আমি দিন দিন শুকিয়ে যাচ্ছি,আর কোন খাওয়ার রুচি নাই?
7 Answers
অরুচি কোনো রোগ নয়, রোগের উপসর্গ। যেমনঃ গ্যাস্ট্রিক, আলসার, জ্বর, পেটে কৃমি হলে, ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, অন্ত্রের সংক্রমণ, যক্ষ্মা, পেটের নানা সমস্যা, জিহ্বা প্রদাহ, জিহ্বার উপরে উপস্থিত প্যাপিলা ধ্বংসপ্রাপ্ত হওয়া, মুখের ঘা, প্রদাহ, রক্তশূন্যতা মুখ ও দাঁতের অযত্ন ভিটামিন বি ও জিংকের অভাবে অরুচি দেখা দিতে পারে। মানসিক চাপ যেমন বিষণ্ণতায় সমস্যায় রুচি কমে যায়। এই ধরণের সমস্যায় চিকিত্সকগন সাধারণত Domperidone 10mg খাওয়ার আগে দিন তিনবার। Esomeprazole 20Mg খাওয়ার 30 মিনিট আগে দিন দুইবার। Zinc-B সিরাপ দুই চা চামচ করে দিন দুইবার খাওয়ার পরে খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকে, অরুচি সমস্যায় একজন গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিশেষজ্ঞ অথবা মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ ঔষধ খেতে পারেন। বিঃদ্রঃ যে কোন ঔষধ ডাক্তারের পরামর্শ ব্যতীত সেবন করা নিষেধ।
→সিনকারা সিরাপটা খেয়ে দেখতে পারেন।
দামঃ ৪৫০ মিলি ১৫০ টাকা
ব্যাবহার বিধিঃ দিনে ২বার ৩ চামচ করে খান।
→প্রচুর পানি পান করুন।
→রুটিন মাফিক ব্যায়াম করুন।
→অন্তত প্রতিদিন ১টা ডিম ১টা কলা
এবং ১গ্লাস দুধ খান।
↓↓
আশা করি আপনার খাওয়ার রুচি ফিরে আসবে।।
খাদ্যে অরুচি কোনো রোগ নয়। এটি নানা ধরনের রোগের লক্ষণ হিসেবে হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদি সংক্রমণ, যক্ষ্মা, পেটের নানা সমস্যা, ক্যান্সার, বিভিন্ন ওষুধের প্রভাবে খাদ্যে অরুচি হতে পারে। মানসিক চাপ ও সমস্যায়ও রুচি কমে যায়। সহজপাচ্য ও মুখরোচক খাবার, ফল বিশেষত টক ফল যেমন আমড়া, বরই, আচার, লেবু ইত্যাদি খেয়ে রুচি ফেরানোর চেষ্টা করা যায়। কিন্তু সমস্যা দীর্ঘমেয়াদি ও তীব্র হলে পরীক্ষা করে সঠিক রোগ নির্ণয় করা উচিত। ধন্যবাদ
মাইকোরাল জেল হল রুচি বাড়াবার ওষুধ। জিহ্বায় লাগিয়ে কিছুক্ষন পর কুলি করুন বা খেয়ে ফেললেও সমস্যা হবেনা। আমি অনেকের ক্ষেত্রে এটা কাজে লেগেছে দেখেছি। খুব দ্রুত রুচি বাড়ায়।
শরীর সুস্থ রাখতে খাবার খাওয়ার সময় মজার চেয়ে পুষ্টির দিকেই বেশি নজর দেয়া উচিত। পুষ্টিকর, প্রচুর ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার শরীরের সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। যতটা সম্ভব চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন। ফাস্ট ফুড ও জাঙ্ক ফুড খাওয়ার অভ্যাস বাদ দিন। সুষম ও পুষ্টিকর একটি খাবারের তালিকা তৈরি করে সেটি কঠোরভাবে অনুসরণ করুন। কোমল পানীয়ঃ যে কোন কোমল পানীয় এড়িয়ে চলুন। কোমল পানীয় পানের অভ্যাসে স্থূলকায় হওয়ার আশঙ্কার পাশাপাশি হাড়ের ক্যালসিয়াম ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। কোমল পানীয়ের পরিবর্তে বেছে নিন ডাবের পানি বা ফলের রস। ফলের রস পানে ক্লান্তি হয়, শরীর সজিবতা ফিরে পায়। এছাড়াও বেশি পানি পানের অভ্যাস করতে হবে। প্রাপ্ত বয়স্কদের দৈনিক অন্তত ৩ লিটার পানি পান করার অভ্যাস গড়তে হবে। বসার ধরনঃ শরীরকে সুঠাম দেহের অধিকারী করতে টেলিভিশন বা কম্পিউটারের সামনে দীর্র্ঘক্ষণ একনাগাড়ে বসে থাকার অভ্যাস রয়েছে বাদ দিতে হবে। কর্মক্ষেত্রে একটানা বসে কাজ করার মতো মানুষের সংখ্যাও কম নয়। বরং, এ সংখ্যাটাই সবচেয়ে বেশি। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হচ্ছে, একনাগাড়ে কখনও বেশিক্ষণ বসে থাকবেন না। যেখানেই থাকুন, নিজেকে কর্মচঞ্চল রাখুন শারীরিকভাবে আরও সক্রিয় হয়ে ওঠার মাধ্যমে। কাজের মাঝখানে সামান্য একটু বিরতি নিয়ে হাঁটাহাঁটি করুন। এতে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক থাকবে, মনটাও থাকবে প্রফুল্ল।আর রচি বাড়াতে সিনকারা সিরাপ খান।