আমি ইফতারের পরে সাথে সাথে মাগরিবের নামায পড়ি না।পরে এশার নামাযের কিছুক্ষণ আগে পড়ি।আমার প্রশ্ন হলো যে মাগরিবের নামায কী ইফতারের পরে সাথে সাথে পড়তে হবে?আর আমি যে বিলম্ব করে রমযান মাসে মাগরিবের নামায পড়ছি এতে কী আমার গুনাহ্ হবে?    
2515 views

2 Answers

রমযান মাসে মাগরিবের নামায এশারের সাথে একত্রে পড়তে পারবেন কেবল তা আদায় করতে ভুলে বা ঘুমিয়ে গেলে। এশার নামাযের কিছুক্ষণ আগে যদি মাগরিবের নামায এর ওয়াক্ত থাকে তখন-ই মাগরিবের নামায পড়তে পারবেন অন্যথায় নয়। আপ নার কর্তব্য হচ্ছে ইফতারের পরেই মাগরিবের নামায পড়ে নেয়া। ইচ্ছাকৃত বিলম্ব করে রমযান মাসে মাগরিবের নামায এশার ওয়াক্ত পড়ায় এতে গুনাহ্ হবে। কেউ যখন নামায আদায়ের কথা ভুলে যায় সে যেন স্মরণ হওয়া মাত্রই তা আদায় করে নেয় এটাই হচ্ছে মুল কথা। এই কাযা নামায আদায়ের জন্য অন্য ওয়াক্ত পর্যন্ত বিলম্ব করা মোটেই উচিত নয়। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ অনিচ্ছাকৃত ভাবে নির্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে কেউ যদি নামায কাযা করে তবে তা অন্যায় নহে। অবশ্য জাগ্রত থাকাবস্হায় ইচ্ছাকৃতভাবে নামায কাযা করলে অন্যায় হবে। অতএব তোমাদের কেউ যখন নামায আদায়ের কথা ভুলে যায় সে যেন স্মরণ হওয়া মাত্রই তা আদায় করে এবং পরবর্তী দিন উক্ত সময়ের নামাযটি তার নির্ধারিত সময়ে যেন আদায় করে। (সূনান আবু দাউদ, হাদিস নম্বরঃ ৪৩৭ হাদিসের মানঃ সহিহ)। কারো যদি একাধিক সালাত কাযা হয়ে যায় তবে কোন সালাত থেকে তা আরম্ভ করবে? আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, মুশরিকরা খন্দক যুদ্ধের সময় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে চার ওয়াক্ত সালাত আদায়ে বিঘ্ন সৃষ্টি করে। এমনকি রাতের কিছু অংশ অতিবাহিত হয়ে যায় কিন্তু তিনি সালাত আদায় করতে পারলেন না। পরে তিনি বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহু কে আযান দিতে বললেন। বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহ আযান দিয়ে ইকামত দিলেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহরের সালাত আদায় করলেন। পরে আবার তিনি ইকামত দিলেন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসরের সালাত আদায় করলেন। পরে তিনি আবার ইকামত দিলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। এরপর তিনি পুনরায় ইকামত দিলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইশার সালাত আদায় করলেন। (সূনান তিরমিজী, হাদিস নম্বরঃ ১৭৯ হাদিসের মানঃ হাসান)।

2515 views

আপনি ক্যালেন্ডার দেখতে পারেন ক্যালেন্ডারের দেওয়া  টাইম অনুযায়ী যদি আপনার নামাজ আদায় হয় তাহলে নামাজ হয়ে যাবে অন্যথায় আপনার নামাজ আদায় হবে না। যেমন ধরুন এশার এর টাইম বা ওয়াক্ত আসে সাতটা 55 মিনিটে এখন আপনি যদি মাগরিবের নামাজ এই সময় এর আগে পড়েন তাহলে হয়ে যাবে অন্যথায় হবে না।

2515 views

Related Questions