কাশি কেন হয়?

বুক ব্যাথা হচ্ছে কাশিতে
5744 views

3 Answers

প্রায় সব বক্ষ ব্যাধিতে এবং কিছু হৃদরোগে কফ-কাশি হয়ে থাকে। আমাদের দেহে দুটি ফুসফুস রয়েছে। এ দুই ফুসফুসে রয়েছে অসংখ্য ছোট বড় শ্বাসনালি। শ্বাসনালি বা ব্রংকাস থেকেই কফ তৈরি হয়। কফ-কাশির প্রসঙ্গ এলেই যে রোগের কথা প্রথমে মনে আসে, সেটি হল যক্ষ্মা। যক্ষ্মা হলে কাশি লেগেই থাকে। প্রথম দিকে কফ পাতলা শ্লেষ্মা জাতীয় হয়। এটি জীবাণু সংক্রমিত হলে পেকে হলুদ হয়ে যায়। কোনো রোগী যদি তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে অবিরাম কাশতে থাকে তবে তাকে অবশ্যই কফ পরীক্ষা করতে হবে। প্রায় ১০ শতাংশ যক্ষ্মা রোগীর কফে যক্ষ্মার জীবাণু ধরা পড়ে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে যক্ষ্মা রোগ নির্ণীত হয় এক্সরে পরীক্ষার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে। ব্রংকিএকটেসিস নামের রোগে পাকা হলুদ কফ নির্গত হয়। সাধারণত সকালের দিকে এই দুর্গন্ধ যুক্ত কফ বের হয়। ফুসফুসে অ্যানোরোবিক জীবাণু সংক্রমণের ফলে এ দুর্গন্ধ হয়। এ রোগের অন্যতম লক্ষণ হল- কফের সঙ্গে রক্ত যায়। এ ধরনের রোগীকে যক্ষ্মা ভেবে যক্ষ্মার ওষুধ খাওয়ানো হতে পারে। ক্রনিকব্রংকাইটিস পরিবেশ দূষণ এবং ধূমপানের জন্য হয়ে থাকে। এ রোগে শ্বাস কষ্ট প্রধান লক্ষণ। কফ-কাশির সমস্যা যেন লেগেই থাকে। কফ প্রথমে অল্প আঠালো এবং পিচ্ছিল হয়ে থাকে। জীবাণু সংক্রমিত হয়ে পরে কফ পেকে হলুদ হয়ে যায়। তখন তীব্র শ্বাসকষ্ট এবং জ্বর হয়। হাঁপানি রোগীর কফ সাধারণত বের হতে চায় না। কফ বের হয়ে গেলে রোগী শ্বাস যন্ত্রণা থেকে আরাম পায়। নিউমোনিয়া আক্রান্ত রোগীর কফ ভিন্ন ধরনের হয়। কখনও সাদা কখনও হালকা হলুদ। নিউমোনিয়ার একপর্যায়ে কফের সঙ্গে মরিচার মতো লাল রঙ মিশ্রিত থাকে। ফুসফুসের ক্যান্সারেও কফ থাকে। এ কফে ছিঁড়ে ছিঁড়ে রক্ত যায় এবং বুকে প্রচণ্ড ব্যথা থাকে। ক্যান্সার রোগীর শেষের দিকে কাশি ইড়ারহব ঈড়ঁময-এর মতো ভিন্ন শব্দ থাকে। ফুসফুসে ফোঁড়া বাহলে কফ পেকে হলুদ হয়ে যায় এবং অনেক সময় কফে দুর্গন্ধ থাকে। কফ রক্ত মিশ্রিত থাকতে পারে। অ্যালার্জি জনিত হাঁপানিতে এ ট্রপিক্যাল ইয়োসিনোফিলিয়াতে কফ ঘন হয়। কফ পরীক্ষা করলে প্রচুর ইয়োসিনোফিল পাওয়া যায়। ধূমপায়ীর কফ-কাশি সবসময়ই লেগে থাকে। ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গেও কফ-কাশি হয়ে থাকে। সূত্র – যুগান্তর.কম

5744 views Answered
Dr. MD. Mamunur Rashid
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য)
এমডি ( গ্যাস্টোএন্টারোলজি) রেসিডেন্ট বিএমইউ, ঢাকা, মেডিকেল অফিসার (সাবেক), ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রাজশাহী, প্রভাষক, নওগাঁ মেডিকেল কলেজ, নওগাঁ(সাবেক), জিপি (মেডিসিন) অভিজ্ঞ (মেডিসিন, লিভার এবং গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি)

কাশির অনেক কারন। এটা একটা প্রটেকটিভ মেকানিজম। যখন কোন অপ্রত্যাশিত বস্তু আমাদের শ্বাসনালীততে প্রবেশ করে তখন কাশি হয় যাতে সেটা বের হয়ে আসে। আর আপনার যেটা হচ্ছে সেটা মনে হয় শ্বাসযন্ত্রের কোন প্রদাহের কারনে হচ্ছে। কারন বুক ব্যাথা করছে। এটা হতে পারে সাধারন ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন যেমন নিউমোকক্কাস, ব্রঙ্কাইটিস, নিউমোনিয়া, টিবি, আরো ফুসফুসের অনেক অসুখ। আপনি খুব দ্রুত কাছের কোন ডাক্তারের পরামর্শ নিন। অথবা মন্তব্যে কাশির ধরন বলুন আমি কিছু ঔষধের নাম বলতে পারি।

5744 views Answered
<<কাশি কেন হয়ঃ>> বরডেটেলা পারটুসিস বা বরডেটেলা প্যারাপারটুসিস নামক জীবাণু দ্বারা কাশি হয়ে থাকে৷ কাশির জীবাণুগুলো বাতাসে ভর করে ছোটে। যদি তারা একটি আপনার চোখে কিংবা নাকে এসে পড়ে তাহলে কয়েক দিনের মধ্যেই আপনি আক্রান্ত হবেন কাশিতে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে কাশি ছড়ায় পরোক্ষ শারীরিক সংস্পর্শে। অর্থাত্ একজন অসুস্থ ব্যক্তির ঠাণ্ডার জীবাণু নাক থেকে হাতে স্থানান্তরিত হয়। সে যখন কোনো বস্তু স্পর্শ করে তখন হাত থেকে থাকতে পারে। জীবাণু সেই বস্তুতে লেগে যায়। কাশির জীবাণু জড়বস্তুতে তিন ঘণ্টা পর্যন্ত টিকে থাকতে পারে। <<কাশির ফলে বুক ব্যথার চিকিৎসাঃ>> -আপনি এক কাজ করতে পারেন ।এক চামচ মধু , সামান্য কুচি করা আদা, ও কয়েকটা কিশমিশ একসাথে সামান্য গরম করে খেয়ে দেখেন। আরাম পাবেন আর আপনার এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। -বুকে কফ জমার ক্ষেত্রে আপনি সরিষার তেল গরম করে বুকে লাগাতে পারেন। আর কাশির জন্য গরম পানির সাথে লবন মিশিয়ে কুলি করতে পারেন।
5744 views Answered

Related Questions

Next steps