5 Answers

স্বাভাবিক ভাবেই মোটা মানুষের ঘাম চিকন মানুষের তুলনায় একটু বেশিই হয়।ঘাম স্বাভাবিক ভাবে শরীরের কোন ক্ষতি করে না বরং ঘামের ফলে ত্বকের বাইরে ক্ষারীয় পরিবেশের সৃষ্টি হয় এতে বাইরে থেকে আগত জ্বীবানু ধ্বংস হয়।অতিরিক্ত ঘাম হলে ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিত।

3037 views

মোটা মানুষের ঘাম বেশী হয় কারন তাদের শরীরে  চর্বি অতিরিক্ত  মাত্রায় থাকে তাই ঘাম বেশী হয় আর চিকন মানুষের ঘাম কম হওয়ার কারন তাদের শরীরে চর্বির মাত্রা কম ঘাম বেশি হলে আপনি আপনি শরির থেকে চর্বি কমানোর চেষ্টা করুন পরিমিত পরিমান খাবার খান।

3037 views

মোটা মানুষের একটু বেশি ঘাম হওয়া স্বাভাবিক।তাতে কোনো রকম সমস্যা হবে না।তারা অল্প কাজ করলেই ঘেমে যায়।ঘাম হওয়া ভালো,এতে শরীরের দূষিত পদার্থ ঘামের রূপে বেরিয়ে যায়।

3037 views

হ্যাঁ, মোটা মানুষের ঘাম চিকন মানুষের থেকে বেশি হয় । কেননা, মোটা মানুষের শরীরে অতিরিক্ত চর্বি থাকে । আর আপনার শরীর মাত্রাতিরিক্ত ঘামার ও চিকিৎসা আছে । তবে এজন্য আপনাকে চিকিৎসকের শরনাপন্ন হতে হবে ।

3037 views

স্বাভাবিক ভাবে আমরা জানি, মোটা মানুষ চিকন মানুষের থেকে বেশি ঘামে৷ তবে এর বিপরীত অনেক সময় দেখা দিতে পারে। এর কারণ হলো → শরীরের ভেতরে যে তাপমাত্রা আছে- এটি যাতে সহজে বের হয়ে যায় এবং ভেতরে বেশি গরম না হয়ে যায় সে জন্য ঘাম হয়। তার মানে হচ্ছে, ঘাম যখন হয় তখন শরীরের কিছু তাপমাত্রা নিয়ে সে বের হয়ে আসে এবং বাইরের আবহাওয়ায় এসে সেটা শুকিয়ে যায়।             মোটা মানুষ বা চিকন মানুষ পার্থক্য করে ঘাম বেশি বা কম হয় না।  যেহেতু ঘাম একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া তবুও যদি অতিরিক্ত ঘাম হয় তবে    অ্যালুমোনিয়াম ক্লোরাইড নামে এক ধরনের উপাদান আছে সেটি দিয়ে কিছুক্ষণের জন্য হাত-পায়ের ঘাম বন্ধ করা সম্ভব। কোনো কোনো সময় ইনজেকশন দিয়েও হাত-পা ঘামা বন্ধ করা যেতে পারে। এটি দিয়ে কয়েক মাসের মধ্যে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। কিছু সার্জারি আছে, করলে স্থায়ীভাবে লোকালাইজড ধরনের ঘামা বন্ধ করা যায়। এটা নির্ভর করে হাত-পা ঘামার পরিমাণ কেমন, কতটুকু, তার অসুবিধা হচ্ছে কি না- তার ওপর। 

3037 views

Related Questions