করি ,কিনতু পরে আমি ওয়াদা ও কসম ভঙ্গ করে ফেলি ,অন্য এক মেয়েকে বিয়ে করি  এতে আমার ওয়াদা ও কসম যে ভঙ্গ হয়েছে তার হুকুম কি ? প্লিজ রেফারেন্স সহ বলবেন 
2901 views

1 Answers

ওয়াদা করা আর কসম খাওয়া এক জিনিস নয়। কেউ হয়ত মনে মনে বা কারো কাছে ওয়াদা করল যে, সে এ কাজটা করবে কিন্তু পরে কোন কারণে তা করতে পারল না। তাহলে তা কসম ভঙ্গ হিসেবে গণ্য হবে না। কারণ সে আল্লাহর নামে কসম করে নি। পক্ষান্তরে কেউ যদি বলে, আল্লাহর নামে কসম করে বলছি, উমুক কাজটা করব তাহলে এটা হল কসম। এখন সে যদি উক্ত কাজটা না করে তাহলে তা কসম ভঙ্গ হিসেবে গণ্য হবে। এ ক্ষেত্রে তাকে কসম ভঙ্গের কাফফারা দিতে হবে। কিন্তু সাধারণ ওয়াদা অঙ্গীকার ভঙ্গ করলে তার কোন কাফফারা নেই। কিন্তু ওয়াদা রক্ষা না করতে পারার কারণে আল্লাহর নিকট তওবা করবে এবং যার সাথে ওয়াদা করেছিল তার কাছে ক্ষমা চাইবে। কেউ যদি আল্লাহর নামে কোন কিছু করার কসম করে অর্থাৎ আল্লাহর কসম আমি তোমাকে বিবাহ করব কিন্তু পরে যদি কসম ভঙ্গ করে যা ইতিমধ্যে করেছেন তাহলে ইসলাম এ সুযোগ দিয়েছে যে, সে কসম ভঙ্গের কাফফারা আদায় করবে। আর তা হলোঃ ১। দশজন মিসকিনকে মধ্যম ধরণের খাবার খাবার খাওয়ানো। ২। ১০ জন মিসকিনকে পোশাক দেয়া। ৩। একজন গোলাম আযাদ করা। এ তিনটি কোনটি সম্ভব না হলে তিনটি রোযা রাখা। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা বলেন, আল্লাহ তোমাদেরকে পাকড়াও করেন না তোমাদের অনর্থক শপথের জন্যে; কিন্তু পাকড়াও করেন ঐ শপথের জন্যে যা তোমরা মজবুত করে বাধ। অতএব, এর কাফফরা এই যে, দশজন দরিদ্রকে খাদ্য প্রদান করবে; মধ্যম শ্রেনীর খাদ্য যা তোমরা স্বীয় পরিবারকে দিয়ে থাক। অথবা, তাদেরকে বস্তু প্রদান করবে অথবা, একজন ক্রীতদাস কিংবা দাসী মুক্ত করে দিবে। যে ব্যক্তি সামর্থ্য রাখে না, সে তিন দিন রোযা রাখবে। এটা কাফফরা তোমাদের শপথের, যখন শপথ করবে। তোমরা স্বীয় শপথসমূহ রক্ষা কর এমনিভাবে আল্লাহ তোমাদের জন্য স্বীয় নির্দেশ বর্ণনা করেন, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা স্বীকার কর। (সূরা মায়িদাহ আয়াতঃ ৮৯)

2901 views

Related Questions