দাঁত মাজা সমপর্কে জানতে চাই?
4 Answers
খুব ভালো উত্তর আছে আমার কাছে।আপনি নরম ব্রেসলের ব্রাশ কিনুন।সেই ব্রাশ কিনুন যেটা ফ্লেক্সিবল বা নমনীয়।এরপর আস্তে আস্তে সময় নিয়ে ব্রাশ করুন।বেশি চাপ দিয়ে ব্রাশ করবেননা।হালকা করে ব্রাশ করুন।মাড়ির গোশত নেমে যাচ্ছে এটা আসলে মাড়ির সমস্যা।আপনি দন্ত চিকিৎসকের নিকট যান
যদি আপনার মাড়ির প্রদাহ বাড়তে থাকে তাহলে আপনি হাত ব্যবহার না করে পরিষ্কার কাপড়ে টুথপেস্ট লাগিয়ে দাত পরিষ্কার করতে পারেন ধীরে ধীরে। হাত দিয়ে দাত পরিষ্কার করা সঠিক পদ্ধতি নয়। আপনি বেবি ব্রাশ ব্যবহার করতে পারেন। মাড়ির খুব বেশি সমস্যা হলে চিকিৎসক এর পরামর্শ নিবেন অবশ্যই। নিচের পদ্ধতিগুলি ফলো করুন:
-
আপনি প্রতিদিন এককাপ গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে গরগল করুন।
-
গরম জলে আদা মিশিয়ে খেলেও আপনি উপকার পাবেন।
-
আপনি এক কাপ গরম পানিতে, সামান্য হুলুদ গুঁড়া এবং সামান্য মধু ও লবণ মিশিয়ে নিন।এই মিশ্রণটি দিয়ে দিনে দুইবার কুলি করবেন, খুবই ভাল ফল পাবেন।
-
একটু তুলার মধ্যে টি ট্রি তেল নিন। আক্রান্ত স্থানে ঘষুন। এতে মাড়ির ব্যথা কমবে।
-
আপনি একটি লেবু নিয়ে মাড়িতে ঘষুন,দেখুন আরাম পাবেন।
-
এছাড়া কাচা রসুন চিবোতে পারেন অথবা কাচা রসুন থেঁতলে মাড়িতে লাগালেও ব্যথা কমে যাবে।
-
ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার খাবেন।
খুব বেশি সমস্যা হলে চিকিৎসক এর কাছে যান।
আপনি হারবালের (এপি দর্শন চূর্ণ) পাউডার দাঁতের মাজন হিসেবে ব্যবহার করুন। ব্যবহার বিধিঃ দৈনিক তিনবার হাতের আঙ্গুল দ্বারা ব্রাশ করুন। মূল্য: ৩৫ টাকা। নিকটস্থ হারবালের দোকানে পাওয়া যাবে। "একবার ব্যবহার করলেই বুঝতে পারবেন"
অাপনি খুব শক্ত করে দাতঁ ব্রাশ করেন ।তাই উক্ত সমস্যা দেখা দিচ্ছে সেই সাথে দাতেঁ এনামেলের ক্ষতি হতে পার।নিচের ধাপ ফলো করুন ও অলতো করে ধরে দাতঁব্রাশ করুনঃ →একসাথে দুই থেকে তিনটি দাতের বাইরের অংশ বা বহিঃভাগে টুথব্রাশ দিয়ে আড়াআড়িভাবে উপরে-নীচে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। →প্রক্রিয়াটি শেষ হলে এবার আড়াআড়িভাবে টুথব্রাশ রেখে পিছনে এবং ভিতরের অংশে উপর-নীচ করার মাধ্যমে দাঁত মাজতে হবে। →এবার সামনের দাঁতের পিছনে লম্বাভাবে টুথব্রাশ রেখে ব্রাশের সামনের অংশ দিয়ে উপর-নীচ করতে হবে। →অতঃপর, দাঁতের যে অংশ দিয়ে চিবিয়ে খাবার খেতে হয়, সেই অংশসহ স্বাদ গ্রহণকারী অঙ্গ হিসেবে জিহ্বার ভিতরে ও বাইরে পরিষ্কার করতে হবে হাত দিয়ে দাতঁ মাজলে দাতেঁর ফাকেঁ অাটকে থাকা খাদ্যদ্রব্য পরিষ্কার হয় না ফলে ভয়ংকর রোগ দেখা দিতে পারে।