3 Answers
হাদিস শরীফ-এর ছহীহ্ কিতাবে বর্ণিত রয়েছে যে, “হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে খরগোশের গোশত হাদিয়া দিলে তিনি তা গ্রহণ করেছেন, খেয়েছেন এবং খেতেও বলেছেন।” এ বর্ণনা থেকে প্রমাণিত হয় যে, খরগোশের গোশত খাওয়া কেবল হালালই নয় বরং সুন্নতেরও অন্তর্ভুক্ত। উল্লেখ্য, খরগোশের পা হরিণ বা গরু-ছাগলের মতো হোক কিংবা বিড়ালের মত হোক উভয় প্রকার পা বিশিষ্ট খরগোশই খাওয়া সম্পূর্ণ হালাল বলে ফতওয়া দেয়া হয়েছে। আরো উল্লেখ্য যে, শরীয়তে খরগোশের গোশত খাওয়া হালাল। এটাকে যদি কেউ নাজায়িয বা হারাম বলে তাহলে শরীয়তে বর্ণিত হালালকে হারাম বলে সাব্যস্ত করা হয়। আর আক্বাইদের কিতাবে উল্লেখ রয়েছে, “কেউ যদি শরীয়তের কোন হালালকে হারাম বলে তাহলে তা সম্পূর্ণ কুফরী হবে।” আর এটা শুধু হানাফী মাযহাবেই নয় বরং হানাফী, শাফেয়ী, হাম্বলী, মালেকী প্রত্যেক মাযহাবেই হালাল বলে ফতওয়া দেয়া হয়েছে। দলীলসমূহঃ (১) তিরমিযী (২) আবূ দাউদ (৩) নাসাঈ (৪) ইবনে মাযাহ্ ইত্যাদি ।
খরগোস খাওয়া হালাল.... নাসায়ী শরীফের এক হাদীসে এসেছে, এক গ্রাম্য ব্যক্তি ভূনা করা খরগোশ ও রুটি নিয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলিহি ওয়াসাল্লামের সামনে পেশ করে বলল, আমি এর হায়েজ হতে দেখেছি। তখন সাল্লাল্লাহু আলিহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সাহাবীদের বললেন, কোন সমস্যা নেই, তোমরা খাও! এবং গ্রাম্য ব্যক্তিকে বললেন, খাও!…..। (নাসায়ী, হাদীস নং ২৪২৭) এখানে খরগোশটির পা কেমন ছিল তা জানা যায় না। অন্য কোন হাদীসেও পা’র বর্ণনা পাওয়া যায় না। অনেকে সম্ভবত বিড়ালের মত পা বিশিষ্ট খরগোশের থাবা থাকায় তা খাওয়া জায়েজ হওয়া-না হওয়া নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন, তবে উপরোক্ত হাদীসের ভিত্তিতে থাবা থাকা সত্বেও হিংস্র না হওয়ায় উলামায়েকেরাম এ ধরণের খরগোশ খাওয়া জায়েজ বলেছেন।
খরগোশ খাওয়া ইসলামে হালাল। 'স্বয়ং নবী করিম(সা) খরগোশের মাংস খেয়েছেন'-আনাছ(রা) হইতে বর্ণিত বোখারি_শরীফ
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy