3 Answers
সকালে ভোরের বাতাস হজমশক্তি বাড়ায়। ফলে অনেকের এতে ওজন কমতে পারে।
সকালের বাতাস রক্তচাপ ও হার্টবিট স্বাভাবিক রাখে।
সকালের বাতাস সিরোটনিন নামক হরমোন তৈরি করতে পারে যার ফলে একজন মানুষ সুখি হতে পারে।
সেই ভোরের বাতাস আমাদের ফুসফুস কে পরিষ্কার রাখে। ফলে, ফুসফুস এর বিভিন্ন রোগ হতে রেহাই পাওয়া যায়।
সকালের বাতাস আমাদের শরীরের শ্বেত রক্ত কণিকা কে অনেকাংশে সাহায্য করতে পারে এবং এর ফলে সেই শ্বেত রক্ত কণিকা বিভিন্ন জীবাণু বা ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়তে পারে। এতে শরীর ইনফেকশন মুক্ত থাকে।
ভোরের সেই বাতাস আমাদের মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতেও পারে।
কোন নিরিবিলি/ কোলাহল মুক্ত জায়গায় ভোরের বাতাস উপকারে আসতে পারে।
শহরে তেমন একটা উপকার পাওয়া যাবে না।
আশা করি, বুঝতে পেরেছেন।
সকালবেলা হাঁটলে শরীরের প্রতিটি কোষে বিশুদ্ধ রক্ত এবং অক্সিজেন পৌঁছে যায়। ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং সহজেই অসুখে পড়ার প্রবণতা কমে। সকালে সম্ভব না হলে বিকেলে হাঁটুন।
প্রতিদিন মাত্র ২০ থেকে ৩০ মিনিটের এ হাঁটা সারা দিন ভালো কাটাতে সাহায্য করে এবং স্বাস্থ্য ভালো রাখে। তাই নিয়মিত আলো-বাতাসপূর্ণ জায়গায় কমপক্ষে আধাঘণ্টা হেঁটে নিন।
প্রতিদিন সকালে হাঁটার সময় বিশুদ্ধ বাতাস ও সুন্দর পরিবেশ আপনার হৃৎপিন্ড ও মনের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে তুলবে। হাঁটার সময় হৃৎপিন্ড শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে বিশুদ্ধ রক্ত সঞ্চালন করে। ফলে প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সুস্থ ও সচল থাকে।
প্রতিদিন হাঁটতে যাওয়ার আগে লক্ষ্য রাখুন আপনার পোশাকটি যথেষ্ট আরামদায়ক এবং হাঁটার উপযোগী কিনা। হাঁটার আগে একটু ঢিলেঢালা পোশাক পরে নিন। হাঁটার জন্য আরামদায়ক জুতা কিনে নিন। সঙ্গে অবশ্যই খাবার পানি রাখুন। প্রতি ১৫ মিনিট পরপর পানি পান করুন অল্প করে। তাহলে সকালের হাঁটার অভ্যাসটা উপভোগ্য হয়ে উঠবে।
সকালে নিয়মিত হাঁটলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। নিয়মিত সকালে হাঁটলে রক্তের লোহিত কণিকাগুলো থেকে চর্বি ঝরে যায়। এছাড়াও হাঁটার সময় রক্তের ইনসুলিন ও গ্লুকোজ ক্ষয় হয়। ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রিত থাকে।
সকালে প্রতিদিন কিছুক্ষণ করে হাঁটলে ফুসফুসে তাজা বাতাস প্রবেশ করার সুযোগ পায়। এ বাতাস থেকে অক্সিজেন সংগ্রহ করে হৃৎপিন্ড রক্তকে বিশুদ্ধ করে এবং অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত মস্তিষ্কে সরবরাহ করে। ফলে মস্তিষ্ক সচল থাকে এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়।
প্রতিদিন সকালে হাঁটলে প্রচুর পরিমাণে ঘাম হয়। ফলে ত্বকের লোমকূপগুলো খুলে যায় এবং শরীরের দূষিত পদার্থগুলো ঘামের মাধ্যমে বের হয়ে যায়। ফলে ত্বক উজ্জ্বল ও লাবণ্যময় দেখায়।
নিয়মিত সকালে হাঁটলে মেদ-ভুঁড়ির হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। হাঁটলে প্রচুর ক্যালরি ক্ষয় হয়, ফলে নিয়মিত কম ক্যালরির খাবার খাওয়ার পাশাপাশি প্রতিদিন সকালে অন্তত আধাঘণ্টা করে হাঁটলে মেদ কমে এবং দেহের আকৃতি সুন্দর হয়।
সোর্সঃ এখানে দেখুন...
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy