2 Answers
যারা একা একা হাসে ,কাদে, কথা বলে , অল্পেই উত্তেজিত হয়ে যায়, অত্যাধিক চুপচাপ ,অস্বাভাবিক আচরন করে তারা মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যাক্তি ।
এ রোগের প্রাথমিক লক্ষণ!
* কাল্পনিক চিন্তা এবং এই চিন্তা-ভাবনাগুলো রোগীর মনে বারবার দেখা যায়। অনেক চিন্তা অত্যন্ত কষ্টদায়ক হলেও রোগী ইচ্ছে করলেই সেই চিন্তা ত্যাগ করতে পারেন না।
* বারবার যে কোন জিনিস যাচাই করা। যেমন বাসা থেকে বাইরে ঘুরতে বের হয়ে বারবার ফিরে গিয়ে চেক করা- দরজায় তালা লাগানো হয়েছে কিনা। বারবার হাত ধোয়ার অভ্যাস।
* অদ্ভুত সব জটিল কিছু সমস্যা বা প্রশ্ন নিয়ে রোগী প্রচণ্ড ব্যস্ত থাকেন, কিন্তু সেসব প্রশ্নের সদোত্তর মেলে না।
* কেউ কেউ তার নিকটাত্মীয়কে বারবার একই কথা বলে বিরক্ত করেন, অথচ যা একবার বললেই হয়।
* এ রোগে আক্রান্ত অনেকে সবকিছুতেই ‘কিন্তু’ থেকে বেরিয়ে আসতে পারেন না, অর্থাৎ বিভ্রান্ত থাকেন।
* অনেক শিক্ষার্থীর মধ্যেই এই রোগের লক্ষণ রয়েছে। সেসব শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় ধীরে ধীরে পিছিয়ে পড়তে থাকে। পরীক্ষার হলে তারা বারবার করে খাতার আগের পাতা দেখতে থাকে যে কি লিখেছে। ফলে কখনো পূর্ণ নম্বরের উত্তর লিখতে পারে না।
* সর্বদা কাজ-কর্ম ধীর গতিতে করে ও উদ্বিগ্ন থাকে।
এসব লক্ষ্যণ কোন ব্যাক্তির মধ্যে দেখা গেলে দ্রুত নিকটস্থ কোন ভাল ডাঃ দেখান৷ (পূর্ণ যত্ন নিনও সেবা করুন৷)
অযত্নে, অবহেলায়,কেউ কেউ আত্মহত্যাও করে।