কাশি নিরাময়ে কোনো ঘরোয়া পদ্ধতি আছে কী?
7 Answers
>মধু মূলত উপকারী খুসখুসে কাশির জন্য। এটি গলার ভেতরে আবরন তৈরী করে এবং গলার ভিতরে যেইসব সেন্সরি নার্ভ খুসখুসে অনুভূতি তৈরী করে তাদের বাধা দান করে গলাকে আরাম দেয়। > বিশেষ করে ঘুমানোর সময় মধু খেয়ে ঘুমালে রাতে ঘুমের মধ্যে খুসখুসে কাশিটা উঠবেনা ফলে আরামে ঘুম হবে। > মধু শুধুও খাওয়া যেতে পারে আবার গরম পানি বা চায়ের সঙ্গে শুধু অথবা লেবু দিয়ে খাওয়া যেতে পারে। >খুসখুসে কাশির জন্য যেইসব ওষুধ বাজারে প্রচলিত তাদের মধে আছে phocodine, dextromethorphan and codeine জাতীয় ঔষধ। মধু এইসব ঔষধের মত একই ধরণের কাজ করে। বরং ২০০৮ সালে Penn State College of Medicine এর একদল গবেষকের করা গবেষনায় দেখা গিয়েছে যে মধু বরং এইওসব ওষুধের চাইতে ভালো কাজ করে। > বিশেষ করে ৬ বছরের কম বয়সী বাচ্চাদের জন্য dextromethorphan এর বেশ কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া আছে। তাই এদের কাশির চিকিৎসায় মধু পার্শ্বপ্রতক্রিয়াহীন ভাবে খুব ভালো ভুমিকা রাখতে পারে। >কাশিতে আরাম দেওয়ার পাশাপাশি এতে আছে এন্টি অক্সিডেন্ট, আছে জীবানুনাশক গুণ, নেই কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আর দামেও সস্তা।
আমলা ভিটামিন সি ও মিনারেলের একটি বিশাল উৎস। প্রতিদিন সকালে এক চা চামচ ফ্রেশ আমলা জুসের সাথে মধু মিশিয়ে পান করুন। এটি কেবল আপনার কাশিই কমাবে না বরং নানা ধরণের রোগ শোক থেকে আপাকে রক্ষা করবে।
আপনাকে দুটো ঘরোয়া চিকিৎসার পরামর্শ দেই যা অনেকটা কাজে লাগবেঃ ১।সকাল বিকাল এক কাপ করে তুলসী পাতার চা পান করান।কাশিতে অনেকটা আরাম পাবে। আপনি কাশির ধরণ অনুযায়ী চা পানের মাত্রা বাড়াতে পারেন। ২।পেঁয়াজ (onion) কাঁচা পেঁয়াজের রস কাশির জন্য খুব কার্যকরী। দুই টেবিল চামচ পেঁয়াজের রসের সাথে এক টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে দিনে দুবার পান করান কাশি কমে যাবে।
পেঁয়াজ ব্যবহার করে মাত্র একদিনেই কাশি সারিয়ে তোলা সম্ভব। ১.উপাদান : এক কেজি পেঁয়াজ তিন লিটার পানি তৈরির পদ্ধতি পেঁয়াজের ওপরের খোলস ও দুই পাশ পরিষ্কার করুন। প্রতিটি পেঁয়াজ চার টুকরো করুন। কাটা পেঁয়াজ একটি পাত্রের মধ্যে নিয়ে তিন লিটার পানি দিন। পাত্রটি চুলায় নিয়ে উত্তপ্ত করুন। পানি অর্ধেক না হওয়া পর্যন্ত জ্বাল দিতে থাকুন। আগুন থেকে নামিয়ে মিশ্রণটি ঠান্ডা হতে দিন। কয়েকবার নেড়ে দিন। স্বাদের জন্য এর মধ্যে মধু বা লেবুর রস দেওয়া যেতে পারে। ব্যবহারবিধি – দিনে দুবার দেড় গ্লাস করে পান করুন। ২. উপাদান – দুটি মাঝারি আকৃতির অর্গানিক আপেল দুটি মাঝারি আকৃতির পেঁয়াজ ১৪টি আখরোট (বাদাম) প্রস্তুত প্রণালি – পেঁয়াজ ধুয়ে পরিষ্কার করুন। প্রতিটি পেঁয়াজ চার টুকরোয় ভাগ করুন। আপেলও ধুয়ে চার টুকরোয় ভাগ করুন। আখরোট ভেঙে নিন। একটি পাত্রে সব উপাদান নিয়ে পানি দিন। পাত্রটিকে চুলোর আগুনের ওপর দিন। পানি অর্ধেক না হওয়া পর্যন্ত চুলায় রাখুন। পরে নামিয়ে ঠান্ডা করুন। স্বাদের জন্য মধু বা লেবুর রস দিতে পারেন।
তাল মিশ্রী+লবঙ্গ একত্রে চিবিয়ে ও খেতে পারেন অথবা দুটোকে মিক্স করে সেবন করতে পারেন। ইনশাল্লাহ কাজ হবে। আমি নিজে সেবন করেছি উপকার পেয়েছি। অথবা। আপনি বাসক পাতা জ্বাল দিয়ে তার গরমম রস টা লাল চা এর মতো সেবন করতে পারেন।
যাদের সাধারন কিংবা মারাত্মক সর্দি কাশি লেগেই আছে তারা এক চতুর্থাংশ দারুচিনির গুড়োর সঙ্গে এক টেবিলচামচ মধু মিশিয়ে তিন দিন খান । বলা হয় যে, এ প্রক্রিয়া আপনার ক্রনিক কাশি, সর্দি এবং সাইনাসেস পরিষ্কার করে ।
প্রচুর পানি পান করুন। প্রতিবার হালকা গরম পানি খাওয়ার চেষ্টা করুন। দিনে অন্তত ১২ গ্লাস হালকা গরম পানি পান করলে কাশি কিছুটা কমে যায়। ঘরে মশার ওষুধ কিংবা এয়ার ফ্রেশনার স্প্রে করবেন না। কাশি বেড়ে যেতে পারে এগুলোর কারণে। ৪টি তুলসী পাতা চিবিয়ে খেয়ে নিন। চায়ের সঙ্গে তুলসী পাতা মিশিয়েও খেতে পারেন। তুলসী পাতা খুব দ্রুত কাশি নিরাময় করে। দিনে অন্তত ৩ বার গরম রঙ চা খান। চায়ে আদা মিশিয়ে খেলে কাশি কমে যাবে। খাওয়ার আগে এক চা চামচ মধু খান। মধু কাশি ও কম কমাতে সহায়ক। হালকা গরম পানিতে গোসল করুন। এতে কাশির উপদ্রব কমে যাবে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy