আমার দাড়ি আছে,,  আমি এখনো সেভ করি নাই। আমাকে একজন হঠাৎ করে বলে, দাড়ি যে রাখছত,  তরে ত কোনো মাইয়া বিয়া দিবো না। বা তোমারে পছন্দ করবো না। আমার কথা হলো যে, আমার বিয়া হোক আর না হোক,  আমি দাড়ি কাটবো না। ভালো একটা পরামর্শ দিন   
2975 views

5 Answers

যে মেয়ে ইসলামকে ভালোবাসে সে অবশ্যই দাড়ি পছন্দ করবে। আর আপনি যেহেতু দাড়ি রেখেছেন তাতো ইসলামকে ভালোবেসেই। অতএব যে মেয়ে দাড়ি পছন্দ করবেনা তাকে আপনার বিবাহ করার দরকার নাই। একটু ধৈয্য ধরুন আল্লাহ তায়ালা হয়তো এর চেয়েও ভালো কিছু আপনার কপালে রাখছে।

2975 views

দাঁড়ি রাখা হলো রাসুল (সা.) এর সুন্নত। সুতরাং, দাঁড়ি কাটলে বা সেভ করা অবশ্যই পাপের কাজ। যে যাই বলুক না কেন কখনো দাড়ি সেভ করবেননা। শুধু দাঁড়ি না সবক্ষেত্রেই সুন্নতের অনুসরণ করবেন।

2975 views

দাঁড়ি রাখার কারণে যদি কোন মেয়ে আপনাকে বিয়ে না করে তাহলে বুঝে নিবেন আপনি একটা খারাপ মেয়ের হাত থেকে বেচে গেলেন। যে ইসলাম পছন্দ করেনা।

2975 views

যেই মেয়ে দাড়ির জন্য আপনাকে বিয়ে করবনা ধরে নিন সে আপনার বউ হবার যোগ্যই না।

2975 views

গোঁফ ছোট রাখা এবং দাড়ি লম্বা রাখা মুসলমানদের ধর্মীয় প্রতীক। দাড়ি রাখা কোনো ফ্যাশন নয়, এটি ইবাদত। এটি মহানবী (সা.)সহ সব নবীর সুন্নাত। সুন্নাহসম্মত দাড়ি কোনো ব্যক্তি মুসলিম হওয়ার অন্যতম নিদর্শন।

দাঁড়ি রাখার ধর্মীয় উপকারিতা সম্পর্কে আমি/আপনি/সবাই কম-বেশি  অবগত,কিন্তু দাড়ি রাখার শুধু ধর্মীয় উপকার'ই নয়,শারীরিকও অনেক উপকার রয়েছে৷ 

মাওলানা আশেকে ইলাহি মিরাঠি (রহ.) তাঁর ‘ডারহি কি কদর ও হিকমত’ নামের বইয়ে লিখেছেন : ইউনানি চিকিৎসাবিজ্ঞান অনেক আগেই এ সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে যে দাড়ি পুরুষের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। গলা ও বক্ষকে ঠাণ্ডা ও গরম থেকে রক্ষা করে । আধুনিক ডাক্তারদের মধ্যে একজন লিখেছেন : সব সময় দাড়িতে খুর চালালে চোখের শিরার ওপর বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। এতে চোখের জ্যোতি ক্রমেই ক্ষীণ হয়ে আসে। অন্য এক ডাক্তার লিখেছেন : দাড়ি জীবাণুকে দাড়ির ভেতরে ঢুকতে প্রতিবন্ধতার সৃষ্টি করে। তাকে গলা, বক্ষ পর্যন্ত অতিক্রম করতে বাধা দেয়। দাড়ি না রাখা যৌনশক্তি শূন্যের কোঠায় পৌঁছে দেয়।

এসব আলোচনার মূল উদ্দেশ্য আপনার মনের প্রশান্তি! আপনি যদি আগে এসম্পর্কে না যেনে থাকেন তবে আজ যেনে নিশ্চয় আপনার মনে প্রশান্তি আসবে৷যে আপনি দাড়ি রাখার মাধ্যমে কত বড় মহান কাজ করছেন৷ 

মূল আলোচনা -আল্লাহর রাসুল (সাঃ) বিয়ের ক্ষেত্রে একটি নির্দেশনা দিয়েছেন, তার মধ্যে বলেছেন, তোমরা বিয়ের ক্ষেত্রে মেয়ের দীনদারিতাকেই প্রধান্য দাও,এতে তোমার দাম্পত্য জিবন হয়ে উঠবে মধুরও সুখময়৷ 

সুতরাং -আমি/আপনি একজন মুসলিম হিসেবে যে মেয়ে দাড়িকে অপছন্দ করবে, তাকে নিজের জীবনের জন্য কখনো পছন্দ করতে পারিনা৷

বিজ্ঞজন বলে গেছেন-"এটা ভেবোনা যে,তুমি তার উপযুক্ত ছিলেনা৷ বরং এটা ভাবো যে সে তোমার উপযুক্ত ছিলোনা৷"

ধৈর্য্য রাখুন-অবশ্যই অবশ্যই আপনার জন্য উত্তম কিছু অপেক্ষা করছে৷

2975 views

Related Questions