user-avatar

Sabbirrahmanabir

◯ Sabbirrahmanabir

SMOG কী?

Sabbirrahmanabir
Dec 15, 07:56 AM

SMOG হচ্ছে দূষিত বায়ু । বায়ু দূষণ বলতে বোঝায় যখন বায়ুতে বিভিন্ন ক্ষতিকারক পদার্থের কণা এবং ক্ষুদ্র অনু অধিক অনুপাতে বায়ুতে মিশে যায় । এটা তখন বিভিন্ন রোগ , অ্যালার্জি এমনকি মৃত্যুর কারন হতে পারে । এছাড়াও এটা অন্যান্য জীবন্ত বস্তু যেমন ; পশুপাখি , ফসল ইত্যাদির ক্ষতি করে । দুষিত বায়ু সুস্থ পরিবেশের জন্য বাধা । ২০১৪ সালের WHO এর রিপোর্ট অনুযায়ী ২০১২ সালে বায়ু দূষণে প্রায় ৭ মিলিয়ন মানুষ মারা গেছে ।SMOG হচ্ছে দূষিত বায়ু ।

লাভেলো মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ হয়েছেন জান্নাতুল নাঈম। তার মানে তিনিই এখন বাংলাদেশের সেরা সুন্দরী। তাই বিশ্বের সুন্দরীদের সঙ্গে একই মঞ্চে থাকবেন বাংলাদেশের এই মেয়ে জান্নাতুল নাঈম। 

মাহি নামের আরবি অর্থ অবিশ্বাস দূরকারী বা নির্মূলকারী ।আল মাহি হযরত মুহাম্মদ (সা:) এর একটি উপনাম । আল মাহি নামের ইসলামিক অর্থ অবিশ্বাস দূরকরী বা নির্মূলকারী ।

কিছু নাম : মাহি চৌধুরী , Mahi Chaudhry , মাহি আক্তার, মাহিমা চৌধুরী মাহী ,  মাহিয়া মাহি , Mahiya Mahi ।

Mahi Name meaning in Bengali : অবিশ্বাস দূরকারী বা নির্মূলকারী

মাহি নামের আরবি অর্থ অবিশ্বাস দূরকারী বা নির্মূলকারী ।আল মাহি হযরত মুহাম্মদ (সা:) এর একটি উপনাম । আল মাহি নামের ইসলামিক অর্থ অবিশ্বাস দূরকরী বা নির্মূলকারী ।

কিছু নাম : মাহি চৌধুরী , Mahi Chaudhry , মাহি আক্তার, মাহিমা চৌধুরী মাহী ,  মাহিয়া মাহি , Mahiya Mahi ।

Mahi Name meaning in Bengali : অবিশ্বাস দূরকারী বা নির্মূলকারী

ক্রিকেট ট্রাকার সাকিবকে বাংলাদেশের সবচেয়ে ধনী ক্রিকেটার হিসেবে আখ্যায়িত করে জানিয়েছে, তার সম্পদের পরিমাণ সাড়ে তিন কোটি ডলার, বাংলাদেশি টাকায় যার পরিমাণ ২৭৫ কোটি ৬১ লাখ ৭৮ হাজার ২৫০ টাকা।

স্পিকার যে বিলকে বেসরকারি বলে ঘোষণা দেন(  2) সংসদ সদস্যের বিল(3) বিরোধী দলের সাংসদদের বিল (4) রাষ্টপতির কির্তৃক ঘোষিত বিল

যারা ভালো চরিত্রের অধিকারি,যাদের মধ্যে খারাপ কোন গুনাবলি নেই তারাই আদর্শ্য মানুষ।

হাবীব অর্থ কি?

Sabbirrahmanabir
Nov 4, 04:47 PM

হাবিব অর্থ প্রিয় বন্ধু 

Radix Point কী?

Sabbirrahmanabir
Nov 2, 06:49 PM

পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধিতে প্রতিটি সংখ্যাকে পূর্ণসংখ্যা ও ভগ্নাংশকে যে চিহ্ন দ্বারা আলাদা করা হয় তাই Radix Point.


প্রচলিত ও প্রতিষ্ঠিত এরকম ঘরোয়া টোটকা নিয়ে স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে পেটের নানান সমস্যার কয়েকটি সমাধান এখানে দেওয়া হল।

অ্যাপল সাইডার ভিনিগার: এটা যকৃতের অ্যাসিডের মাত্রা স্বাভাবিক রাখে। এছাড়াও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা নিরাময়ে সাহায্য করে।

গরম প্যাড: এই পদ্ধতি খুবই সহজ। তল-পেটে গরম প্যাডের সাহায্যে তাপ নিন। এতে পেটের ব্যথা দূর হবে এবং পেশি আরাম পাবে।

পানি পান: পর্যাপ্ত পানি পান কেবল ডাইরিয়ার কারণ হওয়া পানি স্বল্পতাই দূর করে না পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে। ভালো ফলাফলের জন্য এক গ্লাস কুসুম গরম পানি পান করুন।

জোয়াইন বীজ: হজম বা পেট ফোলা সমস্যায় জোয়াইন খুব ভালো কাজ করে। এক টেবিল-চামচ জোয়াইন ও এক চিমটি লবণ কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে পান করুন, পেটের সমস্যা দ্রুত দূর হবে।

বেইকিং সোডা: আধা চা-চামচ বেইকিং সোডার সঙ্গে গরম পানি মিশিয়ে পান করুন। এটা অ্যান্টাসিডের মতো কাজ করে এবং পেটের সমস্যা দূর করে। মনে রাখবেন, অতিরিক্ত বেইকিং সোডা উল্টো সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।

লেবু-পানি: পেটের সমস্যা দূর করতে লেবু বেশ কার্যকর। কারণ এই অ্যাসিড উপাদান আলকালাইন পাকস্থলীর অতিরিক্ত ক্ষারের পরিমাণ কমাতে পারে।

মনে রাখতে হবে

যে কোনো ঘরোয়া টোটকা কাজে লাগানোর আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। আর অবস্থা বেশি খারাপ হলে দ্রুত চিকিৎসাকেন্দ্রে যেতে হবে

মাসুম  নামের  অর্থ: উদ্বায়ী, উদার, উপযুক্ত, সক্রিয়, মনোযোগী    আহমেদ নামের আর্থ চরম এবং পরম প্রশংসাকারী

ইমাম মুহাম্মাদ ইবনে সীরিন রহ. বলেন : যদি স্বপ্নে কেউ মৃত ব্যক্তিকে দেখে তাহলে তাকে যে অবস্থায় দেখবে সেটাই বাস্তব বলে ধরা হবে। তাকে যা বলতে শুনবে, সেটা সত্যি বলে ধরা হবে। কারণ, সে এমন জগতে অবস্থান করছে যেখানে সত্য ছাড়া আর কিছু নেই। যদি কেউ মৃত ব্যক্তিকে ভাল পোশাক পরা অবস্থায় বা সুস্বাস্থের অধিকারী দেখে, তাহলে বুঝতে হবে সে ভাল অবস্থায় আছে। আর যদি জীর্ণ, শীর্ণ স্বাস্থ্য বা খারাপ পোশাকে দেখে তাহলে বুঝতে হবে, ভাল নেই। তার জন্য তখন বেশি করে মাগফিরাত কামনা ও দোআ-প্রার্থনা করতে হবে। ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, বিদ্রোহীরা যখন উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু- এর বাসভবন ঘেরাও করল, তখন উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি গত রাতে স্বপ্ন দেখলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, উসমান আমাদের সাথে তুমি ইফতার করবে। আর ঐ দিনই উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু শহীদ হলেন। (আল কাওয়ায়েদুল হুসনা ফী তাবীলির রুইয়া : শায়খ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আস সাদহান) আনাস ইবনে মালেক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, আবু মূসা আশ আশআরী রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, আমি স্বপ্নে দেখলাম, আমি একটি পাহাড়ের কাছে গেলাম। দেখলাম, পাহাড়ের উপরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রয়েছেন ও পাশে আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু। আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু তার হাত দিয়ে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু এর দিকে ইশারা করছেন। আমি আবু মূসা রাদিয়াল্লাহু আনহুর এ স্বপ্নের কথা শুনে বললাম, ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন। আল্লাহর শপথ! ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তো মারা যাবেন! আচ্ছা আপনি কি বিষয়টি ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে লিখে জানাবেন? আবু মূসা রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, আমি ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে তার জীবদ্দশায তার নিজের মৃত্যু সংবাদ জানাব, এটা কি করে হয়? এর কয়েকদিন পরই স্বপ্নটা সত্যে পরিণত হল। ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু শহীদ হয়ে গেলেন। কারণ, মৃত্যু পরবর্তী সত্য জগত থেকে যা আসে, তা মিথ্যা হতে পারে না। সেখানে অন্য কোনো ব্যাখ্যা দেয়ার সুযোগ নেই। (আল কাওয়ায়েদুল হুসনা ফী তাবীলির রুইয়া : শায়খ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আস সাদহান

পৃথিবীর জে  শহরে কুকুরের হোটেল আছে=পেরিস শহরে
 কুকুর খুবই বিশ্বস্থ এবং প্রভূ ভক্ত প্রাণী।আর এজন্যে এদের আদর যত্নেরও অভাব হয়না।
পোষা কুকুরের জন্যে আলাদা বিছানা স্পেশাল বাথ্রুম থাকে।এবার বুঝতে পারছেন?
কেন বা কতটুকু আদর বা সম্মান কুকুরকে দেখানো হয়।
কুকুরকে ট্রেনিং দিয়ে নিরাপত্তার কাজে নিয়োগ দেয়া হচ্ছে।
আর কুকুরের হোটেল!

আয়ারল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, আইসল্যান্ড, গ্রীনল্যাণ্ড, এবং এন্টার্কটিকাতে মোটেও সাপ নেই ।

যাদু-টোনা যেটাকে আরবীতে সেহর বলা হয় তার আসল অর্থ হলো কোনো কিছুর প্রকৃতি পরিবর্তন করে দেয়া। 

যখন যাদুকর যাদু করে তখন সে কোনো ঘটনা, বিষয়বস্তু বা যে কোনো কিছুকে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে বিপরীতভাবে উপস্থাপন করে এবং মিথ্যাকে সত্য ও সত্যকে মিথ্যারুপে দৃষ্টিগোচর করে দিয়েছে বলে মনে হতে পারে। মূল বিষয়বস্তু, হাকিকত বা ঘটনাকে যাদুকর পরিবর্তন করে ফেলছে বলে হয়। যা সম্পূর্ণ হারাম, মিথ্যাচার এবং ধোঁকাবাজি। 

অনেক যাদুকর আছে যারা তন্ত্র টোনার কুফর শিরক ও পাপাচারের প্রতি নির্ভর করে দুজন মানুষের মধ্যে সম্পর্ক তৈরী করা বা তাদের মাঝে সম্পর্ক ছিন্ন করার চেষ্টা করে। যারা এই কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত তারা শয়তান অনিষ্টকারী জ্বীনকে সন্তুষ্ট করে কার্যসিদ্ধি করার চেষ্টা চালায়। যারা এই কাজকে পেশা হিসেবে নিয়েছে এবং যারা এই ঘৃণিত কাজের ওপর নির্ভর করে চলে, আস্থা রাখে তারা সকলেই গুনাহগার।

ইসলামের পরিভাষায়, যাদু করা কবিরা গুনাহ। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে যাদু-টোনার মাধ্যমে মানুষকে কষ্ট দেয়া হয়। জাদুকরের গুনাহ শবে কদর ও শবে বরাতের মহিমান্বিত রাতেও ক্ষমা করা হয় না। যে ব্যক্তি যাদু করে বা করবে বা যে এতে রাজি হবে সে কাফের বলে গন্য হবে

হ্যাঁ মায়ের মনে বিন্দুমাত্র কষ্ট দিয়ে থাকলে আপনি কোনদিনও জান্নাতে যেতে পারবেন না মাকে ভালবাসেন মার কাছে ক্ষমা চান তোমার কথা মতো চলবে ইনশাল্লাহ সব ঠিক হয়ে মা এমন একটা শব্দ  অপরাধ করেও যদি মায়ের সামনে গিয়ে কান্না করেন ক্ষমা করে দেবে
হচ্ছে ইবোলাভাইরাস গণের পাঁচটি ভাইরাসের মধ্যে অন্যতম একটি।এই ভাইরাস ইবোলা ভাইরাস ডিজিজ বা ইবোলা হিমোরেজিক ডিজিজ করে এবং ২০১৩-২০১৫ সালে পশ্চিম আফ্রিকায় মহামারী সৃষ্টি করে।[২] যা প্রায় ২৮,৬১৬ জনকে আক্রান্ত করে এবং ১১,৩১০ জনের নিশ্চিত মৃত্যু হয়।[৩] ইবোলা ভাইরাস ও এর গণ উভয়কেই জায়ার নামে অভিহিত করা হয় যেখানে এটি প্রথম দেখা দেয়। জায়ারের বর্তমান নামগণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র[প্রথমে এই ভাইরাসকেমারবুর্গ ভাইরাসের একটি নতুন প্রজাতি হিসেবে অনুমান করা হয়েছিল।২০১০ সালে সন্দেহ দূর করার জন্য নাম পরিবর্তন করে ইবোলা ভাইরাস রাখা হয়।বাদুড় বিশেষত ফল বাদুড়কে এই ভাইরাসের বাহক হিসেবে মনে করা হয়।এবং প্রাথমিকভাবে মানুষ থেকে মানুষে বা প্রাণী থেকে মানুষে শরীর নির্গত তরলের মাধ্যমে ছড়ায়।এই ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর মৃত্যুহার অনেক বেশি(প্রায় ৮৩-৯০
গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার চারটি কারণ নিম্নরূপ—             i. পৃথিবীর যে গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল, তা সূর্যের দিকে হেলে থাকে।      ii. সূর্য খাড়াভাবে কিরণ দেয়                                                         iii. দিনের সময়কাল দীর্ঘ হয়                                                           iv. সূর্য অপেক্ষাকৃত পৃথিবীর কাছাকাছি অবস্থান করে

এরই মধ্যে বিপিএল শুরুর সম্ভাব্য তারিখ জানা গিয়েছিল, ৬ ডিসেম্বর। অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের টেকনিক্যাল কমিটির প্রধান এবং বিসিবি পরিচালক জালাল ইউনুস জানিয়েছিলেন, ৬ ডিসেম্বর শুরু হবে এবারের বিপিএল

উত্তরঃ-ক্রিসেনথিয়াম।

উত্তরঃ-সিসাম গাছ।

  রাতে খাওয়া দাওয়ার পর ঘুমানোর আগে দুধের সাথে মিশিয়ে কালিজিরা খাওয়া শরীরের জন্য অনেক উপকার শুধু তাই না কালিজিরা মৃত্যু ব্যতীত সব রোগের উপকার

গাউছুল আজম (অর্থ হলঃ বড় সাহায্যকারী) এটা ওনার একটা সম্মানিত লক্বব/ উপাধী। অলীগণ সব সময় আমাদের সাহায্য করেন, আমাদের জন্য রূহানীভাবে দোয়া করেন।
সকল সাহায্যকারীর মূল হলেন আল্লাহ পাক আর সমগ্র সৃষ্টি জগতের সকলেই সাহায্যের উসীলা মাত্র। আল্লাহ পাকের ৯৯ নামে কি গাউছ আছে? আল্লাহর নাম যখন বান্দার জন্য ব্যবহৃত হয় তখন এর আগে আব্দুল ব্যবহৃত হয়।
পিতা-মাতাও সাহায্য করে থাকেন। তারাও তো সাহায্যকারী। আপনি নিজেও নিজের সাহায্যকারী, প্রত্যেক অংগ-প্রত্যংগ আপনার সাহায্যকারী।
কিন্তু মূলত প্রকৃত সাহায্যকারী আল্লাহ আর যাবতীয় সব উসীলা যা আল্লাহর দান আপনাকে সাহায্য করার জন্য

নামাজ পড়া যাবে কি?

Sabbirrahmanabir
Oct 17, 12:28 PM

যোহরের নামাজের সময়:

ঠিক দ্বিপ্রহরের পর সূর্য পশ্চিম আকাশে ঢলে পড়ার পর যোহরের নামাজের সময় শুরু হয়। প্রত্যেক জিনিসের ছায়ায়ে আছলি তথা মূল ছায়া ব্যতীত ওই জিনিসের দ্বিগুণ ছায়া হওয়া পর্যন্ত যোহরের নামাজের সময় বাকী থাকে। এই সময় নির্ধারণ করার একটি সহজ পদ্ধতি হলো মাটিতে কোনো লাঠি পুঁতে রেখে তার ছায়ার দিকে লক্ষ করা। যতক্ষণ পর্যন্ত দ্বিগুণ হবেনা ততক্ষণ পর্যন্ত যোহরের সময় থাকবে। (সহিহ বুখারি, হাদিস নং ৫১১, শরহে বেকায়া ০১/২৮)

যোহরের নামাজের সময়ের হাদিস:

হাদিস নং ০১-

عن أبي بُرزَة رضي الله عنه قال كان النبي صلي الله عليه وسلم يُصَلّْى الصُّبْحَ وأحدُنا يُعْرفُ جَلِيْسَه ويَقْرَأُ فيها مَا بَين السِّتين ألي المائة، رواه البخاري والمسلم

অর্থ : হজরত আনাস রাযিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নামাজের নিয়ম ছিল : গরমের মৌসুমে গরম তীব্র হয়ে হ্রাস পাওয়ার পর যোহরের নামাজ আদায় করতেন। শীত কালে আগে আগে আদায় করতেন। (নাসায়ি শরিফ ০১/৫৮)

মানুষের সৃষ্টির সেরা জীব জীন কে মানুষ  বাঁশ দিতে পারে সেটা আপনি জানেন কিছু তথ্য 

জাতীয়

 

সারাবাংলা

 

বিশ্ব

 

বিনোদন

 

খেলা

 

জীবনযাপন

 

ইসলামী জীবন

 

ভাইরাল

 

প্রথম পৃষ্ঠা

 

শেষ 

আবার মানুষ  জিন কে বাঁশ দিতে পারে  সেটা আপনি ভালো করে জানেন কিছু তথ্য দিতেছি    যার জীবন আছে সে-ই জীব। মনীষীদের মতে, আল্লাহ তাআলা জড় ও জীব মিলে সর্বমোট ৮০ হাজার বস্তু সৃষ্টি করেছেন।স্থলভাগে ৪০ হাজার এবং পানিতে ৪০ হাজার। এসব সৃষ্টির মধ্যে জিন, ফেরেশতা ও মানুষ সেরা; তবে মানুষই আশরাফুল মাখলুকাত বা সৃষ্টির সেরা জীব।মহান আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘অবশ্যই আমি আদম সন্তানদের সম্মানিত করেছি এবং তাদের পানিতে ও স্থলে প্রতিষ্ঠিত করেছি, তাদের উত্তম জীবনোপকরণ প্রদান করেছি এবং তাদের অনেক সৃষ্টির ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছি। ’ (সুরা ইসরা : ৭০

মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব : পবিত্র কোরআন ও হাদিসের বিভিন্ন বর্ণনা দ্বারা মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব সাব্যস্ত হয়েছে। মহানবী (সা.) ইরশাদ করেন, ‘যখন আল্লাহ পৃথিবী সৃষ্টি করেন, তখন তা দুলতে থাকে। অতঃপর তিনি পর্বতমালা সৃষ্টি করে তার ওপর তা স্থাপন করেন। ফলে পৃথিবী স্থির হয়ে যায়। ফেরেশতারা পর্বতমালা দেখে আশ্চর্য হয়ে জিজ্ঞেস করেন, হে আমাদের প্রতিপালক! আপনার সৃষ্টির মধ্যে পর্বত থেকে মজবুত কি কিছু আছে? আল্লাহ বলেন, হ্যাঁ, তা হলো লোহা। ফেরেশতারা আবার প্রশ্ন করল, হে আমাদের প্রতিপালক! আপনার সৃষ্টির মধ্যে লোহা থেকে মজবুত কি কিছু আছে? আল্লাহ বলেন, হ্যাঁ আছে, তা হলো আগুন।

ফেরশতারা আবার প্রশ্ন করে, হে আমাদের প্রতিপালক! আপনার সৃষ্টির মধ্যে আগুনের চেয়ে অধিকতর শক্তিশালী কি কোনো কিছু আছে? আল্লাহ বলেন, হ্যাঁ আছে, তা হলো বাতাস। ফেরেশতা প্রশ্ন করে, হে আমাদের রব! আপনার সৃষ্টির মধ্যে বাতাসের চেয়ে অধিক প্রবল কি কিছু আছে? আল্লাহ বলেন, ‘হ্যাঁ আছে, তা হলো আদম সন্তান। সে ডান হাতে যা দান করে, বাঁ হাত থেকে তা গোপন রাখে। ’ (মুসনাদ আহমদ, তৃতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা ৫৭৬)
আবু বকর (আরবি: أبو بكر‎‎) (২৭ অক্টোবর ৫৭৩ খ্রিষ্টাব্দ – ২৩ আগস্ট ৬৩৪ খ্রিষ্টাব্দ) ছিলেন মুহাম্মদ (সা) এর একজন প্রধান সাহাবি, ইসলামের প্রথম খলিফা এবং প্রথম মুসলিমদের মধ্যে অন্যতম। প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে প্রথম ইসলাম গ্রহণের সম্মান তাকে দেওয়া হয়। এছাড়া তিনি রাসুল মুহাম্মদ (সা) এর শ্বশুর ছিলেন। রাসুল মুহাম্মদ (সা.) এর মৃত্যুর পর তিনি খলিফা হন এবং মুসলিমদের নেতৃত্ব দেন। মুহাম্মদ (সা.) এর প্রতি অতুলনীয় বিশ্বাসের জন্য তাকে “সিদ্দিক” বা বিশ্বস্ত উপাধি প্রদান করা হয়েছে।[১] তবে এ ব্যাপারে কোন হাদিস পাওয়া যায়নি। হাদিসে অন্য তিনজনকে সিদ্দীক উপাধীকরণ করা হয়েছে। মিরাজের ঘটনা এক ব্যক্তির নিকট শুনে বিশ্বাস করেছিলেন। তাই তাকে আবু বকর সিদ্দিক নামেও সম্বোধন করা হয়তরুণ বয়সে আবু বকর(রাঃ)একজন বণিক হিসেবে জীবিকা নির্বাহ শুরু করেন। তিনি প্রতিবেশী সিরিয়া, ইয়েমেন ও অন্যান্য অঞ্চলে ব্যবসার কারনে ভ্রমণ করেছেন। এর মাধ্যমে তিনি সম্পদশালী হয়ে উঠেন এবং অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। তিনি তার গোত্রের একজন নেতা হয়ে উঠেছিলেন।[২] ইয়েমেন থেকে বাণিজ্য শেষে ফেরার পর তিনি মুহাম্মদ (সা.) এর ইসলাম প্রচারের সংবাদ পান। এরপর তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। তার ইসলাম গ্রহণ অন্য অনেকের ইসলাম গ্রহণের উৎসাহ যুগিয়েছে।[৩] আবু বকরের(রাঃ) মেয়ে আয়িশার সাথে মুহাম্মদ (সা.) এর বিয়ের ফলে তাদের দুজনের সম্পর্ক আরো ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠে।[১] আবু বকর(রা.) একজন একনিষ্ঠ সহচর হিসেবে মুহাম্মদ (সা.) এর সহযোগিতা করেছেন। তার জীবদ্দশায় আবু বকর বেশ কয়েকটি যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। তাবুকের যুদ্ধে তিনি তার সমস্ত সম্পদ দান করে দেন।[৪] হুদায়বিয়ার সন্ধিতে আবু বকর অংশ নিয়েছিলেন এবং তিনি ছিলেন এই চুক্তির অন্যতম সাক্ষী।[৪] আবু বকরের (রা.)খিলাফত দুই বছরের কিছু বেশি সময় স্থায়ী হয়েছিল। এরপর তিনি অসুস্থ হয়ে মারা যান। তার খিলাফতকাল দীর্ঘ না হলেও তিনি একজন সফল শাসক ছিলেন। মুহাম্মদ (সা.) এর মৃত্যুর পর নবী দাবি করা ব্যক্তিদের তিনি রিদ্দার যুদ্ধে সফলভাবে দমন করেছেন এবং তৎকালীন দুটি পরাশক্তি পারস্য ও বাইজেন্টাইনদের উপর সফল অভিযান পরিচালনা করেছেন। অভিযানের ধারাবাহিকতায় কয়েক দশকে মুসলিম খিলাফত ইতিহাসের সর্ববৃহৎ সাম্রাজ্যের একটিতে পরিণত হয়
নিছে পিকচার দিতেছি দেখেন