2 Answers

আযানের মোনাজাত: আল্লাহুম্মা রাব্বা হাযিহিদ্দা ' ওয়াতিত্তাম্মাতি ওয়াসসালাতিল কায়িমাতি আতি মুহাম্মাদানিল্ ওয়াসীলাতা ওয়াল ফাযীলাতা ওয়াবআ'সহু মাকামাম্মাহমুদা নিল্লাযী ওয়া আ'দতাহু, ইন্নাকা লা তুখলিফুল মীআ'দ।

2490 views

হজরত সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘যে ব্যক্তি মুয়াজ্জিনের আজান শুনে বলবে-وَ اَنَا اَشْهَدُ اَنْ لَا اِلهَ اِلَّا اللهُ – وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ – وَ اَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَ رَسُوْلُهُ – رَضِيْتُ بِاللهِ رَبًّا - وَ بِالْاِسْلَامِ دِيْنَا – وَبِمُحَمَّدٍ رَسُوْلَا

উচ্চারণ : ওয়া আনা আশহাদু আল-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু, ওয়া আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসুলুহু, রাদিতু বিল্লাহি রাব্বান, ওয়া বিল ইসলামি দিনান, ওয়া বিমুহাম্মাদিন রাসুলান’ আল্লাহ তাআলা তার গোনাহ মাফ করে দেন।’ (তিরমিজি, মুসলিম, ইবনে মাজাহ)

অন্য হাদিসে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘোষণা করেন, যে ব্যক্তি মুয়াজ্জিনের আজানের পর প্রচলিত দোয়াটি পাঠ করবে, তার জন্য প্রিয়নবি শাফায়াত করবে। অথচ আমাদের অনেকেই আজান শুনে ঠিকই; অলসত বা খেয়ালের ভুলে উত্তর দেয়া যেমন বিরত থাকে; তেমনি দরূদ ও দোয়া পড়া থেকেও বিরত থাকে।

হজরত জাবির ইবনে আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনে বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আজান শুনে বলে-اَللَّهُمَّ رَبَّ هَذِهِ الدَّعْوَةِ التَّامَّةِ – وَالصَّلَاةِ الْقَائِمَة – اتِ مُحَمَّدَانِ الْوَاسِلَةَ وَ الْفَضِيْلَةَ – وَابْعَثْهُ مَقَامًا مَّحْمُوْدَانِ الَّذِىْ وَعَدْتَه

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা রাব্বা হাজিহিদ দাওয়াতিত তাম্মাহ, ওয়াস-সালাতিল কায়িমাহ, আতি মুহাম্মাদানিল ওয়াসিলাতা ওয়াল ফাদিলাহ, ওয়াবআছহু মাকামাম মাহমুদানিল্লাজি ওয়া আদ্তাহ’ তার জন্য কেয়ামতের দিন আমার শাফায়াত ওয়াজিব হবে।’ (তিরমিজি, বুখারি, ইবনে মাজাহ)


এ আমলটিও মুসলিম উম্মাহর জন্য সহজ। শুধু তাই নয়, কোনো ব্যক্তি যদি আজানের পর দোয়ার আগে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি দরূদ পাঠ করে; তার জন্যও প্রিয়নবির সুপারিশ ওয়াজিব হয়ে যায়।

সুতরাং মুসলিম উম্মাহর জন্য এ সহজ আমলগুলো যথাযথ আদায় করা জরুরি।


2490 views

Related Questions