ঘুম আসেনা।কি করব?
3 Answers
গত এক দশকে ভারতীয় জীবনে এসেছে অনেক পরিবর্তন। কর্পোরেট লাইফের অন্যতম দুটো উপহার অবসাদ ও নিদ্রাহীনতা এখন অধিকাংশ ভারতীয়র জীবনের অঙ্গ। রাতে ঘুম না আসার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। যা প্রভাব ফেলে কর্মক্ষেত্রে। চিকিত্সকরা বলছেন খাওয়া দাওয়ার অভ্যেসে কিছু পরিবর্তন আনলে অনেটাই কাটিয়ে ফেলা যাবে এই সমস্যা। ঘুম আসতে সাহায্য করবে এমন ৫টি খাবারের কথা দেওয়া হল এখানে- আমন্ড-ঘুম আনতে অসাধারণ কাজ করে আমন্ড। প্রচুর পরিমানে ম্যাগনেশিয়াম ও খনিজের উপস্থিতি ভাল ঘুম আনতে সাহায্য করে। কলা-রাতে শোয়ার আগে একটা কলা আপনাকে ঘুম পাড়িয়ে দেবে খুব তাড়াতাড়ি। কলার মধ্যে থাকা ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম রাতে পেশি সচল রাখতে সাহায্য করে। মধু-মধুর মধ্যে থাকে গ্লুকোজ। এই গ্লুকোজ শরীরে ঘুমে ব্যাঘাতকারী ওরেক্সিনের পরিমান কমাতে সাহায্য করে। ফলে রাতে ঘুম হয় ভাল। ওটস-ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস ও সিলিকনে পরিপূর্ণ ওটস। রাতে শোওয়ার আগে ওটমিল খেলে ঘুম আসবে তাড়াতাড়ি। হালকা গরম দুধ-শোওয়ার আগে দুধ খাওয়ার রেওয়াজ বহু পুরনো। দুধ মাংসপেশিকে শিথিল করে। ফলে ঘুম আসে তাড়াতাড়ি।
দ্রত ঘুমিয়ে পড়ার জন্য কী করতে পারেন? ভালো ঘুমের জন্য এখানে দশটি টিপস। ১। বিছানায় সময় কমানঃ একেবারে ঘুমানোর সময়েই বিছানায় যান। যদি ঘুম না আসে- বিছানা থেকে উঠে যান, কোন শান্ত কাজে নিজেকে ব্যস্ত করুন, যখন ঘুম আসবে বিছানায় ফিরে আসুন। ২। আপনার শয়ন কক্ষ অন্ধকার করুনঃ দীর্ঘ এবং অবিচলিত ঘুমের জন্য আমাদের প্রায় সবারই অন্ধকারের প্রয়োজন। সকল জানালা ও পর্দা বন্ধ করুন। ৩। কোলাহল মুক্ত হোনঃ একটি ঘড়ি যা টিক টিক শব্দ করে বা একটি রেডিও যা চলমান তা ঘুম আসা কঠিন করে দিতে পারে। বাইরে থেকে আসা এই শব্দ যদি আপনি জয় করতে না পারেন তাহলে কানের প্লাগ ব্যবহার করুন, জানালা ও আপয়ার শয়ন কক্ষ বন্ধ করুন। ৪। বিছানায় যাওয়ার আগে ব্যায়াম পরিহার করুনঃ শারিরীক কাজের ফলে বৃক্করস এর মাত্রা বৃদ্ধি পায়, এবং ঘুমিয়ে পড়া কঠিণ করে দেয়। ৫। রাতের খাবার অনেক আগে খানঃ ঘুমের আগে বেশি খাওয়া পরিহার করুন। ৬। ঘুমের চার ঘন্টা আগে কেফেইন পরিহার করুনঃ কফি, চা, চকলেট ও ক্যাফেইন যুক্ত অন্যান্য প্রডাক্ট আপনাকে গভীর ঘুমে যেতে বাঁধা দিবে। ৭। ঘুমানোর ও ঘুম থেকে উঠার সময় একই রাখুনঃ এই সময় পরিবর্তন করা আপনার ঘুমে ব্যাঘাত ঘটাবে। অনেক মানুষ যে রবিবারে ঘুমাতে সমস্যাইয় পড়েন তিনি আবার শুক্রবারে ঘুম থেকে উঠতেও সমস্যায় পরেন। ৮। দিনে ঘুমাবেন নাঃ ঘুমিয়ে পড়তে যে সময় লাগে, দুপুরের ঘুম তা বিলম্ব ঘটায়। যা সকালে ঘুম থেকে উঠা অনেক কঠিণ করে। এবং তা সারা দিন আপনাকে ক্লান্ত রাখবে। ৯। ঘুমে সহায়তাকারী সম্পর্কে সতর্ক থাকাঃ দীর্ঘ ব্যবহারের পরএদের অনেক কিছুর উপর আমরা ঘুমানোর জন্য নির্ভরশীল হয়ে পড়ি। এবং এগুলো ছাড়া আমরা পরে ঘুমাতে পারিনা।
আমার মনে হয় আপনার চিকিৎসা করা উচিৎ। আপনে রাতে শোবার ৩০ আগে একটা ককরে Tab, Sedil (5mg) খেয়ে নিবেন। এভাবে ১৫ দিন খান, সব ঠিক হয়ে যাবে।