খুব জটিল সমস্যা?

৬ মাস আগে আমি একটা ছেলের সাথে ব্রেক আপ করি। মূলত তার সন্দেহপ্রবণতার কারণে আমি তার সাথে সম্পর্ক ত্যাগ  করি।  কিন্তু সে বিভিন্নভাবে আমাকে বুঝানোর চেষ্টা করে।  সে বলে যে সে নাকি আমাকে সত্যি ভালোবাসে তাই সন্দেহ করে।  কিন্তু সে আমাকে  শত বুঝালেও  আমি তাকে না বলে দেই। কারণ আমি তার কাছে ফিরে  যেতে চাইনা।  কারণ আমার ধারণা ফিরে  গেলে সে আমাকে আবার সন্দেহ করবে। কিন্তু ইদানিং সে আমাকে বিভিন্নভাবে বিরক্ত করে।  ফোন করে কান্না করে।  মাঝে মাঝে গালাগাল করে। কেন আমি তার ভালোবাসা নিয়ে খেলা করেছি এই ধরণের প্রশ্ন করে। তাছাড়া সে ফেসবুকেও বিভিন্নধরনের ফেক আইডি খুলে আমাকে বিরক্ত করে।  এমনকি পরীক্ষার সময়ও সে আমাকে ফোন করে বিরক্ত করে।   এই সমস্যা থেকে উত্তরণের উপায় কি ?
3069 views

3 Answers

ছেলে আপনাকে ভালোবাসে কিন্তু এইটা আবেগ এর ভালোবাসা যা বেশি দিন থাকবে না। আপনাকে ও এখন বিরক্ত করছে বিভিন্ন ভাবে এই কথা গুলা ফ্যামিলির কারো কাছে বলুন। আর পারলে ছেলেকে বুঝান। যদি না বুঝে তাহলেই ফ্যামিলিকে বলবেন । আর অর সন্দেহ ভাবটা যাবে না ৷তাই আপনি সরে এসেছেন এইটা আমার মত ভালো  করেছেন। আর আপনার ফেসবুক আইডির সিকিউরিটি বারান যাতে অপরিচিত কেও রিকুয়েষ্ট আর মেজেস না দিতে পারে। না পারলে বলবেন হেল্প করার চেষ্টা করব।    

3069 views Answered

আসলে আপু সত্যি কথা কি সত্যিকারের ভালোবাসার মধ্যে একটা হিংসা, অবিশ্বাস,সন্দেহ লুকিয়ে থাকে যা সত্যই ভালোবাসার মানুষ গুলোর মধ্যে নিহিত।  

তবে হ্যা আপনার কথা অনুযায়ী ছেলেটি আসলেই আপনাকে অনেক ভালোবাসে তাই সে চায় না আপনি অন্য ছেলের সাথে কথা বলেন বা অন্য কারো সাথে আড্ডা দেন। এটা কেউই চায়।
হ্যা আপু সে সত্যই কথাই বলেছে "আপনাকে সে সত্যি ভালোবাসে  বিধায় সন্ধেহ করে" কিন্তু এই সন্ধেহ কারো ভালোবাসা  কেরে নেয়  আবার কারো ভালোবাসা শক্ত ও বিশ্বাসী  হয়। আর আপনার প্রতি তার বিশ্বাস আর সন্দেহ দুইটাই  ছিলো বিধায় আপনাকে বার বার বোঝানোর চেস্টা করেছে কিন্তু তার জন্য আপনার মনে কোন ভালোবাসাই  জন্মালো না যদি আপনার মাঝে তার প্রতি ভালোবাসা থাকতো তাহলে কখনোই তাকে ছেড়ে যেতেন না।
আপু আপনি হয়তো জানেন যে দুইজন ছেলে মেয়ের মাঝে গভির ভালোবসা সৃষ্টি হলে ঐ ভালোবাসার মেয়েটি যদি তার ভালোবাসার মানুষের সাথে অন্য কোন মেয়ে কথা বলে তাহলে কিন্তু মেয়েটি রাঘ করবে বা সন্দেহ করবে ছেলেটির উপর। অণুরুপ ভাবে ছেলেটি যদি তার ভালোবাসার মানুষের সাথে অন্য কোন ছেলে কথা বলে তাহলে সেও কিন্থ মেয়েটির উপর রাঘ করবে বা সন্দেহ করবে।
কারন এখানে আমরা  কেউ চাই না যে   আমার ভালোবাসার মানুষটি প্রতিনিয়ত অন্য মেয়ের সাথে বা ছেলের সাথে কথা বলুক বা আড্ডা দেক।এতে সত্যিকারের ভালোবাসা প্রকাশ পায়  এখানে একে অপরের সন্ধেহ করলে তাহলে একে অপরে বোঝা পড়া করে সমস্যা মিটিয়ে নেওয়া যায়। কিন্তু তার মানে এই না যে সন্ধেহ করে বিধায় তাকে ছেড়ে দেই বা ব্রেকাব করি । 
তাই আমার মতে যা করেছেন আপনি অনেক ভুল করেছেন যদি পারেন তাহলে তাকে বুকে টানেন কারন সত্যিকারের ভালবাসার মধ্যে অনেক ঝগড়া ,অভিমান,খোব,জেদ,রাঘ,কান্না,বিদ্যমান থাকে যার জন্য ভালোবসা আরো বেশি প্রসারিত হয়।

জানি না আমি ছেলেটি আপনাকে কিসে  সন্ধেহ করেছিলো । তবে আমার বিশ্বাস যে আপনি একাধিক ছেলের সাথে প্রেম করেন না,ছেলেদের কে নিয়ে ভালোবাসার ছলোনা করেন না। আপনি একাধিক ছেলের সাথে প্রেম করেন না। →তবে মনে রাখবেন আপনি যেমন একজন মানুষ ছেলেরাও তেমনি একজন মানুষ দুই প্রানির মাঝে একটি পবিত্র মন থাকে যা একবার কারো প্রতারণা কারনে ভেঙ্গে গেলে মানুষ বেঁচে থাকার ইচ্ছা আকাঙ্খা হারিয়ে ফেলে ফলে তারা বিষ পান করে ,গলায় ফাঁস দেয় , ছাদ থেকে লাফিয়ে আত্মাহত্যা করে। 

তাই বলছি যদি আপনার মনে সত্যিই ছেলেটির প্রতি একটু ভালোবাসা থেকে থাকে তাহলে তাকে কাছে টাটুন। আর তার প্রতিভালোবাসা না থাকলে তার কাছ থেকে দুরে থাকুন এমন দুরে থাকবেন যাতে আপনার চেহারা সে কখনোই দেখতে না পায়।
মনে রাখবেন মানুষের মন ভাঙ্গা আরর মসজিদ ভাঙ্গা একই কথা কেনো না মানুষের মন গুলো মসজিদ ঘরের মতই পবিত্র।
আমি আশা করবো আমার কথা গুলো বুঝতে পারবেন। 
3069 views Answered

ছেলেদের মন সম্পর্কে আমার কিছুটা ধারণা আছে ; তারা স্বভাবে খুব জিদি!  তারা হার না মানা জাতি । সন্দেহ হলো সবচেয়ে নিকৃষ্ট তম চিন্তা।  রবীন্দ্রনাথ বলেছেন,  "সন্দেহ হলো পুলিশের পেশা। " আপনাকে একটা কথা বলি,  যেহেতু ছেলেটার থেকে দূরে চলেগেছে আর কাছে যাওয়া দরকার নাই। আপনি তাকে আশ্বস্ত করেন নাই তাই সে মানুসিক ভাবে বিকারগস্ত ; পুরুষ জাতি প্রতিশোধ প্রবণ জাতি। যদি সে আপনাকে ভালোই বাসতো তাহলে পরীক্ষার সময় বিরক্ত করতো না ; কারণ কোনো মানুষই তার প্রিয় ব্যাক্তির ক্ষতি করেনা। সে আপনাকে কখনো ছাড় দিবে না,  যতক্ষণ পর্যন্ত তার সাধ না মিঠে। আপনি আপনার পরিবারের সহয়তা নেন।  মনে রাখবেন,  প্রতিটি মানুষে পরিবার থেকে শান্তি স্থান আর কোথাও নাই। 

3069 views Answered

Related Questions

Next steps