5 Answers

ঘুম না হওয়ার প্রধান কারন হলো মানসিক দুঃচিন্তা, উদ্বেগ, টেনশন। তাই আপনার ঘুম হচ্ছে না। আপনি একজন ভাল এমবি, বিএস, অথবা সাইকিয়াট্রিক ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ খেতে পারেন। রোগ নির্নয় করে ঔষধ দিলেই আপনার ঘুম হবে।

2925 views

১০টি কারণ থাকতে পারে--- ১. ভারসাম্যহীনভাবে খাবার গ্রহণ ২. আপনার মুখ মিন্টি ফ্রেশ ৩. আপনি বইয়ের ভক্ত ৪. ঘুমানোর আগে ধূমপান ৫. ঠাণ্ডা পানিতে মুখ ধোয়া ৬. রাতে মোবাইল ফোন ৭. উষ্ণ বিছানায় গরম ৮. আপনি লেবু পছন্দ করেন ৯. ঘুমানোর আগে ওষুধ সেবন ১০. ঘুমানোর আগে টিভি দেখা

2925 views

ঘুম না হওয়ার সমস্যা দূর করার উপায় : ম্যাগনেসিয়াম ও ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার ম্যাগনেসিয়াম ও ক্যালসিয়াম দুটিই ঘুম উদ্রেককারী খাবার। একারনেই ঘুমুতে যাওয়ার পূর্বে ১ গ্লাস উষ্ণ গরম দুধ পান করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন ডাক্তারগণ। ঘুম সমস্যা দূর করতে তাই প্রতি রাতে ২০০ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম ও ৬০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার রাখুন খাদ্যতালিকায়। লেটুস পাতা মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা, মাথা ব্যথা এবং মাংসপেশির ব্যথা জনিত সমস্যা অনেকের রাতে ঘুম হয় না। এবং অনিদ্রায় ভুগে থাকেন। লেটুস পাতা এই সমস্যার বেশ ভালো একটি সমাধান। এটি মস্তিষ্ক রিলাক্স করতে সহায়তা করে। ঘুমুতে যাওয়ার আগে ৩০ থেকে ১২০ মিলিগ্রাম পরিমাণ লেটুস পাতা দিয়ে জুস তৈরি করে পান করে নিতে পারেন। অ্যারোমা থেরাপি অ্যারোমা থেরাপি ঘুমের জন্য অনেক ভালো একটি জিনিস। কিছু সুঘ্রাণ রয়েছে যা ঘুমের উদ্রেক করে যেমন, ল্যাভেন্ডার, কমলালেবুর ঘ্রাণ ইত্যাদি। অ্যারোমা থেরাপির মাধ্যমেও ঘুমের উদ্রেক ঘটে। এই সকল সুঘ্রাণের এসেনশিয়াল অয়েল বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। এই সকল তেল বালিশের কভারে স্প্রে করে রাতে ঘুমোতে যান। খুব সহজে ঘুমের উদ্রেক হবে। এছাড়াও পায়ে তিলের তেল ম্যাসেজ করে নিতে পারেন। ঘুম দ্রুত আসবে। মেলাটোনিন মেলাটোনিন একটি হরমোন যা আমাদের ঘুম নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। দেহে এই হরমোনটি উৎপাদনের জন্য নানা ধরণের হোমিওপ্যাথি ঔষধ পাওয়া যায়। ঘুমানোর পূর্বে ০.৩ থেকে ০.৫ মিলিগ্রাম পরিমাণে ঔষধ ভালো ঘুমের সহায়ক। মেডিটেশন ও যোগব্যায়াম খুব মৃদু কোনো রিলাক্সিং মিউজিকের সাথে সাথে মাত্র ৫ থেকে ১০ মিনিটের মেডিটেশন করার অভ্যাস করুন। মেডিটেশনের সময় সব মনোযোগ শুধুমাত্র নিজের শ্বাস প্রশ্বাসের মধ্যে আনার চেষ্টা করুন। এই পদ্ধতিটি বেশ প্রাচীন কাল থেকেই ব্যবহার হয়ে আসছে। বোরিং কোনো বই পড়ুন ক্লাসে এবং পড়তে বসলে খুব ভালো ঘুম আসে। এই পদ্ধতিটি ঘুমের ক্ষেত্রে ব্যবহার করুন। খুব কটমটে কিংবা অনেক বোরিং কোনো বই নিয়ে বিছানায় শুতে যান। দেখবেন কিছুক্ষণের মধ্যেই দুচোখ ভেঙে ঘুম চলে আসবে। মাথা থেকে টেনশন ঝেড়ে ফেলুন আশা করি ঘুম আসবে।

2925 views

১.রাত জেগে কাজ করা অনেকের রাতের বেলা জেগে কাজ করার বদ অভ্যাস রয়েছে। এই কাজটি ঘুম না আসার জন্য দায়ী একটি কাজ। রাত জেগে কাজ করার ফলে মানসিক চাপের সৃষ্টি হয়। এই মানসিক চাপ মস্তিষ্ককে সজাগ রাখে অনেকক্ষণ। এই কারণে রাত ১০ টার আগেই শেষ করে ফেলার অভ্যাস করুন। ঘুমের সমস্যা দূর হবে। ২.রাতে অতিরিক্ত টিভি দেখা অনেকের শোবার ঘরে টিভি রাখা আছে। রাতের বেলা শোবার সময় টিভি ছেড়ে ররাখার অভ্যাস অনেকের রয়েছে। এছাড়া সারাদিন কাজের শেষে রাতের বেলা টিভি দেখার অভ্যাস গড়ে তোলেন অনেকেই। এই কাজটিও ঘুম না আসার জন্য দায়ী। টিভি দেখার সময় আমাদের মস্তিষ্কের নার্ভে চাপ পরে যা অনিদ্রার জন্য দায়ী। তাই রাতে অতিরিক্ত টিভি দেখবেন না। ৩.রাতের বেলা ব্যায়াম করা অনেকেই কাজের চাপে সময় না পেলে দেহকে সুস্থ রাখার জন্য রাতের বেলা সময় বের করে ব্যায়াম করেন। কিন্তু এই কাজটি দেহকে সুস্থ রাখার পরিবর্তে অসুস্থ করে তোলে। রাতের বেলা ব্যায়াম করলে ঘুম হয় না এবং ঘুম না হলে দেহের ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হয়ে যায়। ঘুম হওয়ার জন্য আমাদের দেহের তাপমাত্রা সাধারণের তুলনায় কম হওয়া প্রয়োজন। কিন্তু ব্যায়াম করলে আমাদের দেহের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি হয় এবং শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। সুতরাং রাতের বেলা ব্যায়াম করার অভ্যাসটি ত্যাগ করুন। ৪.মধ্যরাতের অস্বাস্থ্যকর খাবারস তৈরি হয়। এবং মধ্যরাতের এই খাবারগুলো বরাবরই বেশ অস্বাস্থ্যকর হয়। আমরা সকলেই জানি খাবার আমাদের দেহে এনার্জি সর যারা রাত জেগে কাজ করেন তাদের রাতের বেলা কিছু না কিছু খাবার অভ্যাবরাহ করে। এবং আমাদের দেহে যতক্ষণ এনার্জি থাকে আমাদের ঘুমের উদ্রেক করে না। আমাদের ক্লান্ত এবং পরিশ্রান্ত লাগলেই আমাদের ঘুমের উদ্রেক হয়। সুতরাং মধ্যরাতে অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস দূর করুন। ৫.ফোনে কথা বলা অনেকে মনে করতে পারেন ঘুমের সাথে কথা বলার সম্পর্ক কি হতে পারে। কিন্তু যারা ফোনে বেশি কথা বলেন বিশেষ করে রাতের দিকে তারা সব চাইতে বেশী অনিদ্রা রোগে ভোগেন। কথা বলার সময় আমাদের দেহের এনার্জির মাত্রা বাড়তে থাকে। এছাড়া ফোনের রেডিয়েশন আমাদের মস্তিষ্ককে সজাগ রাখতে সাহায্য করে। এতে করে রাতে ঘুমের সময় আমাদের মস্তিষ্ক কথা বলার কাজে ব্যস্ত থাকে এবং ফোন রাখার পরও মস্তিষ্ক সজাগ থাকে বলে ঘুম আসতে চায় না।

2925 views

ঘুম না আসার কারণ খুঁজে বের করুন,ঘুম না আসার পেছনে কোন বিশেষ কারণ আছে কিনা সেটা খুঁজে বের করুন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নানামুখী টেনসন ঘুম না আসার পেছনে অন্যতম কারণ হিসেবে থাকে। যতক্ষণ মাথায় টেনসন থাকবে ততক্ষণ ঠিকমতো ঘুমাতে পারবেন না, এটাই স্বাভাবিক। সম্ভব হলে মাথা থেকে এই টেনসন ঝেড়ে ফেলুন। গরম পানি দিয়ে গোসল করুন, রাতে ঘুম না আসলে মৃদু গরম পানি দিয়ে গোসল করে ফেলুন। এতে শরীর অনেক হালকা মনে হবে। শরীরের কোষগুলোর মধ্যে শিথিলতা চলে আসবে। তাহলে ঘুম ভালো হবে।

2925 views

Related Questions