আসসালামুআলাইকুম ভাই, ভাই আমার রাতে ঘুম হচ্ছে না। 11 টার দিকে ঘুমাতে গেলাম। 12, 1 টা বেজে যায়, ঘুম আসে না। চোখ বন্ধ করে রাখি কিন্তু ঘুম আসে না। সেহরি এর পরে একটু ঘুম আসে। তবে, আমি রাত 8 টার দিকে শুলে ঘুমে মাথা নাড়াতে পাড়তাম না বা ঘুমিয়ে পড়তাম, কিন্তু এখন এমন হচ্ছে কেন,,, প্লিজ জানাবেন......?

আসসালামুআলাইকুম ভাই, ভাই আমার রাতে ঘুম হচ্ছে না। 11 টার দিকে ঘুমাতে গেলাম। 12, 1 টা বেজে যায়, ঘুম আসে না। চোখ বন্ধ করে রাখি কিন্তু ঘুম আসে না। সেহরি এর পরে একটু ঘুম আসে। তবে, আমি রাত 8 টার দিকে শুলে ঘুমে মাথা নাড়াতে পাড়তাম না বা ঘুমিয়ে পড়তাম, কিন্তু এখন এমন হচ্ছে কেন,,, প্লিজ জানাবেন......
3395 views

2 Answers

এ সমস্যা হতে মুক্তি পাবার উপায়ঃ প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ব্যায়াম করুন। ঘুমবার আগে ২ থেকে ৪ ঘন্টা হালকা শারীরিক পরিশ্রম করুন। এটা ঘুমাবার জন্য উপকারি। দুই, নৈশভোজের সময় মদ পান করবেন না। ঘুমাবার কয়েক ঘন্টা আগে কফি ও কড়া চা খাবেন না এবং জলখাবার কম খাবেন। তবে নিদ্রার জন্য এক কাপ গরম দুধ খেতে পারেন। বলাবাহুল্য সিগারেট ছেড়ে দেয়া বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ঘুমবার আগে বা অনিদ্রার সময়ে সিগারেট খাবেন না। প্রতিদিন রাতে অর্থাত ঘুমবার আগে একই কাজ করা ভাল। যেমন টিভি অনুষ্ঠান দেখার পর লিখুন, ছবি আঁকুন বা বই পড়ুন। তারপর গোসল করে বা হাত-পা ও মুখ ধুঁয়ে ঘুমান। অথবা টিভি অনুষ্ঠান দেখার পর বাইরে কিছু সময় ঘুরে বেড়ান। তারপর বই পড়ুন এবং হাত-পা ও মুখ ধুঁয়ে আনন্দ ও আরামের মধ্যে ঘুমিয়ে পড়ুন।

3395 views Answered

মনোবিজ্ঞানীদের মতে ঘুম না আসার 90% ই দায়ী মানসিক ভিবিন্ন দুঃচিন্তা, অবসাদ হতাশা, ইত্যাদি। ম্যাগনেসিয়াম ও ক্যালসিয়াম দুটিই ঘুম উদ্রেককারী খাবার। একারনেই ঘুমুতে যাওয়ার পূর্বে ১ গ্লাস উষ্ণ গরম দুধ পান করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন ডাক্তারগণ। ঘুম সমস্যা দূর করতে তাই প্রতি রাতে ২০০ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম ও ৬০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার রাখুন খাদ্যতালিকায়। লেটুস পাতা মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা, মাথা ব্যথা এবং মাংসপেশির ব্যথা জনিত সমস্যা অনেকের রাতে ঘুম হয় না। এবং অনিদ্রায় ভুগে থাকেন। লেটুস পাতা এই সমস্যার বেশ ভালো একটি সমাধান। এটি মস্তিষ্ক রিলাক্স করতে সহায়তা করে। ঘুমুতে যাওয়ার আগে ৩০ থেকে ১২০ মিলিগ্রাম পরিমাণ লেটুস পাতা দিয়ে জুস তৈরি করে পান করে নিতে পারেন। পুরো টিপস মানতে না পারলে ঘুমানোর পূর্বে এক গ্লাস উষ্ণ গরম দুধ পান করুন। সমাধান না হলে একজন সাইকোলোজি ডাক্তার দেখাবেন।

3395 views Answered

Related Questions

Next steps