বাধ্য হয়ে যদি বেগানা নারীদের দেখতে হয়, কথা বলতে হয় ও যোগাযোগ রাখতে হয় তাহলে কি কুরআন-হাদিসের আলোকে চোখের যেনা হবে না কি কোন গুনাহ হবে না?

মিডিয়ায়, সমাজব্যাবস্থায়, শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে, ইন্টারনেটে, কর্মসংস্থানে, ভার্সুয়াল যোগাযোগ মাধ্যমে, বিভিন্ন এ্যাডভার্টাইজমেন্টে ও সরকার ব্যাবস্থায় বেগানা নারীদের সাথে যোগাযোগ করতে বাধ্য হতে হয়, তাদের সাথে কথা বলতে হয়, তাদের সাথে ওঠা বসা করতে হয়, নারীরা হিজাব না করা ও ঢিলেঢালা বোরখা পরিধান না করা ও মেকআপ করে সেজেগুজে লোকসমাজে প্রদর্শন করার কারণে বাধ্য হয়ে মুমিন পুরুষদের বেগানা নারীদের দিকে তাকাতে হচ্ছে, তাদের সাথে কথা বলতে হচ্ছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে বাধ্য হয়ে বেগানা নারীদের দেখার কারণে কি চোখের যেনা হবে না কি কোন গুনাহ লেখা হবে না? গুনাহ লেখা হবে সব সমাজব্যবস্থা ও সরকার ব্যবস্থার কর্তৃপক্ষ উপর?
2930 views

1 Answers

অবশ্যই এটি চোখের যিনা এবং কবিরা গুনাহ হবে। যা তওবা ছাড়া মাফ হয়না। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘আর মুমিন পুরুষদেরকে বল, তারা তাদের দৃষ্টিকে সংযত রাখবে। (সুরা নুর) রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ “কোন বেগানা নারীর প্রতি দৃষ্টি দেওয়া চোখের যিনা, অশ্লীল কথাবার্তা বলা জিহ্বার যিনা, অবৈধভাবে কাউকে স্পর্শ করা হাতের যিনা, ব্যাভিচারের উদ্দেশ্যে হেঁটে যাওয়া পায়ের যিনা, খারাপ কথা শোনা কানের যিনা আর যিনার কল্পণা করা ও আকাংখা করা মনের যিনা। অতঃপর লজ্জাস্থান একে পূর্ণতা দেয় অথবা অসম্পূর্ণ রেখে দেয়”। সহীহ আল-বুখারী, সহীহ আল-মুসলিম,সুনানে আবু দাউদ, সুনানে আন-নাসায়ী। আর এ ধরনের গুনাহের কাজে কারো আনুগত্যও করা যাবে না। বর্ণিত হয়েছে, "স্রষ্টার অবাধ্যতায় সৃষ্টির আনুগত্য করা যাবে না।" হ্যাঁ, যারা এই ইসলামবিরোধী আইন করেছে, বাধ্যবাধকতা আরোপ করেছে, তাদেরও গুনাহ হবে।

2930 views Answered

Related Questions

Next steps