই বেশি পৌরুষবান মনে করেন। ঝাকড়া চুলেওয়ালা মানুষের চুল ডিজিটালি সরিয়ে ফেলে পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের মৌখিক বর্ণনা ও লিখিতভাবে প্রশ্ন করেও দেখা গেছে, ন্যারা মাথাওয়ালাদের বেশি পৌরুষবান ও শক্তিশালী মনে করা হয়। শারীরিক বর্ণনা জানতে চাওয়া হলেও পরীক্ষার্থীরা ন্যাড়াদের লম্বা-চওড়া ও শক্তিবান বলে মত দিয়েছেন। অধ্যাপক আলবার্ট ম্যানিস বলেন, তাঁর ভাষায়, আমি আশ্চর্য হয়েছি, চুল কামিয়ে ফেলা মানুষদের প্রতি বেশি পৌরুষবান, আধিপত্য বিস্তারকারী মনোভাবের নিরেট অবস্থান দেখে। শারীরিক বর্ণনাতেও চুলওয়ালা মানুষদের চেয়ে ন্যাড়া মাথারা শক্তসামর্থ ও লম্বা-চওড়া বলে ধারণা করা হয়। মাথা কামিয়ে ন্যাড়া হওয়া ভয়ডরহীন চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যেরই প্রকাশ। পাতলা চুলের সুদর্শন মানুষরা কম প্রভাব বিস্তারকারী বলে গবেষণায় দেখা গেছে। অনেক ডাক্তারের কাছে শুনেছি একান্ত প্রয়োজন না হলে ন্যাড়া করা উচিত নয়। 


 

লোকভাষা কি?

Farhana_Rahman
Apr 12, 08:28 PM

   বর্ণনামূলক দৃষ্টিভঙ্গী থেকে লোক-সাহিত্যের ভাষাকেই ‘লোকভাষা’ বলা হয়ে থাকে । বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই লোকভাষা সম্বন্ধে অবহিত ছিলেন । তিনি এ প্রসঙ্গে বলেছেন, -

“...বাংলার অসাধু ভাষাটা খুব জোরালো ভাষা, এবং তার চেহারা বলিয়া একটা পদার্থ আছে । ... সে আউলের মুখে, ভক্ত কবিদের গানে, মেয়েদের ছড়ায় রহিয়াছে । কেবল ছাপার কালির তিলক পরিয়া সে ভদ্র-সাহিত্য সভায় মোড়লি করিয়া বেড়াইতে পারে নাই, কিন্তু তাহার কণ্ঠে গান থামে নাই, তাহার বাঁশের বাঁশি বাজিতেছেই ।”

এ ভাষা সাধু নয়, মান্য চলিতও পুরোপুরি নয়, কোনো একটি বিশেষ আঞ্চলিক উপভাষাও নয় । সাধারণ ভাবে বাংলা লোককথা, লোকগাথা,ছেলেভুলানো ছড়া, ব্রতকথা, আউল-বাউলের গান প্রভৃতি রচনার মধ্যে লোকভাষার নিদর্শন মেলে । এই লোকভাষা হল পুরোপুরি গ্রামীন ভাষা, যা নাগরিক, মার্জিত বা পরিশীলিত নয় । ডঃ পবিত্র সরকারের মতে, –

“লোকভাষা (Folk language) কোনো বিশেষ অঞ্চলের উপভাষা নয়। নাগরিক ভাষার সঙ্গে – বাংলার ক্ষেত্রে মান্য-মার্জিত কলকাতার বা শহরের ‘শিষ্ট’ ভাষার সঙ্গে বিরোধে যে-ভাষা গ্রাম্য বলে চিহ্নেত হতে পারে তা-ই লোকভাষা । আধুনিক ভাষাবিজ্ঞানে একে কখনও কখনও rural language-ও বলা হয় ।” [ ‘লোকভাষা ও লোকসংস্কৃতি’]

            লোকভাষা সাধারণত চলিত ভাষা, মৌখিক ভাষা বা কথ্য ভাষা কিংবা উপভাষা থেকে পৃথক লক্ষণ বিশিষ্ট । আমরা এখানে লোকভাষার সাধারণ কিছু ভাষা-লক্ষণ বা বৈশিষ্ট্যের প্রতি আলোকপাত করতে পারি ।

(১) প্রথমত, ভাষার দ্বিস্তরের বিষয়টি উল্লেখ করা যায়। রূপকথায় মানুষ কথা বলে স্বাভাবিক ভাষায় । কিন্তু রাক্ষসেরা বলে – “হাঁউ মাঁউ খাঁউ’ । ভূতপেত্নীর কথাতেও অনুনাসিক স্বরধ্বনির প্রাচুর্য দেখা যায় ।

(২) কখনো কখনো অনুস্বার (ং) ব্যবহার করেও ভুয়ো সংস্কৃত শব্দ তৈরি করা হয় ।  যেমন – আশীর্বাদং, শিরচ্ছেদং ইত্যাদি।

(৩) লোকভাষায় সাধুভাষার ক্রিয়ারূপের ব্যবহার দেখা যায় । যেমন – ‘ উথাল পাথাল সাঁতার কাটিব।’

(৪) অমার্জিত বা অশ্লীল বা গ্রাম্যতা দুষ্ট এমনকি গালি-গালাজের শব্দের অকুণ্ঠ প্রয়োগ লোকভাষার আর একটি দিক । যেমন – ‘মাগি’, ‘ভাতারখাকি’ ইত্যাদি শব্দ রবীন্দ্রনাথের দৃষ্টি আকর্ষন করেছিল ।

(৫) ছেলেভুলানো ছড়ার মধ্যে, বিশেষ করে আদর বোঝানোর জন্যে ইচ্ছে করে কিছু ধ্বনিগত পরিবর্তন ঘটানো হয় । যেমন – ‘খোকা যাবে ‘বেড়ু’ করতে।’ অনুরূপভাবে জুতা > ‘জুতুয়া’ শব্দটিরও পরিবর্তন ঘটানো হয়েছে ।

(৬) একটি কোনো বিশেষ শব্দের পুনরুক্তি লোকভাষার আর একটি বৈশিষ্ট্য । যেমন – ‘জল জল যে কর টুসু।’ (টুসু গান) ‘জল ভর সুন্দরী কইন্যা জলে দিছ ঢেউ।’ (ময়মনসিংহ গীতিকা/ মহুয়া পালা)

(৭) ভাষার চমৎকারিত্ব সৃষ্টি ও সৌন্দর্য বাড়ানোর লক্ষ্যে অলংকারের ব্যবহার করা হয়ে থাকে । যেমন – ‘মন পবনের নাও’, ‘মন মাঝি’ (বাউল গান)  ‘সোতের শেওলা হইয়া ভাসিয়া বেড়াই।’ (ময়মনসিংহ গীতিকা)

(৮) ধ্বন্যাত্মক শব্দের বিচিত্র ও স্বতস্ফূর্ত প্রয়োগ লোকভাষার আর একটি বৈশিষ্ট্য । যেমন – ‘বাকুড় কুম কুম/ খুখড়াটা কটকটাইল ভাঙল হামার ঘুম।’ কিংবা ‘বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর।’

(৯) লোকভাষায় অর্থহীন শব্দ প্রয়োগ করা হয় । যেমন – ‘ইকিড় মিকিড়’, ‘এলাটিং বেলাটিং’, ‘আগডুম বাগডুম’ ইত্যাদি ।

(১০) ধ্বনি-বিপর্যাসের প্রাচুর্য লোকভাষার আর একটি বৈশিষ্ট্য । যেমন – লেবু > নেবু, লুচি > নুচি, লোক > নোক।

(১১) অপিনিহিতির বিপর্যস্ত ‘ই’ ধ্বনি রক্ষিত হয়। যেমন – দেইখব, বইলব, মেইরে, ধইরে, রাইত ।

(১২) শব্দের আদিতে অবস্থিত ‘ও’ ধ্বনি প্রায়ই ‘উ’-রূপে উচ্চারিত হয়। যেমন – কোথা > কুথা, লোক > লুক, কোন > কুন ইত্যাদি ।

'দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম প্রেম বলে কিছু নেইমানুষ যখন প্রেমে পড়ে, তখন প্রতিটি প্রেমই প্রথম প্রেম' --হুমায়ূন আজাদ।

ভুল মানুষের প্রেমে পড়া টা খুব ই স্বাভাবিক। আপনি আপনার আগের দুইটি প্রেমের ক্ষেত্রে ভুল মানুষের প্রেমে ই পড়েছিলেন। তারা আপনাকে ছেড়ে চলে গেছে আপনি চলে যান নি। বা আপনি তাদের কাউকে ঠকান ও নি। এ ক্ষেত্রে আপনার তো কোন দোষ নেই। আপনি নিজ জায়গা থেকে সৎ থাকার চেষ্টা করেছেন এটা ই সবচেয়ে বড় কথা। 

একটা মেয়েকে আপনি ঠকিয়ে থাকলে একই সাথে একাধিক সম্পর্কে জড়িত থাকতেন। শুরুটা একটু অন্যরকম ভাবে করলে ও কিছু কথা বলা দরকার। ধোঁকা তখনই হয় যখন আপনি একই সাথে একাধিক সম্পর্কে জড়িয়ে যাচ্ছেন এবং আপনি আপনার সঙ্গী বা সঙ্গিনী কে সে সম্পর্কে জানান নি।

আপনার সর্বশেষ প্রেমের প্রসঙ্গ বিবেচনা করতে গেলে বলা যায়, আপনি নিজে থেকে তো সম্পর্কে জড়ান নি। বা সম্পর্কে জড়ানোর জন্য কোন কিছু গোপন ও করেন নি। আপনার প্রেমিকা সব কিছু শুনে, সব জেনে বুঝে ই আপনার সাথে সম্পরকে জড়িয়েছে। 

আপনার জীবনে আগে যা কিছু হয়েছে সব কিছু আপনার অতীত। অতীতের সাথে বর্তমানের কোন সম্পর্ক নেই। আপনি যদি বর্তমানে এক ই সময়ে একাধিক প্রেমের সম্পর্কে জড়িত না থাকেন তাহলে আপনি আপনার প্রেমিকা কে ঠকাচ্ছেন না। আর আপনার আগের দুই প্রেমিকা সম্পর্কে যেহেতু আপনি বলেছেন সেক্ষেত্রে আপনি অতীত ও লুকাননি।

এসব বিবেচনা করে আপনাকে অন্তত চরিত্রহীন বলা যায় না। অন্তত আমার মতে না।

হতে পারে আপনার প্রেমিকা অন্য কারো কাছে আপনার সম্পর্কে কোন গুজব শুনেছে। বা এটা ও হতে পারে সে আপনাকে সন্দেহ করে তাই এমন বলেছে। বা হতে ই পারে সে শুধুমাত্র রাগের মাথায় আপনাকে ও সব বলেছে, রাগ কমলে সব ঠিক হয়ে যাবে। সব ই হতে পারে। ধৈর্য ধরুন। 
ধন্যবাদ।

বিভিন্ন ধরণের বিষ আছে। কিছু বিষ মেয়াদ শেষ হলে এর কার্যকারিতা অনেক টা কমে যায় কিন্তু তবুও ১০০% অবিষাক্ত হয়ে যায় না। আবার কিছু বিষ আছে যেগুলো মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ধীরে ধীরে অন্য যৌগে রূপান্তরিত হয়ে যায় ।

বিরক্ত করছে?

Farhana_Rahman
Apr 12, 01:32 PM

মজার একটা সমাধান দিতে পারি। ইচ্ছা হলে করতে ও পারেন আবার না ও করতে পারেন। যতবার ফোন করবে......ফোন রিসিভ করে রেখে দিতে পারেন। কথা বলবেন না। দুই এক দিন যতবার ফোন করে ততবার এমন করলে এরপর থেকে আর ফোন দেবে না হয়তো।

আর যদি চান গুগল প্লে স্টোর থেকে নম্বর ব্লক করার app download করে নিতে পারেন। কিছু app আছে যেগুলোর মাধ্যমে sms বা call দুটো ই বন্ধ করা যায়। এমন অনেক ফ্রি কল ব্লকার পাবেন প্লে স্টোর এ। চাইলে এই app এর যে কোন একটি ইন্সটল করে নিতে পারেন। প্লে স্টোর এ এমন আরো অনেক app পাবেন।
 

ধন্যবাদ।

অর্থনীতিবিদ্যা অনুযায়ী দীর্ঘ সময় ধরে অর্থনৈতিক কার্যকলাপের ধীর গতি অথবা বাণিজ্যিক আবর্তন-এর সংকোচনকে মন্দা বলা হয়।মন্দার সময় বড় অর্থনৈতিক সূচকগুলোর ধরন একই রকম থাকে। মন্দার সময়, জাতীয় গড় আয় (গ্রস ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট বা GDP), চাকরি, বিনিয়োগ সংক্রান্ত ব্যয়, উত্পাদন ক্ষমতার ব্যবহার, পারিবারিক আয়, ব্যবসায়িক লাভ এবং মুদ্রাস্ফীতি, এ সব কিছুই অনেক কমে যায়; এই সময় দেউলিয়া হয়ে যাওয়া এবং বেকারত্বের হার বেড়ে যায়।

সরকার নানা প্রকার সম্প্রসারণমূলক কাজকর্ম যেমন, বৃহদাকার অর্থনৈতিক নীতি গ্রহণ করে, টাকার জোগান বৃদ্ধি করে, সরকারি খরচ বৃদ্ধি করে এবং করের পরিমাণ কমিয়ে মন্দার মোকাবিলা করার চেষ্টা করে।

করোনাভাইরাস এখন শুধু স্বাস্থ্যঝুঁকি নয়, সারা বিশ্বের অর্থনীতিকেই নাড়া দিতে শুরু করেছে। প্রতিদিন মৃত্যুর মিছিলে যোগ হচ্ছে হাজারো মানুষ। লকডাউন হয়ে পড়েছে প্রতিটি রাষ্ট্র। ফলে উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। নিউ ইয়র্ক টাইমস'সহ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, করোনা আতঙ্কে অধিকাংশ বড় কোম্পানির কারখানায় উৎপাদন স্থগিত রাখা হয়েছে। এভাবে উৎপাদন বন্ধ থাকলে বিশ্ববাজারে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দেবে।

করোনা আতঙ্কে একের পর এক বিচ্ছিন্ন হতে শুধু হয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। বন্ধ হয়ে পড়েছে মাঠের খেলা থেকে শুরু করে বড় বড় সব আন্তর্জাতিক আয়োজন। স্কুল, কলেজ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কমে আসছে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞার কারণে লোকসানে পড়েছে আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাগুলো। বন্ধ হয়ে গেছে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় ফ্লাইট। ঋণখেলাপি হয়ে যাওয়ার আশংকায় রয়েছে বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো। প্রতিদিনই ধস নামছে প্রধান শেয়ার বাজারগুলোতে। বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার পাশাপাশি বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধিও কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে চাকরি হারাতে পারেন অসংখ্য মানুষ।

জেপি মর্গানের মতে পরপর আগামী দুই প্রান্তিকে বিশ্ব অর্থনীতিতে ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধি দেখা দেবে করোনার প্রভাবে৷ চলতি বছর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ২০১৯ সালের চেয়ে অর্ধেক কমে যাবে, জানিয়েছে বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর সংগঠন ওইসিডি। ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনা বিশ্ব অর্থনীতিতে দুই দশমিক সাত ট্রিলিয়ন ডলারের লোকসান ঘটাবে, যা গোটা যুক্তরাজ্যের জিডিপির সমান। এমনকি যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, জাপান মন্দায় পড়তে পারে বলেও আশংকা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিদিনই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা (কোভিড-১৯) মৃতের সংখ্যা। চীনের হুবেই প্রদেশ থেকে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বের প্রায় সব দেশে। ২০০৩ সালেও পৃথিবীতে আতঙ্ক তৈরি করেছিল সার্স। চীন থেকে বিস্তৃত হয়েছিল সার্স। সার্সে আট হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছিল, মারা গিয়েছিল ৭৭৪ জন। সেই সময়ে বৈশ্বিক জিডিপির ৪ শতাংশ আসত চীন থেকে। তখনই বৈশ্বিক অর্থনীতির অন্তত চার হাজার ৫০০ কোটি ডলার ক্ষতি হয় বলে অর্থনীতিবিদরা জানিয়েছিলেন।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা জানিয়েছেন, চীনের করোনা বিশ্ব অর্থনীতিকে হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছে। এতে পণ্যের সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হচ্ছে এবং পর্যটন খাতেও প্রভাব পড়ছে। আইএমএফ প্রধান বলেন, স্বল্প মেয়াদে হলেও করোনা বিশ্ব অর্থনীতির গতি মন্থর করতে পারে। তবে দীর্ঘ মেয়াদে কী হবে, তা এখন বলা কঠিন। যত দ্রুত সম্ভব এ ভাইরাস মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

করোনা আতঙ্কে বাতিল হয়ে গেছে প্রযুক্তি দুনিয়ার সবচেয়ে বড়ো আয়োজন মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস (এমডব্লিউসি)। প্রতি বছর এ আয়োজনেই নতুন প্রযুক্তিপণ্যের সঙ্গে পরিচয় করে দেওয়া হতো দুনিয়াকে। সম্প্রতি এমডব্লিউসির আয়োজক জিএসএমএ কর্তৃপক্ষ জানায়, করোনার বিস্তারজনিত চরম উদ্বেগজনক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে ২৪ থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি স্পেনের বার্সেলোনায় অনুষ্ঠিতব্য এমডব্লিউসির আয়োজন বাতিল করা হয়েছে। বিশ্ব অর্থনীতির জন্য করোনা ইতিমধ্যে মারাত্মক উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি চীন ও বৈশ্বিক অর্থনীতিতে চরম বিপর্যয় ডেকে এনেছে। চলতি বছর বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ২ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে ২ দশমিক ৩ শতাংশে নেমে আসবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আন্তর্জাতিক সংস্থা- যা ২০০৮ সালের অর্থনৈতিক মন্দার পর সর্বনিম্ন বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি। বিশ্ব অর্থনীতিতে ক্ষতির পরিমাণ ১৫ হাজার কোটি মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার শঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

আকস্মিকভাবে বিক্রি কমার পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা অ্যাপল। আমেরিকার জেনারেল মোটরস নিজ দেশে যত গাড়ি বিক্রি করে, তার চেয়ে বেশি হয় চীনে। তার উৎপাদনও কমেছে। জাপানের টয়োটারও একই অবস্থা। বিশ্বের বৃহত্তম অনলাইন রিটেইল শপ আমাজনের মজুদে টান পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি জাপান, দক্ষিণ কোরিয়াসহ বহু দেশে। এসবের একটিই কারণ করোনার প্রাদুর্ভাব। চীনকে বলা হয় ‘বিশ্বের কারখানা’। সারা বিশ্বে যত পণ্য উৎপাদিত হয় তার এক-চতুর্থাংশ আসে চীন থেকে। ফলে চীনে উৎপাদন ব্যাহত হলে তার প্রভাব হবে ভয়াবহ। আইএমএফ প্রধান ক্রিস্টালিনা জর্জিভা তাই যথার্থই বলেছেন, বিশ্ব এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড়ো যে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে তার নাম করোনা বা কোভিড-১৯ এর প্রাদুর্ভাব। অনেক অর্থনীতিবিদ ও বিশ্লেষক আশঙ্কা করছেন, করোনার কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দা দেখা দিতে পারে। করোনা ভাইরাস এমন সময় আঘাত হানল যখন বিশ্ব একটি মন্দা কাটিয়ে উঠতে শুরু করেছিল। জর্জিভা বলেছেন, করোনা দীর্ঘস্থায়ী হলে চীন ও বিশ্ব অর্থনীতির ওপর তার তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব পড়বে। কারণ, এতে পণ্য সরবরাহ বিঘ্নিত হবে, বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমবে। ফলে বিশ্ববাজারে এর প্রভাব হবে বহুমুখী। চলতি শতাব্দীর শুরুতে চীন বিশ্ব অর্থনীতির ৮ শতাংশের মালিক ছিল। এখন বেইজিং নিয়ন্ত্রণ করছে বিশ্ব অর্থনীতির ১৯ শতাংশ বা প্রায় এক-পঞ্চমাংশ। অর্থনৈতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান অক্সফোর্ড ইকোনমিকস তাদের পূর্বাভাসে বলেছে, করোনা এশিয়ার বাইরে ছড়িয়ে পড়লে বিশ্ব অর্থনীতির ক্ষতি হবে এক লাখ ১০ হাজার কোটি (১ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন) ডলারের, যা বিশ্বের মোট অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ১ দশমিক ৩ শতাংশ। বিশ্বের ১৬তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ ইন্দোনেশিয়ার জিডিপির সমান ক্ষতি হবে এতে। অক্সফোর্ড ইকোনমিক্স বলছে, ইতিমধ্যে করোনার ‘শীতল প্রভাব’ পড়তে শুরু করেছে। কারণ চীনের কারখানা বন্ধের প্রভাব প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর পড়তে শুরু করেছে। এর ফলে বিশ্বের বড় কোম্পানিগুলো বিভিন্ন পণ্যের উপকরণ এবং তৈরি পণ্য এসব দেশ থেকে সংগ্রহ করতে হিমশিম খাচ্ছে। যেমন অ্যাপলের আয় কমে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। কারণ, আইফোনের উৎপাদন ও বিক্রি কমে যেতে পারে। চীন আইফোনের এক বড় ক্রেতা। গাড়ি নির্মাতা জাগুয়ার ল্যান্ডরোভার সরবরাহ সমস্যায় ভুগছে বলে জানিয়েছে। করোনার কারণে চীনের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার গত বছরের ৬ শতাংশ থেকে কমে এবার ৫ দশমিক ৪ শতাংশ হতে পারে।

করোনা আরও ছড়িয়ে পড়লে চলতি বছর বিশ্বের জিডিপি ৪০ হাজার কোটি ডলার কমে যেতে পারে। অক্সফোর্ড ইকোনমিকস বলছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমার কারণ হচ্ছে চীনা ক্রেতাদের বিলাসি পণ্য কেনার হার কমবে এবং ভ্রমণ ও পর্যটনে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। এ ছাড়া প্রভাব পড়বে বিনিয়োগ ও শেয়ারবাজারেও। ইতিমধ্যে চীনসহ কয়েকটি দেশের শেয়ারবাজারে ধাক্কা লেগেছে করোনার। চীনের ওপরও করোনার প্রভাব হবে ভয়াবহ। প্রাদুর্ভাব দীর্ঘস্থায়ী হলেও চীনের বড়ো কোম্পানিগুলো টিকে থাকতে সক্ষম হবে তবে বহু কর্মী চাকরিচ্যুত হবেন, কমবে বেতন। জরিপে দেখা গেছে, দেশটির শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ৮৫ শতাংশ বড়ো কোম্পানি ছয় মাস পর্যন্ত স্বাভাবিকভাবে টিকে থাকতে পারবে।

চীনের এক হাজার ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের ওপর দেশটির দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালিত জরিপে দেখা যায়, এক মাসে পরিস্থিতির উন্নতি না হলে এক-তৃতীয়াংশ কারখানা তহবিলশূন্য হয়ে পড়বে। এ ছাড়া ৭০০ কোম্পানির ওপর পরিচালিত আরেক জরিপে দেখা যায়, সেগুলোর ৪০ শতাংশই তিন মাসের মধ্যে তহবিলশূন্য হয়ে যাবে। বাস্তবতা হচ্ছে পরিস্থিতির দিন দিনই অবনতি হচ্ছে। করোনার কারণে জাপানের অর্থনীতিতে মন্দার আশঙ্কা করা হচ্ছে। বড়ো ধরনের প্রভাব পড়তে পারে দক্ষিণ কোরিয়া ও জার্মানির অর্থনীতিতেও। মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের অর্থনীতিতে প্রভাব অনিবার্য বলে দেশগুলো জানিয়েছে। চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের অন্তর্ভুক্ত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোও করোনার ধাক্কা এড়াতে পারবে না। প্রভাব পড়বে এসব দেশের কর্মসংস্থান ও অর্থনীতিতে। চীনের বড়ো বাণিজ্যিক অংশীদার ব্রাজিলে মন্দা দেখা দিতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রও করোনার প্রভাবমুক্ত থাকবে না। চীন এখন আমেরিকায় অটো কারখানার যন্ত্রাংশ সরবরাহ করে। বাংলাদেশ, তুরস্ক, মেক্সিকোসহ বহু দেশের পোশাক কারখানাগুলোও ভীষণভাবে চীনের কাঁচামালের ওপর নির্ভরশীল।

চীন শুধু সারা বিশ্বে পণ্য সরবরাহই করে না। চীনের ১৪০ কোটি মানুষ এখন ইলেকট্রনিক গ্যাজেট, ফ্যাশনেবল পোশাক আর বিদেশ ভ্রমণেও প্রচুর অর্থ ব্যয় করে থাকে। দেশটির মানুষের আয় দেড় যুগেরও কম সময়ে বেড়েছে কয়েক গুণ। ২০০৩ সালে চীনাদের বার্ষিক গড় আয় ছিল ১৫০০ ডলার। গত বছর তা পৌঁছায় ৯০০০ ডলারে। ইন্টেল ২০১৯ সালে চীনে পণ্য বিক্রি করে আয় করেছে ২০০০ কোটি ডলার, যা ওই বছরে কোম্পানির মোট আয়ের ২৮ শতাংশ। মোবাইল ফোনের শীর্ষ চিপ নির্মাতা কোয়ালকমের আয়ের ৪৭ শতাংশ আসে চীন থেকে। ২০১৯ সালে চীনে চিপ বিক্রি করে কোম্পানিটি আয় করেছে ১২০০ কোটি ডলার। বিশ্বব্যাংক বলছে, সার্সের পর চীনের অর্থনীতির আকার আট গুণ বড়ো হয়েছে। জিডিপির আকার এক লাখ ৭০ হাজার কোটি ডলার থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ লাখ কোটি ডলারে।

বিনিয়োগ তহবিল ব্যবস্থাপক ম্যাথিউ এশিয়ার অর্থনীতিবিদ অ্যান্ডি রটম্যান বলেছেন, বিশ্বের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির এক-তৃতীয়াংশ আসে চীন থেকে। যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও জাপানের মোট প্রবৃদ্ধির চেয়েও চীন এগিয়ে। আমেরিকার বহুজাতিক বিনিয়োগ ব্যাংক মর্গ্যান স্টানলির এশিয়া বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান স্টিফেন রোচ সম্প্রতি বলেছেন, করোনার কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দা দেখা দিতে পারে।

আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন সমিতি (আইএটিএ) জানিয়েছে, এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে করোনা ভাইরাসের কারণে এবার দুই হাজার ৯৩০ কোটি ডলার ক্ষতি হবে। এবার বিমান সংস্থাগুলোর যাত্রী ১৩ শতাংশ কমে যাবে বলে সংস্থাটি জানিয়েছে। আইএটিএর সিইও অ্যালেক্সান্দ্রে ডি জুনিয়াক এক বিবৃতিতে বলেছেন, বিমান সংস্থাগুলোর জন্য এ বছরটি কঠিন যাবে। করোনার কারণে প্রতিদিন ১৩ হাজার ফ্লাইট বাতিল করা হচ্ছে। শুধু চীন নয় যুক্তরাষ্ট্রের বাজারেও নেতবাচক প্রভাব লক্ষ করা যাচ্ছে। গত সাত বছরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সেবা খাতের ব্যাবসায়িক কার্যক্রম সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় পৌঁছেছে। দেশটির সরকারি পরিসংখ্যান বলছে, করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে জানুয়ারিতে সেবা খাতে ব্যাবসায়িক কার্যক্রম খুবই কমেছে।

বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান দুই চালিকাশক্তি রপ্তানি ও রেমিট্যান্স। রপ্তানি আয় কমে গেলে দেশের শিল্প কারখানাগুলোতে শ্রমিকদের আয় কমে যাওয়া বা কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তা তৈরি হবে। অন্যদিকে প্রবাসীরা টাকা পাঠানো কমিয়ে দিলে তাদের পরিবার দেশে আগের মতো খরচ করতে পারবেন না। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে ব্যবসা বাণিজ্যে। কমে যাবে বেচাকেনা৷ চাহিদা কমে গেলে ভোক্তা পণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ক্ষতির মুখে পড়বে। বাংলাদেশেও করোনার প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে অর্থনীতির গতি ধীর হয়ে যাবে। সব মিলিয়ে চলতি বছরের জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য পূরণ বড় চ্যালেঞ্জ হবে সরকারের জন্যে।

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ইতিমধ্যে বলেছে, বাংলাদেশের জিডিপি সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতিতে এক দশমিক এক ভাগ কমে যেতে পারে৷ তাদের হিসাবে এতে মোট তিনশো কোটি ডলারের ক্ষতি হবে, আট লাখ ৯৪ হাজার ৯৩০ জন চাকরি হারাবে৷ ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের এক প্রতিবিদনে এমন তথ্য দেয়া হয়েছে৷

এতকিছুর পরও আশা করার মতো জায়গাও রয়েছে। জ্বালানি তেলের পুরোটাই বাংলাদেশ বিশ্ব বাজার থেকে কেনে। দাম কমায় এখন আমদানি খরচ আগের চেয়ে অনেক কমে যাবে। সরকার যদি বাজারে সে অনুযায়ী দাম সমন্বয় করে তাহলে শিল্পের উৎপাদন ও পরিবহন খরচ কমবে। এতে সাধারণ মানুষও উপকৃত হতে পারেন। তবে সরকার জ্বালানি তেলে দাম না কমালে পুরো লাভটাই ভোগ করবে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন-বিপিসি।

তবে করোনা ভাইরাস যদি বিশ্ব অর্থনীতিতেই গভীর প্রভাব ফেলে তাহলে এই সুবিধাগুলো বাংলাদেশ কতটা কাজে লাগাতে পারবে সেই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে৷
 

খুব সহজে যদি গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ শিখতে চান তবে আমার মতে সেরা উপায় হবে ইউটিউব। ইউটিউবে হাতে কলমে গ্রাফিক্স ডিজাইনের প্রতিটি বিষয় সুন্দর করে বুঝানো হয়। আপনি যদি ইংরেজিতে পারদর্শী না হন সেক্ষেত্রে cc designer নামক একটি ইউটিউব চ্যানেল আছে যেটা আপনাকে বাংলায় গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখতে সহায়তা করতে পারে।

এছাড়া ও গ্রাফিক্স ডিজাইন সম্পর্কিত বিভিন্ন বই রয়েছে। এগুলোর ও সাহায্য হতে পারেন। যেমনঃ
 

  • Designing Brand Identity 
  • Adobe Photoshop 7.0
  • Adobe Photoshop CS( tips &tricks)
  • Quark Express
  • Auto CAD
  • Flash MX
  • Adobe Illustrator 9.0
  • Microsoft Paint

    বইগুলো একদম ফ্রি.....................

    ধন্যবাদ।

বিস্ময় ডট কমে প্রশ্ন করে এবং উত্তর দিয়ে যে পয়েন্ট  পাচ্ছেন সেই পয়েন্ট শুধু র‍্যাঙ্ক কে নির্দেশ করে যে আপনি বিস্ময়ের মোট সদস্যের মধ্যে কত তম সদস্যের স্থানে অবস্থান করছেন। আর কিছু না। এটা দিয়ে কোন প্রকার মানি এক্সচেঞ্জ করা যায় না।

ধন্যবাদ। 

কলম আবিষ্কার করেন এল.ই.ওয়াটারম্যান, আবিষ্কারের সাল-১৮৮৪ ইং, আবিষ্কারকের জন্ম- ১৮৩৭ ইং, আবিষ্কারকের মৃত্যু-১৯০১ইং।

ইংরেজি পেন (penna) শব্দ এসেছে লাতিন শব্দ পেন্না (pen ) থেকে , যার মানে হল পাখির পালক । এক কালে পালকের কলম ব্যবহার হত, আমাদের বাংলাদেশ তথা ভারতবর্ষে অবশ্য খাগের কলম ব্যবহার হত ।আমরা যে বলপেন দিয়ে লেখি সেটার আবিষ্কারের পেছনের ঘটনাগুলো নিয়েই "বলপেন আবিষ্কারের গল্প"...

১৯৪৫ সালের অক্টোবর মাসের কোন এক সকাল। নিউইয়র্কের জিম্বেলস স্টোরের সামনে প্রায় ৫০০০ লোকের ভিড়। কেন এত ভিড়? নিশ্চয়ই কোন কারণ আছে। কারণটা হল তার ঠিক আগের দিন নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকায় একটি পূর্ণপৃষ্ঠা বিজ্ঞাপন দিয়েছিল স্টোরটি। যাতে লেখা ছিল তারা এমন একটি “দারুণ” ও “অলৌকিক” কলম বিক্রি করতে যাচ্ছে যেটা দুই বছর কালি না ভরেই ব্যবহার করা যাবে। লোকেরাও এমন অদ্ভুত(!) কলম কিনতে হুমড়ি খেয়ে পড়লো। প্রথম দিনেই তারা বিক্রি করেছিল ১০,০০০ বলপেন, যেগুলোর প্রতিটির দাম ছিল সাড়ে বারো ডলার করে। বলপেনের জগতে সেটিই ছিল প্রথম এত বড় সাফল্য। তবে বলপেনের প্রথম আবিষ্কারের কথা জানতে হলে সময়ের পথ ধরে আরেকটু পেছনে হাঁটতে হবে।

গল্পের শুরু ১৮৮৮ সালে। জন লাউড নামে এক চামড়া ব্যবসায়ী এমন একটি কলম খুঁজছিলেন যা দিয়ে চামড়াজাত পণ্যে লেখা যাবে। কেননা ফাউন্টেন কলম দিয়ে তা করা যেত না। তখন তিনি এমন একটি কলম বানাতে সক্ষম হন যাতে একটি ছোট খোপে কালি জমা থাকতো। আর কলমের মাথায় ‘ঘুরতে পারে’ এমন একটি স্টিলের বল লাগানো ছিল। ঐ বছরের ৩০শে অক্টোবর লাউড কলমটির প্যাটেন্ট নিলেও তা আর উৎপাদন করেননি। সাধারণ লেখালেখির কাজেও কলমটি সুবিধাজনক ছিল না। গল্পের প্রথম পর্যায়ের তাই এখানেই সমাপ্তি হয়।

এরপরের গল্পও তেমন সুখকর নয়। পরবর্তী ত্রিশ বছরে বলপেনের আরও সাড়ে তিনশটি প্যাটেন্ট গৃহীত হলেও কোনটিই আলোর মুখ দেখেনি নানা সমস্যার কারণে। লাউডের কলম থেকে শুরু করে পরবর্তী এই সাড়ে তিনশ কলমের সবচেয়ে বড় ঝামেলা ছিল ‘কালি’| পাতলা হলে বলের ফাঁক দিয়ে বেরিয়ে যেত আর ঘন হলে জমে যেত। তাপমাত্রা কমলে, বাড়লেও একই সমস্যা দেখা দিত।

কিন্তু জন লাউডের প্যাটেন্ট নেওয়ার পঞ্চাশ বছর পরে বলপেন নতুন মাত্রা পায় হাঙ্গেরির ল্যাডিসলাস বিরো’র হাত ধরে। প্রথম উন্নতমানের বলপেন আবিষ্কারের কৃতিত্ব তাঁরই। ল্যাডিসলাস বিরো ছিলেন একজন ভাস্কর, চিত্রশিল্পী ও সাংবাদিক। পাশাপাশি তিনি একটি ছোট পত্রিকা সম্পাদনার কাজও করতেন। এই কাজ করতে গিয়ে তাঁকে বারবার ফাউন্টেন কলমে বোতল থেকে কালি ঢুকাতে হতো। সমস্যা আরও ছিল। অতিরিক্ত কালি কাগজে লেগে যেত আবার মাঝে মাঝে ফাউন্টেন কলমের তীক্ষ্ণ মাথা লেগে কাগজ ছিঁড়েও যেত। সব মিলে একেবারে যাচ্ছেতাই অবস্থা। বারবার কালি ঢুকাতে আর কালির দাগ পরিস্কার করতে করতে তিনি পাগল হয়ে যেতেন। তাই কীভাবে এমন কোন কলম বানানো যায় যাতে তাঁকে আর এসব সমস্যা পোহাতে হবে না সেই চিন্তা তার মাথায় ঘুরতে লাগলো। তিনি খেয়াল করে দেখলেন পত্রিকা ছাপাতে যে কালি ব্যবহার করা হয় তা কিছুক্ষণের মাঝেই শুকিয়ে যায়, আর কাগজে দাগও লাগে না। তাহলে লেখার কাজে এই কালি ব্যবহারে সমস্যা কোথায়? যেই ভাবা সেই কাজ। তবেযেহেতু তিনি এই ব্যাপারে অভিজ্ঞ না, সাহায্য নিলেন তাঁরই ভাই জর্জ-এর কাছ থেকে। তারা দুজন মিলে বানিয়ে ফেললেন আগের থেকে আরও উন্নত বলপেন। কলমে ব্যবহার করা হল একটি শিস যাতে কালি ঢোকানো থাকবে। আর শিসের মাথায় লাগানো হল অতি ক্ষুদ্র একটি বল যা ঘুরতে সক্ষম। পদ্ধতি কিন্তু আগের মতই তবে ব্যবস্থাটা উন্নত। ফলে যখন কলমটিকে কাগজের উপর চালানো হবে, বলটি ঘুরবে আর শিস থেকে কালি এসে বলের ফাঁক দিয়ে বের হয়ে কাগজের গায়ে লাগবে। কি দারুণ ব্যাপার!ল্যাডিসলাস ও জর্জ-এর এই কলম দুটিতে আগের মত কালি নিয়ে আর সমস্যা থাকল না। ল্যাডিসলাস বিরো বলপেনের প্রথম আবিস্কারক না হলেও প্রথম কার্যকরী বলপেন আসে তাঁরই হাত ধরে। ১৯৩৮ সালে তিনি তার বলপেনের ব্রিটিশ প্যাটেন্ট নেন।

বিরো ভাইদের গল্পের এখানেই শেষ নয়, এক গ্রীষ্মে সাগরপারে অগাস্টিন জুস্টো নামে এক লোকের সাথে তাদের দেখা হয়, যিনি ছিলেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট। কথায় কথায় তারা তাদের আবিষ্কারের গল্পও বাদ যায় না। তাদের বলপেনের মডেল দেখে প্রেসিডেন্ট জুস্টো আর্জেন্টিনায় এই বলপেনের একটি কারখানা স্থাপনে তাদেরকে আহ্বান জানান। পরবর্তীতে ১৯৪৩ সালে ল্যাডিসলাস ও জর্জ আর্জেন্টিনায় চলে যান। কারখানা স্থাপন করার অর্থ যোগানে আগ্রহী লোকের অভাব হয় না সেখানে। উৎপাদন শুরু হয়, তারা প্রচারণা শুরু করে যে তারা এমন কলম বিক্রি করছে যা দিয়ে পানির নিচেও লেখা যায়। তাদের প্রদর্শনী দেখতে অনেক লোকের ভিড় হয়। তবে কারখানা চালু করলেও দুর্ভাগ্যজনকভাবে তারা ব্যর্থ হয় কেননা তখনও তাদের বলপেনে সমস্যা রয়ে গিয়েছিলো। তাদের কলমটিতে কার্টিজ থেকে কালি নেমে আসা নির্ভর করতো অভিকর্ষের উপর। ফলে কলমটি খাড়া করে না লিখলে লিখতে অসুবিধা হতো। তাই আবার তারা নেমে পরে এই অসুবিধা দূর করতে। এবার অভিকর্ষের উপর নির্ভরতা বাদ দিয়ে কৈশিকতার উপর ভিত্তি করে তাদের মডেল তৈরি করে। (কোন সরু নল দিয়ে অভিকর্ষের সাহায্য ছাড়া পৃষ্ঠটান আর আসঞ্জন বলের কারণে তরল পদার্থের উপরে উঠে আসাকেই কৈশিকতা বলে।) এরপর তাদের এই উন্নত বলপেন Birome ব্র্যান্ড হিসেবে তারা আর্জেন্টিনার বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্রি করে। বলা যায় বলপেন আবিষ্কারের সফলতার গল্পের এই দ্বিতীয় ইনিংস আর দীর্ঘ হয়নি। তাদের স্বত্ব বিক্রি হয়ে যায় আমেরিকার এবারহার্ড কোম্পানির কাছে যা পরবর্তীতে কিনে নেয় এভারশার্প কোম্পানি। তবে কোনটিই তেমনভাবে সফল হতে পারেনি।

এরপর মঞ্চে আগমন ঘটে মিল্টন রেয়নোল্ডস নামে এক ব্যক্তির যিনি আমেরিকায় প্রথম সফলভাবে বলপেন উৎপাদন করেন। আর্জেন্টিনায় ছুটি কাঁটাতে গিয়ে বিরো ভাইদের কলম তার নজরে আসে। সেখান থেকে তিনি কয়েকটি কলম কিনে আমেরিকায় ফিরে আসেন। কলমের নকশায় অনেকগুলো পরিবর্তন এনে তিনি আমেরিকান প্যাটেন্ট গ্রহণ করেন। “রেয়নোল্ডস ইন্টারন্যাশনাল পেন কোম্পানি” নামে নিজের কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। জিম্বেলস স্টোরের সাথে চুক্তি করে আমেরিকায় প্রথম খুচরা কলম বিক্রি তাঁকে অভাবনীয় সাফল্য এনে দেয়। তবে পরবর্তীতে তা আর ক্রেতা ধরে রাখতে পারেনি। কারণ সমস্যার ভূত তখনও ছাড়েনি বলপেনকে। এরপর আরও বিভিন্ন জন বলপেনের নানা সংস্করণ নিয়ে আসেন যাদের মাঝে উল্লেখযোগ্য ছিলেন জে. ফ্রলি। ফ্রান সিচ নামের এক কেমিস্টের সহায়তায় তিনি নিয়ে আসেন “পেপারমেট” নামের এক কলম, যা যথেষ্ট সাফল্য লাভ করে।

তবে বলপেনের জগতে চূড়ান্ত সফলতা যিনি লাভ করেন, তিনি মার্সেল বিক। বলপেনের নিম্ন মান আর উচ্চ দাম তাঁকে এই ব্যাপারে আগ্রহী করে তোলে। তিনি বিরো ভাইদের প্যাটেন্টের জন্য তাদের রয়্যালটি দিয়ে কাজ শুরু করেন। তিনি দুই বছর ধরে বাজারেপ্রচলিত সব কলম নিয়ে গবেষণা চালিয়ে যান। ১৯৫২ সালে সব সমস্যা দূর করে তিনি নিয়ে আসেন কম দামে অসাধারণ এক বলপেন “Ballpen BIC”
 

বলপেনের আবিষ্কারের গল্পে চড়াই উতরাই ছিল অনেক, প্রয়োজনের তাগিদে মানুষ কখনো থামেনি। বলপেনকে উন্নততর করার চেষ্টা ছিল অবিরত। কিছু মানুষের নিরলস শ্রম আমাদের দুর্ভোগ কমিয়েছে অনেকাংশে। আজ আমাদের নিত্য সঙ্গী এই বলপেন। চলছে বলপেনের পথচলা শিক্ষায়–সভ্যতায়, জ্ঞানে-বিজ্ঞানে, কারণে-অকারণে।
 

মৌলের সর্ব বহিঃস্থ শক্তিস্তরের ইলেকট্রন সমুহের মধ্যে যেগুলি বন্ধনে অংশগ্রহণ করে তাদের বলা হয় যুগল বা বন্ধনজোড় ইলেকট্রন, আর বাকিগুলো কে অযুগ্ম ইলেকট্রন বা মুক্তজোড় ইলেকট্রন বলে।  

N(7) = 1s2 2s2 2p3......অযুগ্ম ইলেক্ট্রন সংখ্যা=৩
Cl(17)= 1s2 2s2 2p6 3s2 3p5.......অযুগ্ম ইলেক্ট্রন সংখ্যা=১
Ca(20)=1s2 2s2 2p6 3s2 3p6 4s2........অযুগ্ম ইলেক্ট্রন সংখ্যা=0
Cr(24)=1s2 2s2 2p6 3s2 3p6 3d5 4s1.....অযুগ্ম ইলেক্ট্রন সংখ্যা=6
C(6)=1s2 2s2 2p2......অযুগ্ম ইলেক্ট্রন সংখ্যা=0
O(8)=1s2 2s2 2p4......অযুগ্ম ইলেক্ট্রন সংখ্যা=2
F(9)=1s2 2s2 2p5 ....অযুগ্ম ইলেক্ট্রন সংখ্যা=1

অনুত্তেজিত বা স্বাভাবিক অবস্থায় এগুলো ছিল মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাস এবং অযুগ্ম ইলেক্ট্রন সংখ্যা। সেক্ষেত্রে স্বাভাবিক অবস্থায় Cr এর অযুগ্ম ইলেক্ট্রন সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

 

অরবিটাল হচ্ছে ইলেকট্রন মেঘ যেখানে ৯০-৯৫% ইলেক্ট্রন থাকে। 

ডি অরবিটাল এর মোট পাঁচটি ত্রিমাত্রিক বিন্যাস রয়েছে এবং প্রতিটি কক্ষপথে দুটি ইলেক্ট্রন ধরে রাখতে পারে। ট্রানজিশন মেটাল সিরিজটি 3 ডি অরবিটালগুলির প্রগতিশীল ভর্তি দ্বারা সংজ্ঞায়িত করা হয় । এই পাঁচটি অরবিটালে নিম্নলিখিত m টি মান রয়েছে:
M = 0, ± 1, ± 2,

d উপকক্ষের ক্ষেত্রে l=2 এবং m=−2,−1,0,+1,+2হ্ওয়ার ফলে এদের পাঁচটি কক্ষক থাকে। এই কক্ষকগুলিকে dxy, dyz, dzx, dx2−y2এবং dz2 দ্বারা চিন্হিত করা হয়।
এখানে,  n হল প্রধান কোয়ান্টাম 
              l  হল সহকারী কোয়ান্টাম
             m হল চম্বুকীয় কোয়ান্টাম 
 

স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল। আমাদের বর্তমান জীবনের অন্যতম একটি সমস্যা হলো স্থূলতা। ডায়াবেটিসের মতো স্থূলতা বহুরোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই স্বাস্থ্যসচেতন মানুষ ওজন কমানোর দৌড়-ঝাঁপ শুরু করেন। আমাদের সবারই ওজন আসলে ভারসাম্যপূর্ণ থাকা প্রয়োজন কিন্তু ওজন কমানো যেমন কঠিন ঠিক তেমনি কঠিন ওজন বাড়ানো। ওজন কম হওয়ার কারণ বিভিন্ন কারণে ওজন কম হতে পারে। অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, জেনেটিক কারণ, মানসিকস্বাস্থ্য সমস্যা, ডায়রিয়া, ক্যান্সার, ডায়বেটিস, এইডস, হাইপারথাইরয়েডিজম, আর্থ্রাইটিস, যক্ষা, কিডনির সমস্যা, ফুসফুসের সমস্যা, ড্রাগ নেওয়া ইত্যাদি। এছাড়া বয়সের জন্যও ওজন কম-বেশি হয়ে থাকে। ওজন বাড়ানোর ক্ষেত্রে সর্বপ্রথম এদিকগুলো লক্ষ্য রাখতে হবে। আসুন জেনে নেই ওজন বৃদ্ধি করার সহজ কিছু উপায়ঃ (১) ব্যায়াম করা অনেকেই ভেবে থাকেন ওজন কমাতেই ব্যায়াম প্রয়োজন কিন্তু এই ধারণা মোটেও ঠিক না। ওজন কমাতে যেমন ব্যায়াম প্রয়োজন ঠিক তেমনি ওজন বাড়াতেও ব্যায়াম করা খুবই প্রয়োজন। এক্ষেত্রে শুধু দৌড়-ঝাঁপই যথেষ্ট না। দরকার প্রতিদিন নিয়ম করে জিম করা। জিমে অভিজ্ঞ ট্রেইনার থাকে। আপনার ওজন ও চেহারা দেখে তিনিই আপনাকে বলে দেবেন কোন ব্যায়াম আপনার করতে হবে। (২) বারবার খাবার গ্রহণ বারবার খাবার গ্রহণ প্রতিটি মানুষেরই করা উচিৎ। প্রতি ২ ঘণ্টা অন্তর অল্প করে কিছু খেতে হবে। কিন্তু যারা ওজন বৃদ্ধি করতে চাচ্ছেন তাদের ২ ঘণ্টা পরপর বেশি করে খেতে হবে। এসময় আপনি দুধ, দই, ফল, ছানা ইত্যাদি দিয়েই পূরণ করতে পারেন। এতে আপনার শরীরে পুষ্টির পাশাপাশি ওজনও বৃদ্ধি পাবে। এটি মোটা হওয়ার সবচেয়ে সহজ উপায়। (৩) খাবারে রাখুন কার্বোহাইড্রেড ওজন বৃদ্ধিতে কার্বোহাইড্রেড খুবই প্রয়োজন। খাবারের তালিকায় কার্বোহাইড্রেড অবশ্যই রাখবেন। ভাত ও রুটি কার্বোহাইড্রেডের প্রধান উৎস। তাই প্রতিদিন অন্তত ২ বার কার্বোহাইড্রেড খাবেন। ভাত ও রুটি কার্বোহাইড্রেডের প্রধান উৎস তার মানে এই নয় যে বেশি বেশি খাবেন। আপনাকে অতিরিক্ত ফ্যাটের দিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে। তাই প্রতিদিন কার্বোহাইড্রেড খাবেন পরিমিত কিন্তু সাধারণের তুলনায় কিছুটা বেশি। মোটা হওয়ার সহজ উপায়গুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। (৪) বেশি ক্যালোরি গ্রহণ ওজন কমানোর ক্ষেত্রে আমরা বেশি ক্যালোরি বার্ন ও কম ক্যালোরি গ্রহণ করি। কিন্তু এই ক্ষেত্রে উল্টো হবে যতটুকু ক্যালোরি বার্ন করবেন তার দ্বিগুণ ক্যালোরি গ্রহণ করতে হবে। ওজনবৃদ্ধির জন্য শরীরের চাহিদার তুলনায় বেশি ক্যালোরি নিন। ওজন দ্রুত বৃদ্ধি করতে চাইলে দিনে ৬০০-৭০০ ক্যালোরি বেশি গ্রহণ করতে হবে আর যদি ওজন আস্তে আস্তে বাড়াতে চান তাহলে প্রতিদিন ৪০০-৫০০ ক্যালোরি বেশি গ্রহণ করতে হবে। এভাবে এক সপ্তাহ করলেই আপনার ওজন বৃদ্ধি পাবে। (৫) সঠিক প্রোটিন গ্রহণ ওজন বৃদ্ধি করতে শুধুমাত্র ক্যালোরিই যথেষ্ট না। ক্যালোরির পাশাপাশি সঠিক প্রোটিন গ্রহণ করতে হবে। সঠিক প্রোটিন গ্রহন না করলে ক্যালোরি বাড়তি ফ্যাটের কারণ হয়ে দাঁড়াবে। তাই প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় প্রোটিন জাতীয় খাবার যেমন ডিম, ডাল ও দুধ অবশ্যই রাখবেন। (৬) ড্রাই ফ্রুটস খাবেন ড্রাই ফ্রুটসে আছে প্রচুর ক্যালোরি ও ফ্যাট যা ওজন বৃদ্ধিতে অনেক কাজে দেবে। প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠেই ২টি কাজু ও ২টি কিসমিস খাবেন। এইটা কোনভাবেই ভুলবেন না। আর সকালের নাস্তায় রাখুন আমন্ড বা পেস্তা। ওজন বৃদ্ধিতে আপনার ডায়েট চার্টে বাদামের পরিমাণ বেশি রাখুন। এভাবে নিয়ম মেনে ড্রাই ফ্রুটস খেলে দেখবেন এক মাসের মধ্যেই আপনার ওজন বৃদ্ধি পাচ্ছে। (৭) টেনশনমুক্ত থাকুন সব সমস্যার সবচেয়ে বড় কারণ হচ্ছে টেনশন। ওজনবৃদ্ধিতে যেমন টেনশনমুক্ত থাকা প্রয়োজন ঠিক তেমনি ওজন কমাতেও টেনশনমুক্ত থাকা খুবই আবশ্যক। আজকাল টেনশনমুক্ত থাকা খুবই কঠিন তাও চেষ্টা করবেন যতটা সম্ভব টেনশনমুক্ত থাকার। (৮) ঘুম শরীর ঠিক রাখতে ঘুম খুবই প্রয়োজন। প্রতিদিন ৮ ঘণ্টা অবশ্যই ঘুমাতে হবে। এর থেকে কম হওয়া যাবে না। এছাড়া ঘুম থেকে উঠে প্রতিদিন নিয়ম করে ইয়োগা বা যোগাসন করুন। এতে আপনার ওজন দ্রুত বৃদ্ধি পাবে। (৯) ঘুমানোর আগে দুধ-মধু খান ঘুমোতে যাওয়ার আগে এমন কিছু খেতে পারেন যা বেশ পুষ্টিকর ও ক্যালোরিযুক্ত। কারণ সেটা ঘুমিয়ে পড়ছেন বলে খরচ হচ্ছে না এবং পুরোরাত আপনার শরীরে ক্যালোরির কাজ করবে এবং ওজন বৃদ্ধি করবে। তাই প্রতিদিন ঘুমানোর আগে দুধ ও মধু মিশিয়ে খান। এটি ওজনবৃদ্ধিতে পরীক্ষিত ও মোটা হওয়ার সহজ উপায়। (১০) বাইরের খাবার সচরাচর বাইরের খাবার খেতে আমরা নিষেধ করে থাকি কিন্তু ওজন বৃদ্ধিতে বাহিরের খাবার যেমন আইসক্রিম, কোল্ড ড্রিঙ্কস, পেস্ট্রি, বার্গার ইত্যাদি খাবার খুবই কার্যকরী। তাই আপনি চাইলে এগুলো খেতে পারেন কিন্তু তা হবে পরিমাণমতো। আপনার প্রতিদিনের ডায়েটে চকলেট ও চিজও রাখতে পারেন। ওজন বাড়ানোর জন্য খাদ্যতালিকায় রাখুন নিম্নলিখিত খাবারগুলো- ১) তাড়াতাড়ি ওজন বাড়াতে প্রত্যেকদিন চর্বিযুক্ত মাছ খান। আরও ভালো ফল পেতে মাছ, মাখন ও অলিভ অয়েলে ভেজে নিন। ২) ওজন বাড়াতে রোজকার ডায়েটে আলু রাখতে ভুলবেন না। আলুতে প্রচুর পরিমানে প্রোটিন, ফাইবার ও ভিটামিন সি থাকে। ৩) ওজন বাড়ানোর জন্য সহজ ও স্বাস্থ্যকর উপায় হল পিনাট বাটার। ৪) রোজ ১০০ গ্রাম করে বাদাম খান। ১০০ গ্রাম বাদামে ৫০০ থেকে ৬০০ ক্যালোরি থাকে। এছাড়া ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, প্রোটিন, ভিটামিন ই এবং ফাইবার থাকে। ওজন বাড়ানোর জন্য বাদাম খুবই উপযোগী। ৫) ওজন বাড়াতে প্রোটিন, ভিটামিন ডি, স্বাস্থ্যকর কোলেস্টেরলযুক্ত উপাদান হল ডিম। ৬) ওজন বাড়ানোর জন্য রোজ ব্রেকফাস্টে চিজ বা পনির খান। ৭) ঘরোয়া উপায়ে সবচেয়ে তাড়াতাড়ি ওজন বাড়ানোর উপযোগী খাবার হল কলা। তাই প্রত্যেকদিনের ডায়েটে কলা রাখুন।
বাংলাদেশ থেকে লিগ্যাল ওয়েতে PayPal Verified Account খোলা যায় না বললে আসলে ভুল হবে। বাংলাদেশ থেকে লিগ্যাল ওয়েতে PayPal Verified Account খোলা যায় কিন্তু অনেক ডলার খরচ হবে। আপনি যদি USA থেকে পেপাল একাউন্ট করতে চান তাহলে আপনার প্রয়োজন হবে SSN ( সোশাল সিকিউরিটি নাম্বার) অথবা EIN ( ইমপ্লয়ী আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার) যেই নাম্বারটা পেতে হলে আপনার USA এর একটা কোম্পানি থাকতে হবে। যেই নাম্বারটা মেইনলি টেক্স ইনফরমেশন বা টেক্স ভেরিফিকেশন এর জন্য ইউ এস গভার্মেন্ট থেকে দিয়ে থাকে। আপনি যদি সম্পূর্ন রিয়েল এবং সম্পূর্ন লিগ্যাল ওয়েতে পেপাল একাউন্ট করতে চান তাহলে আপনার যা যা লাগবে। আপনার SSN অথবা EIN নাম্বার লাগবে। আপনার নিজের ইউ এস এর একটা কোম্পানি এবং সেটা লাইসেন্স করা থাকতে হবে। আপনার ইউ এস এর ফিজিক্যাল ব্যাংক একাউন্ট থাকতে হবে। আপনার ইউ এস এর মোবাইল নাম্বারের প্র‍্যোজন হবে। এসব ডকোমেন্টস যোগার করাটা আসলে অনেক ব্যয় বহল। আর এই খরচটা প্রতি বছরে করতে পারলেই বাংলাদেশ থেকে সম্পূর্ন লিগ্যাল ওয়েতে PayPal একাউন্ট খোলা যাবে এবং PayPal একাউন্ট ব্যাবহার করা যাবে। যেটা কিনা একজন নতুন মার্কেটার বা ফ্রিলান্সার এর পক্ষে সম্ভব হয় না। বর্তমানে ফেক ইনফরমেশন দিয়ে ইউ এস এর পেপাল একাউন্ট গুলো অনেক বেশি পরিমানে ফোন ভেরিফিকেশন চাওয়ার কারনে বাংলাদেশ থেকে পেপাল একাউন্ট ব্যবহার করা অনেকটা বিরক্তিকর হচ্ছে। তবে আপনি যদি সব সময় একই ডিভাইস থেকে পেপাল একাউন্টে লগিন করেন তাহলে এতটা ফোন ভেরিফিকেশন চায় না। কিছুটা ফেক ইনফরমেশন দিয়ে হলেও বাংলাদেশ থেকে কিভাবে PayPal একাউন্ট খোলা যায়? এবং সেই একাউন্ট টা সেভ রাখতে পারবেন। আর ভিবিন্ন মার্কেটিং বা ফ্রিলান্সিং এর ক্ষেত্রে আপনার পেপাল একাউন্ট ব্যবহার করতে পারবেন এবং মার্কেটপ্লেস থেকে পেপাল এর মাধ্যমে আপনি নিরাপদে আনলিমিটেড ট্রানজেকশন করতে পারবেন। এ ধরনের একটি পেপাল একাউন্ট করার জন্য আপনি যাবেন paypal.com/cy. এর পর সাইপ্রাস জন্য পেপাল সাইটের হোম পেইজটি ওপেন হবে। এখান থেকে আপনি পেপাল একাউন্টটি ক্রিয়েট করবেন।
Aristo Gold Tablet পুষ্টির অভাব, অস্টিওপোরোসিস, শারীরবৃত্তীয় স্ট্রেস, রক্তাল্পতা এবং অন্যান্য অবস্থার চিকিৎসার জন্য ব্যবহার হয়। Aristo Gold Tablet নিম্নলিখিত সক্রিয় উপাদান রয়েছে: Multiminerals and Multivitamins। tablet ফর্ম পাওয়া যায়। পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নিম্নলিখিত Aristo Gold Tablet এর কম্পোজিশনের ফলে সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার একটি তালিকা। এটি একটি সম্পূর্ণ তালিকা নয়। এই পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে পারে কিন্তু সবসময় না। কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মারাত্মক হতে পারে কিন্তু বিরল। নিম্নলিখিত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হলে আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন, বিশেষ করে যদি না যায়।. গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল অসহিষ্ণুতা অ্যালার্জিক প্রকাশ স্বকীয় প্রতিক্রিয়া কর্কটরোগ কার্ডিওভাসকুলার রোগ কিভাবে মোটা হওয়া যায় ১. সকালে উঠে বাদাম ও কিসমিস ওজন বাড়ানোর জন্য বাদাম আর কিসমিসের বিকল্প নেই। রাতে ঘুমাবার সময় অল্প জলে আধ কাপ কাঠ বাদাম ও কিসমিস ভিজিয়ে রাখুন ৷সকালে সেগুলো ফুলে উঠলে খেয়ে নিন। ২. খান প্রচুর শাক সবজি ও ফল ভাবছেন এগুলো তো ওজন কমাবার জন্য খাওয়া হয়, তাই না? ওজন বাড়াতেও কিন্তু আপনাকে সাহায্য করবে এই ফল আর সবজি। এমন অনেক ফল আর সবজি আছে যারা কিনা উচ্চ ক্যালোরি যুক্ত। আম, কাঁঠাল, লিচু, কলা, পাকা পেঁপে, মিষ্টি কুমড়া, মিষ্টি আলু, কাঁচা কলা ইত্যাদি ফল ও সবজি খেলে ওজন বাড়বে। যদি এইসব না করেও আপনার ওজন না বৃদ্ধি পায়, তাহলে অবশ্যই একজন ভালো ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন। কেননা কোনও সুপ্ত অসুখ থাকলেও তার ফলে রুগ্ন ও ভগ্ন স্বাস্থ্যের অধিকারী হতে পারেন। ৩. খাবারের পরিমাণ বাড়ান খাবারের পরিমাণ বাড়ানো মানেই একগাদা খেয়ে ফেলা নয়। আপনি যদি কম খাওয়ার কারণে রোগা হয়ে থাকেন, তাহলে খাবারের পরিমাণ আপনাকে বাড়াতেই হবে। স্বাভাবিকভাবে যা খেয়ে থাকেন, তার ৪ ভাগের ১ভাগ পরিমাণ খাবার বাড়িয়ে খান প্রতিদিন। ৪. বারবার খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করুন অনেকেই ভাবেন যে বারবার খেলে বুঝি ওজন বাড়বে। এটা মোটেও সঠিক না। বরং নিয়ম মেনে পেট পুরে খান। পেট পুরে খাওয়া হলে মেটাবলিজম হার কমে যায়, ফলে খাবারের ক্যালোরির অনেকটাই বাড়তি ওজন হয়ে শরীরে জমবে। অল্প অল্প করে বারবার খাওয়াটা মেটাবলিজম বাড়িয়ে দেয়, ফলে ওজন কমে। ৫. খাদ্য তালিকায় রাখুন ডুবো তেলে ভাজা খাবার ডুবো তেলে ভাজা খাবারে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট থাকে। ফলে সেটা ওজন বাড়াতে সহায়ক। তবে সাথে রাখুন প্রচুর তাজা শাক সবজির স্যালাড। ৬. জিমে যাওয়া অভ্যাস করুন ভাবছেন জিমে মানুষ যায় ওজন কমাতে, বাড়ানোর জন্য কেন যাবেন? কিন্তু আসল কথাটা হলো, কেবল মোটা হলেই হবে না। সাথে তৈরি করতে হবে সুগঠিত শরীর। আপনি জিমে যাবেন পেশী তৈরি করতে, এবং পুরুষেরা ওজন বাড়াতে চাইলে এই জিমে যাওয়া আসলে খুবই ফলদায়ক। পেশীর ওজন চর্বির চাইতে অনেক বেশী তো বটেই, তাছাড়া ব্যায়ামের ফলে খিদেও পাবে আর মন ভরে খেতে পারবেন। তবে অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ ট্রেনারের নির্দেশে ব্যায়াম করতে হবে। নাহলে হিতে বিপরীত হবার আশঙ্কা। ৭. খান “ফ্যান” ভাত- অধিকাংশ মানুষই ভাতের ফ্যান ফেলে দেয়৷ ফ্যান ফেলে দিয়ে ভাতের স্টার্চের অনেকটাই চলে যায় ফ্যানের সঙ্গে। ওজন বাড়াতে চাইলে ভাতের ফ্যান না ফেলাই ভালো। এর ফলে ভীষণ উপকার হবে ওজন বাড়াতে। আতপ চালের ফ্যান ভাত মজাও লাগবে খেতে। ৮. ঘুমাবার ঠিক আগেই দুধ ও মধু ওজন বাড়াবার জন্য একটা একটা অব্যর্থ কৌশল। রাতের বেলা ঘুমাবার আগে অবশ্যই পুষ্টিকর কিছু খাবেন। ঘুমাবার আগে প্রতিদিন এক গ্লাস ঘন দুধের মাঝে বেশ অনেকটা মধু মিশিয়ে খেয়ে নেবেন। ৯. কমান মেটাবলিজম হার মোটা হবার পেছনে যেমন ধীর গতির মেটাবলিজম দায়ী, তেমনি রুগ্ন স্বাস্থ্যের পেছনে দায়ী উচ্চ মেটাবলিজম হার। সুতরাং মোটা হতে গেলে প্রথমেই এই মেটাবলিজম হার কমাতে হবে। তাতে আপনি যে খাবারটা খাবেন, সেটা বাড়তি ওজন রূপে আপনার শরীরে জমার সুযোগ পাবে। মেটাবলিজম হার কম রাখার জন্য প্রতিবেলা খাবারের পর লম্বা সময় বিশ্রাম করুন। খাবার পর কমপক্ষে ১ ঘণ্টা কোনও কাজ করবেন না। ১০. খাদ্য তালিকায় যোগ করুন কিছু বিশেষ খাবার আপনার নিয়মিত খাবারের পাশাপাশি অবশ্যই কিছু উচ্চ ক্যালোরি সম্পন্ন খাবার যোগ করতে হবে খাদ্য তালিকায়, নাহলে ওজন বাড়বে কেন? উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা না থাকলে এই খাবার গুলো খেতে পারেন অনায়াসে। যেমন- ঘি/ মাখন, ডিম, চিজ/ পনির, কোমল পানীয়, গরু-খাসির মাংস, আলু ভাজা, মিষ্টি জাতীয় খাবার, চকলেট, মেয়নিজ ইত্যাদি। এরপরেও যদি ওজন না বাড়ে তাহলে চিকিৎকের সাহায্যে শরীর পরীক্ষা করে যদি কোনো রোগ পাওয়া যায়, তার চিকিত্সা করাতে হবে। পেটের অসুখ, কৃমি, আমাশয় অথবা কোনো সংক্রামক রোগ থাকলে পর্যাপ্ত খাদ্য গ্রহণ করলেও ওজন কমে যেতে থাকে। অতিরিক্ত ক্লান্ত থাকলেও ক্রমাগত ওজন কমে যেতে থাকে। এমন হলে বিশ্রাম, নিদ্রা ইত্যাদি বাড়িয়ে রোগীকে স্বাভাবিক অবস্থায় নিয়ে আসতে হবে।
বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে আতঙ্কিত মানুষ। নিরব এই মরণব্যাধি থেকে নিরাপদে থাকতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থ্যার পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে নানা দিক-নির্দেশনা। যার মধ্যে অন্যতম হলো, সার্বক্ষণিক পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকা। ঘন ঘন হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার বা সাবান দিয়ে হাত ধোয়া। তাদের এই দিক-নির্দেশনা পেয়ে দেশব্যাপী হ্যান্ড স্যানিটাইজার সংগ্রহের হিড়িক পড়েছে। প্রতিটি অফিস আদালতে প্রবেশের আগে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হচ্ছে। বাজারে তৈরি হয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজার সঙ্কট। তাই বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে তৈরি করা হচ্ছে হ্যান্ড স্যানিটাইজার। বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় ছাপা হচ্ছে ঘরে হ্যান্ড স্যানিটাইজার প্রস্তুত করার কলা কৌশল। সেখান থেকে জনগণ জানতে পেরেছে যে এর অন্যতম উপাদান অ্যালকোহল। যা সচেতন মুসলিমদের চিন্তায় ফেলে দিয়েছে। সবার মনে প্রশ্ন জাগছে, হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে কি হাত ধোয়া জায়েজ হবে? কারণ এতে তো অ্যালকোহল আছে। প্রথমেই আমাদের জানা উচিত যে অ্যালকোহলের ব্যাপারে শরিয়তের দৃষ্টিভঙ্গি কী? বর্তমান সময়ে প্রায় সকল ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতিতে তৈরি বিভিন্ন ওষুধে অ্যালকোহলের ব্যবহার একটি অপরিহার্য অংশে পরিণত হয়েছে। এ ধরনের ওষুধ ব্যবহার করা যাবে কি না-এ বিষয়ে বিজ্ঞজনদের সংশয়ে থাকতে দেখা যায়। অ্যালকোহল মিশ্রিত ওষুধ ব্যবহারের শরয়ি বিধান জানতে হলে আমাদের অ্যালকোহলের প্রকারভেদ সম্পর্কে ধারণা নিতে হবে। ইসলামী আইনবিদরা অ্যালকোহলকে তিন ভাগে ভাগ করেছেন। যথা : ১. আঙ্গুর, কিসমিস ও খেজুরের মদ-শরাব থেকে সংগৃহীত। ২. উল্লিখিত ফলাদি ব্যতীত অন্য যেকোনো ফল/বস্তুর শরাব থেকে সংগৃহীত যেমন-জব, গম, আলু, মধু ইত্যাদি। ৩. কোনো প্রকার শরাব থেকে নয় বরং সরাসরি যেকোনো ধরনের ফলমূল, সবজি ইত্যাদি থেকে সংগৃহীত। প্রথম প্রকারের অ্যালকোহল সম্পূর্ণ নাপাক এবং এটির ব্যবহারও হারাম। তবে একেবারে নিরূপায় অবস্থায় যেমন এটি ছাড়া অন্য কোনো ওষুধ না থাকলে তখন প্রয়োজন পরিমাণ ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। (আল বাহরুর রায়েক : ১/১২২) দ্বিতীয় প্রকারের অ্যালকোহলের ব্যাপারে ফুকাহাদের মতভেদ রয়েছে। যেমন ইমাম আবু হানিফা (রহ.), ইমাম আবু ইউসুফ (রহ.)-এর মতে এ ধরনের অ্যালকোহল পাক এবং এই পরিমাণ ব্যবহার যার দ্বারা নেশা হয় না, বৈধ। ইমাম মুহাম্মদ (রহ.)-এর মতে, এ ধরনের অ্যালকোহলেও নাপাক এবং এর সামান্য পরিমাণ ব্যবহারও হারাম। স্বাভাবিক অবস্থায় ফাতওয়া ইমাম মুহাম্মদ (রহ.)-এর মতের ভিত্তিতেই দেওয়া হয়। তবে বর্তমানে ব্যাপক হারে যখন এর ব্যবহার শুরু হয়েছে, তখন ইমাম আবু হানিফা (রহ.)-এর মতের ওপরও আমল করার সুযোগ রয়েছে। তবে সর্বোচ্চ সতর্কতা হলো ইমাম মুহাম্মদ (রহ.)-এর মতের ওপর আমল করা। (নাওয়াদেরুল ফিকহ : ২/৩৭১) তৃতীয় প্রকার অ্যালকোহল সম্পূর্ণ পবিত্র ও হালাল যদি এতে নেশা না হয়। উল্লেখ্য, ওষুধে মিশ্রিত অ্যালকোহল কোনো প্রকারের তা জানা সম্ভব না হলে শুধুমাত্র ধারণাপ্রসূত কারণে এটিকে নাজায়েজ বলা যাবে না। বরং এটি ব্যবহারের সুযোগ থাকবে। মোদ্দা কথা হলো, ওষুধে ব্যবহৃত অ্যালকোহলে কোন ধরনের তা নিশ্চিতভাবে জানা যাবে অথবা যাবে না। যদি জানা যায় তখন ওপরে বর্ণিত হুকুম মতে আমল করতে হবে। আর যদি জানা না যায় তখন অহেতুক সন্দেহ সংশয়ে না পড়ে তা ব্যবহার করা যাবে। (বুহুছ ফি কজায়া ফিকহিয়্যাহ : ১/৩৪০) হ্যান্ড স্যানিটাইজারে যে ধরনের অ্যালকোহল ব্যবহারা করা হয় হ্যান্ড স্যানিটাইজারে যে অ্যালকোহল ব্যবহার করা হয় তার নাম হলো, ইথানল। যা ইথাইল অ্যালকোহল নামেও পরিচিত, এক প্রকারের অ্যালকোহল। ইথাইল শব্দটি ফরাসি শব্দ ইথার এবং গ্রিক শব্দ হাইল সমন্বয়ে গঠিত। ফরাসি ভাষায় ইথার বলতে সেই পদার্থকে বোঝায় যা কক্ষ তাপমাত্রায় বাষ্পীভূত হয় এবং গ্রিক ভাষায় হাইল অর্থ বস্তু বা পদার্থ। এটি দাহ্য, স্বাদবিহীন, বর্ণহীন, সামান্য বিষাক্ত ও বিশিষ্ট গন্ধযুক্ত, এবং অধিকাংশ মদ এর প্রধান উপাদান। এতে ৯৯% বিশুদ্ধ অ্যালকোহল থাকে। এই অ্যালকোহল তৈরির উৎস কী? ইস্টের মেটাবলিক প্রোসেসে উপজাত হিসেবে ইথানল পাওয়া যায়। তাই যেখানে ইস্ট পাওয়া যাবে সেখানে ইথানল অবশ্যই পাওয়া যাবে। সাধারনত অতিরিক্ত পাকা ফলে ইথানল পাওয়া যায়। বারটাম পাম ফুলে সিমবায়োটিক ইস্ট ইথানল উৎপাদন করে। প্রাকৃতিক অ্যানারোবায়োসিসের ফলাফল হিসেবে অনেক উদ্ভিদ ইথানল উৎপন্ন করে। মহাশূন্যেও ইথানলের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। বিভিন্ন ফসল যেমন ভুট্টা, গম ও বার্লি স্টার্চ ধারণ করে যা সহজেই চিনিতে রূপান্তরিত হতে পারে, তারপর ইথানল তৈরি হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বেশিরভাগ ইথানলের উৎপাদন স্টার্চ থেকে, এবং মধ্যপশ্চিম রাজ্যে উত্থিত শস্য থেকে প্রায় সব স্টার্ভ ভিত্তিক ইথানল তৈরি করা হয়। গাছ এবং ঘাসগুলি বেশিরভাগ সুগারকে সেলুলোজ নামক একটি ফাইবারের পদার্থে লক করে রাখে, যা শর্করাতে বিভক্ত এবং তা দিয়ে ইথানলে তৈরি করা যায়। ফসলের অবশিষ্টাংশগুলিও ব্যবহার করা যেতে পারে, যেমন ভুট্টা, ভুট্টা পাতা, বা চাল ডাল কিছু ফসল বিশেষ করে সেলুলোসিক ইথানল তৈরি করতে পারে, বিশেষ করে ঘাসের উপর নির্ভর করে। উপরোক্ত আলোচনা দ্বারা আমরা বুঝতে পারি, হ্যান্ড স্যানিটাইজারে ব্যবহৃত অ্যালকোহল আঙ্গুল কিংবা খেজুর থেকে তৈরি অ্যালকোহল নয়। বরং তা চাল, গম, ভুট্টা ইত্যাদি তৈরি। কেউ কেউ ঘাস ইত্যাদি দিয়েও তৈরি করে। সে হিসেবে ইমাম আবু হানিফা (রহ.) ও ইমাম আবু ইউসুফ (রহ.) এর মতানুযায়ী ঔষধ হিসেবে হ্যান্ড স্যানিটাইজার পবিত্র, নেশা না সৃষ্টি করলে তা ব্যবহার করা জায়েজ। কিন্তু যে হ্যান্ড স্যানিটাইজারে ব্যবহৃত ইথানল জব, গম, আলু, মধু ইত্যাদি থেকে তৈরি করা হয়েছে, তা পবিত্র হওয়ার ব্যাপারে ইমাম মুহাম্মদ রহ. এর দ্বিমত রয়েছে। তাই সতর্কতা বশত খাবার গ্রহণ ও নামাজের সময় ভালোভাবে হাত ধুয়ে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। তা ছাড়া বাজারের কিছু হ্যান্ড স্যানিটাইজারে ট্রাইক্লোসেন ব্যবহার করা হয়, যা খাবারের সঙ্গে মানবদেহে প্রবেশ করলে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হতে পারে। ২০১০ সালে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ট্রাইক্লোসেনকে খাবারে ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। কিছু কিছু গবেষকের দাবি, ট্রাইক্লোসেন থেকে ক্যানসার কোষ বৃদ্ধি হতে পারে। এটি অপরিপক্ব শিশু জন্মের জন্য দায়ি এবং হাড়ের বৃদ্ধিতে সমস্যা করতে পারে। তাই হ্যান্ড স্যানিটাইজার কেনা ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি।

বিভিন্ন ধরণের ইসলামিক পেইজ হতে পারে। এমন কিছু নাম দেয়ার চেষ্টা করছি।

  1. ইসলামিক জীবন
  2. আলোর পথের সন্ধানে
  3. আমরা আল্লাহ্‌র গোলাম
  4. নাজাতের পথের যাত্রা
  5. শান্তির ধর্মের ছায়াতলে
  6. আমরা নবীর উম্মত
  7. মাগফিরাতের প্রত্যাশী
  8. কুরান প্রেমিক
  9. রবই আমার সব
  10. ক্ষমা কর হে গাফফার

Cr এর পারমাণবিক সংখ্যা ২৪। এবং এর ইলেকট্রন বিন্যাস হল-

Cr=

১s২২s২২p৬৩s২৩p৬৩d৫৪s১

ক্রোমিয়ামের সর্বশেষ শক্তিস্তরে ইলেকট্রন সংখ্যা ১ টি।আন্তঃঅবস্থানতর মৌলগুলোতে দেখা যায় কোন মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাসের সর্বশেষ কক্ষপথের s এবং তার পরবর্তী কক্ষপথের d এর মোট ইলেকট্রন সংখ্যার যোগফল যোজনী নির্দেশ করে। তবে ক্রোমিয়ামের সর্বশেষ কক্ষপথের s এ ১টা ইলেকট্রন ও তার পরবর্তী কক্ষপথের d এ ৫টা ইলেকট্রন। মোট ৬। 

সালফার পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা ১৬। এর ইলেকট্রণ বিন্যাস হল-

S(16)=1s2 2s2 2p6 3s2 3p4 
সালফারের দ্বিতীয় কক্ষপথে p orbital এ ইলেকট্রন সংখ্যা ৬ টি এবং তৃতীয় কক্ষপথে p orbital এ ইলেকট্রন সংখ্যা ৪ টি।

চাঁদ বা সূর্য সবসময় পূর্ব পশ্চিম দিকে ই দেখা যায়। 

 

পড়াশুনা করার ক্ষেত্রে সবার আগে যেটার প্রয়োজন proper planning. planning ছাড়া পড়াশুনা করতে গেলে পড়াশুনাতে মন বসবে না। 
নিচের পদক্ষেপ গুলো অনুসরণ করতে পারেন।

১। পোমোডোরো টেকনিক ব্যবহার করতে পারেন। এই টেকনিকে ২৫ মিনিট পড়াশুনা-৫ মিনিট রেষ্ট-আবার ২৫ মিনিট পড়াশুনা-৫ মিনিট রেস্ট এই নিয়ম অনুসরণ করা হয়। এটা বেশ কার্যকরী একটি নিয়ম পড়াশুনায় মনোযোগ ধরে রাখার জন্য। প্রতি ২ ঘন্টায় একটি ৩০ মিনিটের লম্বা বিরতি নিতে হয়। এভাবে পড়াশুনা করার পদ্ধতি বেশ কার্যকর হতে পারে।

২। যেদিন পড়াশুনা করতে ইচ্ছা করবে না সেদিন ভাববেন যে ৫ মিনিট অন্তত পড়বেন। শুধু  শুরু করা ই আসল। শুরু করলে আস্তে আস্তে পড়াশুনা কতরে ভালো ও লাগবে।

৩। যখন পড়তে ইচ্ছা করবে না তখন আপনার যে সাবজেক্ট বা যে বিষয় পড়তে ভালো লাগে না সে বিষয় পড়বেন না। যে বিষয় পড়তে আপনার ভালো লাগে সেটা ই পড়বেন।

৪। একা একা না পড়ে গ্রুপ স্টাডি করার চেষ্টা করুন। আড্ডা দিতে দিতে ই অনেক খানি পড়া হয়ে যাবে।

৫। কোনদিন ঠিক কতটুকু পড়বেন সেটার জন্য নির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করুন। তবে লক্ষ্য অবশ্যই বাস্তব সম্মত হতে হবে।

৬। ফোন, ল্যাপটপ সমস্ত রকমের ইলেক্ট্রিক যন্ত্র থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করুন। সম্ভব হলে সামাজিক মাধ্যম গুলো থেকে আইডি ডিএক্টিভেট করে রাখতে পারেন।
ধন্যবাদ।

একটি হোটেল পর্যটকদের জন্য ভাড়া বা অর্থভিত্তিক বাসস্থান সরবরাহ করে এবং একটি রেস্তোঁরা, সুইমিং পুল, এবং / বা স্পা এর মতো আরও অনেক পরিষেবা বা সুযোগসুবিধা সরবরাহ করতে পারে। অনেক হোটেল কনফারেন্স এবং সভা করার ব্যবস্থাও করা হয়, যাতে তারা ব্যবসায়ের মিলনের জন্য দরকারী অবস্থান তৈরি করে। হোটেলগুলির মান এবং তাদের সুযোগ-সুবিধার তুলনা করার মাধ্যম হিসাবে এক থেকে পাঁচ তারার রেটিং সিস্টেম বিদ্যমান।

মোটেল একটি শব্দ "মোটর চালকের হোটেল" শব্দ থেকে উদ্ভূত। এই শব্দটি যখন একটি হোটেল পর্যাপ্ত পার্কিং সরবরাহ করত, তখন এটি এমন একটি বৈশিষ্ট্য ছিল যা আমেরিকান এবং কানাডিয়ানদের পক্ষে বিশেষত কার্যকর যেগুলি প্রায়শই প্রধান মহাসড়ক এবং আন্তঃদেশীয় সিস্টেমে দীর্ঘ দূরত্বে ভ্রমণ করে। প্রাথমিকভাবে, মোটেল কক্ষগুলিতে পার্কিংয়ের মুখোমুখি দরজা ছিল, বিশেষত আগত এবং আসা সহজ especially আজ, এটি হতে পারে বা নাও হতে পারে, কারণ কিছু মোটেলগুলির অভ্যন্তরীণ দরজা রয়েছে যা সাধারণ অঞ্চলে সংযুক্ত।

 

 হোটেল মোটেল
সংজ্ঞা এমন একটি সংস্থা যা কেবলমাত্র স্বল্প-মেয়াদী ভিত্তিতে বেতনভুক্ত থাকার ব্যবস্থা করে এবং অতিথিদের অসংখ্য সুযোগসুবিধা সরবরাহ করে যা তাদের আবাসনের সন্তুষ্টি বাড়িয়ে তুলতে পারে। একটি সংস্থান যা স্বল্পমেয়াদী এবং দীর্ঘমেয়াদী থাকার ব্যবস্থা সাধারণত জাতীয় সড়ক নেটওয়ার্কগুলিতে ভাল অ্যাক্সেস সহ তবে কম অতিথির আরামের সাথে থাকে। 
চেহারা একক, বহুতল বা পরিবর্তিত হয়; বিল্ডিংয়ের অভ্যন্তরটিতে খোলা ঘর রয়েছে। সংযুক্ত কক্ষগুলির সাথে একক, বা দ্বিতল বিল্ডিং; বাইরের প্রবেশ পথগুলি খোলা রয়েছে। 
মূল্য মোটেলের চেয়ে সাধারণত ব্যয়বহুল- তবে তারার রেটিং, ঘরের ধরণ, সুযোগ-সুবিধা, অবস্থান, সুন্দর আবাসন / কক্ষ ইত্যাদির সাথে দামের দাম থাকে সুযোগ সুবিধাগুলি, বেসিক রুম, অবস্থানগুলি ইত্যাদির কারণে প্রায়শই হোটেলের চেয়ে কম ব্যয়বহুল 
অবস্থান একটি শহর বা গ্রামের যে কোনও জায়গায় অবস্থিত। প্রায়শই ব্যবসায়িক জেলা, বিমানবন্দর, শহরতলির অঞ্চল, আকর্ষণ, ফ্রিওয়ে, অবকাশের অঞ্চল, ক্যাসিনোগুলির নিকটে / কাছাকাছি, স্পোর্টস অ্যারেনাস এবং অন্যান্য জায়গাগুলির কাছাকাছি। সাধারণত মহাসড়কগুলিতে অবস্থিত তবে শহরগুলির উপকণ্ঠের কাছাকাছিও পাওয়া যায়, এমন অনেক জায়গা যেখানে আপনি হোটেল, গ্রামীণ অঞ্চল এবং অন্যান্য জায়গাগুলি খুঁজে পাবেন। 
তারার গুণমানের জন্য তারকা রেটিং সহ পাওয়া গেছে। 1-5 তারা। কোনও তারকা রেটিং বিবেচনা করা হয় না, তবে বেশিরভাগ ভ্রমণ সাইটগুলিতে 1.5-2.5 তারা হিসাবে রেট দেওয়া হয়। 
সুযোগ-সুবিধা আরও সুবিধা - যেমন 1 বা আরও বেশি পুল (ইনডোর এবং / বা আউটডোর), জ্যাকুজি, ফিটনেস সেন্টার, তোরণ / গেম রুম, ভোজন / মিলনের সুবিধা, ব্যবসায় কেন্দ্র, ডাব্লুআই-ফাই, বিভিন্ন ঘর স্তর (স্ট্যান্ডার্ড, প্রিমিয়াম, পারিবারিক স্যুট, জ্যাকুজি) স্যুট, ইত্যাদি), অন্যদের মধ্যে। ন্যূনতম সুযোগ-সুবিধা- সাধারণত কোনও পুল হয় না (আউটডোর থাকলে সেখানে থাকে), জ্যাকুজি, ব্যবসা বা ফিটনেস সেন্টারগুলি, বা হোটেলের নীচে তালিকাভুক্ত অন্য কোনও সুযোগ-সুবিধা। 
ব্র্যান্ড উদাহরণ হলিডে ইন, সেরা ওয়েস্টার্ন, মেরিয়ট, কমফোর্ট ইন, শেরাটন, ফোর সিজনস, হায়াট, রেডিসন এবং আরও অনেক কিছু। কিছু মোটেল-জাতীয় লেআউট সহ ফ্র্যাঞ্চাইজি হতে পারে তবে তারপরেও হোটেল বৈশিষ্ট্য রয়েছে। ইকোনো লজ, নাইটস ইন, মোটেল 6, সুপার 8 এবং আরও কয়েকটি চেইন সাধারণত মোটেল হয়।