যখন আমি রাতে ঘুমাতে যাই আমার ঘুম আসেনা?
4 Answers
ঘুমের ঔষধ সরাসরি প্রেসক্রাইভ করার
নিয়ম নাই।
মনোবিজ্ঞানীদের মতে ঘুম না আসার 90%
ই দায়ী মানসিক ভিবিন্ন দুঃচিন্তা, অবসাদ
হতাশা, ইত্যাদি।
ম্যাগনেসিয়াম ও ক্যালসিয়াম দুটিই ঘুম উদ্রেককারী খাবার। একারনেই ঘুমুতে যাওয়ার পূর্বে ১ গ্লাস উষ্ণ গরম দুধ পান করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন ডাক্তারগণ। ঘুম সমস্যা দূর করতে তাই প্রতি রাতে ২০০ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম ও ৬০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার রাখুন খাদ্যতালিকায়।
লেটুস পাতা
মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা, মাথা ব্যথা এবং মাংসপেশির ব্যথা জনিত সমস্যা অনেকের রাতে ঘুম হয় না। এবং অনিদ্রায় ভুগে থাকেন। লেটুস পাতা এই সমস্যার বেশ ভালো একটি সমাধান। এটি মস্তিষ্ক রিলাক্স করতে সহায়তা করে। ঘুমুতে যাওয়ার আগে ৩০ থেকে ১২০ মিলিগ্রাম পরিমাণ লেটুস পাতা দিয়ে জুস তৈরি করে পান করে নিতে পারেন।
পুরো টিপস মানতে না পারলে ঘুমানোর পূর্বে
এক গ্লাস উষ্ণ গরম দুধ পান করুন।
সমাধান না হলে একজন সাইকোলোজি
ডাক্তার দেখাবেন।
ঘুম না আসলে বেশী বেশী দুরুদ শরীফ ও আল্লাহর জিকির করেন দেখবেন দ্রুত ঘুম এসে যাবে।
জানি না কেন ঘুম আসে না যে চোখে। প্রতিদিন রাতে শুতে যাওয়ার আগে ঘুম আসে না বলে এই কথাগুলো আমার, আপনার সঙ্গে খুব যায়। আমরা প্রায়শই ভাবি চোখে ঘুম আসাটা কী চাট্টিখানি ব্যাপার! অনেক সাধ্য-সাধনা করলে তবে না চোখ বোজা যায়। নিন সহজ কিছু উপায় বলছি, যাতে ঘুমটা তাড়াতাড়ি চলে আসে—
১) যত সম্ভব জেগে থাকার চেষ্টা করুন–হ্যাঁ, জানি চমকে যাবেন। কিন্তু পোলিশ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণা এমনটাই বলছে। ঘুমাতে যাওয়ার আগে বই পড়ুন, ডায়েরি লিখুন। দেখবেন মন, শরীরে ক্লান্তিতে এমনিতেই ঘুমিয়ে পড়বেন।
২) নিজের ঘর ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করুন । ঠান্ডা ঘরে তাড়াতাড়ি ঘুম আসে। চেষ্টা করুন নিজের ঘর যতটা সম্ভব ঠান্ডা রাখার।
৩) শুতে যাওয়ার আগে গোসল করুন।
৪) ঘরে ভেষজ রুম ফ্রেশনার ব্যবহার করুন–সুগন্ধ মানুষের ঘুমের সহায়ক। ঘরে রুম ফ্রেশনার দিন। তবে সেটা ভেষজ হলেই ভাল।
৫) হালকা সাউন্ড দিয়ে গান অথবা ইন্সট্রুমেন্টাল জাতীয় কিছু শুনুন–খুব হালকা সাউন্ড দিয়ে আপনার পছন্দের গান শুনুন। দেখবেন কখন ঘুমিয়ে পড়েছেন। তবে গানের থেকেও ইন্সট্রুমেন্টাল কিছু এ ক্ষেত্রে আরও বেশি কাজে দেবে।
৬) শুতে যাওয়ার আগে হালকা এক্সসারসাইজ করুন ।
ঘুম না আসলে কি করবেন তা তো উপরে ভাইজান লিখেই দিলেন, তা ফলো করবেন, এবার শুনেন কি করবেন না
১. বেশিদিন না ঘুমিয়ে কাটাবেন না। রাতে ক্লান্ত বোধ করলে তবেই শুতে যাবেন, কিন্তু সকালে একই সময়ে উঠবেন, আপনি ক্লান্ত বোধ করুন আর নাই করুন।
২. চা বা কফি পান করার পর শরীরে অনেকক্ষণ ক্যাফিনের প্রভাব থাকে। দুপুরের পর আর চা বা কফি খাবেন না। সন্ধ্যাবেলা আপনি গরম কোনো পানীয় খেতে চাইলে, হয় দুধ বা অন্য কোনো ক্যাফিনমুক্ত পানীয় পান করুন।
৩. বেশি রাতে ভারী খাবার খাবেন না। নৈশভোজ সন্ধ্যার দিকে সারতে পারলেই ভালো।
৪. আপনার রাতে ঘুম না হলে,পরদিন দিনের বেলা ঘুমোবেন না। তাহলে ফের সেদিন রাতে ঘুম আসতে অসুবিধা হবে।
এই পন্থায় চলে, তাও যদি আপনার ঘুম না আসে, আপনার ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। আপনার কী চিন্তা মাথায় ঘুরছে, রাতে ঘুম আসছে না সে বিষয়ে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন। আপনার ডাক্তার বুঝতে পারবেন আপনার অনিদ্রার কারণ কী- শারীরিক অসুখ, মানসিক অশান্তি নাকি কোন ওষুধ যা আপনি খাচ্ছেন?অনিদ্রা দীর্ঘস্থায়ী হলে, কগ্নিটিভ বিহেভিয়র থেরাপির সাহায্যে আপনি উপকার পেতে পারেন।