মোটা হতে চাই। নিচের বিষয় গুলো পরে সঠিক উত্তর দিবেন প্লিজ?
5 Answers
ঔষধ খেয়ে কেউ স্থায়ী ভাবে মোটা হতে পারে না। যদিও মোটা হয় সেটা কিছুদিনের জন্য। আর এ ঔষধ গুলার সাইডএফেক্ট এর প্রভাব বেশি। যা সেবনের ফলে আপনার কিডনি, এবং মানব দেহের সকল অঙ্গপ্রত্যঙ্গ গুলোকে দুর্বল করে দেয়। তাই এ ঔষধ গুলো সেবন না করে আপনি প্রাকৃতিক উপায়ে মোটা হতে পারেন। আপনার স্বাস্থ্য না হওয়ার কারন হলো আপনার সাদা প্রসাব। যেটাকে মেহো রোগ বলা হয়। আপনি ভালো কোন হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ খেয়ে যান আশা করি ভালো হয়ে যাবেন। আর মোটা হওয়ার জন্য আপনি আমিষ জাতীয় খাবার বেশি পরিমানে খান যেমন : দুধ,ডিম, মাংস প্রচুর পরিমে শাকসবজি খান। বেশি বেশি করে ঘুমান, আশা করি কিছুদির মধ্যে আপনি মোটা হয়ে যাবেন।
আপনি প্রতিদিন তৈলাক্ত জাতীয় খাবার বেশি খাবেন.আর রান্না করার জন্য সব সময় সোয়াবিন তৈল ব্যবহার করবেন.তাহলে সমস্যার সমাধান হবে.
আমি সিনকারা খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি। এটি সকালে এবং রাতে খাওয়ার পর খাবেন। কোনো সাইড ইফেক্ট নেই। এছাড়া আমিষ জাতিয় খাবার বেশি পরিমানে খেলে মোটা হওয়া যায়। গরুর মাংস,দুধ,ডিম পরিমানে বেশি খেলেও ভাল ফল পাওয়া যায়। এছাড়া ফাস্টফুড জাতিয় খাবার এবং কোকাকোলা খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি। শারীরিক শ্রম করা কমিয়ে দিন।
দেখুন মোটা হওয়ার জন্য এমন কোন ঔষধ। আমার জানামতে নেই। যার পাশ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। আগে ডাক্তার দেখিয়ে সাদাস্রাব যাওয়া বন্ধ করুন। সুস্থ হলে পুষ্টিকর খাবার খেলে সাস্থ বেড়ে হয়ে যাবে। ইনশাআল্লাহ।
প্রথমত বলি যে শরীরির মোটা হওয়ার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়া কোন ঔষধ নেই যা সেবন স্বাস্থ্য স্থায়ী ভাবে মোটা হয়।
শুধু মাত্র স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাবারের মাধ্যমেই স্বাস্থ্য ভালো রাখতে পারবে।
তবে তার আগে মেয়েটির মূল সমস্যা টি সমাধান করতে হবে যা হলো সাদা স্রাব । এই সাদা স্রাব থেকে পরিত্রান পেলেই তার স্বাস্থ্যের উন্নতি হবে। তবে তার
-
কখনও অনেক সময়ের জন্য খালি পেটে থাকা যাবে না।
-
খুব বেশি জরায়ু চুলকালে কুসুম গরম পানিতে লবন দিয়ে, জরায়ুর মুখ ভালো করে ধুতে হবে।
-
জরায়ুর মুখ সবসময় পরিষ্কার এবং শুকনো রাখতে হবে। মনে রাখতে হবে জরায়ুর মুখ ভেজা থাকে বলেই বেশি ইনফেকশন হয়।
-
স্যানিটারি ন্যাপকিন ৫ ঘণ্টা অন্তর অন্তর বদলাতে হবে।
-
তবে সাদাস্রাব খুব বেশি আকার ধারন করলে ডাক্তার এর শরণাপন্ন হতে হবে। যোনির মুখ পরিষ্কার এবং শুকনো রাখলে, ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যায়।
-
এছাড়াও যৌনাঙ্গ পরিষ্কার রাখুন সবসময়। আর প্রসাব বা পায়খানা করার সময় হাত দিয়ে সামনে থেকে পেছনে এই নিয়মে পরিষ্কার করতে হবে। খেয়াল রাখবেন পায়খানার রাস্তার জীবাণু যেন যোনিতে না লাগে।
-
সুতির কাপড় দিয়ে তৈরি অন্তর্বাস বা পেন্টি পরুন।
-
মাসিকের সময় নোংরা কাপড় ব্যবহার করবেন না। পরিষ্কার প্যাড ব্যবহার করুন।